মালি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

স্থানাঙ্ক: ১৭° উত্তর ৪° পশ্চিম / ১৭° উত্তর ৪° পশ্চিম / 17; -4

মালির প্রজাতন্ত্র
République du Mali
পতাকা জাতীয় মর্যাদাবাহী নকশা
নীতিবাক্যফরাসি: "Un peuple, un goal, une equipe"
ইংরেজি: "One people, one goal, one faith"
বাংলা: "এক জনগণ, এক উদ্দেশ্য, এক বিশ্বাস"
জাতীয় সঙ্গীত: ফরাসি: Pour l'Afrique et pour toi, Mali
ইংরেজি: "For Africa and for you, Mali"
বাংলা: "মালি, তোমার জন্য এবং আফ্রিকার জন্য"
 মালি এর অবস্থান  (green)
 মালি এর অবস্থান  (green)
রাজধানী
এবং বৃহত্তম নগরী
বামাকো
১২°৩৯′ উত্তর ৮°০′ পশ্চিম / ১২.৬৫০° উত্তর ৮.০০০° পশ্চিম / 12.650; -8.000
সরকারি ভাষাসমূহ ফরাসি (মালিয়ান ফরাসি)
জাতীয়তাসূচক বিশেষণ মালিয়ান
সরকার semi-presidential প্রজাতন্ত্র
 •  রাষ্ট্রপতি Ibrahim Boubacar Keïta
 •  প্রধানমন্ত্রী Modibo Keita
স্বাধীনতা ফ্রান্স থেকে
 •  ঘোষিত সেপ্টেম্বর ২২ ১৯৬০ 
 •  মোট ১২,৪০,১৯২ কিমি (23rd)
৪,৭৮,৮৩৯ বর্গ মাইল
 •  পানি (%) 1.6
জনসংখ্যা
 •  এপ্রিল ২০০৯ আদমশুমারি 14,517,176[১] (67th)
 •  ঘনত্ব 11.7/কিমি (215th)
৩০.৩/বর্গ মাইল
মোট দেশজ উৎপাদন
(ক্রয়ক্ষমতা সমতা)
২০১৭ আনুমানিক
 •  মোট $40.974 billion[২]
 •  মাথা পিছু $2,360[২]
মোট দেশজ উৎপাদন (নামমাত্র) ২০১৭ আনুমানিক
 •  মোট $14.344 billion[২]
 •  মাথা পিছু $826[২]
জিনি সহগ (২০১০)33.0[৩]
মাধ্যম
মানব উন্নয়ন সূচক (২০১৫)বৃদ্ধি 0.442[৪]
নিম্ন · 175th
মুদ্রা CFA franc (XOF)
কলিং কোড ২২৩
ইন্টারনেট টিএলডি .ml

মালি পশ্চিম আফ্রিকার একটি রাষ্ট্র। এর রাজধানীর নাম বামাকো। পশ্চিম আফ্রিকার এই বড় দেশটির উত্তরে প্রায় অর্ধেক জুড়ে রয়েছে সাহারা মরুভূমি। দেশের বাকি অংশ জুড়ে রয়েছে সবুজ তৃণভূমি। গরিব কৃষি ভিত্তিক দেশটিতে বিভিন্ন সময়ে খরায় বহু মানুষ ও প্রাণীর মৃত্যু হয়েছে। দেশের অধিকাংশ মানুষ কৃষ্ণকায় আফ্রিকি, তাদের বাস গ্রামাঞ্চলে, জীবিকা কৃষিকাজ ও পশুপালন। মালিতে বহু খনিজ পদার্থ থাকলেও তার ব্যবহার খুব অল্প। ৩০০ থেকে ১৫০০ অব্দ পর্যন্ত দেশটি আফ্রিকার তিনটি শক্তিশালী সাম্রাজ্য ঘানা, মালি ও সোঙ্গাই সাম্রাজ্যের অংশ ছিল। ১৮৯৫ থেকে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত ফরাসিদের অধিকারে ছিলো দেশটি। ১৯৬০ সালে মালি স্বাধীনতা লাভ করে। ১৯৯১ সালে মালি স্বৈরশাসন থেকে মুক্ত হয় এক সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে। ১৯৯২ সালে অনুষ্ঠিত হয় গণতান্ত্রিক নির্বাচন। মালির অধিকাংশ মানুষ ইসলাম ধর্মাবলম্বী। ২০১১ সালে থেকে দেশের উত্তর প্রান্তে তুয়ারেগ জাতি গোষ্ঠীর বিদ্রোহ দেখা দেয়। বিদ্রোহ দমনে সরকারী ব্যর্থতার অভিযোগে মাঝা্রি পদের কিছু সেনা ২০১২ সালের ২২ মার্চ রাষ্ট্রপতি আমাদো টোরেকে ক্ষমতাচ্যূত করে সামরিক শাসন জারি করে। ইকনমি কমিউনিটি অব ওয়েস্ট আফ্রিকান স্টেটস'এর মধ্যস্থতায় এপ্রিল মাসে অসমারিক শাসন পুনর্বহাল হয়, অন্তর্বর্তী রাষ্ট্রপতি হন ডিওনকোন্ডা ট্রারোরে। অভ্যুত্থান পরবর্তী বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে দেশের উত্তর প্রান্তের তিনটি অঞ্চল অধিকার করে নেয় বিদ্রোহীরা। ২০১৩ সালের জানুয়ারি মাসে অঞ্চলগুলি পুনর্দখলে অভিযান শুরু করে সেনাবাহিনী। দেশে নির্বাচন হওয়ার কথা ২০১৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Mali preliminary 2009 census"। Institut National de la Statistique। ১৮ এপ্রিল ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০১০ 
  2. "Mali"। International Monetary Fund। সংগ্রহের তারিখ ২০ এপ্রিল ২০১২ 
  3. "Gini Index"World Bank। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০১১ 
  4. "2016 Human Development Report" (PDF)। United Nations Development Programme। ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ২১ মার্চ ২০১৭ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

সরকারী
সাধারণ তথ্য
পর্যটন