গাম্বিয়া

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
গাম্বিয়া ইসলামি প্রজাতন্ত্র
পতাকা
নীতিবাক্যProgress, Peace, Prosperity
(অনুবাদ: "প্রগতি, শান্তি, উন্নতি")
জাতীয় সঙ্গীত: For The Gambia Our Homeland
ফর দ্য গাম্বিয়া আওয়ার হোমল্যান্ড
রাজধানী বাঞ্জুল
১৩°২৮′ উত্তর ১৬°৩৬′ পশ্চিম / ১৩.৪৬৭° উত্তর ১৬.৬০০° পশ্চিম / 13.467; -16.600
বৃহত্তম শহর সেরেকুন্ডা
রাষ্ট্রীয় ভাষাসমূহ ইংরেজি
সরকার প্রজাতন্ত্র
 •  রাষ্ট্রপতি ইয়াহিয়া জামেহ[১]
স্বাধীনতা
 •  যুক্তরাজ্য থেকে ফেব্রুয়ারি ১৮ ১৯৬৫ 
 •  প্রজাতন্ত্র ঘোষিত এপ্রিল ২৪ ১৯৭০ 
 •  পানি (%) ১১.৫
জনসংখ্যা
 •  জুলাই ২০০৯ আনুমানিক ১,৭০৫,০০০[২] (১৪৬তম)
জিডিপি (পিপিপি) ২০০৯ আনুমানিক
 •  মোট $২.৩৯১ বিলিয়ন[৩] (১৭৯তম)
 •  মাথা পিছু $১,৪৩০.০৫ (২০২তম)
এইচডিআই (২০০৬) বৃদ্ধি ০.৪৭১
ত্রুটি: অকার্যকর এইচডিআই মান · ১৬০তম
মুদ্রা ডালাসি (জিএমডি)
সময় অঞ্চল গ্রিনিচ মান সময়
কলিং কোড ২২০
ইন্টারনেট টিএলডি .জিএম

গাম্বিয়া (রাষ্ট্রীয় নাম গাম্বিয়া ইসলামি প্রজাতন্ত্র) পশ্চিম আফ্রিকার একটি রাষ্ট্র। এটি আফ্রিকা মহাদেশের মূল ভূখন্ডের ক্ষুদ্রতম দেশ। এটি উত্তর, পূর্ব ও দক্ষিণ দিকে সেনেগাল দ্বারা পরিবেষ্টিত। পশ্চিমে রয়েছে আটলান্টিক মহাসাগরগাম্বিয়া নদী দেশটির মধ্যভাগ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আটলান্টিক মহাসাগরে পতিত হয়েছে। গাম্বিয়া সাগর উপকূল থেকে প্রায় মহাদেশের প্রায় ৩২০ কিলোমিটার অভ্যন্তর পর্যন্ত চলে গেছে। তবে এর সর্বোচ্চ প্রস্থ মাত্র ৫০ কিলোমিটার। বন্দর শহর বাঞ্জুল দেশটির রাজধানী। সেরেকুন্দা দেশের বৃহত্তম শহর।

গাম্বিয়া একটি কৃষিপ্রধান দেশ। এখানকার বেশির ভাগ মানুষ দরিদ্র। চীনাবাদাম এখানকার প্রধান উৎপাদিত শস্য এবং প্রধান রপ্তানি দ্রব্য। পর্যটন শিল্প থেকেও আয় হয়। আটলান্টিক সাগরের উপকূলের সমুদ্রসৈকতগুলিতে ঘুরতে এবং গাম্বিয়া নদীর বিচিত্র পাখপাখালি দেখতে পর্যটকেরা গাম্বিয়াতে আসেন।

গাম্বিয়া ১৯শ শতকে একটি ব্রিটিশ উপনিবেশে পরিণত হয়। ১৯৬৫ সালে দেশটি স্বাধীনতা লাভ করে। স্বাধীনতার পর দেশটি একটি স্থিতিশীল গণতন্ত্র হিসেবে গণ্য হয়। ১৯৯৪ সালে একটি রক্তপাতহীন সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করা হয় এবং সামরিক নেতা ইয়াহিয়া জাম্মেহ তাঁর স্থান নেন। জাম্মেহ পরবর্তীতে গাম্বিয়ার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিজয়ী হন।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

রাজনীতি[সম্পাদনা]

প্রশাসনিক অঞ্চলসমূহ[সম্পাদনা]

ভূগোল[সম্পাদনা]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

জনসংখ্যা[সম্পাদনা]

সংস্কৃতি[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Background Note: The Gambia: Political Conditions, United States Department of State/Bureau of African Affairs, 2006-03.
    Beginning with "After World War II", the History section of The Gambia article as of this edit is a virtual copy, but as a work of the United States Department of State, is in the public domain.
  2. Department of Economic and Social Affairs Population Division (2009). "World Population Prospects, Table A.1" (.PDF). 2008 revision. United Nations. Retrieved on 2009-03-12.
  3. "The Gambia"। International Monetary Fund। সংগৃহীত ২০০৯-১০-০১ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

সরকারী
সাধারণ তথ্য
পর্যটন