চাদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
চাদ প্রজাতন্ত্র
جمهورية تشاد
জুম্‌হুরিয়্যাত্‌ চাদ্‌
République du Tchad
রেপ্যুব্লিক্‌ দ্যু চাদ্‌
পতাকা কোট অফ আর্মস
নীতিবাক্য"Unité, Travail, Progrès"  (ফরাসি)
"ঐক্য, কর্ম, প্রগতি"
(বাংলা)
জাতীয় সঙ্গীত: লা চাদিয়েন
রাজধানী
এবং বৃহত্তম নগরী
এনজামেনা
১২°০৬′ উত্তর ১৫°০২′ পূর্ব / ১২.১০০° উত্তর ১৫.০৩৩° পূর্ব / 12.100; 15.033
রাষ্ট্রীয় ভাষাসমূহ ফরাসি, আরবি
জাতীয়তাসূচক বিশেষণ চাদীয়
সরকার প্রজাতন্ত্র
 •  রাষ্ট্রপতি ইদ্রিস দেবি
 •  প্রধানমন্ত্রী দেলওয়া কাসিরে কুমাকোয়ে
স্বাধীনতা ফ্রান্স থেকে
 •  তারিখ ১১ই আগস্ট, ১৯৬০ 
 •  পানি (%) ১.৯
জনসংখ্যা
 •  ২০০৯ আনুমানিক ১১,২০৬,০০০[১] (৭৫তম)
 •  ১৯৯৩ আদমশুমারি ৬,২৭৯,৯২১
জিডিপি (পিপিপি) ২০০৯ আনুমানিক
 •  মোট ১৬.৬৯৫ বিলিয়ন[২] (১২৮তম)
 •  মাথা পিছু ১,৬৭৪ ডলার[২] (১৬৩তম)
এইচডিআই (২০০৭) বৃদ্ধি ০.৩৮৮
ত্রুটি: অকার্যকর এইচডিআই মান · ১৭০তম
মুদ্রা মধ্য আফ্রিকান সিএফএ ফ্রাংক (এক্সএএফ)
সময় অঞ্চল পশ্চিম আফ্রিকা সময় (ইউটিসি+১)
 •  গ্রীষ্মকালীন (ডিএসটি) পর্যবেক্ষণ করা হয়নি (ইউটিসি+১)
কলিং কোড ২৩৫
ইন্টারনেট টিএলডি .টিডি
এটি আফ্রিকার একটি রাষ্ট্র সংক্রান্ত নিবন্ধ। আপনি যদি পৃথিবীর উপগ্রহ সংক্রান্ত নিবন্ধটি দেখতে চান, তাহলে দেখুন: চাঁদ

চাদ (ফরাসি: Tchad; আরবি ভাষায়: تشاد), সরকারী নাম চাদ প্রজাতন্ত্র, মধ্য আফ্রিকার একটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র। এর উত্তরে লিবিয়া, পূর্বে সুদান, দক্ষিণে মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, দক্ষিণ-পশ্চিমে ক্যামেরুননাইজেরিয়া, এবং পশ্চিমে নাইজার। সমূদ্র থেকে দূরে অবস্থিত বলে এবং মরু জলবায়ুর কারণে চাদকে "আফ্রিকার মৃত হৃদয়" বলেও মাঝে মাঝে অভিহিত করা হয়।

চাদকে তিনটি ভৌগোলিক অঞ্চলে ভাগ করা যায়: উত্তরের সাহারা মরুভূমি অঞ্চল, মধ্যভাগের ঊষর সাহেলীয় বেষ্টনী, এবং দক্ষিণের অপেক্ষাকৃত উর্বর সুদানীয় সাভানা তৃণভূমি অঞ্চল। চাদ হ্রদ দেশটির বৃহত্তম এবং আফ্রিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম জলাশয়। এই হ্রদের নামের দেশটির চাদ নামকরণ করা হয়েছে। সাহারা অঞ্চলে অবস্থিত তিবেস্তি পর্বতমালার এমি কৌসি চাদের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। রাজধানী এনজামেনা দেশটির বৃহত্তম শহর। চাদে ২০০ বেশি ধরনের জাতিগত ও ভাষাভিত্তিক গোষ্ঠীর বাস। ফরাসি ও আরবি এখানকার সরকারি ভাষা। ইসলাম ধর্ম সবচেয়ে বেশি প্রচলিত।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

খ্রিস্টপূর্ব ৭ম সহস্রাব্দের শুরুতে চাদ উপত্যকাতে বড় আকারের মনুষ্য বসতি স্থাপিত হয়। খ্রিস্টপূর্ব ১ম সহস্রাব্দ নাগাদ চাদের সাহেলীয় অঞ্চলটিতে বহু রাজ্য ও সাম্রাজ্যের উত্থান-পতন ঘটে; চাদের মধ্য দিয়ে চলে যাওয়া আন্তঃসাহারান বাণিজ্যপথটি নিয়ন্ত্রণ করাই ছিল এগুলির লক্ষ্য। ১৯২০ সাল নাগাদ ফ্রান্স দেশটি দখল করে এবং এটিকে ফরাসি বিষুবীয় আফ্রিকার অংশীভূত করে। ১৯৬০ সালে ফ্রঁসোয়া তোম্বালবাইয়ের নেতৃত্বে চাদ স্বাধীনতা অর্জন করে। কিন্তু মুসলিম-অধ্যুষিত উত্তরাঞ্চল তোম্বালবাইয়ের নীতির বিরোধিতা করে এবং ১৯৬৫ সালে দেশটিতে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। ১৯৭৯ সালে বিপ্লবীরা রাজধানী দখল করে এবং দক্ষিণের আধিপত্যের অবসান ঘটায়। কিন্তু বিপ্লবী নেতারা অন্তর্কোন্দলে জড়িয়ে পড়ে; শেষ পর্যন্ত ইসেনে আব্রে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বীদের পরাজিত করেন। ১৯৯০ সালে তাঁরই সামরিক জেনারেল ইদ্রিস দেবি তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করেন। সাম্প্রতিক সময়ে সুদানের দারফুর সংকট সীমানা পেরিয়ে চাদেও সংক্রমিত হয়েছে এবং যুদ্ধ শুরু হয়ে দেশটিতে একটি অস্থিতিশীল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

চাদে অনেকগুলি রাজনৈতিক দল থাকলেও রাষ্ট্রপতি দেবি ও তার রাজনৈতিক দল পেট্রিয়টিক স্যালভেশন মুভমেন্ট ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রেখেছেন। রাজনৈতিক সহিংসতা ও অভ্যুত্থান বা কু-এর ঘটনা চাদের রাজনীতিকে জর্জরিত করে রেখেছে। এটি বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্র ও দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলির একটি। বেশির চাদীয় নাগরিক দিনমজুরি ও কৃষিকাজ করেন। ঐতিহ্যবাহী তুলা শিল্প একদা দেশের প্রধান রপ্তানিকারী শিল্প হলেও ২০০৩ থেকে খনিজ তেল দেশটির রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস।

রাজনীতি[সম্পাদনা]

প্রশাসনিক অঞ্চলসমূহ[সম্পাদনা]

ভূগোল[সম্পাদনা]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

জনসংখ্যা[সম্পাদনা]

সংস্কৃতি[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Department of Economic and Social Affairs Population Division (2009). "World Population Prospects, Table A.1" (.PDF). 2008 revision. United Nations. Retrieved on 2009-03-12.
  2. ২.০ ২.১ "Chad"। International Monetary Fund। সংগৃহীত ২০০৯-১০-০১ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

সরকারী
সাধারণ তথ্য