কুমার ধর্মসেনা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
কুমার ধর্মসেনা
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নাম হেন্ডুনেতিগ দীপ্তি প্রিয়ন্থা কুমার ধর্মসেনা
ডাকনাম ধর্ম
উচ্চতা ১.৭২ মিটার (৫ ফুট ৮ ইঞ্চি)
ব্যাটিংয়ের ধরন ডানহাতি ব্যাটসম্যান
বোলিংয়ের ধরন ডানহাতি অফ ব্রেক
ভূমিকা অল-রাউন্ডার, আম্পায়ার
সম্পর্ক কে. ধর্মসেনা (ভাই)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৫৯)
৬ সেপ্টেম্বর ১৯৯৩ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা
শেষ টেস্ট ৮ মার্চ ২০০৪ বনাম অস্ট্রেলিয়া
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ৮২)
২৪ আগস্ট ১৯৯৪ বনাম পাকিস্তান
শেষ ওডিআই ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৪ বনাম অস্ট্রেলিয়া
ওডিআই শার্ট নং ৬৬
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৮৮-২০০৬ ব্লুমফিল্ড ক্রিকেট ও অ্যাথলেটিক ক্লাব
১৯৯২ নন্দেস্ক্রিপ্টস ক্রিকেট ক্লাব
১৯৯৪ মরতোয়া ক্রিকেট ক্লাব
আম্পায়ারিং তথ্য
টেস্ট আম্পায়ার ৪০ (২০১০–বর্তমান)
ওডিআই আম্পায়ার ৭২ (২০০৯–বর্তমান)
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ৩১ ১৪১ ১৫৫ ২০৬
রানের সংখ্যা ৮৬৮ ১২২২ ৬৫৫০ ২২৮১
ব্যাটিং গড় ১৯.৭২ ২২.৬২ ৩৬.১৮ ২৬.২১
১০০/৫০ ০/৩ ০/৪ ৯/৩৭ ০/৯
সর্বোচ্চ রান ৬২* ৬৯* ১৫৭ ৯৪*
বল করেছে ৬৯৩৯ ৭০০৯ ২৫৫৪৯ ৯৭৪৭
উইকেট ৬৯ ১৩৮ ৪৯৫ ২৩৪
বোলিং গড় ৪২.৩১ ৩৬.২১ ২০.৭৭ ২৮.৬২
ইনিংসে ৫ উইকেট ৩০
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ৬/৭২ ৪/৩৭ ৭/৩০ ৫/১৪
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১৪/– ৩৪/– ৭৮/– ৫০/–
উৎস: ক্রিকেট আর্কাইভ, ২০ অক্টোবর ২০১৬

কুমার ধর্মসেনা (সিংহলি: කුමාර ධර්මසේන; জন্ম: ২৪ এপ্রিল, ১৯৭১) শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের সাবেক ক্রিকেটার। বর্তমানে তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট জয়ী শ্রীলঙ্কা দলের খেলোয়াড় ছিলেন। তার পুরো নাম হেন্ডুনেতিগ দীপ্তি প্রিয়ন্থা কুমার ধর্মসেনা

বছরের সেরা আম্পায়ার হিসেবে তিনি ২০১২ সালের আইসিসি পুরস্কার লাভ করেন।

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

কিশোর বয়সে নালন্দা কলেজ কলম্বোতে থাকা অবস্থায় ক্রিকেট খেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে ক্রীড়াজীবনের সূচনা ঘটে ধর্মসেনার। তিনি ডানহাতি ব্যাটসম্যান এবং ডানহাতি অফ ব্রেক বোলার ছিলেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর প্রথম অভিষেক ঘটে ১৯৯৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে।

তার বোলিংয়ের ভঙ্গীমাই তাকে একদিনের খেলার উপযোগী করে তোলে। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি ভাল ব্যাটসম্যানেরও পরিচয় দিয়েছিলেন। কিন্তু ১৯৯৮ সালে আইসিসি কর্তৃপক্ষ সন্দেহজনক বোলিং ভঙ্গীমার দরুন ডেকে পাঠায় তাকে। জুলাই, ২০০০ সালে বিষয়টি নিষ্পত্তি হওয়ায় তিনি দলে ঠাঁই পেয়েছেন কিন্তু পরবর্তীকালে খুব কম সময়ই তাকে টেস্ট ক্রিকেট খেলতে দেখা গিয়েছিল।

১৯৯৩ সালে ধর্মসেনা ৫৯তম ক্রিকেটার হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকা দলের বিরুদ্ধে কলম্বোর সিংহলীজ স্পোর্টস ক্লাবে টেস্ট ক্রিকেট খেলতে নামেন।

আম্পায়ারিং[সম্পাদনা]

২০০৬ সালে ক্রিকেট জীবন থেকে অবসর নেন। এরপর তিনি আম্পায়ারের তালিকায় নাম লেখান। ২০১১ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেটে আম্পায়ারিত্ব করেন। একই বছর তিনি আইসিসি আম্পায়ারের এলিট প্যানেলে অন্তর্ভুক্ত হন।[১]

১৬ আগস্ট, ২০১২ তারিখে লর্ডসে অনুষ্ঠিত ইংল্যান্ড বনাম দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার ৩ টেস্ট সিরিজের চূড়ান্ত টেস্টে রড টাকার তৃতীয় আম্পায়াররূপে দায়িত্ব পালনকালে খুবই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত দেন। ইংরেজ বোলার স্টিভেন ফিন জাক ক্যালিসের বিরুদ্ধে লেগ সাইডে ক্যাচের মাধ্যমে আউটের আবেদন জানালে আম্পায়ার হিসেবে তিনি নট আউট ঘোষণা দেন। পরবর্তীতে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে পুণর্বিবেচনার আবেদন জানালে রড টাকার আউট হিসেবে ঘোষনা করেন; কিন্তু তিনি ক্যালিস কর্তৃক ব্যাটের নীচ থেকে হাতের সংস্পর্শ না থাকার বিষয়টি বিবেচনায় আনেননি।[২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]