সিংহ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সিংহ
সময়গত পরিসীমা: প্রাথমিক প্লেইস্টোসিন থেকে বর্তমান
Lion waiting in Namibia.jpg
পুরুষ সিংহ
Okonjima Lioness.jpg
স্ত্রী সিংহ
সংরক্ষণ অবস্থা
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য: Animalia
পর্ব: Chordata
শ্রেণী: Mammalia
বর্গ: Carnivora
পরিবার: Felidae
গণ: Panthera
প্রজাতি: P. leo
দ্বিপদী নাম
Panthera leo
(Linnaeus, 1758)
Lion distribution.png
Map Guj Nat Parks Sanctuary.png
ভারতে সিংহের বিস্তৃতি: গুজরাটের গির জাতীয় উদ্যান প্রায় ৪০০ এশীয় সিংহের শেষ আবাসস্থল।
প্রতিশব্দ
Felis leo
Linnaeus, 1758

সিংহ ফেলিডি পরিবারের প্রাণী যা প্যানথেরা গণের চারটি বৃহৎ বিড়ালের একটি। সিংহের মূলত দুটি প্রজাতি বর্তমানে টিকে আছে। একটি হল আফ্রিকান সিংহ অপরটি হল এশীয় সিংহ। আফ্রিকান সিংহ মোটামুটি আফ্রিকার বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে পাওয়া গেলেও অল্প সংখ্যক ভারতীয় সিংহ শুধুমাত্র ভারতের গির অভয়ারণ্যে পাওয়া যায়। সংখ্যাধিক্যের দরুণ সিংহ বলতে তাই আফ্রিকান সিংহকেই বোঝায়।

বর্ণনা[সম্পাদনা]

বর্তমানে আফ্রিকার বনে ৩০,০০০ সিংহ রয়েছে। আর এশিয়া ৩৫০ টি সিংহ রয়েছে। তারা এশিয়া বাস করে গির বনে। যেটি অবস্থিত গুজরাট, ভারত.

পুরুষ সিংহের সাধরণত ওজন হয়।এর মধ্যে১৫০ এবং ২৫০ কিলোগ্রাম (৩৩০ এবং ৫৫০ পাউন্ড)। বড় সিংহ পৌছায় ২৫০ থেকে ২৭০ কেজি (৫৫০ থেকে ৬০০ পা)।. স্ত্রীরা (সিংহী) সাধারণত ১২০ থেকে ১৮২ কেজি (২৬৫ থেকে ৪০১ পা).[১] একমাত্র পুরুষ সিংহদের কেশর থাকে। মাথা থেকে পা পর্যন্ত প্রায় ৫'৭"-৮'২" পর্যন্ত হয়ে থাকে। সিংহ মাংসাশী প্রাণী। বিভিন্ন জাতের হরিণ,জেব্রা, বুনো মহিষ, জিরাফ, শূকর ইত্যাদি এদের প্রধান খাদ্য।

শব্দত্ত্ব[সম্পাদনা]

সিংহের ইংরেজি নাম রোমাণীয় ভাষার সাথে সম্পর্কিত।এটি লাতিন ভাষার leoশব্দ [২] এবং প্রাচীন গ্রিকের λέων শব্দ থেকে উৎপন্ন হয়েছে।(leon)

স্বভাব[সম্পাদনা]

সিংহের দলকে প্রাইড বলে।যেটির অর্থ গর্ব।একটি প্রাইডে দশ থেকে চল্লিশটি সিংহ থাকে।প্রত্যেক প্রাইডের নিজস্ব রাজ্য আছে।সিংহ কখনো তাদর রাজ্যে অন্য মাংসাশী প্রাণি ঢোকা পছন্দ করেনা।তাদের একটি রাজ্য প্রায়২৬০ বর্গকিলোমিটার (১০০ বর্গমাইল)।পুরুষ সিংহরা খুব রাগী হয়।

প্রজনন[সম্পাদনা]

২ থেকে ৩ বছর বয়সে সিংহী তরুণী হয়।শিশু সিংহ জন্ম নেয় ৩ ১/২ মাস পরে। শিশু সিংহ জন্মের পর অন্ধ থাকে; তারা ১সপ্তাহ বয়সে চোখ খুলতে পারে এবং যতদিন ২সপ্তাহ বয়স না হয় ততদিন ভালো করে দেখতে পারেন। সিংহদের নির্দিষ্ট বাসা নেই।যেখানে তারা চিরকাল থাকবে।সিংহদের নির্দিষ্ট পলানোর জায়গা থাকে।যেটি তারা গোপন রাখে।যদি অন্যদলের সিংহ দেখে ফেলে।তারা তাহলে সেই স্থান প্রস্থান করে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Nowak, Ronald M. (১৯৯৯)। Walker's Mammals of the World। Baltimore: Johns Hopkins University Press। আইএসবিএন 0-8018-5789-9 
  2. Simpson, D. P. (১৯৭৯)। Cassell's Latin Dictionary (5th সংস্করণ)। London: Cassell Ltd.। পৃ: ৩৪২। আইএসবিএন 0-304-52257-0