জেফ ক্রো

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
জেফ ক্রো
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামজেফ্রি জন ক্রো
জন্ম (1958-09-14) ১৪ সেপ্টেম্বর ১৯৫৮ (বয়স ৬০)
অকল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি
ভূমিকাব্যাটসম্যান, ম্যাচ রেফারি
সম্পর্কডেভ ক্রো (বাবা); অড্রে ক্রো (মা), ডেব ক্রো (বোন), মার্টিন ক্রো (ভাই); রাসেল ক্রো (কাকাতো ভাই)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ১৫১)
৪ মার্চ ১৯৮৩ বনাম শ্রীলঙ্কা
শেষ টেস্ট১৯ মার্চ ১৯৯০ বনাম অস্ট্রেলিয়া
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ৪২)
৯ জানুয়ারি ১৯৮৩ বনাম অস্ট্রেলিয়া
শেষ ওডিআই১১ মার্চ ১৯৯০ বনাম অস্ট্রেলিয়া
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৭৭–১৯৮২দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া
১৯৮২–১৯৯২অকল্যান্ড
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ৩৯ ৭৫ ১৮০ ১৩৯
রানের সংখ্যা ১,৬০১ ১,৫১৮ ১০,২৩৩ ২,৯৭৪
ব্যাটিং গড় ২৬.২৪ ২৫.৭২ ৩৭.৯০ ২৬.৩১
১০০/৫০ ৩/৬ ০/৭ ২২/৫৬ ১/১৪
সর্বোচ্চ রান ১২৮ ৮৮* ১৫৯ ১৩০*
বল করেছে ১৮ ১০০
উইকেট
বোলিং গড় ৫৫.০০
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট n/a -
সেরা বোলিং ১/১০
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৪১/– ২৮/– ১৯৯/– ৫৬/–
উৎস: ক্রিকইনফো, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

জেফ্রি জন ক্রো (ইংরেজি: Jeffrey John Crowe; জন্ম: ১৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৮) অকল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী নিউজিল্যান্ডের সাবেক ক্রিকেটার। তিনি ডেভ ক্রো’র পুত্র এবং বিখ্যাত নিউজিল্যান্ডীয় ব্যাটসম্যান পুরোধা মার্টিন ক্রো’র বড় ভাই। এছাড়াও, অস্কার পুরস্কার বিজয়ী অভিনেতা রাসেল ক্রো তাঁর আত্মীয়। ছোট ভাই মার্টিন ক্রো’র এক বছর পর ১৯৮২-৮৩ মৌসুমে জেফ ক্রো টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে। ১৯৭৭ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলেন। অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচকমণ্ডলী তাঁকে দলের সদস্য হিসেবে আগ্রহী হলেও তিনি নিজ দেশের পক্ষে খেলার জন্য ফিরে যান। এরপর তিনি নিউজিল্যান্ড দলের বিশ্বস্ত ফিল্ডারের পরিচয় দেন ও মাঝে-মধ্যে উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালন করতেন।

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

১৯৮৪-৮৫ মৌসুমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের বিপক্ষে চমকপ্রদ ক্রীড়ানৈপুণ্য প্রদর্শন করে স্বীয় দক্ষতা প্রদর্শন করেন। ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জের সাবিনা পার্কে অনুষ্ঠিত টেস্টে প্রথম উইকেট পতনের পর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ফাস্ট বোলারদের বিপক্ষে লড়াই করে ১১২ রানের দূর্দান্ত সেঞ্চুরি করে দলকে ফলো অন থেকে রক্ষা করেন। জেরেমি কোনি’র পরিবর্তে তিনি নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলকে ছয় টেস্টে নেতৃত্ব দেন তিনি।

১৯৯০-৯১ মৌসুমে অকল্যান্ডে আর্থিক সুবিধাপ্রাপ্তির খেলায় অংশগ্রহণ শেষে আরও একটি ঘরোয়া মৌসুম অতিবাহিত করার পর ১৯৯১-৯২ মৌসুম শেষে পেশাদারী ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

অবসর-পরবর্তী জীবন[সম্পাদনা]

একসময় নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৯ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত এ দায়িত্বে ছিলেন। এক পর্যায়ে ফ্লোরিডায় গল্ফিং হলিডে বিজনেস পরিচালনা করেন।

২০০৪ সাল থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)’র ম্যাচ রেফারি হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে খেলা পরিচালনা করছেন। ক্রিস ব্রডরঞ্জন মাদুগালের পর তিনজনের একজন হিসেবে ৭৫ বা ততোধিক টেস্টে এবং চারজনের একজন হিসেবে (অন্যরা হচ্ছেন - ব্রড, মাদুগালে ও রোশন মহানামা) ২২০-এরও অধিক ওডিআইয়ে রেফারির দায়িত্ব পালন করেছেন। জানুয়ারি, ২০১৭ সালে অ্যাডিলেড ওভালে অস্ট্রেলিয়া-পাকিস্তানের মধ্যকার পঞ্চম ওডিআইয়ে নিজস্ব ২৫০তম ওডিআই খেলা পরিচালন করেন।[১]

বিতর্ক[সম্পাদনা]

২০০৭ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে আম্পায়ার স্টিভ বাকনার, আলীম দার, রুডি কোয়ের্তজেন এবং বিলি বাউডেনসহ তিনি অভিযুক্ত হয়েছিলেন। আইসিসি’র খেলার অবস্থা অনুযায়ী ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে ফলাফল আসা স্বত্ত্বেও তিনি বেশ কয়েকটি ওভারের খেলা চালিয়েছিলেন। অস্ট্রেলিয়াশ্রীলঙ্কার মধ্যকার খেলায় প্রায় অন্ধকার ঘনিয়ে আসায় তারা খেলা থেকে চলে আসতে চাচ্ছিলেন ও পরদিন খেলতে আগ্রহী ছিলেন। খেলার পর উভয় দলের কাছেই নিজ দোষ স্বীকার করেছিলেন তিনি।[২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Jeff Crowe reaches 250 ODIs as match referee"। International Cricket Council। ২৯ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ 
  2. "Crowe admits error"। ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]


পূর্বসূরী
জেরেমি কোনি
নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট অধিনায়ক
১৯৮৬/৮৭-১৯৮৭/৮৮
উত্তরসূরী
জন রাইট