রাজস্থান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
রাজস্থান
राजस्थान
রাজ্য
Location of Rajasthan in India
Location of Rajasthan in India
Map of Rajasthan
Map of Rajasthan
স্থানাঙ্ক (Jaipur): ২৬°৩৪′২২″ উত্তর ৭৩°৫০′২০″ পূর্ব / ২৬.৫৭২৬৮° উত্তর ৭৩.৮৩৯০২° পূর্ব / 26.57268; 73.83902স্থানাঙ্ক: ২৬°৩৪′২২″ উত্তর ৭৩°৫০′২০″ পূর্ব / ২৬.৫৭২৬৮° উত্তর ৭৩.৮৩৯০২° পূর্ব / 26.57268; 73.83902
Country  ভারত
Established 1 November 1956
রাজধানী জয়পুর
Largest city জয়পুর
Districts 33 total
সরকার
 • Governor Kalyan Singh
 • Chief Minister Vasundhara Raje (BJP)
 • Legislature Unicameral (200 seats)
 • Parliamentary
 constituency
25
 • High Court Rajasthan High Court
আয়তন
 • মোট ৩৪২২৩৯ কিমি (১৩২১৩৯ বর্গমাইল)
এলাকার ক্রম 1st
জনসংখ্যা (2015)
 • মোট ৭,৩৫,২৯,৩২৫
 • ক্রম 8th
সময় অঞ্চল IST (ইউটিসি+05:30)
আইএসও ৩১৬৬ কোড IN-RJ
HDI বৃদ্ধি ০.৫৭৭ (medium)
HDI rank ১২তম (২০১৫)
Literacy 67% (35th)
Official language Hindi[১]
Additional official language English, Punjabi
ওয়েবসাইট rajasthan.gov.in

রাজস্থান (রাজস্থানীহিন্দি: राजस्थान, উচ্চারিত [raːdʒəsˈtʰaːn] ( শুনুন)) আয়তনের বিচারে ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের বৃহত্তম রাজ্যশতদ্রু-সিন্ধু নদী উপত্যকা তথা ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত বরাবর প্রসারিত থর মরুভূমি এই রাজ্যের অধিকাংশ অংশ জুড়ে রয়েছে। রাজ্যের পশ্চিম সীমায় পাকিস্তান রাষ্ট্র, দক্ষিণ-পশ্চিমে গুজরাট রাজ্য, দক্ষিণ-পূর্বে মধ্যপ্রদেশ, উত্তর-পূর্বে উত্তরপ্রদেশহরিয়ানা এবং উত্তরে পাঞ্জাব রাজ্য অবস্থিত।

প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহে হল কালিবঙ্গা সিন্ধু ভ্যালি সভ্যতার ধ্বংসাবশেষের অন্তর্ভুক্ত; রাজস্থানের ঐতিহ্যবাহী স্থান দিলওয়ারা মন্দির রাজ্যের একমাত্র শৈল শহর বা হিল স্টেশন মাউন্ট আবুতে অবস্থিত, যা প্রাচীন আরাবল্লির পর্বতমালার অংশ; এবং পূর্ব রাজস্থানে, ভরতপুরের কাছাকাছি কেওলোদেও জাতীয় উদ্যান হল একটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান [২] যা উদ্যানের মধ্যে পাখির জীবন যাপনের জন্য পরিচিত। রাজস্থানে তিনটি জাতীয় বাঘ সংরক্ষণাগার রয়েছে, এগুলি হল সাওয়াই মাদোপুরের রণথম্বার জাতীয় উদ্যান, আলোরের সারিস্ক টাইগার রিজার্ভ এবং কোটাতে মুকুন্দরা হিল টাইগার রিজার্ভ

যখন ১৯৪২ সালের ৩০ মার্চ রাজ্যটি গঠিত হয়েছিল [২] তখন এটি রাজপুতানা নামে ছিল - এই অঞ্চলের উপর নির্ভরশীলতার জন্য ব্রিটিশ রাজ কর্তৃক গৃহীত নাম [৩] - ভারতে গৃহীত হয়েছিল। এই রাজ্যের রাজধানী এবং বৃহত্তম শহর হল জয়পুর। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলির মধ্যে রয়েছে যোধপুর, কোটা, বিকাণীর, আজমীর ও উদয়পুর।

ভৌগোলিক অবস্থান[সম্পাদনা]

রাজস্থান রাজ্যের রাজধানী জয়পুর। রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য হল উত্তর-পশ্চিমের থর মরুভূমি এবং প্রাচীন নগরী কালিবঙ্গানের নিকট ঘগ্গর নদীর বিলীনস্থল।

বিশ্বের প্রাচীনতম পর্বতমালাগুলির অন্যতম আরাবল্লী পর্বতশ্রেণী এই রাজ্যে অবস্থিত। আরাবল্লীর মাউন্ট আবু রাজস্থানের একমাত্র শৈলশহর। মাউন্ট আবুতেই প্রসিদ্ধ জৈন তীর্থক্ষেত্র দিলওয়াড়া মন্দির অবস্থিত। পূর্ব রাজস্থানে দুটি জাতীয় ব্যাঘ্র সংরক্ষণ প্রকল্প রয়েছে। এগুলি হল রণথাম্বোর জাতীয় উদ্যানসারিস্কা। এছাড়াও ভরতপুরের কাছে রয়েছে কেওলাদেও জাতীয় উদ্যান, যা অতীতে পক্ষীপর্যটনের জন্য বিখ্যাত ছিল।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

স্বাধীনতার পর রাজপুতানা নামে পরিচিত রাজপুত শাসিত দেশীয় রাজ্যগুলি ভারতে যোগ দেয়। এই রাজ্যগুলিকে একত্রিত করে ১৯৪৯ সালের ৩০ মার্চ রাজস্থান রাজ্যটি গঠিত হয়। পূর্বতন রাজপুতানা ও বর্তমান রাজস্থান রাজ্যের মধ্যে একমাত্র পার্থক্য হল এই রাজ্যে ব্রিটিশ ভারতীয় আজমেঢ়-মারওয়াড় প্রদেশটিও সংযুক্ত হয়। ভৌগোলিকভাবে রাজপুতানার বাইরে অবস্থিত মধ্যপ্রদেশের সুমেল-তাপ্পা অঞ্চলটিও রাজস্থানের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

প্রশাসনিক বিভাজন[সম্পাদনা]

মোট ৭টি বিভাগ রয়েছে : জয়পুর , যোধপুর , আজমের , উদয়পুর , বিকানের , কোটা এবং ভরতপুর

জনবহুল শহর[সম্পাদনা]

  1. জয়পুর
  2. যোধপুর
  3. কোটা
  4. বিকানের
  5. অজমের
  6. উদয়পুর

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা]

রাজ্যের জয়পুর-এ একটি ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় প্রযুক্তিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

পর্যটন[সম্পাদনা]

রাজস্থান ভারতের একটি জনপ্রিয় পর্যটন আকর্ষণ। একাধিক ঐতিহাসিক স্থাপনার রাজ্য রাজস্থানের পর্যটন উষ্ণ আতিথেয়তা ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত হোটেল ও রিসর্টের জন্য বিখ্যাত। রাজস্থানের প্রধান প্রধান পর্যটন গন্তব্য হল জয়পুর, উদয়পুর, যোধপুরজৈসলমের। এই শহরগুলি রেল, সড়ক ও বিমানপথে ভারত ও বহির্ভারতের অন্যান্য শহরের সঙ্গে সুসংযুক্ত।

খেলাধূলা[সম্পাদনা]

ক্রিকেট এখানে সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা। সয়াই মানসিং স্টেডিয়াম রাজ্যের প্রধান স্টেডিয়াম। এখানে আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। রাজস্থান রয়্যালস দলটি ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ-এ রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করে।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

ভাষা[সম্পাদনা]



Circle frame.svg

রাজস্থানের ভাষা (২০০১ সালের আদমশুমারি)[১]

  হিন্দি (৯০.৯৭%)
   ভিলি (৪.৬০%)
  পাঞ্জাবি (২.০১%)
  উর্দু (১.১৭%)
  অন্যান্য (১.২৫%)

হিন্দি (২০০১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যার ৯০.৯১%) রাজ্যের সরকারি ভাষা এবং এছাড়া সর্বাধিক কথিত ভাষাগুলি হল, ভিলি (৪.৬০%), পাঞ্জাবি (২.০১%), এবং উর্দু (১.১৭%)। [১]

ত্রি-ভাষা সূত্রে অধীন শেখানো ভাষাগুলি হল:[৪]

প্রথম ভাষা: হিন্দি দ্বিতীয় ভাষা: ইংরেজি তৃতীয় ভাষা: উর্দু / সিন্ধি / পাঞ্জাবি / সংস্কৃত / গুজরাটি।

পরিবহন[সম্পাদনা]

রাজস্থানের জয়পুরে সড়ক সুড়ঙ্গ বা রোড টানেল

রাজস্থান অনেক জাতীয় মহাসড়ক দ্বারা সংযুক্ত রয়েছে। সর্বাধিক পরিচিত হল জাতীয় মহাসড়ক ৮, যা ভারতের প্রথম ৪-৮ লেন মহাসড়ক। [40] রাজস্থানের রেলপথ ও বাস নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে উভয়ই আন্তঃনগর (ইন্টার-সিটি) পরিবহন ব্যবস্থা রয়েছে। সমস্ত প্রধান শহর বায়ু, রেল এবং সড়ক দ্বারা সংযুক্ত হয়। জয়পুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রাজস্থানের প্রধান বিমানবন্দর এবং বিমানবন্দর টি দেশের অন্যন্য বড় শহরের সাথে সরাসরি যুক্ত।

বায়ু[সম্পাদনা]

রাজস্থানের তিনটি প্রধান বিমানবন্দর আছে - এগুলি হল জয়পুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, যোধপুর বিমানবন্দর, উদয়পুর বিমানবন্দর। এছাড়া সম্প্রতি চালু হয়েছে বিকানের বিমানবন্দর এবং জয়সালমের বিমানবন্দর। এই বিমানবন্দরগুলি রাজস্থানের সঙ্গে ভারতের প্রধান শহরগুলি যেমন দিল্লি এবং মুম্বাইয়ের সাথে সংযোগ স্থাপন করে। কোটাতে আরেকটি বিমানবন্দর আছে কিন্তু বাণিজ্যিক / বেসামরিক উড়ানের জন্য এখনও উন্মুক্ত নয়। আজমীরে একটি বিমানবন্দর রয়েছে, এটি কিশানগড় বিমানবন্দর হিসাবে পরিচিত। কিশানগড় বিমানবন্দরটি ভারতের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্মিত।

রেল[সম্পাদনা]

রাজস্থান রেলপথ দ্বারা ভারতের প্রধান শহরগুলির সাথে সংযুক্ত। [৫] রাজস্থান রাজ্যের প্রধান রেল স্টেশনগুলি হল জয়পুর, কোটা, আজমীর, যোধপুর, ভরতপুর, বিকাণের, এলয়ার, আবু রোড ও উদয়পুর। কোটা সিটি স্টেশন হল একমাত্র ইলেকট্রোফাইড বিভাগ যা ভারতের তিনটি রাজধানী এক্সপ্রেস এবং ট্রেন পরিচালনা করে। এছাড়াও একটি আন্তর্জাতিক রেলপথে, যোধপুর থেকে (ভারত) করাচি (পাকিস্তান) পর্যন্ত থর এক্সপ্রেস চলাচল করে। যাইহোক, এটি বিদেশী নাগরিকদের জন্য খোলা নয়।

চিত্রকক্ষ[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Report of the Commissioner for linguistic minorities: 50th report (July 2012 to June 2013)" (PDF)। Commissioner for Linguistic Minorities, Ministry of Minority Affairs, Government of India। পৃষ্ঠা 22। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ডিসেম্বর ২০১৪  উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ অবৈধ; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে "Language" নাম একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  2. "World Heritage List" 
  3. R.K. Gupta; S.R. Bakshi (১ জানুয়ারি ২০০৮)। Studies In Indian History: Rajasthan Through The Ages The Heritage Of Rajputs (Set Of 5 Vols.)। Sarup & Sons। পৃষ্ঠা 143–। আইএসবিএন 978-81-7625-841-8 
  4. "51st REPORT OF THE COMMISSIONER FOR LINGUISTIC MINORITIES IN INDIA" (PDF)nclm.nic.inMinistry of Minority Affairs। ১৫ জুলাই ২০১৫। পৃষ্ঠা 44। ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ 
  5. "Rajasthan Railways"। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ডিসেম্বর ২০১৬ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

{{উইকিসংবাদ}} টেমপ্লেটে একটি নিবন্ধের লিঙ্ক দেয়া প্রয়োজন। একটি বিষয়শ্রেণীর সংযোগ করতে {{উইকিসংবাদ বিষয়শ্রেণী}} ব্যবহার করুন।

টেমপ্লেট:Rajasthan টেমপ্লেট:India