হরিচাঁদ ঠাকুর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
হরিচাঁদ ঠাকুর
Replace this image male bn.svg
জন্ম পূর্ণব্রহ্ম শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর
(১৮১২-০৩-১১)১১ মার্চ ১৮১২
সফলাডাঙ্গা, বাংলা, ব্রিটিশ ভারত
মৃত্যু ৫ মার্চ ১৮৭৮(১৮৭৮-০৩-০৫) (৬৫ বছর)

হরিচাঁদ ঠাকুর (মার্চ ১১, ১৮১২ - মার্চ ৫, ১৮৭৮) মতুয়া ধর্মের প্রবর্তক ছিলেন। তিনি নিম্নবর্ণের হিন্দুদের (নমঃশূদ্র) উন্নয়নে কাজ করেছেন।

সংক্ষিপ্ত জীবনী[সম্পাদনা]

হরিচাঁদ ঠাকুর ১৮১২ খ্রিস্টাব্দের ১১ই মার্চ অবিভক্ত বাংলার গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানার অন্তর্গত ওঢ়াকাঁন্দির পার্শ্ববর্তী সফলাডাঙ্গা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাঁর মাতা-পিতার নাম অন্নপূর্ণা ও যশোমন্ত বৈরাগী। তার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা সেভাবে হয়নি, কিন্তু প্রেম-ভক্তির কথা সহজ-সরলভাবে প্রচার করতেন। বৈষ্ণব বাড়িতে জন্ম হওয়ার কারনে শাস্ত্র আলোচনার মাধ্যমে হিন্দু ও বৌদ্ধ শাস্ত্রের সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করেন, বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করার সুযোগে অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান অর্জন করেছিলেন তিনি।[১] তাঁর প্রচলিত সাধন পদ্ধতিকে বলা হতো মতুয়াবাদ। তাঁর দুই ছেলে গুরুচাঁদ ঠাকুর ও উমাচরণ। গুরুচাদ পিতা হরিচাদের মৃত্যুর পর মতুয়া ধর্মের উন্নতিসাধন, শিক্ষার প্রসারে ব্রতী হয়েছিলেন।[২] হরিচাঁদ ঠাকুরের জীবনী নিয়ে কবি রসরাজ তারক চন্দ্র সরকার শ্রীশ্রীহরিলীলামৃত নামক গ্রন্থটি রচনা করেন।[৩]হরিচাঁদ ঠাকুর কলি যুগের শেষ এবং শ্রীহরির পূর্ণ অবতার যা তার অনুসারিদের সকলে বিশ্বাস করেন। তাকে বলা হয় পতিতপাবন।

মৃত্যু[সম্পাদনা]

হরিচাঁদ ঠাকুর ১২৮৪ বঙ্গাব্দের (১৮৭৭) ২৩ ফাল্গুন মারা যান।

ঠাকুরবাড়ি ও মতুয়া ধাম[সম্পাদনা]

মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁর ঠাকুরবাড়ি ও মতুয়া ধাম বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থ কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। মতুয়া ধাম ঠাকুরনগর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ১ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত। প্রতিবছর চৈত্র মাসে মতুয়া সম্প্রদায়ের গুরু হরিচাঁদ ও তার পুত্র গুরুচাঁদ ঠাকুরের আদর্শে মতুয়া ধামে মতুয়া মহামেলা বসে।[৪][৫]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "দলিত মানুষের ত্রানকর্তা"banglanews24.com। সংগৃহীত ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ 
  2. "ঠাকুর, হরিচাঁদ"। সংগৃহীত ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ 
  3. http://www.banglapedia.org/httpdocs/HT/T_0133.HTM
  4. "ঠাকুরনগরে শুরু হল মতুয়া মেলা"। আনন্দবাজার পত্রিকা। ২১ মার্চ, ২০১২। সংগৃহীত ১৬.০১.২০১৭ 
  5. "Meet the matuas"Indian Express। সংগৃহীত ২৭-০৮-২০১৬ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]