ইস্তাম্বুল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ইস্তাম্বুল
İstanbul
অতিমহানগরী
Aerial overview
Hagia Sophia
Maiden's Tower
Ortaköy Mosque
İstiklal Avenue
Galata Tower
Levent at night
ইস্তাম্বুল তুরস্ক-এ অবস্থিত
ইস্তাম্বুল
ইস্তাম্বুল
Location of Istanbul on the Bosphorus Strait, Turkey
স্থানাঙ্ক: ৪১°০১′ উত্তর ২৮°৫৮′ পূর্ব / ৪১.০১৭° উত্তর ২৮.৯৬৭° পূর্ব / 41.017; 28.967
রাষ্ট্র তুরস্ক
অঞ্চলমারমারা অঞ্চল
প্রদেশইস্তাম্বুল
প্রতিষ্ঠাখ্রিস্টপূর্ব ৬৬৭
উসমানীয় সময়১৪৫৩
তুরস্ক প্রতিষ্ঠার পর১৯২৩ সালে কন্সটান্টিনোপলকে ইস্তাম্বুল নামে নামকরণ করা হয়
জেলা২৭
সরকার
 • মেয়রএকরেম ইমামোগলু (সিএইচপি)
আয়তন
 • মোট১,৮৩০.৯২ বর্গকিমি (৭০৬.৯২ বর্গমাইল)
উচ্চতা১০০ মিটার (৩০০ ফুট)
জনসংখ্যা (২০০৯)[১][২]
 • মোট১,২৭,৮২,৯৬০
 • জনঘনত্ব৬,২১১/বর্গকিমি (১৬,০৯০/বর্গমাইল)
সময় অঞ্চলএফইটি (ইউটিসি+৩)
পোস্ট কোড৩৪০১০ থেকে ৩৪৮৫০ এবং
৮০০০০ থেকে ৮১৮০০
এলাকা কোড(+৯০) ২১২ (ইউরোপীয় অঞ্চলে)
(+৯০) ২১৬ (এশীয় অঞ্চলে)
ওয়েবসাইটIstanbul Portal
ইস্তাম্বুলের ঐতিহাসিক অঞ্চল
ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান
মানদণ্ডCultural: I, II, III, IV
সূত্র356
তালিকাভুক্তকরণ1985 (9th সভা)
১৮৭৬ সালের ইস্তাম্বুল

ইস্তাম্বুল (তুর্কী: İstanbul, ইস্‌তাম্‌বুল্‌, এই শব্দ সম্পর্কেশুনুন ) তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমভাগে অবস্থিত দেশটির বৃহত্তম নগরী ও প্রধান সমুদ্রবন্দর। এটি প্রাচীনকালে বাইজেন্টিয়াম ও কোনস্তান্তিনোপল নামে পরিচিত ছিল। নগরীটি কৃষ্ণ সাগরের প্রবেশপথে একটি উপদ্বীপের উপরে একটি কৌশলগত অবস্থানে অবস্থিত। নগরীটি ইউরোপ ও এশিয়া মহাদেশকে পৃথককারী এবং কৃষ্ণ সাগর ও মারমারা সাগরকে সংযুক্তকারী সরু বসফরাস প্রণালীটির পূর্ব ও পশ্চিম অংশ জুড়ে দাঁড়িয়ে আছে। ফলে ইস্তাম্বুলের পশ্চিম পার্শ্ব ইউরোপ মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব ভাগে এবং পূর্ব পার্শ্ব এশিয়া মহাদেশের পশ্চিমভাগে পড়েছে। এটি বিশ্বের একমাত্র নগরী যেটি একই সাথে দুইটি মহাদেশের উপরে দাঁড়িয়ে আছে। প্রশাসনিকভাবে ইস্তাম্বুল তুরস্কের ইস্তাম্বুল প্রদেশের রাজধানী। প্রদেশটির উত্তরে কৃষ্ণ সাগর, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে মার্মারা সাগর, পূর্বে কোচেলি প্রদেশ ও পশ্চিমে তেকরিদা প্রদেশ। ইস্তাম্বুল প্রায় ১৬ শতক ধরে ধারাবাহিকভাবে অনেকগুলি শক্তিধর সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল: রোমান/বাইজেন্টীয় সাম্রাজ্য (৩৩০-১২০৪ খ্রিস্টাব্দ), লাতিন সাম্রাজ্য (১২০৪-১২৬১), পালাইলোগোস বাইজেন্টীয় সাম্রাজ্য (১২৬১-১৪৫৩) এবং সবশেষ উসমানীয় সাম্রাজ্য (১৪৫২-১৯২২)।[৩] বর্তমানে আঙ্কারা শহরটি তুরস্কের প্রশাসনিক রাজধানী হলেও ইস্তাম্বুল আজও দেশটির ইতিহাস, অর্থনীতি ও সংস্কৃতির কেন্দ্রবিন্দু।

ইস্তাম্বুলের জলবায়ু মৃদু প্রকৃতির। এখানকার গ্রীষ্মগুলি উষ্ণ এবং শীতকালগুলি মৃদু, ফলে এটি একটি জনপ্রিয় অবকাশযাপন কেন্দ্রে। ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুর কারণে শীতকালে বেশি বৃষ্টিপাত হয়। শহরটি ভূমিকম্পপ্রবণ এবং কিছুসংখ্যক ভূমিকম্পের কারণে শহরটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

ইস্তাম্বুল তুরস্কের শিল্প, বাণিজ্য, ব্যাংকিং খাত, পর্যটন ও অন্যান্য সেবাখাতের কেন্দ্র। এখানে কাপড়, পোশাকপরিচ্ছদ, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, ময়দা, তামাক প্রক্রিয়াজাতকরণ, রাসায়নিক দ্রব্য, কাচ ও সিমেন্টের কারখানা আছে। এখানে বহুসংখ্যক তুর্কি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। ইস্তাম্বুল নগরীর অর্থনীতি গোটা তুরস্কের অর্থনীতির ৩০ শতাংশের প্রতিনিধিত্ব করে।[৪][৫]পর্যটন খাত থেকে নগরীর আয় দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০১০ সালে ইস্তাম্বুলকে একটি ইউরোপীয় সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে মর্যাদা দেওয়া হয়। ২০১৮ সালে প্রায় ১ কোটি ৩৪ লক্ষ পর্যটন শহরটি পরিদর্শন করতে আসে, ফলে এটি বিশ্বের পঞ্চম সর্বোচ্চ জনপ্রিয় পর্যটক গন্তব্যস্থলে পরিণত হয়।[৬] ইস্তাম্বুলে অনেকগুলি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান আছে। ইস্তাম্বুলের বড় বাজারটি ১৫শ শতকের মধ্যভাগে যাত্রা শুরু করে। এখানে প্রায় চার হাজার দোকানে বহুবিভিন্ন ধরনের পণ্য, যেমন গালিচা, মাদুর, মণিরত্ন, সোনার গয়না, তামা, পিতল ও চীনামাটির তৈজসপত্র, পুরাতন পয়সা ও বস্ত্র কিনতে পাওয়া যায়। ইস্তাম্বুল তুরস্কের বৃহত্তম ও প্রধানতম সমুদ্রবন্দর এবং দেশটির পাইকারি বাণিজ্য ও পরিবহনের কেন্দ্র। সোনালী শৃঙ্গ এলাকায় অবস্থিত উৎকৃষ্ট প্রাকৃতিক পোতাশ্রয়টির কারণে এবং ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যবর্তী বাণিজ্যপথগুলির উপরে একটি কৌশলগত অবস্থানে অবস্থিত বলে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জাহাজ আন্তঃপরিবহন কেন্দ্র।

ইস্তাম্বুলের বহু ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান এর মধ্যযুগীয় প্রাচীরবেষ্টিত পুরাতন শহরটির মধ্যে অবস্থিত, এবং এটিকেই অতীতে ইস্তাম্বুল (ও পাশ্চাত্যের দেশগুলিতে স্তাম্বুল) নামে ডাকা হত। "স্তাম্বুল" পুরাতন ইস্তাম্বুল নগরীর হৃৎকেন্দ্রে একটি পাহাড়ি উপদ্বীপের উপরে অবস্থিত। এটির দক্ষিণে মার্মারা সাগর, পূর্বে বসফরাস প্রণালী এবং উত্তরে একটি গভীর খাঁড়ি যার নাম সোনালী শৃঙ্গ। স্তাম্বুলের পশ্চিম সীমানাটি ৫ম শতকে নির্মিত এবং মার্মারা সাগর থেকে সোনালী শৃঙ্গ পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি প্রাচীরের ধ্বংসাবশেষ দ্বারা চিহ্নিত। স্তাম্বুল উপদ্বীপের সর্বপূর্ব বিন্দুটিতে অবস্থিত ইস্তাম্বুলের তোপকাপি প্রাসাদ ছিল উসমানীয় সাম্রাজ্যের শাসকদের বাসস্থান; বর্তমানে এটিকে একটি জাদুঘরে পরিণত করা হয়েছে। প্রাসাদের প্রাঙ্গনের উত্তর প্রান্তে সিরকেচি নামের এলাকাটিতে অনেক রেস্তোরাঁ ও বিনোদন কেন্দ্র আছে। গালাতা পন্টুন সেতুটি সোনালী শৃঙ্গকে গালাতা বাণিজ্যিক এলাকাকে সংযুক্ত করেছে; সেতুসংলগ্ন এলাকাতে বহু দোকান ও কফিঘর আছে। ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে শহরটি কখনও ইসলামী ও কখনও খ্রিস্টান শাসকদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। ৫৩৭ সালে এখানে হাগিয়া সোফিয়া (তুর্কি ভাষায় আয়াসোফিয়া) নামের একটি বিরাট বাইজেন্টীয় খ্রিস্টান গির্জার নির্মাণকাজ শেষ হয়। এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থাপনাগুলির একটি হিসেবে গণ্য করা হয়। পরবর্তীতে এটিকে একটি মসজিদে এবং পরে মুস্তফা কামাল আতার্তুকের শাষনে এটিকে জাদুঘরে রূপান্তরিত করা হয়। সবশেষে ২০২০ খৃষ্টাব্দে তূর্কী রাষ্ট্রপতি রিসেপ তাইপ এর্দোগানের আমলে এটিকে পুনরায় মসজিদে রুপান্তরিত করা হয় । উসমানীয় সুলতানদের শাসনামলে নগরীটিতে বহুসংখ্যক মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছিল। এদের মধ্যে ১৬শ শতকে (১৫৫০-১৫৫৭) স্থপতি সিনান দ্বারা নির্মিত সুলেইমানের মসজিদ ও ১৭শ শতকের শুরুতে (১৬০৯-১৬১৬) সুলতান ১ম আহমেদ দ্বারা নির্মিত নীল মসজিদ দুইটি উল্লেখ্য। ইস্তাম্বুলে অনেক জাদুঘর আছে, যাদের মধ্যে প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর এবং তুর্কি ও ইসলামি শিল্পকলা জাদুঘর দুইটি সর্বাগ্রে উল্লেখ্য। ইস্তাম্বুলকে ঘিরে ৫ম শতকে নির্মিত রোমান প্রাচীরগুলির ধ্বংসাবশেষগুলি আজও পরিদর্শন করা যায়। ১৯৮৫ সালে জাতিসংঘের সাংস্কৃতিক সংস্থা ইউনেস্কো ইস্তাম্বুলের পুরাতন শহরটিকে একটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ইস্তাম্বুলে তুরস্কের সবচেয়ে প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয় ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়টি অবস্থিত, যেটিকে ১৪৫৩ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।

ইস্তাম্বুল এখন যে এলাকাটিতে অবস্থিত, সেখানে আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১০ম শতকে লিগোস নামে একটি গ্রিক মৎস্যশিকারীদের গ্রাম ছিল। খ্রিস্টপূর্ব ৭ম শতকে মেগারা থেকে আগত গ্রিকরা এখানে প্রথমে একটি লোকালয় প্রতিষ্ঠা করে।[৭] তারা এই শহরটির নাম দেয় বিজান্তিওন (Βυζάντιον)। এরপর ৫১২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে এটি হাখমেনীয় রাজবংশ শাসিত পারস্য সাম্রাজ্যের অংশে পরিণত হয়। এর ম্যাসিডোনিয়ার রাজা আলেকজান্ডার এটি বিজয় করেন। পরে রোমানরা শহরটি নিয়ন্ত্রণে নেয়। খ্রিস্টীয় প্রথম শতকে রোমানদের অধীনে একটি একটি মুক্ত নগরীর মর্যাদা লাভ করেছিল। পরবর্তীতে ৩৩০ খ্রিস্টাব্দে রোমান সম্রাট ১ম কোনস্তানতিন শহরটিকে পূর্ব রোমান সাম্রাজ্যের রাজধানী বানান, এটিতে ব্যাপক পুনর্নির্মাণ সাধন করে এটিকে রোমের মতো চরিত্র প্রদান করেন এবং এটির নাম বদলে প্রথম নতুন রোম (নোভ রোমা) ও পরবর্তীতে কোনস্তান্তিনোপল রাখেন।[৮] রোমান সাম্রাজ্যের পূর্ব অংশটি পরবর্তীতে বাইজেন্টীয় সাম্রাজ্য (পুরাতন বাইজেন্টিয়াম নাম অনুসারে) নাম ধারণ করে। ৫ম শতকের শেষভাগে পশ্চিম রোমান সাম্রাজ্য তথা রোমের পতনের পরে কোনস্তান্তিনোপল (বর্তমান ইস্তাম্বুল) সব মিলিয়ে প্রায় এক হাজার বছর ধরে বাইজেন্টীয় রোমান সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল। কোনস্তান্তিন ও তার উত্তরসূরীরা এখানে প্রাচীর, জলবাহী নালি, চৌবাচ্চা ও ফোয়ারা নির্মাণ করেন। সময়ের সাথে সাথে এটি রেশম পথের উপরে অবস্থিত সারা বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নগরীতে পরিণত হয়। ৬ষ্ঠ থেকে ১৩শ শতক পর্যন্ত প্রায়শই নগরীটি পারসিক, আরব, বুলগার ও রুশ বাহিনীর অবরোধের শিকার হয়। ১২০৩ খ্রিস্টাব্দে ইউরোপের খ্রিস্টান ধর্মযোদ্ধারা তাদের চতুর্থ ধর্মযুদ্ধে শহরটি দখল করে এবং এটিকে লাতিন খ্রিস্টান শাসনের অধীনে ফেরত নিয়ে আসে। ১২৬১ সালে এটি আবার বাইজেন্টীয় শাসনে প্রত্যাবর্তন করে। রোমান ও বাইজেন্টীয় শাসনামলে শহরটি খ্রিস্টধর্মের বিস্তারে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। ১৪৫৩ সালে উসমানীয় তুর্কিরা কোনস্তান্তিনোপল বিজয় করে। তারা শহরটিকে বিশাল উসমানীয় সাম্রাজ্যের রাজধানীর মর্যাদা দেয়। উসমানীয় শাসনামলে শহরটি আনুষ্ঠানিকভাবে কোস্তান্তিনিয়ে (قسطنطينيه )নামে পরিচিত ছিল। সেসময় এটি ইসলামি বিশ্বের অন্যতম প্রধান নগরীতে পরিণত হয়।[৯] প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পরাজয় বরণের পরে ১৯১৮ সালে উসমানীয় সাম্রাজ্যের অবসান ঘটে এবং কোস্তানতিনিয়ে নবগঠিত দেশ তুরস্ক প্রজাতন্ত্রের অংশে পরিণত হয়। তুরস্কের রাজধানীকে আংকারাতে সরিয়ে নেওয়া হয়। ১৯৩০ সালে তুরস্কের স্বাধীনতার ৭ বছর পরে সরকারিভাবে শহরটির নাম ইস্তাম্বুল স্থির করা হয়। ইস্তাম্বুল কথাটি "ইস তিম্বোলিন" (εις την Πόλιν) নামক একটি গ্রিক শব্দগুচ্ছ থেকে এসেছে, যার অর্থ "শহরে বা শহরের দিকে"। এর আগে একাশত শতাব্দী থেকেই পুরাতন প্রাচীরবেষ্টিত শহরটিকে স্থানীয় গ্রিক ও পরবর্তীতে তুর্কি অধিবাসীরা অনানুষ্ঠানিকভাবে শুধু "ইস্তাম্বুল" (অর্থাৎ শহর) নামে ডাকত।[১০] ২০শ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে নগরীটি দ্রুত বৃদ্ধিলাভ করে। ১৯৯৯ সালে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প ইস্তাম্বুলে আঘাত হানে, যার ফলে বহু হাজার লোক নিহত হয় ও বহু ভবন বিধ্বস্ত হয়। ২১শ শতকের শুরুতে ইস্তাম্বুলের পুনর্নিমাণ কাজগুলি শুরু হয় এবং পর্যটন খাত আবার পুনরুজ্জীবিত হতে শুরু করে।

ইস্তাম্বুলে ১ কোটি ৫০ লক্ষেরও অধিক অধিবাসীর বাস, যা তুরস্কের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ।[১১] শহরের ঐতিহাসিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্রসহ দুই-তৃতীয়াংশ অধিবাসীর বাসস্থান ইউরোপীয় অংশে অবস্থিত। জনসংখ্যার বিচারে ইউরোপের অংশ হিসেবে ধরলে এটি ইউরোপের বৃহত্তম নগরী (নতুবা রুশ রাজধানী মস্কো বৃহত্তম), এবং বিশ্বের ১৫তম বৃহত্তম নগরী। গ্রামীণ অঞ্চল থেকে বহুসংখ্যক অভিবাসী এই শহরের প্রতি আকৃষ্ট হয়, এবং তাদের কিয়দংশ শহরের উপকণ্ঠে বস্তি এলাকায় বাস করে। ইস্তাম্বুলের বেশিরভাগ লোক তুর্কি জাতির লোক। কুর্দিরা শহরটির বৃহত্তম সংখ্যালঘু সম্প্রদায়। তুর্কি ও কুর্দিদের সিংহভাগই মুসলমান। শহরের খ্রিস্টান ও ইহুদি সম্প্রদায়গুলি সংখ্যালঘু এবং এদের সংখ্যা দিনদিন হ্রাস পাচ্ছে।

ইস্তাম্বুলে ফুটবল ও বাস্কেটবল দুইটি জনপ্রিয় ক্রীড়া। ইউরোপীয় অংশের গালাতাসারাই ফুটবল ক্লাবটি দেশের সেরা ফুটবল ক্লাব এবং এটি ২০০০ সালে ইউয়েফা কাপ ও ইউয়েফা সুপার কাপ শিরোপা জয় করে ইউরোপের সেরা ক্লাবের মর্যাদা অর্জন করেছিল।

নামকরণ[সম্পাদনা]

বহু বছর ধরে শহরটি পরিচিত ছিল ‘Constantinople’ শব্দেরই বিভিন্ন রূপে। যেমন অটোমানরা শহরটির নামের বানান লিখত ‘Kostantiniyy’। আবার কনস্টান্টিনোপলের আগেও শহরটি বেশ কিছু নামে পরিচিত ছিল। শহরটি প্রতিষ্ঠা করেছিল গ্রিকরা, ৬৫৭ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে। তখন এর নাম ছিল Bazantion। এই শব্দেরই লাতিন সংস্করণ হচ্ছে Byzantium। নিউ রোম, অগাস্টা অ্যান্টোনিনা, কুইন অব সিটিস, দ্য সিটি ইত্যাদি নামেও একসময় শহরটিকে চিনত মানুষ। ৩৩০ সালে রোমান সম্রাট কনস্টানটিন ক্ষমতায় এসে নিজের নামের সঙ্গে মিল রেখে এর নাম রাখেন কনস্টানিনোপল। সম্রাট কনস্টান্টিন ছিলেন প্রথম রোমান সম্রাট, যিনি খ্রিষ্টধর্মে দীক্ষিত হয়েছিলেন। রোমানদের পর অটোমানরা ক্ষমতা দখল করলেও শহরের নাম তারা পরিবর্তন করেনি। তবে রোমান সাম্রাজ্যের মানুষ গ্রিক শব্দভান্ডারের is timˈbolin বা eis tan polin-এর সঙ্গে মিল রেখে কনস্টান্টিনোপলকে Istanpolin নামে ডাকতে শুরু করে, যার অর্থ ‘শহরের দিকে’। কিন্তু শহরের দাপ্তরিক নাম তখনো পরিবর্তন করা হয়নি। এরপর কয়েক শতাব্দী পার হয়েছে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নামের উচ্চারণ ও বানানেও ধীরে ধীরে পরিবর্তন এসেছে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়ের পর ১৯২২ সালে অটোমান সাম্রাজ্যের পতন হয় এবং ১৯২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় তুরস্ক। এর কয়েক বছর পর, ১৯৩০ সালে তুর্কি ডাকসেবা শহরের নাম স্থায়ীভাবে ‘ইস্তাম্বুল’ করার সিদ্ধান্ত নেয়। একই বছর যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট তাদের দাপ্তরিক যোগাযোগ ব্যবস্থাপনায় শহরটির নাম ‘ইস্তাম্বুল’ হিসেবে ব্যবহার করে। পরবর্তী সময়ে একই পথ অনুসরণ করে বাকি দেশগুলো। তবে এটা নিশ্চিত করে বলার জো নেই যে ঠিক কবে, কখন শহরটির নাম কনস্টান্টিনোপল থেকে ইস্তাম্বুল হলো। কারণ, আনুষ্ঠানিকভাবে ইস্তাম্বুল নামকরণের অনেক আগে থেকেই মানুষ শহরটিকে এ নামেই চিনত।

কনস্টান্টিনোপলে বিজয়কে ১৫০০ বছরের মত টিকে থাকা রোমান সাম্রাজ্যের সমাপ্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। উসমানীয়দের এই বিজয়ের ফলে উসমানীয় সেনাদের সামনে ইউরোপে অগ্রসর হওয়ার পথে আর কোনো বাধা থাকল না। খ্রিস্টানদের জন্য এই শোচনীয় পতন ছিল অকল্পনীয়।

বিজয়ের পর সুলতান মুহাম্মদ তার রাজধানী এড্রিনোপল থেকে সরিয়ে কনস্টান্টিনোপল বা ইস্তাম্বুলে নিয়ে আসেন। শহর অবরোধের আগে ও পরে শহরের বেশ কিছু গ্রীক ও অগ্রীক বুদ্ধিজীবী পালিয়ে যায়। তাদের অধিকাংশ ইতালিতে চলে যায় এবং ইউরোপীয় রেনেসাতে সাহায্য করে।

অনেক ঐতিহাসিক বিশ্লেষক, মুসলমানদের কনস্টান্টিনোপলের বিজয় ও বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের পতনকে মধ্য যুগের সমাপ্তি হিসেবে দেখেন।

সবচেয়ে বিখ্যাত শহর[সম্পাদনা]

দুটি মহাদেশের ছোঁয়া পাওয়া বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত শহর তুরস্কের ইস্তাম্বুল৷ সেখানে ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতা আর ধর্মনিরপেক্ষ লাইফস্টাইলের সঙ্গে ধর্মের যে সংঘাত সেটি বোধ হয় আর অন্য কোনো শহরে পাওয়া যাবে না৷ অনেকে মনে করেন, ঠিক এ কারণেই ইস্তাম্বুল এত আকর্ষণীয়৷

জনপরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

ব্যক্তি বা পরিবার নিয়ে বসতি স্থাপনের জন্য এই শহর বিশ্বের সবথেকে কম ব্যয়বহুল শহরের একটি। খুব সাশ্রয়ী খরচে এখানে ঘর ভাড়া বা কেনা যায় যা বিশ্বের মেট্রোসিটিগুলোতে বিরল।

প্রাচীন গ্রিস এবং রোম[সম্পাদনা]

বসফরাসের দক্ষিণ দিক থেকে ইউরোপীয় প্রান্ত পর্যন্ত, সোনার হর্ন এবং উত্তর দিকে মারমার সাগরের মধ্যবর্তী উপদ্বীপ পর্যন্ত, আধুনিক টোপাপি প্রাসাদ, খ্রিস্টপূর্ব 9৫৯ (সিজারিয়ার ইউসেবিওস traditionতিহ্য) থেকে 686868 পর্যন্ত (হেরোডোটাসের traditionতিহ্য) এটি রয়েছে। কথিত আছে যে এটি মেগারা একটি গ্রীক colonপনিবেশিক শহর হিসাবে তৈরি করেছিলেন। পারস্যের পরবর্তী এথেনীয় শাসনের অধীনে আখেমেনিড রাজবংশের ডারেমিয়াস প্রথমের স্কাটাই অভিযান থেকে শুরু করে At৮৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত পারস্যের পরবর্তী এথেনীয় শাসনের অধীনে তিনি এথেনিয়ান এবং স্পার্টার লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়েছিলেন এবং সেই শক্তিগুলির মধ্যে একটির অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। এটি মাছ ধরা এবং শুল্ক শুল্কে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ ছিল। এটি খ্রিস্টপূর্ব ৩৩০-৩৩৯ খ্রিস্টাব্দে কিং ম্যাসেডোনিয়া ফিলিপিয়াসের দ্বারা অবরোধ করা হয়েছিল, তবে অভিভাবক দেবী হেকাটের প্রতীক, ক্রিসেন্ট চাঁদ এবং তারকারা এই শহরের মুদ্রায় খোদাই করেছিলেন এবং গ্রীস হয়ে ইসলামে প্রবেশ করেছিলেন। খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দীতে সেল্টিক আক্রমণ সহ্য করার পরে, এটি খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দীতে রোমান সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল এবং শহরটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত স্থান হিসাবে একটি বিশেষাধিকারযুক্ত অবস্থান ভোগ করেছে। প্যাসকিনিয়াস নাইজেলের বিদ্রোহে সম্রাট সেপটিমিয়াস সেভেরাসের (১৯৩৩-১৯৯)) অবরোধের পরে তিনি আত্মসমর্পণ করলে এই বিশেষ সুযোগটি গ্রহণ করা হয়েছিল এবং শহরটি ধ্বংস হয়ে যায়, তবে শীঘ্রই তাঁর হাত ধরেই তাকে পুনরুদ্ধার করা হয়। পুরানো নগর এলাকা 2 কিমি 2 দ্বিগুণ করা হয়েছে।

বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য[সম্পাদনা]

কনস্টান্টিনোপোলিস নির্মাণঃ প্রশাসনিক এবং সামরিক প্রয়োজনের কারণে, রোমান সাম্রাজ্যের পূর্ব অংশে দ্বিতীয় নতুন রোমান নির্মাণের সন্ধান করা হয়েছিল। কনস্ট্যান্টাইন আই বাইজনেশন (৩২৪) এর নিকটবর্তী নৌ যুদ্ধে রিকিনিয়াসকে পরাজিত করার পরপরই (মহান সম্রাট) এটিকে নতুন মূলধন নির্মাণ সাইট হিসাবে বেছে নিয়েছিলেন এবং নিজের রাজধানী পরিকল্পনার ধারণাটি বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যান। নতুন শহরের নামকরণ করা হয়েছিল তার নামানুসারে <কনস্ট্যান্টাইন শহর>। কনস্টান্টাইন শহর 11 মে, 330 সালে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি উত্থাপন করেছিল, যা এখনও নির্মাণাধীন ছিল, এবং চতুর্থ ক্রুসেড দখলকালীন সময়কাল (1204-61), 29 ই মে, 1453 বাদে অটোমান সাম্রাজ্যের সুলতান দ্বিতীয় মেহমেট দ্বিতীয় অবধি রোমে প্রবেশ বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য দেশের রাজধানী হিসাবে, এটি বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর আক্রমণগুলিতে তার অদম্যত্বকে গর্বিত করেছিল।

পূর্বে পশ্চিমে রোমের সাথে মিলিত এই নতুন রাজধানীটি তৈরি করতে, সম্রাট কনস্ট্যান্টাইন শহরটির অঞ্চলটি 4 গুণ বাড়িয়ে 6 কিলোমিটার 2 বাড়িয়ে দিয়েছিলেন এবং সেভেরাস শুরু করেছিলেন রেসট্র্যাক (50,000 ধারণক্ষমতা) সম্পন্ন করে একটি দুর্গ প্রাচীর দ্বারা এটি ঘিরে রেখেছিলেন। , সেনেট ভবন, অতিথিশালা এবং প্রাসাদ ছাড়াও (দ্বাদশ শতাব্দীতে রাজধানীর উত্তর কোণে ব্র্যাকার্নে প্রাসাদে আদালত সরানো না হওয়া পর্যন্ত ধারাবাহিক সম্রাটদের দ্বারা পূর্বে সংস্কার ও প্রসারিত) সেন্ট সোফিয়া চার্চ ( হাজিয়া সোফিয়া ) একটি নির্মাণ সাইট প্রতিষ্ঠা করেছিলেন (জাস্টিনিয়িন আইয়ের সময় উপলব্ধি হয়েছিল) এবং কনস্টান্টাইন স্কয়ারের কেন্দ্রীয় স্কয়ারে নগর প্রশাসনের জন্য একটি দ্বিতীয় সিনেট ভবন, একটি বিশাল বেসিলিকা, একটি সরকারী অফিস ইত্যাদি স্থাপন করেছিলেন। অ্যাপোস্টোলিয়ন তৈরি করা হয়েছিল এবং পরপর রোমান সম্রাটদের (বাইজেন্টাইন সম্রাট) সমাধি হিসাবে সেট করা হয়েছিল। এছাড়াও, শহরতলির জলের উত্স থেকে প্রাসাদের দিকে জল টানা হয়েছিল এবং মিশর থেকে শস্য উত্তোলনের জন্য এলিফেরিয়াস বন্দরটি তৈরি করা হয়েছিল। এই নির্মাণকাজের সমান্তরালে সম্রাট আনাতোলিয়ার সম্রাটের অঞ্চল থেকে এখানে স্থানান্তরিত সিনেটকে জমি দিয়েছিলেন এবং যে সমস্ত নাগরিকরা তাদের বাড়িঘর তৈরি করেছিলেন তারা রাষ্ট্রায়ত্ত রুটির কারখানা থেকে মুক্ত ছিল এবং অন্যান্য সাধারণ নাগরিকদের কাছে সস্তা ছিল। জনগণকে আকর্ষণ করার জন্য অগ্রাধিকারমূলক নীতি গ্রহণ করা হয়েছিল, যেমন রুটি।

কনস্টানটাইন দ্য গ্রেট-এর নতুন রাজধানী নির্মাণের উত্তরসূরিদের অধীনে চলতে থাকলেও, নির্মাণের স্থানটি সংকীর্ণ এবং দ্রুত জনসংখ্যার বৃদ্ধিতে পরিণত হয়েছিল (এটি বলা হয় যে এটি নির্মাণের 70০ বছরে চারগুণ বেড়েছে) ৪১৩ বছর থিওডোসিয়াস দ্বিতীয় শহর অঞ্চলটি দ্বিগুণ হয়ে 12 কিলোমিটার 2 করা হয়েছিল এবং এর চারপাশে একটি 7 কিলোমিটার দীর্ঘ প্রাচীর দ্বারা বেষ্টিত ছিল গোল্ডেন হর্ন বে থেকে মারমারা সাগর পর্যন্ত প্রসারিত। নতুন শহর অঞ্চলটি পুরোপুরি বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যে পুরোপুরি বসবাস করা হয়নি, একটি গ্রামীণ প্রাকৃতিক দৃশ্য ছেড়ে।

খ্রিস্টান ও ধ্রুপদী সংস্কৃতির কেন্দ্র কনস্টান্টিনোপলের বিশপ ধীরে ধীরে নতুন রাজধানীর জন্য উপযুক্ত একটি ফর্ম অর্জন করেছে। অন্য কথায়, জাতীয় ধর্মীয় কংগ্রেসে ৩৮১ (কনস্ট্যান্টিনোপলের প্রথম কাউন্সিল) অনুষ্ঠিত রোমের পরে এটি দ্বিতীয় স্থানে ছিল, যখন ৪ked১-এর কালকেডন, থ্রেস, এশিয়া, পন্টাস (পন্টাস) এর কাউন্সিলের পাশাপাশি ভবিষ্যতে ঘোরাঘুরি করার জন্য বর্বর নিবাসের এখতিয়ার, জাস্টিনিয়ান আমাকে রোমান সাম্রাজ্যের পাঁচটি মহান পিতৃপুরুষের একজনের মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল। হাগিয়া সোফিয়ার নীচে 485 গীর্জা রয়েছে এবং 325 জন পুরুষ ও মহিলা বিহার রয়েছে এবং খ্রিস্ট, ভাববাদী, সাধু এবং শহীদদের মতো ধ্বংসাবশেষ রয়েছে যতক্ষণ না তারা বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের পুরো রেকর্ড থেকে খুঁজে পাওয়া যায়। এটি ছিল মধ্যযুগীয় খ্রিস্টান বিশ্বে তীর্থযাত্রার এক মহান পবিত্র স্থান।

৪২৫ সালে, সেখানে কনস্টান্টিনোপল ইম্পেরিয়াল বিশ্ববিদ্যালয় ছিল গ্রীক এবং লাতিন সাহিত্যের পাশাপাশি দর্শন ও আইন বিষয়ে কোর্স সহ এবং এটি মধ্যযুগের প্রথমদিকে ধ্রুপদী সংস্কৃতির traditionsতিহ্য রক্ষা করতে অস্বীকার করার পরে পুনরুদ্ধার করা হয়েছিল। এটি কেন্দ্র হয়ে ওঠে। কনস্টান্টিনোপল এমন লেখকও সংগ্রহ করেছিলেন যারা গ্রীক ক্লাসিকগুলিকে সাধারণভাবে সাহিত্যের একটি মডেল হিসাবে বিবেচনা করেছিলেন এবং অনুভব করেছিলেন যে তাদের অনুকরণই তাদের লক্ষ্য mission এগুলি সমাজের প্রতিটি স্তরে ব্যাপকভাবে বিতরণ করা হয়েছিল, বাইজেন্টাইন সংস্কৃতির মূল প্রবণতা তৈরি করেছিল এবং সমসাময়িক পশ্চিমা ইউরোপের একেবারে বিপরীতে যেখানে পাদ্রি এবং সন্ন্যাসীরা সংস্কৃতির জন্য দায়ী ছিলেন।

সম্রাট এবং মূলধন কনস্টান্টিনোপল, যেখানে সাতটি পাহাড় এবং 14 টি জেলা পাশাপাশি রোমেরও অন্তর্ভুক্ত ছিল, টোকিও মহানগরীর অন্তর্ভুক্ত এবং নতুন রাজধানীর পর পঞ্চম শতাব্দীতে এটি সীমান্ত শিবিরের পক্ষে স্থায়ী সম্রাট ছিল। এটি বসবাসের জায়গা হয়ে ওঠে, আদালতের জীবন শিকড় জাগিয়ে তোলে এবং একটি দারুণ আচার ছড়িয়ে পড়েছিল, আমলাতন্ত্র স্থাপন করা হয়েছিল এবং সেনাবাহিনীর নির্বিচারে নিয়ন্ত্রণকে প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল। তবে এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ যে নগর জীবনের বিকাশের পাশাপাশি কনস্টান্টিনোপল শহরটি প্রাথমিকভাবে মধ্যযুগে (6th ষ্ঠ শতাব্দীতে ৫০০,০০০ হিসাবে চিহ্নিত) ব্যতিক্রমীভাবে কেন্দ্রীভূত ছিল। আসলে এটি আর তুচ্ছ ছিল না। প্রকৃতপক্ষে, পুঁজিপতিদের অংশগ্রহণে রোমের সম্রাট নামে একটি জাতীয় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছিল। রাজধানীর নাগরিকরা সামাজিকভাবে সিনিয়র, যেমন সিনেটের সিনিয়র সদস্য, রাজ্য ও গির্জার দায়িত্ব পালনকারী সচিবরা, মধ্যবিত্ত যেমন বিদ্যালয়ের শিক্ষক, লেখক, বাণিজ্য ও শিল্প, জমির মালিক এবং প্রতিদিনের শ্রম labor সামগ্রিকভাবে, তারা ভূমধ্যসাগরীয় মানুষ যারা রাজনীতির প্রতি অনুরাগী, পক্ষপাতদুষ্ট এবং বিচ্ছিন্নতার গঠনে ক্ষণস্থায়ী এবং যখনই সম্রাট বিপ্লবে পরাজিত হন, এটি একটি সামাজিক পিরামিড। উপরে থেকে নীচে পর্যন্ত পুনরাবৃত্তিযোগ্য উত্থান-পতন এবং সামাজিক গতিশীলতা লক্ষণীয় ছিল। ব্যাক টু ব্যাক রেসট্র্যাকের রাজকীয় বাক্সে উপস্থিত সম্রাট এবং রাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা নাগরিকদের মধ্যে রাজনৈতিক সংলাপ একটি সহজ প্রকাশ manifest ছিল।

কনস্টান্টিনোপল, যা ইউরোপ এবং এশিয়া, কৃষ্ণ সাগর এবং ভূমধ্যসাগরের যোগাযোগের পর্যায়ে রয়েছে, সারা বিশ্ব থেকে ব্যবসায়ীদের একত্রিত করে এবং গ্রীক সহ ফার্সি, লাতিন, আরান, আরবি, রাশিয়ান, হিব্রু ইত্যাদি ভাষায় কথা বলে। এটি ছিল আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের কেন্দ্র। কনস্টানটাইন স্কয়ার এবং বৃষ চত্বরের মধ্যবর্তী বিল্ডিংটি, "সেন্ট্রাল রোড", বিশেষত "ল্যাম্প হাউস" নামে পরিচিত, সারা দিন ধরে সজীব থাকে এবং গোল্ডেন হর্ন উপসাগরটির বিভিন্ন অংশগুলি বিভিন্ন দেশ থেকে আসে। জাহাজটি নামাচ্ছিল। দশম শতাব্দীর আইন বই অনুসারে "গভর্নর বুক" নামে পরিচিত, যা দেখায় যে কনস্টান্টিনোপল বাণিজ্য ও শিল্প কার্যক্রমের কেন্দ্র ছিল, পাশাপাশি রাজধানীর বাসিন্দাদের খাবার ও নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস সরবরাহকারী বিভিন্ন বণিক গিল্ড ছিল। সিল্ক ফ্যাব্রিক কারিগরদের প্রতিটি ধরণের বিশেষায়িত প্রক্রিয়ার জন্য গিল্ডগুলিতে সংগঠিত করা হয়, এবং অন্যান্য কারিগর যারা লিনেন এবং চামড়া উত্পাদনের সাথে জড়িত থাকে তেমনি রেজিস্ট্রি ক্লার্ক, মানি চেঞ্জার এবং মূল্যবান ধাতব কারিগর প্রতিটি গিল্ডে অন্তর্ভুক্ত থাকে। এই গিল্ডগুলির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ ঘটেছিল।

কনস্ট্যান্টিনোপল পরিদর্শন করা বিদেশী বণিকরা উচ্চ শুল্কের পাশাপাশি পণ্য পরিচালনা এবং থাকার শর্তাবলী কঠোর বিধিমালার অধীন, তবে শিথিলতার সূচনা হয়েছিল 1082 সালে যখন অ্যালেক্সিয়াস প্রথম নরম্যানদের সাথে লড়াই করেছিলেন, সুতরাং এটি ভেনিসকে মূল্য হিসাবে দেওয়া একটি অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধা বহর সহায়তা পেতে। ফলস্বরূপ, ভেনিসিয়ান বণিকরা কনস্টান্টিনোপল সহ সমস্ত বাইজেন্টাইন বন্দরে শুল্ক না দিয়ে এবং কনস্ট্যান্টিনোপলের গোল্ডেন হর্নে অনেককে ট্যাক্স না দিয়ে সমস্ত পণ্য পরিচালনা করতে স্বাধীন। তিনটি কর্মক্ষেত্র সহ একটি বিশেষ আবাসিক অঞ্চল দেওয়া, তারপরে ১১১১-এ পাইসা এবং ৫৫ সালে জেনোয়া। এই শহরের নাগরিকদের তাদের অর্থনৈতিক একচেটিয়া শাসনের জন্য ক্রোধ প্রায়ই হিংস্র হয়ে ওঠে। তবে ফলস্বরূপ, তাদের পদক্ষেপগুলি কেবল শক্তিশালী হয়েছিল। কনস্টান্টিনোপলে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে ফাটল এবং ইতালীয় বণিকদের অগ্রগতির ফলে মধ্য প্রাচ্যে ক্রুসেড রাজ্য গঠনের ফলে ওরিয়েন্ট পণ্যগুলি সিরিয়া থেকে সরাসরি পশ্চিম ইউরোপে প্রেরণ করা হয়েছিল এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে পিছনে ফেলে রেখেছিল রুট। টিনোপলের অর্থনৈতিক অবনতি নির্ণায়ক হয়ে উঠেছে। স্থানীয়ভাবে, একাদশ শতাব্দীতে কনস্টান্টিনোপলের রাজধানীর রাজনৈতিক গতিবিধিটি শতাব্দীর শেষের পরে বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের সাধারণ পরিবর্তন দ্বারা অনুসরণ করা হয়েছিল এবং এই মূলধনের সামাজিক গতিশীলতা নষ্ট হয়ে যায়।

অটোমান সাম্রাজ্য[সম্পাদনা]

রাজধানী পুনর্নির্মাণঃ একাদশ শতাব্দীর শেষের পরে, তুর্কি জনগণ যারা মধ্য এশিয়া এবং ইরান থেকে আনাতোলিয়ায় হিজরত শুরু করেছিল, 1299 সালে কনস্টান্টিনোপল থেকে প্রায় 250 কিলোমিটার দূরে সয়ুত স্যাট হয়ে ওঠে। অটোমান সাম্রাজ্য এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় আনাতোলিয়ার প্রধান শহরগুলি যেমন বুরসা (1326), নিকা এয়ার (বর্তমানে ইজনিক। 1331), নিকোমেডিয়া (বর্তমানে ইজমিট। 1337) দখল করে নিয়েছে এবং বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের ডানদিকে থেকে আনাতোলিয়ান বাণিজ্য গ্রহণ করে। 1354 সালে, তিনি বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের সুযোগ নিয়ে বালকানে প্রবেশ করেছিলেন এবং অ্যাড্রিয়োনপল (বর্তমানে এডের্ন, প্রায় 1361), সোফিয়া (1385) এবং নিকোপলিস (1396) জয় করে তার অঞ্চলটি প্রসারিত করেছিলেন। বুলগেরিয়া এবং সার্বিয়া প্রায় তালুতে ছিল। ফলস্বরূপ, কনস্টান্টিনোপল আনাতোলিয়া এবং ভলকান উভয় দিক থেকে টুকরো টুকরো হয়ে পড়েছিল, এবং পতন এখন আর সময়ের বিষয় ছিল না। সেই সময়ে প্রায় জনসংখ্যা হ্রাস পেয়ে প্রায় ৫০,০০০ থেকে ,000০,০০০ হয়ে যায় এবং আর্থিক এবং অর্থনীতি এমন এক জায়গায় পরিণত হয়েছিল যেখানে জেনোস, ভেনিসিয়ান এবং অন্যান্য বিদেশী বণিকরা অধিষ্ঠিত ছিল।

২৯ শে মে, ১৪৫৩ সালে ৪০ দিনের তীব্র লড়াইয়ের পরে অটোমান বাহিনী শহরের দেয়াল ভেঙে দুর্গে প্রবেশ করেছিল এবং বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য ধ্বংস হয়ে যায়। অটোমান সুলতান, মেহমেট II অবিলম্বে এই শহরটিকে সাম্রাজ্যের নতুন রাজধানী হিসাবে গড়ে তোলা হয়, এর নামকরণ করা হয় ইস্তাম্বুল (গ্রীক শব্দ ইস্তিনপোলিন থেকে যার অর্থ "শহরে"), এবং হাজিয়া সোফিয়াকে একটি মসজিদে রূপান্তরিত করে ((এখন আয়া সোফিয়া)। সুলতান পুনর্নির্মাণের কাজ চালিয়ে যান নতুন রাজধানী, প্রথমে বিজয়ের পরে শহরে থাকা পুরানো নাগরিকদের তথা তুর্কি, আনাতোলিয়া এবং বালকান অঞ্চলগুলিতে বসবাসকারী গ্রীকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে, আমরা জোর করে ধনী ব্যবসায়ী এবং কারিগরদের যেমন আর্মেনিয়ানদের স্থানান্তরিত করেছিলাম, ইহুদি, বুলগেরিয়ান এবং সার্ব।যুদ্ধের 25 বছরের মধ্যে জনসংখ্যা 100,000 হয়ে উঠেছে, তবে অনুমান করা হয় যে মুসলিম-অমুসলিম জনসংখ্যার অনুপাত প্রায় 6 থেকে 4 ছিল। সুলতান গ্রীক অর্থোডক্স চার্চের অর্থোডক্স পিতৃতন্ত্রকে পুনরুত্থিত করেছিলেন এবং আর্মেনীয় চার্চ, ইহুদি রাব্বি এবং এই অমুসলিমদের তাদের ধর্মীয় সম্প্রদায়ের অভ্যন্তরীণ স্বায়ত্তশাসন করার অনুমতি দিয়েছিল ( জুলেট সিস্টেম )। পঞ্চদশ শতাব্দীর শেষের দিকে, দক্ষিণ ইউরোপ থেকে প্রচুর ইহুদিরা নির্যাতিত ও বহিষ্কৃত হয়েছিল। অন্যদিকে কর্মসংস্থান, বাণিজ্যিক ও বাণিজ্যিক সুযোগের সন্ধানে বহু আরব, ইরান, মধ্য এশিয়া, ভারত ও আফ্রিকা থেকে বহু মুসলমান এসেছিল। অভিবাসীদের প্রতিষ্ঠা ও তাদের জীবন রক্ষার জন্য সামাজিক সুবিধাগুলি অন্যান্য ইসলামিক শহরগুলির মতো। Wakufu ইস্তাম্বুলের ক্ষেত্রে, ধর্মীয় ও কল্যাণমূলক সুবিধা যেমন মসজিদ, মাদ্রাসা (মাদ্রাসা, একাডেমি), হাসপাতাল, দরিদ্র হাসপাতাল, জল সরবরাহের সুবিধা এবং এই সুবিধাগুলির জন্য ব্যয় ব্যবহৃত হত। পাজার বাজার (বাজার। মার্কেট), কারভানসরয়ে কারভানসরায় (কাফেলা বাণিজ্য কেন্দ্র), হান হান (হাম। সুবিধা যেটি স্টোর, গুদাম, सराণ), হাম্মাম হাম (হাতুড়ি। পাবলিক স্নান) ইত্যাদিও প্রায়শই রূপ ধারণ করে ইমাম্রেট (বা কুলিয়ার ক্যালিয়ে), যেগুলি ব্যক্তিগত উপায়ে নির্মিত হয়েছিল, সেগুলি অটোমান রাজপরিবার এবং seniorর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত উত্সর্গ দ্বারা নির্মিত হয়েছিল। সাধারণ উদাহরণগুলি হ'ল মেহমেট দ্বিতীয়, সেলিম প্রথম, সুলাইমান প্রথম এবং আহমেট প্রথমের ইমেরেটো। বাসিন্দারা মূলত শহরের কেন্দ্রস্থলে (মহললে মহল্লায়) সেগুলি কেন্দ্র করে বিশেষত মসজিদ এবং মেসজিদ (একটি ছোট মসজিদ যেখানে শুক্রবারে গ্রুপ উপাসনা সেবা নেই) কেন্দ্রিক। হারা ) গঠন করা হয়. খ্রিস্টানদের কাছে গির্জাটি ছিল কেন্দ্র। দ্বিতীয় মেহমেদের রাজত্ব শেষে এই সংখ্যা আড়াইশ'রও বেশি পৌঁছেছিল। তবে, ইস্তাম্বুলের নগর ব্লকগুলি কায়রো এবং দামাস্কের মতো আরব শহরগুলির নগর ব্লকের মতো শক্তিশালী অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংহতকরণ হিসাবে তৈরি হয়নি, এবং এটি সিটি ব্লকের প্রতিনিধিদের বাছাই করা এবং বাসিন্দাদের সামাজিক সচেতনতা ছাড়া ছিল না। প্রশাসনিক দিক থেকে কাঠামো হিসাবে তৈরি দিকটি ছিল শক্তিশালী। আরব শহর এবং ইস্তাম্বুলের ব্লক সংস্থার মধ্যে এই গুণগত পার্থক্যটি হ'ল তুর্কি জনগণ নিজেরাই নিয়ন্ত্রণকারী জাতিগোষ্ঠী, একটি শক্তিশালী শক্তি ব্যবস্থা, একটি looseিলা পরিবার কাঠামো এবং বহু উদ্যান এবং খামার সহ এই শহরের গ্রামীণ আড়াআড়ি অন্তর্ভুক্ত ছিল। এটি সম্পর্কিত বলে মনে হচ্ছে।

দ্বিতীয় মেহমেট এবং পরবর্তী সুলতানদের নগর নির্মাণের ফলস্বরূপ, ষোড়শ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে ইস্তাম্বুলের জনসংখ্যা প্রায় 450,000 পৌঁছেছিল। সুলাইমান প্রথম (১৪৯৪-১igned66 re পদে রাজত্ব করেছিলেন), সরকার অভিবাসনকে নিয়ন্ত্রণ করতে বরং অনিচ্ছুক ছিল, কিন্তু ষোড়শ শতাব্দীর শেষের দিকে এটি 50৫০,০০০ জনসংখ্যায় প্রসারিত হয়েছিল। 15 তম এবং 16 তম শতাব্দী জুড়ে অটোমান সাম্রাজ্য পশ্চিম এশিয়ার (ইরান বাদে), বালকানস, উত্তর আফ্রিকা, ক্রিমিয়া এবং ককেশাসের খোদাই করেছিল, কৃষ্ণ সাগর এবং ভূমধ্যসাগরের নিয়ন্ত্রণ দখল করেছিল। খলিফার অবস্থান অর্জন করেছেন। ফলস্বরূপ, ইস্তাম্বুল ইসলামী বিশ্বে রাজনীতি ও সংস্কৃতির কেন্দ্র হয়ে উঠেছে এবং এটি একটি বিশাল ট্রানজিট বাণিজ্যের একটি প্রধান কেন্দ্র যেখানে প্রতিবছর অসংখ্য ব্যবসায়ী জাহাজ এবং উটের কাফেলা আসে এবং যায়। এই শহরটির চারপাশে একটি বিস্তৃত বাণিজ্যিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠিত। করেছিল.

আদালতঃ নতুন প্রাসাদ 1478 সালে সমাপ্ত হয় তোপকপি প্রাসাদ ) সাম্রাজ্যীয় প্রশাসনের কেন্দ্র এবং অটোমান জীবনের স্থান ছিল। প্রধানত যুদ্ধবন্দি রয়েছে, Deusirme সিস্টেম দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত বালকান খ্রিস্টান বাচ্চারা ইসলামে ধর্মান্তরিত হয়েছিল এবং অনেকে আদালতের কর্মচারী ও প্রহরী হিসাবে জীবনযাপন করতেন এবং আদালতের আচার, শিষ্টাচার, শিক্ষা, শিল্প এবং প্রশাসনিক বিষয়াদি শিখতেন। হারেম এখানে কালো (সুদান, ইথিওপীয়, কালো আফ্রিকান) এবং সাদা (সার্কেস, জর্জিয়ান এবং অন্যান্য ককেশীয়) নপুংসক রয়েছে, এবং হারেমের কিছু মহিলার দাস বাজারে বিক্রি হয় বা পাইরেটেড সেখানে অস্ট্রিয়ান, ইটালিয়ান, রাশিয়ান ইত্যাদি ছিল, গ্রুপ দ্বারা বন্দী। আদালতের কর্মচারী ও প্রহরীরা ক্রীতদাস হয়ে থাকতেন, কিন্তু তারা যখন আদালতে নির্দিষ্ট কিছু দায়িত্ব গ্রহণ করতেন, তাদের প্রায়শই আমলা হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হত এবং আমলাতন্ত্রের উপরের স্তরগুলি তাদের দ্বারা একচেটিয়া ছিল were সুলতানের সাথে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান এবং ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ব্যবহার করে তিনি প্রচুর সম্পদ বাঁচিয়েছিলেন, এর মাধ্যমে ওয়াকুফু সুবিধাগুলি গড়ে তোলেন এবং বাণিজ্যে বিনিয়োগ করেন। যারা ইসলামী পড়াশোনা করেছেন এবং পারস্য সাহিত্য ও শিল্প অর্জন করেছিলেন তারাও অটোমান ভদ্রলোক (ওসমান্লি) এর জন্য গর্বিত বুদ্ধিজীবী এলিট ছিলেন। অন্যদিকে, বেশিরভাগ শিশু ডিউসির্মে ভাড়া নিয়েছিল Yeniceli সিপাঃ (স্নিপার অশ্বারোহী), তবে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই প্রাক্তনটির রহস্যবাদী কাল্ট ভেক্টরুকের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল এবং মাংসের স্কোয়ার এট মেয়াদানে একটি রান্নার প্যান এনেছিলেন। সুলতানের প্রতি অসন্তুষ্টি প্রকাশের অনুশীলনের মাধ্যমে তিনি দুর্দান্ত রাজনৈতিক শক্তি অর্জন করেছিলেন। এছাড়াও, ইস্তাম্বুলের সুরক্ষা বজায় রাখা এই কর্পসের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল।

মসজিদ এবং মেড্রেসঃ সাম্রাজ্যের বিচার বিভাগ এবং প্রশাসনের অংশ উলামা মেহমেট দ্বিতীয় মসজিদে সংযুক্ত মেড্রেজের শীর্ষে সাজানো একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে চাষ করা হয়েছিল এবং আইনত তত্ত্বের হানাফি বিদ্যালয়ে কেন্দ্রীভূত ধর্মতত্ত্ব, দর্শন, গণিত এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানের মতো traditionalতিহ্যবাহী ইসলামিক পড়াশোনা অধ্যয়ন করেছিলেন। তারা পুরো রাজ্য জুড়ে মাদ্রাসার অধ্যাপক, Mufty কার্ডি বা কার্ডি (রায়) হিসাবে নিয়োগের সুযোগের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী আমলাতান্ত্রিক দিক রয়েছে। সেই দিক থেকে, দশম শতাব্দী থেকে, এটি তুর্কি এবং অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে ছিল এবং এটি আরব ও ইরানি ইউরমারদের থেকে পৃথক ছিল যারা স্ব-সরকার বা জনগণের প্রতিরোধের নেতা হয়ে উঠেছিল। উলামায়ে শ্রেণীর শীর্ষে ছিলেন ইস্তাম্বুলের মুক্তি (শায়হুর ইসলাম শায়হুলিসলাম) এবং দুজন কাজাস্কার (প্রধান অ্যাটর্নি) যারা ইম্পেরিয়াল কোর্ট সভায় অংশ নিয়েছিলেন। যদিও ডিউসির্ম সিস্টেম এবং মেড্রেস শিক্ষা অ-মুসলিম এবং মুসলিম জনগণের জন্য সামাজিকভাবে উত্থানের সুযোগ সরবরাহ করেছিল, সুনতান এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাদের ব্যক্তিগত সামর্থ্য অনুসারে স্বীকৃত, বিশ্বের কাছে এগিয়ে যাওয়ার আরও অনেক সুযোগ ছিল। সামগ্রিকভাবে, এটি একটি তরল সমাজ ছিল যা গেটগুলি গঠনের অনুমতি দেয় না।

গিল্ডস এবং জনপ্রিয় সংস্কৃতি বেশ্যাবৃত্তি, দিনমজুর থেকে শুরু করে ধনী ব্যবসায়ীদের লোকেরা সবাইকে কিছু না কোনও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, যার মূলটি ছিল সমবায় সঙ্ঘ মিলিত. তুর্কি সংঘটিত আরব ফুতুয়ার inherতিহ্য উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত হওয়ার পরে এটি সহানুভূতিশীল যুব সংগঠন অহি আহি, আখের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল, যিনি ১৩ ও 14 শতকে আনাতোলিয়ায় বিকাশ করেছিলেন। 15 তম এবং 16 শ শতাব্দীতে ইস্তাম্বুলে, আহি সংগঠনটি ধীরে ধীরে আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণের অধীনে সুরক্ষিত করা হয়েছিল, সূফী ধর্ম থেকে আলাদা হয়ে গিয়েছিল এবং দখলদারিত্বের দলে রূপান্তরিত হয়েছিল। গিল্ডের একটি স্বতন্ত্র সংস্থা এবং অভ্যন্তরীণ স্বায়ত্তশাসন বজায় রাখার জন্য একটি ব্যবস্থা ছিল, তবে অন্যদিকে এটি কার্ডি এবং মুহ্তেসিপ (মুফটিভ) এর অধীন ছিল। যাইহোক, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে জড়িত দুর্দান্ত বণিকরা তাদের সীমা ছাড়িয়ে বাইরে ছিল এবং সুবিধাজনক বাণিজ্য উপভোগ করত, তবে এই ধরনের সুযোগ-সুবিধাগুলি প্রায়শই অমুসলিম এবং বিদেশী বণিকদের (ক্যাপচার) দেওয়া হত।

সুন্নত অনুষ্ঠান এবং কোর্টের রাজকুমারদের আত্মত্যাগের মতো ছুটিতে, 100 টিরও বেশি গিল্ড বিক্ষোভ করতে গিয়ে অগ্রসর হয়েছিল এবং বাইজেন্টাইন যুগে ঘোড়া রেসট্র্যাকের জায়গায়, মায়দানা এবং মাংস স্কোয়ারে ঘোড়া স্কয়ার> () বর্তমানে অক্ষয় জেলা), <ইয়োকোহামা ওকোকোয়াদেন>, এবং অন্যান্য ইভেন্ট যেমন কুস্তি, হালকা কাজ, যাদু, ক্লাউনিং, অশ্বারোহী প্রতিযোগিতা এবং তীরন্দাজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং উপভোগ করেছেন আদালতের আধিকারিকরা, seniorর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, ইউরামরা এবং লোকেরা। । এছাড়াও, রোজা (রমজান) মাসের রাতে ইত্যাদি আদালতে, উচ্চ সরকারী আবাসে, বা খোলা জায়গায় Karagyoz ওড়তা ওউনু (অবিলম্বে নাটক) অভিনয় করা হয়েছিল, এবং কফি হাউস (কাহভে কাহভে), যা 16 তম শতাব্দীর মাঝের পাতার পরে জনপ্রিয় হয়েছিল, মেদদাহ মেদ্দাহ (বর্ণনাকারী) এবং আশ্কুক (বার্ড) এর সাথে ভিড় ছিল। এটি ছিল জনগণের রাজনৈতিক মতামত গঠনের একটি জায়গা এবং লন্ডনের মতো ইউরোপীয় শহরগুলিতেও এ জাতীয় traditionsতিহ্য ছড়িয়ে পড়ে। ইস্তাম্বুলের জনপ্রিয় পারফর্মিং আর্টের প্রতিনিধি কারাগিজ হলেন অটোমান ভদ্রলোক (হাজিওয়াতো) এবং জনসাধারণের (কারাগোজ) মধ্যকার সম্পর্কের কেন্দ্রিক এই শহরের বিভিন্ন জাতিগত অভ্যাসের একটি লাইভ-অ্যাকশন চিত্র।

ষোড়শ শতাব্দীর শেষের পরে, অত্যধিক জনসংখ্যা সরকারের অর্থায়নের উপর চাপ সৃষ্টি করেছিল, যার ফলে স্থানীয় জনগণের উপর কর বৃদ্ধি পেয়েছিল এবং আনাতোলিয়ান কৃষক বিদ্রোহ অব্যাহত রেখেছে। ইস্তাম্বুলে, খাদ্য সংকট, ক্রমবর্ধমান দাম, জেনিচেল বিদ্রোহ এবং বাণিজ্য ও শিল্পের সাথে হস্তক্ষেপ একটি সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং সামাজিক উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে বাম ভেন্ট (অনিয়মিত সৈনিক) এবং তুলুম্বাকেস (অগ্নিনির্বাপক পেশা) assign গ্রুপের ক্রিয়াকলাপগুলি পরিণত হয়েছে 活動বিশিষ্ট. আদালতে হেরেম রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের জন্য সমাধিস্থানে পরিণত হয়, এবং বিষয়াদি, ঘুষ এবং বিক্রয়কারীদের রীতিনীতি প্রবীণ আধিকারিক এবং উলামাদের মধ্যে প্রচলিত হয়ে ওঠে।

পাশ্চাত্যকরণ এবং শহুরে রূপান্তরঃ 18 শতকের পরে, টিউলিপ যুগ লুই XV এর শাসনামলে ফরাসী সংস্কৃতি〉 সালে প্রবর্তিত হয়েছিল এবং রোকোকো শৈলী বিভিন্ন ক্ষেত্রে যেমন স্থাপত্য, পোশাক, চিত্রকলা, সঙ্গীত ইত্যাদিতে উপস্থিত হয়েছিল এবং নুরু ওসমানিয় নুরুসমানি মসজিদ (1755 সমাপ্ত) এর মর্ম দেখিয়েছিল। ১৮৫৩ সালে ডলমাবাহী সরায়, বসফরাসের পাশে বারোক স্টাইলে অনুকরণকারী একটি নতুন ডলমাবাহেস প্রাসাদ সমাপ্ত হলে, আদালত সেখানে স্থানান্তরিত হয়। পশ্চিম ইউরোপীয় দেশগুলির সাথে বাণিজ্য প্রসারিত হওয়ার সাথে সাথে, গালতা গালাতা জেলা, যা বাইজেন্টাইন আমল থেকেই বিদেশী বণিকদের একটি বসতি হিসাবে পরিচিত, বিকাশ লাভ করেছিল এবং পার্শ্ববর্তী বিওআল্লু জেলা নতুন বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং মসজিদের হালকা মিনার হয়ে উঠেছে । এটি মিনারে (মিনার) যেখানে দাঁড়িয়ে আছে সেই পুরানো শহরের সাথে বিপরীত ছিল। নতুন শহরে নতুন দূতাবাস (বর্তমানে কনস্যুলেট) সারি রয়েছে, বিদেশী বণিক এবং অমুসলিম সংখ্যালঘু ব্যবসায়ীদের সাথে আধুনিক দোকান রয়েছে এবং ইতালীয় সুরকার ডনিজেটি জিউসেপ ডনিজেটি (গেটানো ভাইয়ের মতো অনেক ভাড়াটে বিদেশীও ছিলেন।তাদের সহযোগিতায়, সরকার সাম্রাজ্যের পশ্চিমীকরণের জন্য কাজ করে এবং গালাতাসারায় লিসেই (প্রতিষ্ঠিত 1868) এবং দারফেনন (প্রতিষ্ঠিত 1863, ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্বসূর) হিসাবে পশ্চিমা ধাঁচের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করে। ফলাফলটি ছিল এক নতুন ধরণের সামরিক, আমলাতন্ত্র এবং ইউরোপীয় ভাষা, শিক্ষাবিদ এবং রীতিনীতিগুলির সাথে বুদ্ধিজীবী। তারা কেবল সাম্রাজ্যের সংস্কারই ছিল না, আধুনিক সাহিত্য, শিল্প ও সাংবাদিকতার নেতৃবৃন্দও ছিল। পশ্চিমীকরণের অগ্রগতিও ছিল অর্থনৈতিক উপনিবেশের প্রক্রিয়া। বিশ শতকের শেষে, ইস্তাম্বুল প্রায় সম্পূর্ণরূপে আধুনিক সুবিধাসমূহ যেমন বিদ্যুৎ, গ্যাস, জল, স্ট্রিটকার্স এবং বন্দর সুবিধায় সজ্জিত ছিল, এগুলি সবই বিদেশী সুবিধাভোগী সংস্থাগুলি দ্বারা নির্মিত হয়েছিল। উদাহরণস্বরূপ, আজকের ইস্তাম্বুলের অন্যতম বিশেষত্বের পাতালটি (কারাকয় এবং গালাতার মধ্যে) 1873 সালে ফরাসী রাজধানী দ্বারা পাথর ফেলেছিল Manyপনিবেশিকরণের পরিস্থিতিতে সংঘটিত পশ্চিমীকরণের বিরোধিতা করে অনেকেই (1730) প্যাট্রোনা হালিল বিদ্রোহ তবে এটি প্রায়শই ইয়েনিচেরি কর্পসের সাথে যুক্ত ছিল। এই কারণে, 1826 সালে, সরকার একটি মারাত্মক নগর যুদ্ধের শেষে ইয়েনিচেরি কর্পসকে নির্মূল করেছিল এবং একই সাথে ভেক্টর্ট কাল্টটি বন্ধ করে দেয়, যা কর্পসের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত ছিল। তবে উভয় সংস্থা ইতিমধ্যে জনগণের মধ্যে গভীরভাবে নিহিত ছিল, এই ঘটনাটি সরকার এবং জনগণের মধ্যে বিভেদকে বাড়িয়ে তুলেছিল। অন্যদিকে, সুলতানে ক্ষমতার ঘনত্ব এবং পশ্চিমীকরণ দ্বারা অর্থনৈতিক উপনিবেশকরণের সমালোচনা করার ক্ষমতা আধুনিক সামরিক কর্মী, আমলা এবং বুদ্ধিজীবীদের দ্বারা জন্মগ্রহণ করেছিল। 1860 এর দশক থেকে নিও-অটোমানের উদার সংবিধান আন্দোলন উত্তরাধিকার সূত্রে ১৯০৮ সালের যুব তুর্কি বিপ্লব লাভ করেছিল। এই বিপ্লবটিও ছিল তুর্কি জাতীয়তাবাদী আন্দোলন।

উনিশ শতকের শেষের পরে, ইস্তাম্বুল আরব, ইরানি এবং তুর্কি জাতিগত আন্দোলনের ঘাঁটি হয়ে ওঠে এবং কায়রো, তেহরান, কাজান, বুখারা, জেনেভা, প্যারিস ইত্যাদি অঞ্চলে তাদের আন্দোলনের সহযোগিতায় আফগানি, এমন একজন আন্তর্জাতিক চিন্তাবিদ গাসপালাল পরিদর্শন করার সময়। ১৩ ই এপ্রিল, ১৯০৯-এ ইস্তাম্বুলে সংঘটিত ৩১ শে মার্চের ঘটনাটি (রুমি ক্যালেন্ডার অনুসারে) রাজধানীটি কিছু সময়ের জন্য দখল করে নিচু সেনা ও রক্ষণশীল উলামাদের কেন্দ্র করে শরিয়াহর সুরক্ষার পক্ষে ছিল। এই ঘটনাটি পরে ইসলামী ধর্ম আন্দোলনের প্রত্নতাত্রে পরিণত হয় যা নকশবন্দী সম্প্রদায়ের দ্বারা প্রায়শই চালিত হয়েছিল।

আধুনিক ইস্তাম্বুল[সম্পাদনা]

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে, ইস্তাম্বুল মিত্রদের দখলে ছিল। এরই মধ্যে, ইস্তাম্বুল আনাতোলিয়ায় লড়াই করা স্বদেশের মুক্তি আন্দোলনের (তুর্কি বিপ্লব) বিরুদ্ধে প্রতিবিপ্লবী শক্তির ঘাঁটিতে পরিণত হয়। তুর্কি প্রজাতন্ত্র গঠনের পরে, এর রাজধানী আঙ্কারায় (1923 সালের অক্টোবর) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের পর থেকে ইস্তাম্বুল 1500 এর রাজধানী হিসাবে historicতিহাসিক মিশন শেষ করেছিলেন। তবে, শহরটি তুর্কি বাণিজ্য ও শিল্পের কেন্দ্রবিন্দু হিসাবে রয়েছে এবং বাব-আলী বাল-আলি রাস্তায় রাস্তায় খবরের কাগজ, প্রকাশক এবং প্রিন্ট শপগুলিতে দেখা যায়, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক জনগণের মতামতের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান হিসাবে ī এটি রাজনৈতিক দল এবং ধর্মীয় শক্তির ঘাঁটি হয়ে দাঁড়িয়েছিল এবং এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে রাজনীতি নির্ধারণকারী অনেক ঘটনার কেন্দ্রস্থল ছিল। আজ, শহরটি এশিয়া এবং ইউরোপের রেল ও সমুদ্রের রুটের সূচনার পয়েন্ট। , আর্মেনীয় গির্জা, ক্যাথলিক গীর্জা এবং আধুনিক হোটেল সহ নতুন শহর, উভয় জেলা গালতা ব্রিজের সাথে সংযুক্ত, যা আরও বাসফোরাস ব্রিজ দ্বারা এশিয়ার সাথে যুক্ত। আজ, শহরটি দ্রুত নগরায়ণের মধ্য দিয়ে চলছে, এবং গেজেকান্দু নামে একটি রাতারাতি আবাসিক অঞ্চল থিওডোসিয়াস প্রাচীরের বাইরে ছড়িয়ে পড়েছে।


পরিবহন[সম্পাদনা]

আকাশপথে[সম্পাদনা]

  1. ইস্তাম্বুল আতাতুর্ক বিমানবন্দর (ইউরোপ ভাগে)। এটি ইউরোপের তৃতীয় ব্যস্ততম বিমানবন্দর।
  2. সাবিহা গক্চেন এয়ারপোর্ট (এশিয়া ভাগে)

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; instanbul2 নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  2. "Province Population"। সংগ্রহের তারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১০ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  3. Çelik 1993, পৃ. xv
  4. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; hisdic নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  5. OECD Territorial Reviews: Istanbul, TurkeyPolicy Briefs। The Organisation for Economic Co-operation and Development। মার্চ ২০০৮। আইএসবিএন 978-92-64-04383-1 
  6. "Top city destinations by overnight visitors"Statista (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১ ডিসেম্বর ২০২০ 
  7. "Istanbul"britannica.comEncyclopædia Britannica 
  8. Mango, Cyril (১৯৯১)। "Constantinople"। Kazhdan, AlexanderThe Oxford Dictionary of Byzantium। Oxford and New York: Oxford University Press। পৃষ্ঠা 508–512। আইএসবিএন 0-19-504652-8 
  9. Masters ও Ágoston 2009, পৃ. 114–15
  10. "Istanbul"Encyclopedia Britannica (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৪ ডিসেম্বর ২০২০ 
  11. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; Population of Turkey নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি


  1. "December 2013 address-based calculation of the Turkish Statistical Institute as presented by citypopulation.de"