রবার্ট ক্লাইভ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মেজর জেনারেল দ্য রাইট অনারেবল
দ্য লর্ড ক্লাইভ
কেবি এমপি এফআরএস
Robert Clive, 1st Baron Clive by Nathaniel Dance, (later Sir Nathaniel Dance-Holland, Bt).jpg
সামরিক পোষাকে লর্ড ক্লাইভ।
ন্যাথানিয়েল ড্যান্স আকা ছবি
ফোর্ট উইলিয়াম প্রেসিডেন্সীর গর্ভনর
অফিসে
১৭৫৭ – ১৭৬১
পূর্বসূরী রজার ড্রেকে
রাষ্ট্রপতি হিসেবে
উত্তরসূরী হেনরি ভ্যান্সিটার্ট
অফিসে
১৭৬৫ – ১৭৬৬
পূর্বসূরী হেনরি ভ্যান্সিটার্ট
উত্তরসূরী হ্যারি ভেরেলেস্ট
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম (১৭২৫-০৯-২৫)২৫ সেপ্টেম্বর ১৭২৫
স্টেসি হল, মার্কেট ড্রেইটন, শরোস্পিয়ার, ইংল্যান্ড
মৃত্যু ২২ নভেম্বর ১৭৭৪(১৭৭৪-১১-২২) (৪৯ বছর)
বার্কেলি স্কয়ার, ওয়েস্টমিনিস্টার, লন্ডন, ইংল্যান্ড
জাতীয়তা ব্রিটিশ
প্রাক্তন ছাত্র মার্চেন্ট টেইলর্স স্কুল
পুরস্কার কেবি
সামরিক পরিষেবা
ডাকনাম ক্লাইভ অব ইন্ডিয়া
আনুগত্য  Kingdom of Great Britain
সার্ভিস/শাখা ব্রিটিশ সেনাবাহিনী
কার্যকাল ১৭৪৬–১৭৭৪
পদ মেজর-জেনারেলl
ইউনিট ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি
কমান্ড ভারতের কমান্ডার ইন চিফ
যুদ্ধ War of the Austrian Succession
মাদ্রাজের যুদ্ধ
দ্বিতীয় কর্নাটিকের যুদ্ধ
আর্কট অবরোধ
আর্নির যুদ্ধ
চিঙ্গলেপুতের যুদ্ধ
সাত বছরের যুদ্ধ
চন্দনগরের যুদ্ধ
পলাশীর যুদ্ধ
পলাশীর যুদ্ধের পর ক্লাইভের সাথে মীরজাফর দেখা করছেন, শিল্পী ফ্রান্সিস হেম্যানের আঁকা ছবি
লর্ড ক্লাইভের প্রতিকৃতি

রবার্ট ক্লাইভ বা লর্ড ক্লাইভ (সেপ্টেম্বর ২৯, ১৭২৫ - নভেম্বর ২২, ১৭৭৪)ভারত উপমহাদেশে ইংরেজ শাসন প্রতিষ্ঠায় মূল ভূমিকা পালন করেন। তিনি ছিলেন ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সেনাপতি। তার উপাধি ছিল পলাশীর প্রথম ব্যারনপলাশীর যুদ্ধে তার নেতৃত্বে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি র সেনাদল বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলার সৈন্যদল কে পরাজিত করে।

নবাবগঞ্জের যুদ্ধ[সম্পাদনা]

দিল্লীর বাদশা পূর্ণিয়ার নবাব শওকত জঙ্গকে বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার নবাবি সনদ পাঠিয়েছিলেন। শওকত নবাব সিরাজদ্দৌলার বিরুদ্ধে যুদ্ধযাত্রার আয়োজন করেন। ইংরেজরা এই সংবাদ পেয়ে গোপনে শওকত জঙ্গের সাথে মিত্রতার করার চেষ্টা করতে থাকে। অপরদিকে মাদ্রাজের ইংরেজ দরবার কর্নেল রবার্ট ক্লাইভকে প্রধান সেনাপতি করে কলকাতা পুনরুদ্ধারের জন্য পাঠায়। সিরাজদ্দৌলাও শওকত জঙ্গকে প্রতিরোধ করার জন্য রওনা হন। পথিমধ্যে নবাবগঞ্জ নামক স্থানে উভয়পক্ষ মুখোমুখি যুদ্ধে লিপ্ত হয়। যুদ্ধে শওকত নিহত হন। সিরাজদ্দৌলা মোহনলালের হাতে পূর্ণিয়ার শাসনভার অর্পণ করে রাজধানীতে ফিরে আসেন।

ক্লাইভ ও ওয়াটসন পলতায় পৌঁছেই কলকাতা অভিমুখে রওনা হন। প্রায় বিনাযুদ্ধে তারা কলকাতা দুর্গ জয় করে নেন। এর আগে ক্লাইভ ও ওয়াটসন কলকাতায় এসে সিরাজদ্দৌলার কাছে সন্ধির প্রস্তাব পাঠিয়েছিলেন এবং সিরাজদ্দৌলা তাতে রাজি হয়েছিলেন। কিন্তু ইংরেজরা শর্ত ভঙ্গ করে কলকাতা আক্রমণ করে। সিরাজদ্দৌলা তাঁর মন্ত্রীদের কুচক্রের বিষয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং এ কারণে ইংরেজদের সাথে একটি সম্পর্ক স্থাপনের জন্য চেষ্টা চালাতে থাকেন। তাই ইংরেজদের সকল দাবিতে রাজি হয়ে তিনি ১৭৫৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ইংরেজদের সাথে একটি সন্ধিপত্রে স্বাক্ষর করেন। ইতিহাসে এই সন্ধি 'আলিনগরের সন্ধি' নামে পরিচিত। কিন্তু ইংরেজরা তাদের মতিগতির কোন পরিবর্তন করল না। মূলতঃ তাদের প্রতিদ্বন্দ্ব্বিতা ছিল ফরাসিদের সঙ্গে। কিন্তু সিরাজদ্দৌলা ফরাসিদের বেশি প্রাধান্য দিচ্ছিলেন। আলিনগরের (কলকাতা) সন্ধির প্রতিশ্রুতি পালনে নবাবকে যথেষ্ট ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছিল।

পলাশীর যুদ্ধ[সম্পাদনা]

পলাশীর যুদ্ধ

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]