ইরিত্রিয়া

স্থানাঙ্ক: ১৫°২৮′৫৯.৯৯″ উত্তর ৩৮°১৫′০.০০″ পূর্ব / ১৫.৪৮৩৩৩০৬° উত্তর ৩৮.২৫০০০০০° পূর্ব / 15.4833306; 38.2500000
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ইরিত্রিয়ার রাজ্য

Hagere Ertra
ሃገረ ኤርትራ
دولة إرتريا
Dawlat Iritriya
ইরিত্রিয়ার জাতীয় পতাকা
পতাকা
ইরিত্রিয়ার জাতীয় মর্যাদাবাহী নকশা
জাতীয় মর্যাদাবাহী নকশা
ইরিত্রিয়ার অবস্থান
রাজধানী
ও বৃহত্তম নগরী বা বসতি
আসমারা
সরকারি ভাষাআরবি1, ইংরেজি1, তিগ্রিনিয়া1 (অন্যান্য ভাষাসমূহ: তিগ্রে, সাহো, বিলেন, আফার, কুনামা, নরা, হ্যডারেব[১][২])
জাতীয়তাসূচক বিশেষণইরিত্রিয়ান
সরকারপরিবর্তনমূলক সরকার
ইসাইয়াস আফেওয়ের্কি
স্বাধীনতা
• ইতালি থেকে
নভেম্বর ১৯৪১
১৯৫১
২৪শে মে ১৯৯১
২৪শে মে ১৯৯৩
• পানি/জল (%)
০.১৪%
জনসংখ্যা
• জুলাই ২০০৯ আনুমানিক
৫,৬৭৩,৫২০[৩] (১১৭তম)
• ২০০৮ আদমশুমারি
৫,২৯১,৩৭০
জিডিপি (পিপিপি)২০০৯ আনুমানিক
• মোট
$৩.৮১৩ বিলিয়ন[৪] (১৬৭তম)
• মাথাপিছু
$৭৩৮.৬২[৪] (২১৩তম)
এইচডিআই (২০১৯)বৃদ্ধি ০.৪৫৯[৫]
নিম্ন · ১৮০তম
মুদ্রানাকফা (ERN)
সময় অঞ্চলইউটিসি+৩ (EAT)
• গ্রীষ্মকালীন (ডিএসটি)
ইউটিসি+৩ (পর্যবেক্ষণ করা হয়নি)
কলিং কোড২৯১
ইন্টারনেট টিএলডি.er
আসমারা প্যানোরামা, ইরিত্রিয়া

ইরিত্রিয়া উত্তর-পূর্ব আফ্রিকার একটি রাষ্ট্র। এর রাজধানীর নাম আসমারা। ইরিত্রিয়ার উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমে রয়েছে সুদান, দক্ষিণ ও পশ্চিমে ইথিওপিয়া ও দক্ষিণ-পূর্বে রয়েছে জিবুতি। দেশটির পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব দিকে লোহিত সাগরের পাড়ে সুবিস্তৃত উপকূলীয় অঞ্চল রয়েছে। ইরিত্রিয়া (/ ˌɛrɪətreˌɛ, ɪˈrɪˈtriːə, ইরিত্রিয়া রাজ্য পূর্ব রাজধানী আসমারা। এটি দক্ষিণে ইথিওপিয়া, পশ্চিমে সুদান এবং দক্ষিণ-পূর্বে জিবুতি দ্বারা সীমাবদ্ধ। ইরিত্রিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চল লোহিত সাগর বরাবর বিস্তৃত উপকূলরেখা রয়েছে। এই জাতির মোট আয়তন প্রায় ১১৭,৬০০ বর্গ কিমি (৪৫,৪০৬ বর্গ মাইল) এবং এর মধ্যে দহলাক দ্বীপপুঞ্জ এবং হানিশ দ্বীপপুঞ্জের বেশ কয়েকটি রয়েছে। দেশটি অতীতে ইতালিযুক্তরাজ্যের অধীনে ছিল। ১৯৫২ সালে ইথিওপিয়া দেশটিকে দখল করে। কিন্তু ইরিত্রিয়ার জনগণ স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু করে। দীর্ঘ যুদ্ধ শেষে ১৯৯৩ সালে দেশটি স্বাধীনতা লাভ করে। আসমারা দেশটির রাজধানী ও বৃহত্তম শহর

ইরিত্রিয়ার ভাষা[সম্পাদনা]

ইরিত্রিয়ার প্রায় অর্ধেক লোক তিগ্রিনিয়া ভাষাতে কথা বলেন। লক্ষাধিক বক্তাবিশিষ্ট অন্যান্য ভাষার মধ্যে রয়েছে আফার ভাষা, কুনামা ভাষা, সাহো ভাষা, বেদাউই ভাষা এবং তিগ্রে ভাষা। দেশটিতে আরবির বিভিন্ন উপভাষাও প্রচলিত। ইংরেজি ভাষা ক্রমেই একটি সার্বজনীন দ্বিতীয় ভাষাতে পরিণত হচ্ছে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. cy.revues.org
  2. ইরিত্রিয়া
  3. Department of Economic and Social Affairs Population Division (2009). "World Population Prospects, Table A.1" (.PDF). 2008 revision. United Nations. Retrieved on 2009-03-12.
  4. "Eritrea"। International Monetary Fund। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-১০-০১ 
  5. Human Development Report 2020 The Next Frontier: Human Development and the Anthropocene (PDF)। United Nations Development Programme। ১৫ ডিসেম্বর ২০২০। পৃষ্ঠা 343–346। আইএসবিএন 978-92-1-126442-5। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ডিসেম্বর ২০২০ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

সরকারি
সাধারণ তথ্য
অন্যান্য