জম্মু ও কাশ্মীর (দেশীয় রাজ্য)
জম্মু ও কাশ্মীর | |||||||||||||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| ১৮৪৬–১৯৫২ | |||||||||||||||||
| অবস্থা | দেশীয় রাজ্য | ||||||||||||||||
| রাজধানী | শ্রীনগর জম্মু | ||||||||||||||||
| প্রচলিত ভাষা | কাশ্মীরি, ডোগরি, লাদাখী, বাল্টি, শিনা, পাহাড়ি-পথওয়ারি, গুজারি, কুণ্ডল শাহী, ভদ্রওয়াহি, বুরুশাস্কি, ব্রক্সকাট, ডোমাকি, খোয়ার, বাতেরি, পুর্গিজাংস্কারি,তিব্বতী, পাঞ্জাবি, হিন্দুস্তানি (হিন্দি-উর্দু), সংস্কৃত, সারাজি | ||||||||||||||||
| ধর্ম | ইসলাম, হিন্দুধর্ম, বৌদ্ধধর্ম, জৈনধর্ম, শিখধর্ম | ||||||||||||||||
| সরকার | দেশীয় রাজ্য | ||||||||||||||||
| মহারাজ | |||||||||||||||||
• ১৬ মার্চ ১৮৪৬ – ৩০ জুন ১৮৫৭ | গুলাব সিং (প্রথম) | ||||||||||||||||
• ২৩ সেপ্টেম্বর ১৯২৫ – ১৭ নভেম্বর ১৯৫২ | হরি সিং (শেষ) | ||||||||||||||||
| দেওয়ান | |||||||||||||||||
• ১৫ অক্টোবর ১৯৪৭ – ৫ মার্চ ১৯৪৮ | মেহের চাঁদ মহাজন (প্রথম) | ||||||||||||||||
• ৫ মার্চ ১৯৪৮ – ১৭ নভেম্বর ১৯৫২ | শেখ আবদুল্লাহ (শেষ) | ||||||||||||||||
| ইতিহাস | |||||||||||||||||
| ১৮৪৬ | |||||||||||||||||
• ব্রিটিশ ভারত থেকে স্বাধীনতা | ১৫ আগস্ট ১৯৪৭ | ||||||||||||||||
| ২২ অক্টোবর ১৯৪৭ | |||||||||||||||||
| ২৬-২৭ অক্টোবর ১৯৪৭ | |||||||||||||||||
• ভারতের সাংবিধান | ১৭ নভেম্বর ১৯৫২ | ||||||||||||||||
• বিলুপ্ত | ১৯৫২ | ||||||||||||||||
| আয়তন | |||||||||||||||||
• মোট | ৮৫,৮৮৫[১] মা২ (২,২২,৪৪০ কিমি২) | ||||||||||||||||
| |||||||||||||||||
| বর্তমানে যার অংশ | জম্মু ও কাশ্মীর (ভারত) লাদাখ (ভারত) গিলগিত-বালতিস্তান (পাকিস্তান) আজাদ কাশ্মীর (পাকিস্তান) জিংজিয়ান (চীন) | ||||||||||||||||
জম্মু ও কাশ্মীর, যা কাশ্মীর ও জম্মু নামেও পরিচিত[২], ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনামলের পাশাপাশি ১৮৪৬ সাল থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত ভারতে ব্রিটিশ রাজের আমলে দেশীয় রাজ্য ছিল। রাজপরিবারটি প্রথম ইঙ্গ-শিখ যুদ্ধের পরে তৈরি হয়েছিল, যখন কাশ্মীর উপত্যকা,[৩] জম্মু, লাদাখ এবং গিলগিত-বালতিস্তানকে যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ হিসাবে শিখদের কাছ থেকে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি অঞ্চলটিকে সংযুক্ত করে নিয়েছিল। তারপর এই অঞ্চল্টি জম্মুর রাজা, গোলাব সিং, এর কাছে ৭৫ লক্ষ টাকা নানকশাহীতে বিক্রি করেছিল।
ভারত বিভাজন এবং ভারতের রাজনৈতিক সংহতকরণের সময়, রাজ্যের শাসক হরি সিং তাঁর রাজ্যের ভবিষ্যতের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করেন। তবে, রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলাগুলিতে একটি অভ্যুত্থান, তারপরে পাকিস্তান সমর্থিত পার্শ্ববর্তী উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের আক্রমণকারীদের দ্বারা আক্রমণ চালিয়ে তার হাত জোর করে। ১৯৪৭ সালের ২৬ অক্টোবর, হরি সিং ভারতে যোগদান (প্রবেশ) করেন এবং ভারতীয় সেনাবাহিনী কাশ্মীরে পাকিস্তান-সমর্থিত বাহিনীর সাথে সংঘাত শুরু করে,যা কাশ্মির বিরোধের পটভূমি তৈরি হয়।[৪] পশ্চিম ও উত্তর জেলাগুলি বর্তমানে পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণের আজাদ কাশ্মীর এবং গিলগিত-বালতিস্তান নামে পরিচিত, বাকি অংশটি ভারতের নিয়ন্ত্রণে জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ রাজ্য হিসাবে ভারতের নিয়ন্ত্রণে ছিল।[৫]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]

দেশীয় রাজ্য হওয়ার আগে কাশ্মীর পাস্তুন দুরানি সাম্রাজ্যের অন্তর্গত ছিল। পরবর্তীকালে রণজিৎ সিংহ এটিকে শিখ সাম্রাজ্যের সঙ্গে যুক্ত করেন । জম্মু ছিল তখনকার শিখ সাম্রাজ্যের একটি করদ রাজ্য ।
১৮২২ সালে জম্মুর রাজা কিশোর সিং প্রয়াত হলে শিখেরা উত্তরাধিকারী হিসাবে পুত্র গুলাব সিংকে স্বীকৃতী দেয়। গুলাব সিং প্রাথমিকভাবে শিখদের অধীনে থেকে তার সাম্রাজ্য বিস্তার শুরু করেন ।
জম্মুর শাসক হিসাবে গুলাব সিং ভদ্রাওয়া দখল করেন, কিন্ত এই অভিযানে তাকে সামান্য প্রতিরোধের সম্মুখীন হতে হয়েছিল। তারপর তার রাজ্যসীমায় যুক্ত হয় কিস্ত্বার, যার মন্ত্রী ওয়াজির লাখপত তৎকালীন শাসকের সঙ্গে মনোমালিন্য হওয়ার জন্য গুলাব সিং-এর সাহায্য প্রার্থনা করেন। গুলাব সিং-এর সৈন্যদলকে আসতে দেখে কিস্ত্বার রাজ বিনাযুদ্ধে আত্মসমর্পণ করেন। কিস্ত্বার অধিগ্রহণ করায় গুলাব সিং লাদাখ অভিমুখী দুটি রাস্তার নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা অর্জন করেন, যা পরবর্তীকালে ওই অঞ্চল জয় করার সময় বিশেষভাবে সাহায্য করেছিল । যদিও সুবিশাল পর্বত এবং হিমবাহ থাকার জন্য গুলাব সিংকে বিশাল সমস্যার মোকাবিলা করতে হয় । গুলাব সিং-এর আধিকারিক জোরওয়ার সিং দোগড়া-দের সহায়তায় দুবারের প্রচেষ্টায় সম্পূর্ণ লাদাখ জয় করেন ।
তার কয়েক বছর পর, ১৮৪০ সালে জেনেরাল জোরওয়ার সিং বালতিস্তান আক্রমণ করেন এবং স্কারদু-র রাজাকে পরাস্ত করেন। ১৮৪১ সালে তিব্বত আক্রমণ করার সময় প্রচণ্ড শীতের প্রকোপে জোরওয়ার সিং-এর প্রায় সমস্ত সৈন্যদলই বিনষ্ট হয় ।
১৮৪৫ সালের শীতকালে ব্রিটিশ এবং শিখদের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয় । ১৮৪৬ সালে সব্রাওনের যুদ্ধ পর্যন্ত গুলাব সিং নিরপেক্ষ থাকেন, তারপর তিনি একজন মধ্যস্থ এবং স্যর হেনরি লরেন্স-এর বিশ্বস্ত পরামর্শদাতা হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেন। অবশেষে দুটি চুক্তি হয় । প্রথম চুক্তি অনুসারে লাহোরকে ব্রিটিশদের হাতে তুলে দেওয়া হয়, দশ মিলিয়ন টাকা মূল্যের বিপাশা ও সিন্ধুর নদের মধ্যবর্তী পার্বত্য রাজ্য নানকশাহীর ক্ষতিপূরণের সমতূল্য হিসাবে; এবং দ্বিতীয় চুক্তি অনুযায়ী ব্রিটিশরা সাড়ে সাত মিলিয়ন টাকার বিনিময়ে সিন্ধু নদের পূর্বে এবং রাভি নদীর পশ্চিমে অবস্থিত সমস্ত পার্বত্য অঞ্চল গুলাব সিং এর কাছ থেকে নিয়ে নেয় ।
তৎকালীন শিখ সাম্রাজ্যের প্রধান সেনাপতি লাল সিং, যিনি পরবর্তীকালে প্রধান মন্ত্রী হয়েছিলেন, কাশ্মীরের শাসনকর্তা ইমামউদ্দিনকে দোগড়াদের প্রতিরোধ করতে অনুরোধ করেছিলেন যারা সদ্য প্রতিষ্ঠিত রাজ্য থেকে শিখদের প্রতিস্থাপন করার চেষ্টা করেছিল । ব্রিটিশরা গুলাব সিং এর সহায়তায় কাশ্মীরের শাসনকর্তা ইমামউদ্দিনকে উৎখাত করে এবং কাশ্মীর ও জম্মুর নতুন মহারাজা হিসাবে গুলাব সিংকে নিযুক্ত করে । এই বিশ্বাসঘাতকতা জন্য লাল সিংকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ক্রোধের সম্মুখীন হতে হয় । ইমামউদ্দিন ব্রিটিশ এবং গুলাব সিংকে সেইসমস্ত তথ্য পেশ করে যার থেকে জানা যায় যে শিখরা তাকে দোগড়া সৈন্যদের আক্রমণ করতে পাঠিয়েছিল তখন, যখন সেই সৈন্যদল কাশ্মীর উপত্যকা থেকে শিখ সৈন্যদলকে প্রতিস্থাপন করার জন্য সচেষ্ট হয় । লাল সিং তার পদ থেকে অপসারন এবং পাঞ্জাব অঞ্চলে প্রবেশ করা থেকে নির্বাসিত করা হয়।
সম্প্রসারণ
[সম্পাদনা]কিছুদিন পরে হুনযা রাজা, গিল গিট অঞ্চল আক্রমণ করেন । গুলাব সিং এর পক্ষে নাথু শাহ্ সৈন্য দলের পুরোভাগে থেকে অভিযান শুরু করেন, কিন্তু তিনি ও তার সমস্ত সৈন্যদল বিপর্যস্ত হয়, এবং গিল গিট হুনযা রাজার হাতে চলে যায় । সেই সঙ্গে আরও যে জায়গা গুলি হুনযা রাজা অধিগ্রহণ করেন সেগুলি হল পুনিয়াল, ইয়াসিন এবং দারেল। এই সময় মহারাজা আস্তর এবং বালতিস্তান থেকে দুদল সৈন্য পাঠান, কিছুকাল যুদ্ধের পর গিল গিট দুর্গ পুনরুদ্ধার হয় । ১৮৫২ সালে ইয়াসিনের গাউর রহমানের নেতৃত্বে দোগড়াদের বিলুপ্তি হয় এবং ষেই সময় থেকে আট বছর পর্যন্ত সিন্ধু নদ মহারাজের সীমানা হিসাবে পরিগণিত হয়।
শাসক
[সম্পাদনা]| সিরিয়াল | নাম | রাজত্ব | সূত্র |
|---|---|---|---|
| ১ | গুলাব সিং | ১৮৪৬-১৮৫৭ | [১] |
| ২ | রণবীর সিং | ১৮৫৭-১৮৮৫ | |
| ৩ | প্রতাপ সিং | ১৮৮৫-১৯২৫ | |
| ৪ | হরি সিং | ১৯২৫-১৯৪৮ | |
| ৫ | করণ সিং (রিজেন্ট) | ১৯৪৮-১৯৫২ |
প্রশাসন
[সম্পাদনা]১৯১১, ১৯১১ এবং ১৯৩১ সালের আদমশুমারি রিপোর্ট অনুসারে, প্রশাসনটি নিম্নরূপে সংগঠিত হয়েছিল:[৬][৭]
- জম্মু প্রদেশ: জম্মু, জস্রোটা ( কাঠুয়া ), উধমপুর, রেসি এবং মিরপুর জেলা
- কাশ্মীর প্রদেশ: কাশ্মীরের দক্ষিণে ( অনন্তনাগ ), কাশ্মীরের উত্তরে ( বড়মুল্লা ) এবং মুজাফফারাবাদ জেলাগুলি।
- ফ্রন্টিয়ার জেলা: লাদাখ এর ওয়াজারাত এবং গিলগিত ।
- অভ্যন্তরীণ জগির: পুঞ্চ, ভাদরওয়াহ এবং চেনানী ।
১৯৪১ সালের আদমশুমারিতে সীমান্তবর্তী জেলাগুলির আরও বিশদ বিবরণ দেওয়া হয়েছিল:[৬]
- লাদাখ ওয়াজারত : লেহ, স্কার্দু এবং কারগিলের তহসিল।
- গিলগিট ওয়াজারত : গিলগিট ও অ্যাস্টোর
- সীমান্ত ইলাকাস : দন্ডনীয়, ইশকোমান, ইয়াসিন, কুহ-ঘিজার, হুনজা, নগর, চিলাস ।
প্রধানমন্ত্রী
[সম্পাদনা]| # | নাম | দায়িত্ব গ্রহণ | দায়িত্ব ত্যাগ |
|---|---|---|---|
| ১ | রাজা হরি সিংহ | ১৯২৫ | ১৯২৭ |
| ২ | স্যার অ্যালবিয়ন ব্যানার্জি | জানুয়ারী ১৯২৭ | ১৯২৯ সালের মার্চ |
| ৩ | জিইসি ওয়েকফিল্ড | ১৯২৯ | ১৯৩১ |
| ৪ | হরি কৃষ্ণ কৌল [৮] | ১৯৩১ | ১৯৩২ |
| ৫ | এলিয়ট জেমস ডওয়েল কেলভিন[৮] | ১৯৩২ | ১৯৩৬ |
| ৬ | স্যার বরজোর জে দালাল | ১৯৩৬ | ১৯৩৬ |
| ৭ | স্যার এন গোপালস্বামী আয়ঙ্গার | ১৯৩৬ | জুলাই ১৯৪৩ |
| ৮ | কৈলাশ নারায়ণ হাকসার | জুলাই ১৯৪৩ | ফেব্রুয়ারি ১৯৪৪ |
| ৯ | স্যার বিএন রাউ | ফেব্রুয়ারি ১৯৪৪ | ২৮ জুন ১৯৪৫ |
| ১০ | রাম চন্দ্র কাক | ২৮ জুন ১৯৪৫ | ১১ আগস্ট ১৯৪৭ |
| ১১ | জনক সিং | ১১ আগস্ট ১৯৪৭ | ১৫ অক্টোবর ১৯৪৭ |
| ১২ | মেহের চাঁদ মহাজন | ১৫ অক্টোবর ১৯৪৭ | ৫ মার্চ ১৯৪৮ |
| ১৩ | শেখ আবদুল্লাহ | ৫ মার্চ ১৯৪৮ | ১৭ নভেম্বর ১৯৫২ |
ভূগোল
[সম্পাদনা]
রাজ্যটির আয়তন 32 ° 17 ' থেকে 36 ° 58' উত্তর এবং 73 ° 26 'থেকে 80 ° 30' পূর্ব পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। [৯] জম্মু রাজ্যের দক্ষিণতম অঞ্চল এবং পাঞ্জাবের ঝিলাম গুজরাত, শিয়ালকোট এবং গুরুদাসপুর জেলাগুলির সাথে সংলগ্ন ছিল। পাঞ্জাব সীমান্তে সমতল স্তরের একটি সীমানা রয়েছে, এটি নিম্ন পাহাড়ী দেশের এক চতুর্থাংশ বিচ্ছিন্নভাবে কাঠের, ভাঙ্গা এবং অনিয়মিত। এইগুলো কান্দি, বাড়িতে চিবস এবং দরগা হিসাবে পরিচিত ছিল। উত্তরে ভ্রমণ করতে, ৮,০০০ ফুট (২,৪০০ মিটার) উঁচু পর্বতমালা আরোহণ করা আবশ্যক ছিল।
এটি একটি শীতকালীন দেশ, যা ওক, রোডেনড্রন, চেস্টনাট এবং উচ্চতর ওপরে, দেওদার ও পাইনের, ভাদরওয়াহ এবং কিস্তদ্বারের মতো উঁচুভূমির দেশ, চেনাব নদীর গভীর ধারা বয়ে গেছে। পীর পাঞ্জাল নামে পরিচিত হিমালয়ান রেঞ্জের পদক্ষেপগুলি দ্বিতীয় গল্পের দিকে নিয়ে যায়, যার উপর দিয়ে কাশ্মীরের উপত্যকাকে ঝিলম নদীর তীর বয়ে যায়। [৯]
হিমালয়ের স্টিপার অংশগুলি উত্তরে অস্টোর এবং বালতিস্তান এবং পূর্বে লাদাখের দিকে যায়, যা সিন্ধু নদীতে প্রবাহিত একটি ট্র্যাক্ট। উত্তর-পশ্চিমে, গিলগিত পশ্চিমে এবং উত্তরে সিন্ধু অবস্থিত। পুরো এলাকা দৈত্যকার পাহাড় প্রাচীর দ্বারা ঘেরা যা পূর্বে হিন্দু কুশের কিলিক বা মিনটাকারর অন্তর্গত, যা পামির এবং চীনা সাম্রাজ্যের দিকে ধাবিত এবং রাকাপোশি (২৫,৫৬১ ফুট) অতিক্রম করে, মুজতাঘ রেঞ্জ বরাবর কে২ ( গডউইন-অস্টিন হিমবাহ, ২৮,২৬৫ফুট), গাশারব্রুম এবং মাশারব্রুম (যথাক্রমে ২৮,১০০ এবং ২৮,৫৬১ ফুট (৮,৭০৫ মিটার) কারাকোরাম রেঞ্জ যা কুনলুন পর্বতমালায় মিশে যায়। হুনজা ও নাগরের উত্তর কোণের পশ্চিম দিকে, পাহাড় এবং হিমবাহের চিত্রাল সীমান্তবর্তী হিন্দু কুশ সীমান্তের পূর্বদিকে দক্ষিণে এবং দক্ষিণে কাফেরিস্তান এবং আফগান সীমান্তের সীমানা অবধি বিস্তৃত রয়েছে।[৯]
পরিবহন
[সম্পাদনা]কোহালা থেকে লেহ যাওয়ার একটি পথ ছিল; রাওয়ালপিন্ডি থেকে কোহালা হয়ে কোহালা ব্রিজের উপর দিয়ে কাশ্মীরে যেতে পারা সম্ভব হয়েছিল। কোহালা থেকে শ্রীনগরের রুটটি ছিল ১৩২ মাইল (২১২ কিলোমিটার) ) একটি কার্ট রোড। কোহলা থেকে বারামুল্লা রাস্তা ছিলেন ঝিলাম নদীর কাছে ছিল। মুজাফফরাবাদে কিশেনগঙ্গা নদী ঝিলামের সাথে মিশে যায় এবং এ পর্যায়ে আত্তাবাদ ও গড়ী হাবিবুল্লাহর রাস্তাটি কাশ্মীরের সাথে মিলিত হয়। এই রাস্তাটি ভারী যানবাহন বহন করতো এবং মেরামতের জন্য কর্তৃপক্ষের ব্যয়বহুল রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন ছিল।[১০]
বন্যা
[সম্পাদনা]১৮৯৩ সালে, ৫২ ঘণ্টা একটানা বৃষ্টিপাতের পরে, ঝিলাম উপত্যকায় খুব মারাত্মক বন্যা হয়েছিল এবং শ্রীনগরের অনেক ক্ষতি হয়েছিল। ১৯০৩ এর বন্যা ছিল আরও মারাত্মক, এক বিরাট বিপর্যয়।[১১]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 David P. Henige (২০০৪)। Princely States of India: A Guide to Chronology and Rulers। Orchid Press। পৃ. ৯৯। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৭৪-৫২৪-০৪৯-০।
- ↑ "Kashmir and Jammu", Imperial Gazetteer of India, ১৫, Secretary of State for India in Council: Oxford at the Clarendon Press: ৭১–, ১৯০৮, ২১ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত, সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুন ২০২০
- ↑ Panikkar, Gulab Singh 1930।
- ↑ "Q&A: Kashmir dispute – BBC News"।
- ↑ Bose, Sumantra (২০০৩)। Kashmir: Roots of Conflict, Paths to Peace। Harvard University Press। পৃ. ৩২–৩৭। আইএসবিএন ০-৬৭৪-০১১৭৩-২।
- 1 2 Karim, Maj Gen Afsir (২০১৩), Kashmir The Troubled Frontiers, Lancer Publishers LLC, পৃ. ২৯–৩২, আইএসবিএন ৯৭৮-১-৯৩৫৫০১-৭৬-৩
- ↑ Behera, Demystifying Kashmir 2007।
- 1 2 Copland, Ian (১৯৮১), "Islam and Political Mobilization in Kashmir, 1931–34", Pacific Affairs, ৫৪ (2): ২২৮–২৫৯, জেস্টোর 2757363
- 1 2 3 "Kashmir and Jammu" ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৩ মার্চ ২০১৬ তারিখে Imperial Gazetteer of India, v. 15, p. 72.
- ↑ "Kashmir and Jammu" ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১২ সেপ্টেম্বর ২০০৮ তারিখে Imperial Gazetteer of India, v. 15, p. 79.
- ↑ "Kashmir and Jammu" ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১২ সেপ্টেম্বর ২০০৮ তারিখে Imperial Gazetteer of India, v. 15, p. 89
গ্রন্থপুঞ্জী
[সম্পাদনা]- Behera, Navnita Chadha (২০০৭), Demystifying Kashmir, Pearson Education India, আইএসবিএন ৮১৩১৭০৮৪৬২
- Das Gupta, Jyoti Bhusan (২০১২), Jammu and Kashmir, Springer, আইএসবিএন ৯৭৮-৯৪-০১১-৯২৩১-৬
- Birdwood, Lord (১৯৫৬), Two Nations and Kashmir, R. Hale
- Huttenback, Robert A. (১৯৬১), "Gulab Singh and the Creation of the Dogra State of Jammu, Kashmir, and Ladakh" (পিডিএফ), The Journal of Asian Studies, ২০ (4): ৪৭৭–৪৮৮, ডিওআই:10.2307/2049956, ১৫ আগস্ট ২০১৬ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত
- Mahajan, Mehr Chand (১৯৬৩), Looking Back: The Autobiography of Mehr Chand Mahajan, Former Chief Justice of India, Asia Publishing House
- Major, Andrew J. (১৯৯৬), Return to Empire: Punjab under the Sikhs and British in the Mid-nineteenth Century Limited, New Delhi: Sterling Publishers, আইএসবিএন ৮১-২০৭-১৮০৬-২
- Major, Andrew J. (১৯৮১), Return to Empire: Punjab under the Sikhs and British in the Mid-nineteenth Century, Australian National University
- Noorani, A. G. (২০১১), Article 370: A Constitutional History of Jammu and Kashmir, Oxford University Press, আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৮০৭৪০৮-৩
- Panikkar, K. M. (১৯৩০)। Gulab Singh। London: Martin Hopkinson Ltd।
- Raghavan, Srinath (২০১০), War and Peace in Modern India, Palgrave Macmillan, পৃ. ১০১–, আইএসবিএন ৯৭৮-১-১৩৭-০০৭৩৭-৭[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- Rai, Mridu (২০০৪), Hindu Rulers, Muslim Subjects: Islam, Rights, and the History of Kashmir, C. Hurst & Co, আইএসবিএন ১৮৫০৬৫৬৬১৪
- Schofield, Victoria (২০০৩) [First published in 2000], Kashmir in Conflict, London and New York: I. B. Taurus & Co, আইএসবিএন ১৮৬০৬৪৮৯৮৩
- Singh, Bawa Satinder (১৯৭১), "Raja Gulab Singh's Role in the First Anglo-Sikh War", Modern Asian Studies, ৫ (1): ৩৫–৫৯, ডিওআই:10.1017/s0026749x00002845, জেস্টোর 311654