বিড়াল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

বিড়াল
Cat poster 1.jpg
পোষ মানা
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: প্রাণী জগৎ
পর্ব: কর্ডাটা
উপপর্ব: মেরুদণ্ডী
মহাশ্রেণী: ন্যাথোস্টোমাটা
শ্রেণী: স্তন্যপায়ী
বর্গ: মাংসভুক/শ্বাপদ
পরিবার: ফেলিডি
গণ: Felis
প্রজাতি: F. silvestris
উপপ্রজাতি: F. s. catus
ত্রিপদী নাম
Felis silvestris catus
প্রতিশব্দ

Felis catus (subjective synonym)
Felis catus domestica (invalid junior synonym)[১]

বিড়াল একটি শ্বাপদ বর্গের অন্তর্গত স্তন্যপায়ী প্রাণী। এদেরকে গৃহপালিত বিড়াল-ও বলা হয়ে থাকে। বৈজ্ঞানিক নাম Felis silvestris catus বা Felis catus)। এরা মানুষের সাথে সঙ্গ দেওয়া এবং বাসা-বাড়ির বিভিন্ন রকম পোকা-মাকড় ও ইঁদুরজাতীয় প্রাণী শিকারের জন্য জনপ্রিয়। কমপক্ষে ৯,৫০০ বছর ধরে বিড়াল গৃহপালিত প্রাণী হিসেবে পরিচিত, এবং বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় গৃহপালিত প্রাণী। মানুষের সাথে গভীর সখ্যতার কারণে বর্তমানে বিড়াল প্রায় সারা পৃথিবীতেই একটি জনপ্রিয় গৃহপালিত প্রাণী হিসেবে বিবেচিত।শিশুরা এই সুন্দর প্রানীটিকে বিশেষভাবে পছন্দ করে।অনেক সন্তানহীন মানুষ বিড়ালকে সন্তানের মতোই পালন করে থাকেন।

বিড়াল খুবই আরামপ্রিয় এবং গৃহপালিত প্রাণী। প্রচলিত লোককথায় বিড়ালকে বাংলাদেশে বাঘের মাসি বলে ডাকা হয়। দুধ, মাছ, ছোট পাখি, হাঁস মুরগির বাচ্চা, ইঁদুর ইত্যাদি এর খাদ্য।প্রায়ই এরা রান্নাঘর থেকে মাছ, দুধ চুরি করে। ইঁদুর মারার জন্য পোষে অনেকে। এদের পায়ের নীচে নরম মাংশপিণ্ড থাকায় নি:শব্দে চলাচল করতে পারে। এরা গাছে চড়তে পারে, বিশেষত পাখির ছানা শিকারের জন্য বা কুকুরের সাথে ঝগড়া হলে এরা গাছে চড়ে । অধিকাংশ ক্ষেত্রে এরা গা ভেজাতে পছন্দ করে না।সাধারণ ১০-১২ " উচ্চতা এবং ১৪-১৮" লম্বা হয়।

বিড়াল

এদের চোখ পিঙ্গল, দৃষ্টিশক্তি মানুষের তুলনায় তীক্ষ্ণতর। নিশাচর বিধায় এরা রাতের তুলনায় দিনে কম দেখে।

প্রচলিত কথক[সম্পাদনা]

বিড়াল। একদিকে ষষ্ঠী দেবীর বাহন, অন্যদিকে আবার ‘ভ্যামপায়ার’। কথিত আছে, মিশরে বিড়াল দেবীরূপে পূজিত হন। নাম আবিসিনিয়ান। তাই মিশরে বিড়াল মারা একসময় ছিল গুরুতর অপরাধ। যার শাস্তি ছিল মৃত্যুদণ্ড। কথিত আছে, কোনও পোষ্য বিড়াল মারা গেলে, সেই পরিবারের সকল সদস্যকেই ভুরু কামিয়ে অশৌচ পালন করতে হত। জাপানিরা বলেন, মুমূর্ষু মানুষের কাছে বিড়াল ঘুরলে সে নাকি ওই মানুষটির আত্মা নিজের মধ্যে টেনে নিয়ে সে ‘ভ্যামপায়ার’ হয়ে যায়। অন্যদিকে স্ক্যান্ডিনেভিয়ায় (বর্তমান নরওয়ে, সুইডেন, ডেনমার্ক) দেবী ফ্লেজারের রথের সারথি ছিল কিন্তু এই বিড়ালই। ভূত-প্রেতের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার উদ্দেশ্যে জীবন্ত বিড়ালকে বাড়ির দেওয়ালে গেঁথে দেওয়ার রেওয়াজ ছিল জাপানিদের মধ্যে। তেমনই আবার, আইরিশরা ‘তৃতীয় নয়ন’ লাভের আশায় জীবন্ত বিড়ালের গায়ে আগুন লাগিয়ে দিত।[২]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "ITIS Standard Report Page: Felis catus domestica"op. cit.। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ডিসেম্বর ২০১১ 
  2. "মুখরোচক 'গল্প'"