স্বরাজ দল
এই নিবন্ধের যাচাইযোগ্যতার জন্য অতিরিক্ত তথ্যসূত্র প্রয়োজন। |
স্বরাজ দল | |
|---|---|
| নেতা | চিত্তরঞ্জন দাশ, মতিলাল নেহেরু |
| মহাসচিব | মতিলাল নেহেরু |
| প্রতিষ্ঠাতা | চিত্তরঞ্জন দাশ, মতিলাল নেহেরু |
| প্রতিষ্ঠা | ১ জানুয়ারি ১৯২৩ |
| ভাঙ্গন | ১৯৩৫ |
| বিভক্তি | ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস |
| একীভূত হয়েছে | ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস |
| আনুষ্ঠানিক রঙ | |
| ভারতের রাজনীতি রাজনৈতিক দল নির্বাচন | |
স্বরাজ দল, কংগ্রেস-খিলাফত স্বরাজ দল নামে প্রতিষ্ঠিত, ব্রিটিশ ভারতের এক রাজনৈতিক দল। ডিসেম্বর ১৯২২-এ গয়াতে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের বার্ষিক অধিবেশনের পর ১ জানুয়ারি ১৯২৩-এ স্বরাজ দল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এটি ব্রিটিশ রাজ থেকে ভারতীয় জনগণের জন্য বৃহত্তর স্বায়ত্তশাসন ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা কামনা করেছিল।
এটি স্বরাজের ধারণা থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ "স্বাধীনতা" বা "স্বশাসন"। এর দুজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা হলেন সভাপতি চিত্তরঞ্জন দাশ ও সচিব মতিলাল নেহেরু। এই দুজন ব্যক্তি এক বিদেশি সরকারকে অবরুদ্ধ করাকে লক্ষ্য করে নির্বাচনের মাধ্যমে বিধান পরিষদে প্রবেশ করতে চেয়েছিলেন। ১৯২৩-এর নির্বাচনে স্বরাজ দলের বহু প্রার্থীদের কেন্দ্রীয় বিধানসভা ও প্রাদেশিক বিধান পরিষদে নির্বাচিত করা হয়েছিল। তাঁরা এই আইনসভাগুলিতে অন্যায় সরকারি নীতির তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন।[১]
১৯০৫-এর বঙ্গভঙ্গের জন্য ১৯২৩-এর নির্বাচনে স্বরাজ দল বাংলা বিধান পরিষদে সবচেয়ে বেশি আসন জিতেছিল। চিত্তরঞ্জন দাশের মৃত্যুর পর দলটি ভেঙে গিয়েছিল।[২]
প্রেক্ষাপট
[সম্পাদনা]১৯২২ চৌরী-চৌরা ঘটনায় বিক্ষোভকারী জনতার দ্বারা পুলিশদের হত্যা করা হয়েছিল। এর ফলে মহাত্মা গান্ধী সমস্ত অসামরিক প্রতিরোধ স্থগিত করেছিলেন। চৌরী-চৌরা ঘটনার জন্য গান্ধী নিজেকে দায়ী বলে মনে করেছিলেন, অহিংসাকে দৃঢ়ভাবে জোর না দেওয়ার জন্য নিজেকে নিন্দা করেছিলেন, এবং ভয় করেছিলেন যে সমগ্র অসহযোগ আন্দোলন ব্রিটিশ সেনা ও পুলিশ এবং স্বাধীনতা সংগ্রামীদের মধ্যে হিংসায় পরিণত হবে, যার ফলে লক্ষ লক্ষ সাধারণ ভারতীয়রা আহত হবেন। অসামরিক প্রতিরোধ বন্ধ করার জন্য তিনি আমৃত্যু অনশনে বসেছিলেন, তবে কংগ্রেস ও অন্যান্য জাতীয়তাবাদী দল সমস্ত অসহযোগকে অস্বীকার করেছিল।
তবে অনেক ভারতীয় মনে করেছিলেন যে এরকম বিচ্ছিন্ন হংসার ঘটনার জন্য সমগ্র অসহযোগ আন্দোলনকে স্থগিত করা উচিত নয় এবং এর অভাবনীয় সাফল্যের জেরে ভারতে ব্রিটিশ শাসনের ভিত ভেঙে যেত। গান্ধীর রাজনৈতিক বিচার ও প্রবৃত্তির প্রতি তাঁদের মোহভঙ্গ হয়েছিল।
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Chandra, Bipan (২০০০)। India's Struggle for Independence। Penguin Books Limited। পৃ. ২৪৯–২৫১। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৮৪৭৫-১৮৩-৩।
- ↑ চিত্তরঞ্জন মিশ্র (২০১২)। "বেঙ্গল প্যাক্ট, ১৯২৩"। ইসলাম, সিরাজুল; মিয়া, সাজাহান; খানম, মাহফুজা; আহমেদ, সাব্বীর (সম্পাদকগণ)। বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্বকোষ (২য় সংস্করণ)। ঢাকা, বাংলাদেশ: বাংলাপিডিয়া ট্রাস্ট, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। আইএসবিএন ৯৮৪৩২০৫৯০১। ওসিএলসি 883871743। ওএল 30677644M।