স্কটল্যান্ড

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
স্কটল্যান্ড
Albaলুয়া ত্রুটি package.lua এর 80নং লাইনে: module 'Module:Category handler/config' not found।
পতাকা রাজকীয় ব্যানার
নীতিবাক্য
"In My Defens God Me Defend"লুয়া ত্রুটি package.lua এর 80নং লাইনে: module 'Module:Category handler/config' not found। (ভাষা?)
"আমার রক্ষার ঈশ্বর আমাকে রক্ষা কর"
জাতীয় সঙ্গীত
বিভিন্ন
প্রধানত" ফ্লাওয়ার অব স্কটল্যান্ড"
 স্কটল্যান্ড  (গাঢ় সবুজ)– ইউরোপে  (সবুজ ও গাঢ় ধূসর)– the যুক্তরাজ্য এ  (সবুজ)
 স্কটল্যান্ড  (গাঢ় সবুজ)

– ইউরোপে  (সবুজ ও গাঢ় ধূসর)
– the যুক্তরাজ্য  (সবুজ)

রাজধানী এডিনবরা
৫৫°৫৭′ উত্তর ৩°১১′ পশ্চিম / ৫৫.৯৫০° উত্তর ৩.১৮৩° পশ্চিম / 55.950; -3.183
বৃহত্তম শহর গ্লাসগো
৫৫°৫১′ উত্তর ৪°১৬′ পশ্চিম / ৫৫.৮৫০° উত্তর ৪.২৬৭° পশ্চিম / 55.850; -4.267
রাষ্ট্রীয় ভাষাসমূহ ইংরেজি
স্বীকৃত আঞ্চলিক ভাষাসমূহ
জাতিগত গোষ্ঠী (২০১১)
  • ৯৬.০% শ্বেতাঙ্গ
  • ২.৭% দক্ষিণ এশীয়
  • ০.৭% কৃষ্ণাঙ্গ
  • ০.৪% মিশ্র
  • ০.২% আরব
  • ০.১% অন্যান্য[১]
জাতীয়তাসূচক বিশেষণ
সার্বভৌম রাষ্ট্র যুক্তরাজ্য
সরকার বিকেন্দ্রীয় সরকার within সাংবিধানিক
monarchy
 -  রাজা দ্বিতীয় এলিজাবেথ
 -  First Minister Alex Salmond
British Government
 -  Prime Minister ডেভিড ক্যামেরন
 -  Secretary of State Alistair Carmichael
আইন-সভা Scottish Parliament
Formation
 -  Established 9th century (traditionally 843) 
 -  Union with England 1 May 1707 
আয়তন
 -  মোট ৭৮,৩৮৭ বর্গ কিমি
৩০,৪১৪ বর্গ মাইল 
 -  জলভাগ (%) 1.9
জনসংখ্যা
 -  2013 আনুমানিক 5,327,700[২] 
 -  2011 আদমশুমারি 5,313,600[৩] 
 -  ঘনত্ব 67.5/বর্গ কিলোমিটার 
১৭৪.১/বর্গ মাইল
জিডিপি (নামমাত্র) 2012 আনুমানিক
 -  মোট $235 billion[৪] 
 -  মাথাপিছু $44,378 
মুদ্রা পাউন্ড স্টার্লিং (GBP)
সময় স্থান জিএমটি (ইউটিসি​)
 -  গ্রীষ্মকালীন (ডিএসটি) BST (ইউটিসি+1)
তারিখ বিন্যাস dd/mm/yyyy (AD / CE)
ট্রাফিকের দিক left
ইন্টারনেট টিএলডি .scotf
কলিং কোড +44
প্যাট্রন সেইন্ট
ক. Often shown abbreviated as "In Defens".
খ. Flower of Scotland, Scotland the Brave and Scots Wha Hae have been used in lieu of an official anthem (see National anthem of Scotland).
গ. English is the official language of the United Kingdom.[৯] Both Scots and Scottish Gaelic are officially recognised as autochthonous languages under the European Charter for Regional or Minority Languages.[১০] Under the Gaelic Language (Scotland) Act 2005, the Bòrd na Gàidhlig is tasked with securing Gaelic as an official language of Scotland that commands "equal respect" with English.[১১]
ঘ. Historically, the use of "Scotch" as an adjective comparable to "Scottish" or "Scots" was commonplace, particularly outside Scotland. Today, however, the term is used to describe products of Scotland (usually food or drink-related).
ঙ. Scotland's head of state is the monarch of the United Kingdom (currently Queen Elizabeth II, since 1952). Scotland has limited self-government within the United Kingdom as well as representation in the UK Parliament. It is also a UK electoral region for the European Parliament. Certain executive and legislative powers have been devolved to, respectively, the Scottish Government and the Scottish Parliament at Holyrood in Edinburgh.
চ. .scot is not a ccTLD, but a gTLD, open to use by all people in Scotland and related to Scotland. .uk and .eu, as part of the যুক্তরাজ্য and European Union, are also used. ISO 3166-1 is GB, but .gb is unused.

স্কটল্যান্ড (ইংরেজি ভাষায় Scotland স্কট্‌ল্যান্ড্‌, স্কটিশ গ্যালিক ভাষায় Alba আলাপা) যুক্তরাজ্যের একটি অংশ। এটি গ্রেট ব্রিটেনের উত্তর তৃতীয়াংশে অবস্থিত।[১২][১৩][১৪] এটা দক্ষিণে ইংল্যান্ডের সঙ্গে একটি সীমানা ভাগ করে, এবং অন্যথায় এটি দক্ষিণ পশ্চিমে পূর্ব এবং উত্তর চ্যানেল এবং আইরিশ সাগর, উত্তর সাগর সঙ্গে, আটলান্টিক মহাসাগর দ্বারা বেষ্টিত। মূল ভূখন্ড থেকে উপরন্তু, দেশটি উত্তর দ্বীপপুঞ্জ এবং গেব্রি্স সহ আরো ৭৯০ দ্বীপ নিয়ে গঠিত।[১৫]

এডিনবরা, দেশের রাজধানী ও দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর, ১৮ শতকে স্কটিশ নবজাগরণের কেন্দ্রবিন্দু ছিল, যা স্কটল্যান্ডকে ইউরোপে বাণিজ্যিক, বুদ্ধিবৃত্তিক এবং শিল্প শক্তিকেন্দ্রগুলোর একটিতে রুপান্তরিত করে। গ্লাসগো, স্কটল্যান্ডের বৃহত্তম শহর,[১৬] একসময়কার বিশ্বের নেতৃস্থানীয় শিল্প শহর ছিল। স্কটিশ পানি সীমা উত্তর আটলান্টিক এবং উত্তর সাগর একটি বড় সেক্টর গঠিত,[১৭] ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে বৃহত্তম তেল মজুদ রয়েছে। এজন্যই অ্যাবরদিনকে, স্কটল্যান্ড তৃতীয় বৃহত্তম শহর, ইউরোপের তেল রাজধানী বলা হয়।[১৮]

১৬০৩ সালে স্কটল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের রাজবংশ রাজা প্রথম জ্যাকবের অধীনে একত্রিত হয়। ১৭০৭ সালে স্কটল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের আইনসভা একত্রিত হয়। কিন্তু আজ পর্যন্ত স্কটল্যান্ড নিজস্ব বিচারব্যবস্থা, নিজস্ব গির্জা, নিজস্ব শিক্ষাব্যবস্থা, এমনকি নিজস্ব টাকা ধরে রেখেছে। ১৯৯৯ সাল থেকে স্কটল্যান্ডের নিজস্ব আইনসভা রয়েছে এবং তখন থেকে দেশটি স্বায়ত্বশাসিত।

স্কটল্যান্ডের উত্তরে আটলান্টিক মহাসাগর, পূর্বে উত্তর সাগর, দক্ষিণ-পূর্বে ইংল্যান্ড, দক্ষিণে সলওয়ে ফার্থআইরিশ সাগর এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর ও নর্থ চ্যানেল, যা আয়ারল্যান্ড ও গ্রেট ব্রিটেন দ্বীপের মধ্যে অবস্থিত। ভূ-রাজনৈতিক একতার ভিত্তিতে প্রায় ১৮৬টি দ্বীপ স্কটল্যান্ডের শাসনাধীন, যাদেরকে মোটামুটি তিনটি দলে ভাগ করা যায়। একটি হল স্কটল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিম উপকূলের কাছে অবস্থিত হেব্রাইডস দ্বীপপুঞ্জ (অন্তঃস্থ ও বহিঃস্থ), উত্তর সাগরে অবস্থিত অর্ক্‌নি দ্বীপপুঞ্জ, এবং অর্ক্‌নি দ্বীপপুঞ্জের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত শেটল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ। বাকী দ্বীপগুলির মধ্যে সবচেয়ে বড়টির নাম আরান দ্বীপ; এটি স্কটল্যান্ডের পশ্চিম উপকূলে ক্লাইড ফার্থ বা ক্লাইড উপসাগরে অবস্থিত। দ্বীপগুলিকে গণনায় ধরে স্কটল্যান্ডের মোট আয়তন ৭৮,০৮০ বর্গকিলোমিটার। অভ্যন্তরীণ জলাশয়গুলির আয়তন প্রায় ১,৫০০ বর্গকিলোমিটার।

পরিচ্ছেদসমূহ

ব্যুৎপত্তি[সম্পাদনা]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

প্রারম্ভিক ইতিহাস[সম্পাদনা]

রোমান প্রভাব[সম্পাদনা]

মধ্যযুগীয় কাল[সম্পাদনা]

প্রারম্ভিক আধুনিক যুগ[সম্পাদনা]

১৮ শতক[সম্পাদনা]

১৯ শতক[সম্পাদনা]

প্রারম্ভিক বিংশ শতক[সম্পাদনা]

১৯৪৫ সাল থেকে[সম্পাদনা]

সরকার ও রাজনীতি[সম্পাদনা]

১৭০৬-১৭০৭ সালে ‘ট্রিটি অব ইউনিয়ন’ পাস করে ইংল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড ‘গ্রেট ব্রিটেন’ নামে এক রাষ্ট্রে পরিণত হয়। ১৯৬৭ সাল থেকে স্কটল্যান্ডকে নিজেদের মতো করে শাসন করার স্বপ্ন দেখছে স্কটিশরা। ১৯৭৯ ও ১৯৯৭ সালের গণভোটের পর ১৯৯৯ সালে প্রথম স্কটিশ পার্লামেন্টের যাত্রা শুরু হয়। ২০০৭ সালে আলেক্স সালমন্ডের নেতৃত্বে স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টি (এসএনপি) সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। বর্তমানে স্কটিশ পার্লামেন্টে ১২৯ আসনের মধ্যে ৬৫টি এসএনপির, ৩৮টি লেবার পার্টির ও ১৫টি রক্ষণশীল দলের।

প্রশাসনিক উপবিভাগ[সম্পাদনা]

প্রতিরক্ষা : বর্তমানে স্কটল্যান্ডের নিজস্ব প্রতিরক্ষা খাতে কোনো বাজেট বা ব্যয় নেই। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই খাতের নিয়ন্ত্রণ করে। স্কটল্যান্ডের সামরিক চিত্র : ১১,১০০ নিয়মিত সেনাসদস্য (যুক্তরাজ্যের ৭.৫ শতাংশ) ৪০০০ এমওডি সেনা (যুক্তরাজ্যের ৭.৬ শতাংশ) ১১,৫০০ ক্যাডেট (যুক্তরাজ্যের ৮.৫ শতাংশ) ৫০টি এমওডি ছাউনি ২২০০ প্রশিক্ষিত রিজার্ভ স্বেচ্ছাসেবক স্বাধীনতার পরে স্কটল্যান্ডের প্রতিরক্ষা : স্কটিশ সরকার বলছে, স্বাধীনতার পর স্কটল্যান্ডের প্রতিরক্ষা বাজেট হবে ২.৫ বিলিয়ন পাউন্ড। ৩৫০০ নিয়মিত সেনাসদস্য ও ১২০০ রিজার্ভ ফোর্স থাকবে। যুক্তরাজ্যের রয়াল নেভি থেকে ২টি যুদ্ধজাহাজ, ৪টি মাইন তরী ও ২টি মালবাহী জাহাজ গ্রহণ করা হবে। নৌবিভাগ পরিচালনার জন্য আরও ২০০০ নৌসেনা ও ২০০ রিজার্ভ সদস্য দরকার হবে। অন্যদিকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার জন্য ১২টি টাইফুন জেট, ১টি ট্রান্সপোর্ট স্কোয়াড ও ৬টি হারকিউলাস বিমান প্রয়োজন। এই খাতে আরও ২০০০ সেনা ও ৩০০ রিজার্ভ সদস্য লাগবে। সবমিলিয়ে স্বাধীনতার ১০ বছরের মধ্যে তিন ধাপে ১৫০০০ নিয়মিত সেনাসদস্য ও ৫০০০ রিজার্ভ সদস্যে উন্নীত করা হবে।

তথ্য সূত্রঃ http://www.jugantor.com/ten-horizon/2014/09/17/148681

যুক্তরাজ্যের মধ্যে স্কটল্যান্ড[সম্পাদনা]

আইন এবং ফৌজদারি বিচার[সম্পাদনা]

ভূগোল ও প্রাকৃতিক ইতিহাস[সম্পাদনা]

ভূতত্ত্ব ও ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য[সম্পাদনা]

জলবায়ু[সম্পাদনা]

উদ্ভিদ ও প্রাণীজগত[সম্পাদনা]

অর্থনীতি এবং অবকাঠামো[সম্পাদনা]

মুদ্রা[সম্পাদনা]

পরিবহন[সম্পাদনা]

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

ধর্ম[সম্পাদনা]

ধর্ম : খ্রিস্টান (চার্চ অব ইংল্যান্ড)

স্বাস্থ্য সেবা[সম্পাদনা]

সামরিক[সম্পাদনা]

সংস্কৃতি[সম্পাদনা]

সংস্কৃতি : স্কটল্যান্ডের মোট জনসংখ্যার ৮৪ শতাংশ শ্বেতাঙ্গ স্কটিশ ও ৭.৯ শতাংশ ব্রিটিশ। অন্যান্য নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে আছে ১.৯ শতাংশ উপজাতি শ্বেতাঙ্গ, ১.২ শতাংশ পোলিশ, ১ শতাংশ আইরিশ, ০.৯ শতাংশ পাকিস্তানি ও ০.১২ শতাংশ কৃষ্ণাঙ্গ ক্যারিবিয়ান স্কটিশ। জনগণের ৩২.৪ শতাংশ চার্চ অব স্কটল্যান্ডের অনুসারী। রোমান ক্যাথলিক ধর্মে বিশ্বাসী ১৫.৯ শতাংশ। অন্যান্য খ্রিস্টান ৫.৫ শতাংশ, মুসলিম ১.৪ শতাংশ ও হিন্দু ০.৩ শতাংশ। জাতীয়ভাবে স্কটিশদের প্রধান উৎসব বার্নস নাইট, এডিনবার্গ ফেস্টিভ্যাল। স্কটিশদের খাদ্যাভ্যাসে আছে মার্স বার ডিপ ফ্রাইড ফিশ, রুটি, কেক ও জাউ।

খেলাধুলা[সম্পাদনা]

জাতীয় প্রতীক[সম্পাদনা]

আরোও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Ethnic groups, Scotland, 2001 and 2011"। The Scottish Government। ২০১৩। সংগৃহীত ৯ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  2. "Scotland's Population at its Highest Ever"। National Records of Scotland। ৩০ এপ্রিল ২০১৪। সংগৃহীত ৩০ এপ্রিল ২০১৪ 
  3. "Population estimates by sex, age and administrative area, Scotland, 2011 and 2012"। National Records of Scotland। ৮ আগস্ট ২০১৩। সংগৃহীত ৮ আগস্ট ২০১৩ 
  4. Scottish Government। "Key Economy Statistics"। সংগৃহীত ১৭ জুন ২০১৩ 
  5. "St Andrew—Quick Facts"Scotland. org—The Official Online Gateway। সংগৃহীত ২ ডিসেম্বর ২০০৭ লুয়া ত্রুটি package.lua এর 80নং লাইনে: module 'Module:Category handler/config' not found।[অকার্যকর সংযোগ]
  6. "St Andrew"Catholic Online। সংগৃহীত ১৫ নভেম্বর ২০১১ 
  7. "St Margaret of Scotland"Catholic Online। সংগৃহীত ১৫ নভেম্বর ২০১১ 
    "Patron saints"Catholic Online। সংগৃহীত ১৫ নভেম্বর ২০১১ 
  8. "St Columba"Catholic Online। সংগৃহীত ১৫ নভেম্বর ২০১১ 
  9. "Directgov: English language – Government, citizens and rights"Directgov। সংগৃহীত ২৩ আগস্ট ২০১১ 
  10. "European Charter for Regional or Minority Languages"Scottish Government। সংগৃহীত ২৩ অক্টোবর ২০১১ 
  11. Macleod, Angus "Gaelic given official status" (22 April 2005) The Times. London. Retrieved 2 August 2007.
  12. "The Countries of the UK"Office for National Statistics। সংগৃহীত ২৪ জুন ২০১২ 
  13. "Countries within a country"10 Downing Streetআসল থেকে ১৬ এপ্রিল ২০১০-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ২৪ আগস্ট ২০০৮। "The United Kingdom is made up of four countries: England, Scotland, Wales and Northern Ireland" 
  14. "ISO 3166-2 Newsletter Date: 28 November 2007 No I-9. "Changes in the list of subdivision names and code elements" (Page 11)" (PDF)। International Organization for Standardization codes for the representation of names of countries and their subdivisions – Part 2: Country subdivision codes। সংগৃহীত ৩১ মে ২০০৮। "SCT Scotland country" 
  15. "Scottish Executive Resources" (PDF)। Scotland in Short। Scottish Executive। ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৭। সংগৃহীত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৬ 
  16. "A quick guide to glasgow"। Glasgow City Centre। সংগৃহীত ২০ জুন ২০১২ 
  17. The Scottish Adjacent Waters Boundaries Order। London: The Stationery Office Limited। ১৯৯৯। আইএসবিএন 0-11-059052-X। সংগৃহীত ২০ সেপ্টেম্বর ২০০৭ 
  18. "Our City"। Aberdeen City Council। আসল থেকে ২২ সেপ্টেম্বর ২০১০-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ১ ডিসেম্বর ২০০৯। "Aberdeen's buoyant modern economy – is fuelled by the oil industry, earning the city its epithet as 'Oil Capital of Europe'" 

আরোও পড়ুন[সম্পাদনা]

  • Devine, T. M. [1999] (2000). The Scottish Nation 1700–2000 (New Ed. edition). London:Penguin. ISBN 0-14-023004-1
  • Donnachie, Ian and George Hewitt. Dictionary of Scottish History. (2001). 384 pp.
  • Keay, John, and Julia Keay. Collins Encyclopedia of Scotland (2nd ed. 2001), 1101pp; 4000 articles; emphasis on history
  • Koch, J. T. Celtic Culture: a Historical Encyclopedia (ABC-CLIO, 2006), ISBN 1-85109-440-7, 999pp
  • Tabraham, Chris, and Colin Baxter. The Illustrated History of Scotland (2004) excerpt and text search
  • Trevor-Roper, Hugh, The Invention of Scotland: Myth and History, Yale, 2008, ISBN 0-300-13686-2
  • Watson, Fiona, Scotland; From Prehistory to the Present. Tempus, 2003. 286 pp.
  • Wilson, Neil. Lonely Planet Scotland (2013) excerpt and text search
  • Wormald, Jenny, The New History of Scotland (2005) excerpt and text search

বিশেষায়িত মনোগ্রাফ[সম্পাদনা]

  • Brown, Dauvit, (1999) Anglo-French acculturation and the Irish element in Scottish Identity in Smith, Brendan (ed.), Insular Responses to Medieval European Change, Cambridge University Press, pp. 135–53
  • Brown, Michael (2004) The Wars of Scotland, 1214–1371, Edinburgh University Press., pp. 157–254
  • Dumville, David N. (২০০১)। "St Cathróe of Metz and the Hagiography of Exoticism"। Irish Hagiography: Saints and Scholars। Dublin: Four Courts Press। পৃ: 172–176। আইএসবিএন 978-1-85182-486-1 
  • Flom, George Tobias. Scandinavian influence on Southern Lowland Scotch. A Contribution to the Study of the Linguistic Relations of English and Scandinavian (Columbia University Press, New York. 1900)
  • Herbert, Maire (২০০০)। "Rí Érenn, Rí Alban, kingship and identity in the ninth and tenth centuries"। in Simon Taylor (ed.)। Kings, Clerics and Chronicles in Scotland, 500–1297। Dublin: Four Courts Press। পৃ: 63–72। আইএসবিএন 1-85182-516-9 
  • MacLeod, Wilson (2004) Divided Gaels: Gaelic Cultural Identities in Scotland and Ireland: c.1200–1650. Oxford University Press.
  • Pope, Robert (ed.), Religion and National Identity: Wales and Scotland, c.1700–2000 (University of Wales Press, 2001)
  • Sharp, L. W. The Expansion of the English Language in Scotland, (Cambridge University PhD thesis, 1927), pp. 102–325;

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]