মালি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মালির প্রজাতন্ত্র
République du Mali
পতাকা কোট অফ আর্মস
নীতিবাক্যফরাসি: "Un peuple, un goal, une equipe"
ইংরেজি: "One people, one goal, one faith"
বাংলা: "এক জনগণ, এক উদ্দেশ্য, এক বিশ্বাস"
জাতীয় সঙ্গীত: ফরাসি: Pour l'Afrique et pour toi, Mali
ইংরেজি: "For Africa and for you, Mali"
বাংলা: "মালি, তোমার জন্য এবং আফ্রিকার জন্য"
রাজধানী
এবং বৃহত্তম নগরী
বামাকো
১২°৩৯′ উত্তর ৮°০′ পশ্চিম / ১২.৬৫০° উত্তর ৮.০০০° পশ্চিম / 12.650; -8.000
রাষ্ট্রীয় ভাষাসমূহ ফরাসি (মালিয়ান ফরাসি)
জাতীয়তাসূচক বিশেষণ মালিয়ান
সরকার semi-presidential প্রজাতন্ত্র
 •  রাষ্ট্রপতি Ibrahim Boubacar Keïta
 •  প্রধানমন্ত্রী Modibo Keita
স্বাধীনতা ফ্রান্স থেকে
 •  ঘোষিত সেপ্টেম্বর ২২ ১৯৬০ 
 •  পানি (%) ১.৬
জনসংখ্যা
 •  জুলাই ২০০৯ আনুমানিক ১৩,০১০,০০০[১] (৭১তম)
জিডিপি (পিপিপি) ২০০৯ আনুমানিক
 •  মোট $১৫.৯৪৭ বিলিয়ন[২]
 •  মাথা পিছু $১,১৬৬.৮৪[২]
গিনি (১৯৯৪) ৫০.৫
ত্রুটি: অকার্যকর গিনির মান
এইচডিআই (২০০৭) বৃদ্ধি ০.৩৮০
ত্রুটি: অকার্যকর এইচডিআই মান · ১৭৩তম
মুদ্রা CFA franc (XOF)
কলিং কোড ২২৩
ইন্টারনেট টিএলডি .ml

মালি পশ্চিম আফ্রিকার একটি রাষ্ট্র। এর রাজধানীর নাম বামাকো। পশ্চিম আফ্রিকার এই বড় দেশটির উত্তরে প্রায় অর্ধেক জুড়ে রয়েছে সাহারা মরুভূমি। দেশের বাকি অংশ জুড়ে রয়েছে সবুজ তৃণভূমি। গরিব কৃষি ভিত্তিক দেশটিতে বিভিন্ন সময়ে খরায় বহু মানুষ ও প্রাণীর মৃত্যু হয়েছে। দেশের অধিকাংশ মানুষ কৃষ্ণকায় আফ্রিকি, তাদের বাস গ্রামাঞ্চলে, জীবিকা কৃষিকাজ ও পশুপালন। মালিতে বহু খনিজ পদার্থ থাকলেও তার ব্যবহার খুব অল্প। ৩০০ থেকে ১৫০০ অব্দ পরযন্ত দেশটি আফ্রিকার তিনটি শক্তিশালী সাম্রজ্য ঘানা, মালি ও সোঙ্গাই সাম্রাজ্রের অংশ ছিল। ১৮৯৫ থেকে ১৯৫৯ সাল পরযন্ত ফরাসিদের অধিকারে ছিলো দেশটি। ১৯৬০ সালে মালি স্বাধীনতা লাভ করে। ১৯৯১ সালে মালি স্বৈরাসন থেকে মক্ত হয় এক সেনা অভ্যুত্থান। ১৯৯২ সালে অনুষটিত হয় গণতান্রিক নিবাচন। মালির অধীকাংশ মানুষ ইসলাম ধমাবালী। ২০১১ সালে থেকে দেশের উওর প্রান্তে তুয়ারেগ জাতি গোষটীর বিদ্রোহ দেখা দেয়। বিদ্রোহ দমনে সরকারী ব্যথতার অভিযোগে মাঝা্রি পদের কিছু সেনা ২০১২ সালের ২২ মাচ রাস্ত্রপ্রাতি আমাদো টোরেকে ক্ষমতাচু্তো করে সামরিক শাসন জারি করে। ইকনমি কমিউনিটি অব ওয়েসট আফ্রিকান সেটটস এর মধ্যস্তায় এপ্রিল মাসে অসমারিক শাসন পুনবহাল হয়, অন্তবতী রাষ্ট্রপ্রতি হন ডিওনকোন্ডা ট্রারোরে। অভ্যুত্থান পরবতী বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে দেশের উত্তর প্রান্তের তিনটি অঞ্চল অধিকার করে নেয় বিদ্রোহীরা। ২০১৩ সালের জানুয়ারি মাসে অঞ্চল গুলি পুনদখলে অভিযান শুরু করে সেনাবাহিনী। দেশে নিবার্চন হওয়ার কথা ২০১৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Department of Economic and Social Affairs Population Division (2009). "World Population Prospects, Table A.1" (.PDF). 2008 revision. United Nations. Retrieved on 2009-03-12.
  2. ২.০ ২.১ "Mali"। International Monetary Fund। সংগৃহীত ২০০৯-১০-০১ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

সরকারী
সাধারণ তথ্য
পর্যটন