মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাব

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাব
মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাবের লোগো.svg
দলীয় তথ্য
প্রতিষ্ঠাকাল১৭৮৭
১৮১৪ থেকে বর্তমান মাঠে
স্বাগতিক ভেন্যুলর্ড’স ক্রিকেট গ্রাউন্ড
অফিসিয়াল ওয়েবসাইটwww.lords.org/mcc

মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাব (এমসিসি) টমাস লর্ড কর্তৃক ১৭৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত লন্ডনভিত্তিক ক্রিকেট ক্লাব। এ ক্লাবটি বিশ্বের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেট ক্লাবরূপে পরিচিত ও বিশ্বের সর্বাপেক্ষা বিশাল ক্রিকেট ব্র্যান্ড।[১] ক্রিকেটের ইতিহাসে এ ক্লাবের ভূমিকা অপরিসীম। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এ ক্লাবটি সর্বাপেক্ষা সক্রিয় ও জনপ্রিয় ক্রিকেট ক্লাবের মর্যাদা পেয়ে আসছে। ক্রিকেটের স্বর্গভূমি নামে পরিচিত লর্ড’স ক্রিকেট গ্রাউন্ডের স্বত্ত্বাধিকারীর ভূমিকায় রয়েছে এমসিসি। এখানে ক্লাবের সদর দফতর অবস্থিত।

ক্রিকেটের সাবেক পরিচালনা পরিষদের ভূমিকায় ছিল এমসিসি। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ইংল্যান্ডের শীর্ষস্থানীয় ক্রিকেট ক্লাবের মর্যাদা পায়। পাশাপাশি ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসের ক্রিকেট পরিচালনা পরিষদেরও দায়িত্ব নেয় এ ক্লাব। এছাড়াও, বৈশ্বিক ক্রিকেটের আইন প্রণয়নে এ ক্লাবটি নেতৃত্ব দেয়। ১৯৯৩ সালে অনেকগুলো বিষয় আইসিসি’র কাছে হস্তান্তর করে। একই সময়ে ইংল্যান্ডের খেলা পরিচালনার ক্ষেত্রেও এর ক্ষমতা টেস্ট ও কাউন্টি ক্রিকেট বোর্ড (টিসিসিবি)’র কাছে প্রদান করে। এখনো এমসিসি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের সাথে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংক্রান্ত বিষয়ে পরামর্শকের ভূমিকায় রয়েছে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৭৮৭ সালে এমসিসি প্রতিষ্ঠিত হয়।[note ১] টমাস লর্ড কর্তৃক গ্রাউন্ড ক্রয়ের মাধ্যমে এ ক্লাবের প্রতিষ্ঠা ঘটে। পরবর্তীতে এর গঠনতন্ত্র অষ্টাদশ শতকের শুরুর দিকে অথবা তারও আগে পুণরায় রচিত হয়।[২] পুরনো ক্লাবকে বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ভদ্রলোকদের ক্লাব বা ক্রিকেট ক্লাব নামে পরিচিতি পায়। মূলতঃ সামাজিক কার্যক্রম ও জুয়াখেলার ক্লাব হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেলেও লন্ডন ক্রিকেট ক্লাব, জকি ক্লাব, হ্যাম্বলডন ক্লাব, হোয়াইট কন্ডুইট ক্লাবের সাথে এর সংশ্লিষ্টতা ছিল।

১৭৮০-এর দশকে সদস্যরা হোয়াইট কন্ডুইট ক্লাবে ক্রিকেট দল গঠন করলে তারা খেলার স্থানটি জনবহুলরূপে আখ্যায়িত করার মাধ্যমে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। সদস্যরা পেশাদার বোলার টমাস লর্ডসকে আরও নিরিবিলি মাঠের জন্য অনুরোধ করেন যা লন্ডন থেকে বেশী দূরের হবে না। তারা যে-কোন ধরনের আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকিও গ্রহণ করেন। যখন লর্ডস নতুন মাঠ উদ্বোধন করেন তখন ভদ্রলোকদের ক্লাবও স্থানান্তরিত হয়। তারা এ ক্লাবের পুণঃনামকরণ করেন মেরি-লে-বোন ক্লাব নামে।

কার্যক্রম[সম্পাদনা]

১৭৮৮ সালে ক্রিকেটের আইন প্রণয়নের দায়িত্ব নেয় এমসিসি।[৩] এরপর থেকেই অদ্যাবধি সময় সময়ে আইন সংশোধন করে আসছে ও এ আইনের স্বত্ত্বাধিকারী।[৪] এটি নিজেদের দলের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রাখে। কোনটিকে আবার প্রথম-শ্রেণীর পর্যায়ে উপনীত করে যা প্রতিপক্ষের মর্যাদার উপর নির্ভর করে। এপ্রিলে ইংরেজ মৌসুমের শুরুতে তা চিহ্নিত করের এমসিসি কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপে অংশগ্রহণ করে। সকল ক্রিকেট খেলুড়ে দেশে নিয়মিতভাবে সফর করে। এছাড়াও, ক্রিকেটের উন্নয়নে ২০০৬ সালে আফগানিস্তান সফর করে। ব্রিটেনের সকল স্তরের ক্রিকেটে বিশেষ করে বিদ্যালয়ের জন্য খেলার সময়সূচী প্রণয়ন করে।

ক্লাব কর্মকর্তা[সম্পাদনা]

২০১৩-১৪ মৌসুমে ক্লাবের বর্তমান কর্মকর্তাগণ হচ্ছেন:[৫]

পাদটীকা[সম্পাদনা]

  1. The only evidence for this is a poster for an 1837 match proclaiming the MCC's Golden Jubilee.

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Pringle, Derek। "MCC appoint Derek Brewer as new chief executive"। Telegraph। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-০৫-১৩ 
  2. Leach, John (২০০৭)। "From Lads to Lord's, The History of Cricket: 1781 – 1786: 1787 – Lord's and the MCC"। ২৯ জুন ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০১২ 
  3. Chris Roberts, Heavy Words Lightly Thrown: The Reason Behind Rhyme, Thorndike Press,2006 (আইএসবিএন ০-৭৮৬২-৮৫১৭-৬).
  4. "Preface"Laws of Cricket। MCC। ১১ মার্চ ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মার্চ ২০১৪ 
  5. "Meet MCC Committee | Lord's"। Lords.org। ২০১৩-০৩-১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-০২-১২ 
  6. Bose, Mihir (মার্চ ১, ২০১৩)। "At home: Derek Brewer"ft.com। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ২, ২০১৩ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

  • Harry Altham, A History of Cricket, Volume 1 (to 1914), George Allen & Unwin, 1962.
  • Derek Birley, A Social History of English Cricket, Aurum, 1999.
  • Rowland Bowen, Cricket: A History of its Growth and Development, Eyre & Spottiswoode, 1970.
  • G. B. Buckley
    • Fresh Light on 18th Century Cricket, Cotterell, 1935.
    • Fresh Light on Pre-Victorian Cricket, Cotterell, 1937.
  • David Frith, The Golden Age of Cricket 1890-1914, Lutterworth, 1978.
  • Stephen Green, Lord's, Cathedral of Cricket The History Press Ltd, 2003.
  • Arthur Haygarth, Scores & Biographies, Volume 1 (1744–1826), Lillywhite, 1862.
  • John Major, More Than A Game, HarperCollins, 2007.
  • Jonathan Rice, Presidents of MCC, Methuen Publishing, 2006.
  • Graeme Wright, Wisden at Lord's, Wisden, 2005.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]