উট
| উট | |
|---|---|
| ড্রোমেডারি উট, Camelus dromedarius | |
| ব্যাকট্রিয়ান উট, Camelus bactrianus | |
পোষ মানা | |
| বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস | |
| জগৎ: | Animalia |
| পর্ব: | কর্ডাটা |
| শ্রেণী: | স্তন্যপায়ী |
| বর্গ: | Artiodactyla |
| পরিবার: | Camelidae |
| গোত্র: | Camelini |
| গণ: | Camelus ক্যারোলাস লিনিয়াস, ১৭৫৮ |
| Species | |
|
Camelus bactrianus | |
| ড্রোমেডারি উটের ব্যাপ্তি | |
উট বা উষ্ট্র কুঁজ-বিশিষ্ট একটি চতুষ্পদ প্রাণী। উটের পূর্বপুরুষেরা সম্ভবতঃ উত্তর আমেরিকায় আবির্ভূত হয়। পরে একভাগ বেরিং প্রণালী পার হয়ে এশিয়া ও উত্তর আফ্রিকায় চলে যায়, যাদের উত্তরসূরী হল ড্রোমেডারী ও ব্যাক্ট্রীয়ান উট। মরুভূমিতে বহুযুগ বাস করার ফলে আজ উট মরুভূমির জাহাজ হয়ে সহিষ্ণুতার প্রতীক। অন্য একভাগ চলে যায় দক্ষিণ আমেরিকায় যাদের উত্তরসূরী লামা(llama) ও ভিকুন্যা (Vicugna)। আলপাকা সম্ভবতঃ ভিকুন্যার গৃহপালিত বংশধর।
উটের পায়েও গরুর মত চেরা খুর। কিন্তু উটের পায়ের তলায় নরম প্যাড আছে যা গরুর নেই। গরুর মত উটও রোমন্থন করে বা জাবর কাটে। কিন্তু সাধারণ রোমন্থনকারীদের মতো চার কক্ষ-বিশিষ্ট পাকস্থলির বদলে উটের পাকস্থলি তিন কক্ষ-বিশিষ্ট। তাই অনেকে এদের ছদ্ম রোমন্থক বলেন।
ড্রোমেডারী উটের একটা কুঁজ থাকে আর ব্যাকট্রীয়ান উটের থাকে দুটো। যখন উট ভালোকরে খেতে পায় তখন এর কুঁজ চর্বিতে ভর্তি হয়ে শক্ত টানটান অবস্থায় থাকে। যখন উট অভুক্ত অবস্থায় অনেকদিন থাকে তখন চর্বির অনেকটাই শক্তি উৎপাদনে ক্ষয় হয়ে যায় আর এর কুঁজ নরম থলথলে হয়ে যায়।
মরুভূমিবাসী মানুষরা গরু-ছাগলের বদলে উট পালন করে। উট তাদের মালপত্র বয়, গাড়ি টানে। গৃহপালিত উটের মাংস ও দুধ খাওয়া হয়। ঘোড়ার মত উটের পিঠে দৌড় ও অন্যান্য বিনোদন খুবই উপভোগ্য।
চিত্রশালা
[সম্পাদনা]- এটি একটি উট যা জয়সালমার মরু উত্সবে সঞ্চালন করছিল।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Camelus gigas"। ZipcodeZoo। BayScience Foundation, Inc। ২৬ আগস্ট ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ আগস্ট ২০১৩।
- ↑ Worboys, Graeme L.; Francis, Wendy L.; Lockwood, Michael (৩০ মার্চ ২০১০)। Connectivity Conservation Management: A Global Guide। Earthscan। পৃ. ১৪২। আইএসবিএন ৯৭৮১৮৪৪০৭৬০৪৮।
- ↑ Falconer, Hugh (১৮৬৮)। Palæontological Memoirs and Notes of the Late Hugh Falconer: Fauna antiqua sivalensis। R. Hardwicke। পৃ. ২৩১।