নিক নাইট

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
নিক নাইট
ক্রিকেট তথ্য
ব্যাটিংয়ের ধরন বামহাতি
বোলিংয়ের ধরন ডানহাতি মিডিয়াম
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই
ম্যাচ সংখ্যা ১৭ ১০০
রানের সংখ্যা ৭১৯ ৩৬৩৭
ব্যাটিং গড় ২৩.৯৬ ৪০.৪১
১০০/৫০ ১/৪ ৫/২৫
সর্বোচ্চ রান ১১৩ ১২৫*
বল করেছে
উইকেট
বোলিং গড় - -
ইনিংসে ৫ উইকেট - -
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং - -
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ২৬/০ ৪৪/০
উৎস: CricInfo, ১ জুন ২০১৫

নিকোলাস ভেরিটি নাইট (জন্ম: ২৮ নভেম্বর, ১৯৬৯) হার্টফোর্ডশায়ারের ওয়াটফোর্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক ইংরেজ ক্রিকেটার। নাইটের মাঝের নামটি ১৯৩০-এর দশকে ইংল্যান্ডের টেস্ট বোলারদ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত হওয়া দূরসম্পর্কীয় আত্মীয় হেডলি ভেরিটি’র সম্মানার্থে রাখা হয়।[১] নিক নাইট ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে টেস্ট ও একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশ নিয়েছেন। তিনি মূলতঃ বামহাতি উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ছিলেন। পাশাপাশি ফিল্ডিংয়েও চমকপ্রদ দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন।

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

টেস্ট ক্রিকেটে তাকে বেশ কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে। ১৭ টেস্টে অংশ নিয়ে তিনি মাত্র একটিমাত্র সেঞ্চুরির সন্ধান পেয়েছেন। ১৯৯৬ সালে হেডিংলিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১১৩ রান তুলেছিলেন তিনি। পরবর্তী সেরা সংগ্রহ ছিল ৯৬ যা তিনি ১৯৯৬-৯৭ মৌসুমে বুলাওয়েতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ড্র হওয়া টেস্টে করেছিলেন। বৃহৎ রান সংগ্রহ না করার অন্যতম কারণ ছিল তাঁর ব্যাটিং কৌশল। প্রকৃত ফাস্ট বোলারদের মুখোমুখি হতে তিনি কখনো ভয় পাননি। শর্ট বলেই তিনি অধিকাংশ সময় আউট হয়েছেন। স্লিপে কিংবা উইকেট-কিপারের হাতে আউট হতে হয়েছে তাকে। ফিল্ডিং খুব সুন্দর ছিল তার এবং কঠোর পরিশ্রমী হওয়া স্বত্ত্বেও ইংল্যান্ড দলে বেশীদিন খেলতে পারেননি। অথচ ঐ সময় ইংল্যান্ড দলে তেমন ভাল ব্যাটসম্যান ছিল না। মাইকেল অ্যাথারটনমার্ক বুচারের সাথেই অধিকাংশ সময় দলে একত্রে কাটিয়েছেন। অ্যাথারটনের অধিনায়কত্বে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত স্বয়ংক্রিয়ভাবে উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানরূপে মাঠে নেমেছেন তিনি।

১৯৯৬ সালে ওডিআই অভিষেক ঘটে তার। নিজস্ব দ্বিতীয় ও তৃতীয় ওডিআইয়ে ওয়াসিম আকরাম এবং ওয়াকার ইউনুসের ন্যায় পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণ প্রতিহত করে ধারাবাহিকভাবে দু’টি শতরান তুলেছেন। টেস্টের তুলনায় একদিনের আন্তর্জাতিকে অধিকত সফলকাম ছিলেন ও দলের নিয়মিত সদস্যরূপে অংশ নিয়েছেন। তার সমসাময়িক মাইকেল বেভান যেরূপ সফলতা পেয়েছেন, নাইটও একই ধরনের দলের ইনিংস শেষ করতে সক্ষম হয়েছেন। অথচ, তার তুলনায় ইংল্যান্ডের পক্ষে অধিক ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছেন নাইট।

ক্রিকেট বিশ্বকাপ[সম্পাদনা]

১৯৯৯ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড দলের সদস্য হলেও ২০০৩ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো অংশ নেন। ঐ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড দল সফলতা না পেলেও তিনি বেশ ভাল অবস্থানে ছিলেন। শোয়েব আখতারের আনুষ্ঠানিকভাবে ১০০ মাইল গতিবেগের রেকর্ড ভঙ্গকারী বলটিই ছিল তার প্রথম মোকাবেলা।[২] ঐ বল থেকে তিনি এক রান সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন। ২০০৩ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ শেষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেন তিনি। বর্তমানে তিনি স্কাই স্পোর্টস ক্রিকেট ধারাভাষ্যকার দলের সদস্য হিসেবে কর্মরত।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]