২০১৫ অ্যাশেজ সিরিজ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
২০১৫ অ্যাশেজ সিরিজ
Part of ২০১৫ অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ড সফর
230px
দি ইনভেসটেক অ্যাশেজ সিরিজ, ২০১৫-এর লোগো
তারিখ৮ জুলাই - ২৪ আগস্ট, ২০১৫
অবস্থানইংল্যান্ড
ফলাফলইংল্যান্ড ৩-২ ব্যবধানে সিরিজ বিজয়ী
সিরিজ সেরাক্রিস রজার্স (অস্ট্রেলিয়া) ও জো রুট (ইংল্যান্ড)[১]
কম্পটন-মিলার পদক:
জো রুট
দলসমূহ
 ইংল্যান্ড  অস্ট্রেলিয়া
অধিনায়ক
অ্যালাস্টেয়ার কুক মাইকেল ক্লার্ক
সর্বাধিক রান
স্টিভ স্মিথ (৫০৮)
ক্রিস রজার্স (৪৮০)
ডেভিড ওয়ার্নার (৪১৮)
জো রুট (৪৬০)
অ্যালাস্টেয়ার কুক (৩৩০)
মইন আলী (২৯৩)
সর্বাধিক উইকেট
মিচেল স্টার্ক (১৮)
জস হজলউড (১৬)
নাথান লায়ন (১৬)
স্টুয়ার্ট ব্রড (২১)
স্টিভেন ফিন (১২)
মইন আলী (১২)

২০১৫ অ্যাশেজ সিরিজ (ইংরেজি: 2015 Ashes series) ইংল্যান্ডঅস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার টেস্ট ক্রিকেট সিরিজভূক্ত খেলা। ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১১ তারিখে ২০১৫ সালের অ্যাশেজ সিরিজ খেলার জন্য লর্ড’স, ট্রেন্ট ব্রিজ, সোফিয়া গার্ডেন্স, এজবাস্টন এবং ওভালকে নির্ধারণ করা হয়েছিল।[২] খেলার সময়সূচী ১২ মে, ২০১৪ তারিখে ঘোষণা করা হয়।[৩]

দলীয় সদস্য[সম্পাদনা]

৩১ মার্চ, ২০১৫ তারিখে অ্যাশেজ সিরিজের জন্য অস্ট্রেলিয়া দল তাদের ১৭-সদস্যের তালিকা প্রকাশ করে।[৪] ১ জুলাই ইংল্যান্ড দল প্রথম টেস্টের জন্য দলের সদস্যদের তালিকা ঘোষণা করে।[৫] অস্ট্রেলীয় ফাস্ট-বোলার রায়ান হ্যারিস তার দীর্ঘদিনের হাঁটুর আঘাতের কারণে সিরিজ শুরু হবার পূর্বে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন। তার পরিবর্তে নিউ সাউথ ওয়েলসের ফাস্ট-বোলার প্যাট কামিন্সকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।[৬]

 অস্ট্রেলিয়া[৪]  ইংল্যান্ড[৫]

সিরিজ শুরুর পূর্বে রায়ান হ্যারিস অবসর নেয়ায় তার পরিবর্তে প্যাট কামিন্সকে স্থলাভিষিক্ত করা হয়।[৬]

টেস্ট সিরিজ[সম্পাদনা]

১ম টেস্ট[সম্পাদনা]

৮-১২ জুলাই
স্কোরকার্ড
৪৩০ (১০২.১ ওভার)
জো রুট ১৩৪ (১৬৬)
মিচেল স্টার্ক ৫/১১৪ (২৪.১ ওভার)
৩০৮ (৮৪.৫ ওভার)
ক্রিস রজার্স ৯৫ (১৩৩)
জেমস অ্যান্ডারসন ৩/৪৩ (১৮.৫ ওভার)
২৮৯ (৭০.১ ওভার)
ইয়ান বেল ৬০ (৮৯)
জো রুট ৬০ (৮৯)
নাথান লায়ন ৪/৭৫ (২০.১ ওভার)
২৪২ (৭০.৩ ওভার)
মিচেল জনসন ৭৭ (৯৪)
স্টুয়ার্ট ব্রড ৩/৩৯ (১৪ ওভার)
ইংল্যান্ড ১৬৯ রানে বিজয়ী
সোফিয়া গার্ডেন্স, কার্ডিফ
আম্পায়ার: কুমার ধর্মসেনা (শ্রীলঙ্কা) ও মারাইজ ইরাসমাস (দক্ষিণ আফ্রিকা)
ম্যাচসেরা: জো রুট (ইংল্যান্ড)
  • ইংল্যান্ড টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • ১ম দিনে বৃষ্টির কারণে ১১:১৫ পর্যন্ত খেলা শুরু করা যায়নি।

২য় টেস্ট[সম্পাদনা]

১৬-২০ জুলাই
স্কোরকার্ড
৫৬৬/৮ডি. (১৪৯ ওভার)
স্টিভ স্মিথ ২১৫ (৩৪৬)
স্টুয়ার্ট ব্রড ৪/৮৩ (২৭ ওভার)
৩১২ (৯০.১ ওভার)
অ্যালাস্টেয়ার কুক ৯৬ (২৩৩)
মিচেল জনসন ৩/৫৩ (২০.১ ওভার)
২৫৪/২ ডি. (৪৯ ওভার)
ডেভিড ওয়ার্নার ৮৩ (১১৬)
মইন আলী ২/৭৮ (১৬ ওভার)
১০৩ (৩৭ ওভার)
স্টুয়ার্ট ব্রড ২৫ (১৭)
মিচেল জনসন ৩/২৭ (১০ ওভার)
অস্ট্রেলিয়া ৪০৫ রানে বিজয়ী
লর্ড’স, লন্ডন
আম্পায়ার: কুমার ধর্মসেনা (শ্রীলঙ্কা) ও মারাইস ইরাসমাস (দক্ষিণ আফ্রিকা)
ম্যাচসেরা: স্টিভ স্মিথ (অস্ট্রেলিয়া)
  • অস্ট্রেলিয়া টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে পিটার নেভিলের টেস্ট অভিষেক ঘটে।

৩য় টেস্ট[সম্পাদনা]

২৯ জুলাই - ২ আগস্ট
স্কোরকার্ড
১৩৬ (৩৬.৪ ওভার)
ক্রিস রজার্স ৫২ (৮৯)
জেমস অ্যান্ডারসন ৬/৪৭ (১৪.৪ ওভার))
২৮১ (৬৭.১ ওভার)
জো রুট ৬৩ (৭৫)
নাথান লায়ন ৩/৩৬ (১৩ ওভার)
২৬৫ (৭৯.১ ওভার)
ডেভিড ওয়ার্নার ৭৭ (৬২)
স্টিভেন ফিন ৬/৭৯ (২১ ওভার)
১২৪/২ (৩২.১ ওভার)
ইয়ান বেল ৬৫* (৯০)
জস হজলউড ১/২১ (৭ ওভার)
ইংল্যান্ড ৮ উইকেটে বিজয়ী
এজবাস্টন, বার্মিংহাম
আম্পায়ার: আলীম দার (পাকিস্তান) ও ক্রিস গফানি (নিউজিল্যান্ড)
ম্যাচসেরা: স্টিভেন ফিন (ইংল্যান্ড)
  • অস্ট্রেলিয়া টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • বৃষ্টির কারণে ১ম দিনে ৬৬ ওভার খেলা হয়।
  • শেন ওয়ার্নের পর দ্বিতীয় অস্ট্রেলীয় হিসেবে মিচেল জনসন ৩০০ উইকেট ও ২,০০০ টেস্ট রান সংগ্রহ করেন।[৭]

৪র্থ টেস্ট[সম্পাদনা]

৬-১০ আগস্ট
স্কোরকার্ড
৬০ (১৮.৩ ওভার)
মিচেল জনসন ১৩ (২৫)
স্টুয়ার্ট ব্রড ৮/১৫ (৯.৩ ওভার)
৩৯১/৯ডি (৮৫.২ ওভার)
জো রুট ১৩০ (১৭৬)
মিচেল স্টার্ক ৬/১১১ (২৭ ওভার)
২৫৩ (৭২.৪ ওভার)
ডেভিড ওয়ার্নার ৬৪ (৭৪)
বেন স্টোকস ৬/৩৬ (২১ ওভার)
ইংল্যান্ড ইনিংস ও ৭৮ রানে বিজয়ী
ট্রেন্ট ব্রিজ, নটিংহাম
আম্পায়ার: আলীম দার (পাকিস্তান) ও এস. রবি (ভারত)
ম্যাচসেরা: স্টুয়ার্ট ব্রড (ইংল্যান্ড)
  • ইংল্যান্ড টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • ১ম দিন বৃষ্টির কারণে ১১:০৫ পর্যন্ত খেলা হয়নি।
  • ২য় দিন মন্দ আলোকের জন্য ১৮:২৭-এ খেলা শেষ হয়।

৫ম টেস্ট[সম্পাদনা]

২০-২৪ আগস্ট
স্কোরকার্ড
৪৮১ (১২৫.১ ওভার)
স্টিভ স্মিথ ১৪৩ (২৫২)
স্টিভেন ফিন ৩/৯০ (২৯.১ ওভার)
১৪৯ (৪৮.৪ ওভার)
মইন আলী ৩০ (৬১)
মিচেল জনসন ৩/২১ (৮.৪ ওভার)
২৮৬ (১০১.৪ ওভার) (এফ/ও)
অ্যালাস্টেয়ার কুক ৮৫ (২৩৪)
পিটার সিডল ৪/৩৫ (২৪.৪ ওভার)
অস্ট্রেলিয়া ইনিংস ও ৪৬ রানে বিজয়ী
দি ওভাল, লন্ডন
আম্পায়ার: আলীম দার (পাকিস্তান) ও কুমার ধর্মসেনা (শ্রীলঙ্কা)
ম্যাচসেরা: স্টিভ স্মিথ (অস্ট্রেলিয়া)
  • ইংল্যান্ড টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • ১ম দিন ১৭:২৫ থেকে ১৭:৫০ পর্যন্ত বৃষ্টির কারণে খেলা হয়নি।
  • ৪র্থ দিন ১২:১৬ থেকে ১৪:৫৫ পর্যন্ত বৃষ্টির কারণে খেলা হয়নি।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Australia tour of England and Ireland, 5th Investec Test: England v Australia at The Oval, Aug 20-23, 2015"ESPN CricInfo। সংগ্রহের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০১৫Players of the series - CJL Rogers (Australia) and JE Root (England) 
  2. "Trent Bridge to host Ashes Tests in 2013 and 2015"BBC Sport। British Broadcasting Corporation। ২২ সেপ্টেম্বর ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ২২ সেপ্টেম্বর ২০১১ 
  3. "Ashes 2015: England and Australia open Test series in Cardiff"BBC Sport। British Broadcasting Corporation। ১২ মে ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০১৪ 
  4. "Ashes 2015: Australia announce squad to tour England"। BBC Sport। ৩১ মার্চ ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০১৫ 
  5. "Ashes 2015: England include Adil Rashid in 13-man squad"। BBC Sport (British Broadcasting Corporation)। ১ জুলাই ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২ জুলাই ২০১৫ 
  6. "Injury forces Ryan Harris to retire"। ESPN Cricinfo। ৪ জুলাই ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুলাই ২০১৫ 
  7. "All-round records - Test matches - Cricinfo Statsguru - ESPN Cricinfo"ESPNcricinfo। ESPN Sports Media। সংগ্রহের তারিখ ৯ আগস্ট ২০১৫