এই পাতাটি অর্ধ-সুরক্ষিত। শুধুমাত্র নিবন্ধিত ব্যবহারকারীরাই সম্পাদনা করতে পারবেন।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ
প্রতিষ্ঠা ৪ জানুয়ারি ১৯৪৮
পূর্বসূরী পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ
সদর দপ্তর ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ, ঢাকা
ভাবাদর্শ বাঙালি জাতীয়তাবাদ
ওয়েবসাইট ছাত্রলীগ

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বাংলাদেশের একটি প্রধান রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন। এটি ভারত বিভক্তিক্রমে পূর্ব পাকিস্তানের উদ্ভবের কিছু পর গঠিত হয়। এটি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভাতৃপ্রতিম সংগঠন হিসেবে স্বীকৃত। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ইতিহাস গৌরব, ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যে মন্ডিত। ১৯৪৮ সাল থেকে শুরু করে বর্তমান পর্যন্ত দেশ ও জনগনের স্বার্থরক্ষার্থে প্রত্যেকটি আন্দোলনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্রধান ভূমিকা রেখেছে।

ইতিহাস

শিক্ষা, শান্তি ও প্রগতির পতাকাবাহী সংগঠন, জাতির মুক্তির স্বপ্নদ্রষ্টা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া, জীবন ও যৌবনের উত্তাপে শুদ্ধ সংগঠন, সোনার বাংলা বিনির্মাণের কর্মী গড়ার পাঠশালা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।বিদ্যার সঙ্গে বিনয়, শিক্ষার সঙ্গে দীক্ষা, কর্মের সঙ্গে নিষ্ঠা, জীবনের সঙ্গে দেশপ্রেম এবং মানবীয় গুণাবলির সংমিশ্রণ ঘটিয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ অতিক্রম করেছে পথচলার ৬৮ বছর। ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি সময়ের দাবিতেই বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সময়ের প্রয়োজন মেটাতেই এগিয়ে চলা বাংলাদেশ ছাত্রলীগের। জন্মের প্রথম লগ্ন থেকেই ভাষার অধিকার, শিক্ষার অধিকার, বাঙালির স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা, দুঃশাসনের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থান, সর্বোপরি স্বাধীনতা ও স্বাধিকার আন্দোলনের ছয় দশকের সবচেয়ে সফল সাহসী সারথি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ।

১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি তারিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলের অ্যাসেম্বলি হলে তৎকালীন তরুণ নেতা শেখ মুজিবের প্রেরণা ও পৃষ্ঠপোষকতায় এক ঝাঁক মেধাবী ও প্রগতিশীল ভাবাদর্শের ছাত্রনেতাদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত সভার মধ্য দিয়ে এ সংগঠনটির প্রতিষ্ঠা ঘটে; প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে এর নাম ছিল পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ[১]

সভাপতি

ছাত্রলীগের প্রথম আহবায়ক ছিলেন নাঈমউদ্দিন আহমেদ। ছাত্রলীগ সাংগঠনিক ভাবে কার্যক্রম শুরু করলে এর সভাপতি মনোনিত হন দবিরুল ইসলাম।

সাইফুর রহমান সোহাগ ছাত্রলীগের বর্তমান সভাপতি হিসাবে দায়িত্বরত আছেন; ২০১৫ সালের ২৬ জুলাই ছাত্রলীগের জাতীয় সম্মেলনে তিনি সংগঠনটির ২৮তম সভাপতি নির্বাচিত হন।

সাধারণ সম্পাদক

ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন খালেক নেওয়াজ খান।

এস এম জাকির হোসেন ছাত্রলীগের বর্তমান নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ।

নামকরণ

বৃটিশদের হাত থেকে ভারত-পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের আত্মপ্রকাশের সাড়ে তিন মাস পর গঠিত হয় ছাত্রলীগ। অবিভক্ত পাকিস্তানের সর্বপ্রথম ছাত্র সংগঠন এটি। দলের শিক্ষাপ্রাতিষ্ঠানিক অঙ্গ সংগঠন হিসেবে পরিচিত হলেও ঐতিহ্যবাহী এই ছাত্র সংগঠনটির জন্ম আওয়ামী লীগের জন্মেরও এক বছর আগে। পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ নামে যাত্রা শুরু এই সংগঠনটির। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এর নাম হয় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

সংগঠনটির ইতিহাস থেকে জানা যায়, জাতির মুক্তির স্বপ্নদ্রষ্টা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান আলাদা রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি পাওয়ার আগ থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন, বিএ অধ্যয়রত অবস্থায় কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। তখন তিনি নিখিল বঙ্গ মুসলিম লীগের কাউন্সিলর ছিলেন। সাথে সাথে নিখিল বঙ্গ মুসলিম ছাত্রলীগের কার্যক্রমেও ভূমিকা রেখেছেন।

স্বাধীনতার এই স্থপতি ১৯৪৭ সালে বিএ পাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে ভর্তি হন। ভর্তির কিছুদিন পর পাকিস্তান স্বাধীন রাষ্ট্র হলে তিনিই সর্বপ্রথম স্বাধীন পাকিস্তানে ছাত্র সংগঠনের প্রয়োজনিয়তা অনুভব করেন । গঠন করেন ‘পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্র লীগ’।

১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলের সভাকক্ষে এক সাধারণ আলোচনার মাধ্যমে এই সংগঠনটির যাত্রা শুরু হয়। প্রথমে আহবায়ক কমিটি গঠিত হয়। আহ্বায়ক ছিলেন নাঈমউদ্দিন আহমেদ। ছাত্রলীগ সাংগঠনিকভাবে কার্যক্রম শুরু করলে এর সভাপতি মনোনিত হন দবিরুল ইসলাম।

১৯৪৯ সালের ২৩জুন আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়। পরবর্তীতে দলে সাম্প্রদায়িক বিতর্ক এড়িয়ে চলতে ১৯৫৫ সালে দলের নাম থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দিয়ে নামকরণ করা হয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ। সাম্প্রদায়িক অভিযোগ থেকে রক্ষা পেতে একই সাথে ছাত্রলীগের নামেও পরিবর্তন আসে, ছাত্রলীগের নাম হয় ‘পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ’। কার্যক্রম চলতে থাকে ।

স্বাধীনতা যুদ্ধে ছাত্রলীগের নেতৃত্বে মুজিব বাহিনি গঠিত হয়। মুক্তি বাহিনি, মুজিব বাহিনিসহ বিভিন্ন নামে মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেন। অর্জিত হয় স্বাধীনতা। স্বাধীনতার পর দলের নামেও পরিবর্তন আসে । ছাত্র লীগের নাম হয় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ[২]

বাংলাদেশের ছাত্রসমাজের এই সংগঠনের নাম “বাংলাদেশ ছাত্রলীগ” ও ইংরেজিতে “Bangladesh Students League” সংক্ষেপে বাংলায় ছাত্রলীগ নামে ও ইংরেজিতে “B.S.L.” নামে অভিহিত করা হয়। এর জাতীয় ভিক্তিতে সর্বোচ্চ কমিটি কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ সংক্ষেপে নির্বাহী সংসদ নামে অভিহিত হয়। সংগঠনের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারক ফোরামের নাম কেন্দ্রীয় কমিটি (পূর্বতন জাতীয় পরিষদ)।[৩]

মূলনীতি

শিক্ষা, শান্তি, প্রগতি

পালনীয় দিবস

তারিখ দিবস
৪ জানুয়ারী ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা দিবস
৯ জানুয়ারী শহীদ মনিরুজ্জামান বাদল দিবস
১০ জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস
১২ জানুয়ারী ওয়ালী, শওকত ও মহসীনের স্মৃতি তর্পন দিবস
২৪ জানুয়ারী গণ-অভ্যুথান দিবস। চট্রগ্রাম গনহত্যা দিবস
৮ ফেব্রুয়ারী ফারুক হত্যা দিবস
১৩ ফেব্রুয়ারী শহীদ রাউফুন বসুনিয়া দিবস
১৪ ও ১৫ ফেব্রুয়ারী স্বৈরাচার দিবস
১৫ ফেব্রুয়ারী সার্জেন্ট জহুরুল হক দিবস
১৫ ফেব্রুয়ারী একদলীয় নির্বাচনে গণতন্ত্র হত্যা দিবস
১৮ ফেব্রুয়ারী ডাঃ জোহা দিবস
২১ ফেব্রুয়ারী মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
২৫ ফেব্রুয়ারী শহীদ শহীদুল ইসলাম চুন্নু দিবস
২৮ ফেব্রুয়ারী শহীদ-সেলিম দেলোয়ার দিবস
৭ মার্চ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ
১৭ মার্চ জাতির পিতার জন্ম দিবস
২৩ মার্চ মাহফুজ বাবুর অন্তর্ধান দিবস
২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস
২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস
৩০ মার্চ নব্য স্বৈরাচার পতন দিবস
১০ এপ্রিল স্বাধীনতার ঘোসনাপত্র দিবস
১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবস
১৭ মে ছাত্রলীগের গঠনতান্ত্রিক নেত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস
৭ জুন ৬ দফা ও মুক্তি দিবস
১৬ জুন শহিদ পলাশ দিবস
২৩ জুন গণতন্ত্রের অভিযাত্রা
১২ জুলাই চট্রগ্রামে ৮ ছাত্রনেতার শাহাদাৎ দিবস
৫ আগস্ট শহীদ শেখ কামালের জন্ম দিবস
৮ আগস্ট বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্ম দিবস
১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস
১৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা দিবস
২৭ সেপ্টেম্বর শহীদ তিতাস দিবস
২৭ অক্টোবর শহীদ মিজান দিবস
৩ নভেম্বর জেল হত্যা দিবস
৪ নভেম্বর সংবিধান দিবস
৯ নভেম্বর শহীদ আখি দিবস
১০ নভেম্বর নুর হোসেন দিবস
৬ ডিসেম্বর স্বৈরাচার পতন দিবস
৪ ডিসেম্বর শহীদ স্বপন চৌধুরী দিবস
১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুধিজীবি দিবস
১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস
২৯ ডিসেম্বর আলী মোর্তজা দিবস

ঐতিহাসিক ভূমিকা

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬২ এর শিক্ষা কমিশন আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং এগারো দফা আন্দোলন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় স্বাধীকার আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে।[৪] ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধের উদ্দেশ্যে ছাত্রলীগ মুজিব বাহিনী গঠন করে, যুদ্ধে অংশগ্রহন করে এবং বাংলাদেশ বিজয় লাভে ভূমিকা পালন করে।

সমালোচনা

আরও দেখুন: বিশ্বজিৎ দাস হত্যাকাণ্ড

ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে ধংসাত্বক এবং আইনবিরোধী কাজে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।[৫][৬] বাংলাদেশে এই ছাত্র সংগঠনটি দেশের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিনত হয় যখন এই সংগঠনের কিছু সদস্য বিশ্বজিৎ নামের একজন দর্জি দোকানীকে হরতাল চলাকালে ধারালো অস্ত্র দ্বারা আঘাতের সময় কয়েকটি টিভি চ্যানেলের ক্যামেরায় ধরা পড়ে। বিশ্বজিৎ সে সময় হাসপাতালে নেয়ার পথে মৃত্যুবরণ করে।[৭][৮]

পরবর্তীতে সরকারের পক্ষ থেকে এই ঘটনায় জড়িত কয়েকজন ছাত্রলীগ কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে মামলা করা হয়। বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের ২১ জন কর্মীর মধ্যে আটজনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। বাকি ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ দেয় আদালত।[৯]

এছাড়াও সংগঠনটি প্রায়সময় ধর্ষণ,চাঁদাবাজি,খুন,লুটপাট,যৌন সন্ত্রাস সহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের দায়ে অভিযুক্ত হয়ে থাকে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা দুর্ধর্ষ ক্যাডার জসিমউদ্দিন মানিক ১০০ ছাত্রীকে ধর্ষণের ‘সেষ্ণুরি উৎসব’ পালন করেছিল। [১০]

বিভক্তি

প্রকাশনাসমূহ

আরো দেখুন

তথ্যসূত্র

  1. "বাংলাদেশ প্রতিদিন"। বাংলাদেশ প্রতিদিন। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০১৪ 
  2. timenewsbd.com। "যেভাবে 'পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ' থেকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ | timenewsbd.com" (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৪-১৮ 
  3. "গঠনতন্ত্র" (PDF)bsl.org.bd। ১৮ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০১৮ 
  4. Posted on 26 October 2010 by Najmul (২০১০-১০-২৬)। "Introduction of Bangladesh Chhatra League"। culture of bangladesh। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০১৪ 
  5. "শেষ সময়েও বেপরোয়া যুবলীগ-ছাত্রলীগ | last-page"। আলোকিত বাংলাদেশ। ২০১৩-০৬-২২। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০১৪ 
  6. মীর সাব্বির বিবিসি বাংলা। "BBC Bangla - খবর - ধর্ষণচেষ্টা: ছাত্রলীগ নেতা আটক"। বিবিসি বাংলা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০১৪ 
  7. সোহরাব হাসান (১১-১২-২০১২)। "একজন বিশ্বজিৎ ও ছাত্রলীগ ভয়ংকর"। দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০১৩  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |date= (সাহায্য)
  8. "বাংলাদেশে বিশ্বজিৎ হত্যা মামলায় আরেক ছাত্র গ্রেপ্তার - BBC Bangla - খবর"। Bbc.co.uk। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০১৪ 
  9. "বিশ্বজিৎ হত্যা মামলায় ২১ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র - BBC Bangla - খবর"। বিবিসি বাংলা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০১৪ 
  10. "ধর্ষণের বীভৎসতা বেড়েই চলেছে-নয়া দিগন্ত"। dailynayadiganta.com। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুন ২০১৫ 

বহিঃসংযোগ