স্টিভ জেমস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
স্টিভ জেমস
ক্রিকেট তথ্য
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৮৫–২০০৩গ্ল্যামারগন
১৯৮৯–১৯৯০কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়
১৯৯/৯৪–১৯৯৪/৯৫ম্যাশোনাল্যান্ড
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ২৪৫ ২৩৮
রানের সংখ্যা ৭১ ১৫৮৯০ ৭০৪০
ব্যাটিং গড় ১৭.৭৫ ৪০.৬৩ ৩৪.৫০
১০০/৫০ -/- ৪৭/৫৮ ৭/৪৯
সর্বোচ্চ রান ৩৬ ৩০৯* ১৩৫
বল করেছে - -
উইকেট - - -
বোলিং গড় - - -
ইনিংসে ৫ উইকেট - - -
ম্যাচে ১০ উইকেট - - -
সেরা বোলিং - - -
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং -/- ১৭৩/- ৬০/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো, ২ ডিসেম্বর ২০১৮

স্টিফেন পিটার জেমস (ইংরেজি: Steve James; জন্ম: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৭) গ্লুচেস্টারশায়ারের লিডনে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী প্রতিভাধর ও সাবেক ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও সাংবাদিক। ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৯৮ সময়কালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন। ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে গ্ল্যামারগন ও জিম্বাবুয়ের ঘরোয়া ক্রিকেটে ম্যাশোনাল্যান্ড দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। দলে মূলতঃ ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন স্টিভ জেমস। এছাড়াও, ডানহাতি মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন তিনি।

কাউন্টি ক্রিকেট[সম্পাদনা]

ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ১৯৮৫ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত গ্ল্যামারগনের পক্ষে ১৭ মৌসুম অতিবাহিত করেন। এ সময়ে ২৪৫টি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়ে ৪০ ঊর্ধ্ব গড়ে ১৫,৮৯০ রান তুলেন। এ পর্যায়ে ৪৭টি সেঞ্চুরি করার গৌরব অর্জন করেন। তন্মধ্যে, ২০০০ সাসেক্সের বিপক্ষে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ অপরাজিত ৩০৯ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। এ ইনিংসটি অদ্যাবধি গ্ল্যামারগনের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের মর্যাদা পাচ্ছে।[১]

নয় মৌসুমে সহস্রাধিক রান তুলেছিলেন তিনি। ১৯৯৬ সালে ১,৭৬৬ রান তোলার পর পরের বছরই ১,৭৭৫ রান তুলেছিলেন। ফলশ্রুতিতে ইংল্যান্ড এ দলের পক্ষে খেলার জন্য মনোনীত হন। ঘরোয়া ক্রিকেটে দূর্দান্ত ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৯৭ প্রফেসনাল ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েন কর্তৃপক্ষ তাকে পিসিএ বর্ষসেরা খেলোয়াড় হিসেবে নামাঙ্কিত করে।

প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের শেষ তিন মৌসুম গ্ল্যামারগন দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। গ্ল্যামারগনে খেলার পাশাপাশি দুই মৌসুম জিম্বাবুয়ের ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট লীগে ম্যাশোনাল্যান্ড দলের পক্ষে খেলেছিলেন স্টিভ জেমস। ২০০৩ সালে ৩৫ বছর বয়সে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটকে বিদায় জানান।

টেস্ট ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সুন্দর খেলা প্রদর্শনের ফলে টেস্ট খেলার জন্য তাকে ইংরেজ দলে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। ১৮ জুন, ১৯৯৮ তারিখে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে স্টিভ জেমসের। এরপর ২৭ আগস্ট, ১৯৯৮ তারিখে নিজস্ব দ্বিতীয় ও সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি। সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে মাত্র দুই টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ হয় স্টিভ জেমসের। চার ইনিংসে অংশ নিয়ে সর্বমোট ৭১ রান তুলতে পেরেছেন তিনি। ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান করেন ৩৬।

অবসর[সম্পাদনা]

২০০৩ সালে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট থেকে অবসর নেয়ার পর সাংবাদিকতার দিকে ঝুঁকে পড়েন তিনি। সানডে টেলিগ্রাফে ক্রিকেট ও রাগবি খেলার প্রতিবেদন লিখছেন। এছাড়াও, ডেইলি টেলিগ্রাফে মাঝেমাঝে এ বিষয়ে লিখে থাকেন।[২] এরপর ২০১৬ সালের বড়দিনের পূর্বে এ দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেন। [৩] বর্তমানে টাইমসের সাথে জড়িত তিনি।

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

ক্রিকেট খেলার পাশাপাশি রাগবি খেলায়ও তিনি সিদ্ধহস্তের পরিচয় দিয়েছেন। লিডনে আর.এফ.সি দলের পক্ষে ফুল ব্যাক অবস্থানে খেলতেন। ১৯৮৫-৮৬ মৌসুম থেকে ১৯৯৫-৯৬ মৌসুম পর্যন্ত খেলোয়াড়ী জীবন পার করে ১৪০ পয়েন্ট লাভ করেন। তন্মধ্যে, ৮১ খেলায় অংশ নিয়ে ৩১ ট্রাইজ ছিল তার।[৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]