অ্যাঙ্গোলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
অ্যাঙ্গোলা প্রজাতন্ত্র
República de Angola
রাপুব্লিকা দ্যি আঁগলা
পতাকা কোট অফ আর্মস
নীতিবাক্য"Virtus Unita Fortior"(লাতিন)
"একতা দেয় শক্তি"
জাতীয় সঙ্গীত: Angola Avante!(পর্তুগিজ)
অ্যাঙ্গোলা আভান্তি!
(অ্যাঙ্গোলা সামনে!)
রাজধানী লুয়ান্ডা
৮°৫০′ দক্ষিণ ১৩°২০′ পূর্ব / ৮.৮৩৩° দক্ষিণ ১৩.৩৩৩° পূর্ব / -8.833; 13.333
বৃহত্তম শহর রাজধানী
রাষ্ট্রীয় ভাষাসমূহ পর্তুগিজ
স্বীকৃত আঞ্চলিক ভাষাসমূহ কোঙ্গো, চোকুয়ে, দক্ষিণ ম্বুন্ডু, ম্বুন্ডু
জাতীয়তাসূচক বিশেষণ অ্যাঙ্গোলীয়, অ্যাঙ্গোলান
সরকার প্রজাতন্ত্র রাষ্ট্রপতি
 •  রাষ্ট্রপতি জস্‌ এডোয়াদো ডোস সান্তোস্‌
 •  প্রধানমন্ত্রী পালোও কাসসোমা
স্বাধীন পর্তুগাল থেকে
 •  তারিখ নভেম্বর ১১ ১৯৭৫ 
 •  পানি (%) সামান্য
জনসংখ্যা
 •  ২০০৯ আনুমানিক ১৮,৪৯৮,০০০[১] (৬৯তম)
 •  ১৯৭০ আদমশুমারি ৫,৬৪৬,১৭৭
মোট দেশজ উৎপাদন
(ক্রয়ক্ষমতা সমতা)
২০০৯ আনুমানিক
 •  মোট $১০৬.৯৭৪ বিলিয়ন[২]
 •  মাথা পিছু $৫,৭৮২[২] (১৩৪তম)
মানব উন্নয়ন সূচক (২০০৭) বৃদ্ধি০.৫৬৪
ত্রুটি: মানব উন্নয়ন সূচক-এর মান অকার্যকর · ১৪৩তম
মুদ্রা কুয়াঞ্জা (AOA)
সময় অঞ্চল WAT (ইউটিসি+১)
 •  গ্রীষ্মকালীন (ডিএসটি) not observed (ইউটিসি+১)
কলিং কোড ২৪৪
ইন্টারনেট টিএলডি (.ao)

অ্যাঙ্গোলা (পর্তুগিজ: Angola আঁগলা, কোঙ্গো: Ngola ঙ্গোলা) দক্ষিণ-পশ্চিম আফ্রিকায় আটলান্টিক মহাসাগরের তীরে অবস্থিত একটি রাষ্ট্র। ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত এটি পর্তুগালের অধীনে ছিল এবং পর্তুগিজ পশ্চিম আফ্রিকা নামেও এটি পরিচিত ছিল। ১৯৭৫ সালে পর্তুগিজদের বিরুদ্ধে অ্যাঙ্গোলানদের প্রায় ১৫ বছর যুদ্ধের পর দেশটি স্বাধীনতা লাভ করে। স্বাধীনতার পর পরই বিরোধী অ্যাঙ্গোলান দলগুলির মধ্যে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যায় এবং ২১ শতকের প্রথম কয়েক বছর পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।

অ্যাঙ্গোলা নামটি "ন্‌গোলা" শব্দ থেকে এসেছে। উত্তর অ্যাঙ্গোলার ম্‌বুটু গোত্রের শাসকদের ন্‌গোলা নামে ডাকা হত। বর্তমান অ্যাঙ্গোলার রাজধানীও ব্রৃহত্তম শহর লুয়ান্ডা। অ্যাঙ্গোলার সরকারি ভাষা পর্তুগিজ, যদিও বেশির ভাগ পর্তুগিজ দেশটি ছেড়ে চলে গেছেন। পোর্তুগিজ ছাড়াও অধিকাংশ অ্যাঙ্গোলান সাধারণত বান্টু ভাষাগুলির যেকোন একটিতে কথা বলেন।

অ্যাঙ্গোলা আফ্রিকান দেশগুলির মধ্যে সবচেয়ে ধনী দেশে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। দেশটিতে পেট্রোলিয়াম সম্পদ, জলবিদ্যুৎ নির্মাণের সুযোগ, উর্বর ক্ষেতখামার, হীরা ও অন্যান্য খনিজ সম্পদ --- এ সবই বিদ্যমান। কিন্তু স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় দেশটির ক্ষতিসাধন হয় এবং তারপর গৃহযুদ্ধের সময় পেট্রোডলারের অধিকাংশই অণুন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় হয়। ২০০২ সালে একটি সন্ধিচুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটে এবং এখন দেশটি শান্তি ও অর্থনৈতিক উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

ইতিহাস[উৎস সম্পাদনা]

রাজনীতি[উৎস সম্পাদনা]

প্রশাসনিক অঞ্চলসমূহ[উৎস সম্পাদনা]

সামরিক বাহিনী[উৎস সম্পাদনা]

অ্যাঙ্গোলার সামরিক বাহিনী একজন সেনাপ্রধান দ্বারা পরিচালিত, যিনি প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর কাছে জবাবদিহি করেন। অ্যাঙ্গলার প্রতিরক্ষা বাহিনী তিনটি বিভাগ নিয়ে গঠিত - স্থলসেনাবাহিনী, নৌবাহিনী (মারিনিয়া দি গেররা) এবং বিমান বাহিনী। মোট সেনাসংখ্যা প্রায় ১,১০,০০০। এদের মধ্যে স্থলসেনাবাহিনীতেই ১ লক্ষ নারী-পুরুষ কর্মরত। নৌবাহিনীতে ৩ হাজার এবং বিমানবাহিনীতে ৭ হাজার সেনা কর্মরত আছেন। বিমানবাহিনীতে রুশ-নির্মিত ফাইটার ও পরিবহন বিমান ব্যবহার করা হয়।

অ্যাঙ্গোলার স্থলসেনাবাহিনীর একটি ক্ষুদ্র অংশ কঙ্গো ও গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোতে নিয়োজিত আছে।

ভূগোল[উৎস সম্পাদনা]

অর্থনীতি[উৎস সম্পাদনা]

জনসংখ্যা[উৎস সম্পাদনা]

সংস্কৃতি[উৎস সম্পাদনা]

আরও দেখুন[উৎস সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[উৎস সম্পাদনা]

  1. Department of Economic and Social Affairs Population Division (2009). "World Population Prospects, Table A.1" (.PDF). 2008 revision. United Nations. Retrieved on 2009-03-12.
  2. ২.০ ২.১ অ্যাঙ্গোলা International Monetary Fund. Retrieved 2009-10-01.

বহিঃসংযোগ[উৎস সম্পাদনা]

সরকার
সাধারণ তথ্য
পর্যটন