বিষয়বস্তুতে চলুন

২০২৬ আইসিসি পুরুষ টি২০ বিশ্বকাপ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
২০২৬ আইসিসি পুরুষ টি২০ বিশ্বকাপ
२०२६ आईसीसी पुरुष टी२० विश्व कप
൨൦൨൬ අයිසීසී පිරිමි විස්සයි൨൦ ලෝක කුසලානය
তারিখ৭ ফেব্রুয়ারি – ৮ মার্চ ২০২৬
তত্ত্বাবধায়কআন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল
ক্রিকেটের ধরনটুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিক
প্রতিযোগিতার ধরনগ্রুপ পর্যায় এবং নকআউট
আয়োজক ভারত
 শ্রীলঙ্কা
বিজয়ী ভারত (৩য় শিরোপা)
রানার-আপ নিউজিল্যান্ড
অংশগ্রহণকারী দলসংখ্যা২০
খেলার সংখ্যা৫৫
প্রতিযোগিতার সেরা খেলোয়াড়ভারত সঞ্জু স্যামসন
সর্বাধিক রান সংগ্রহকারীপাকিস্তান শাহিবজাদা ফারহান (৩৮৩)
সর্বাধিক উইকেটধারীভারত বরুণ চক্রবর্তী
ভারত যশপ্রীত বুমরাহ (১৪)
আনুষ্ঠানিক ওয়েবসাইটt20worldcup.com

২০২৬ আইসিসি পুরুষ টি২০ বিশ্বকাপ হলো আইসিসি পুরুষ টি২০ বিশ্বকাপের দশম আসর। এটি ২০২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ভারত এবং শ্রীলঙ্কায় আয়োজিত হয়েছিল। টুর্নামেন্টে ২০টি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল।[১][২]

ভারত হল বিগত চ্যাম্পিয়ন, যারা গত আসরের ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়েছিল। এই আসরে ইতালি প্রথমবারের জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছিল।

বিন্যাস

[সম্পাদনা]

২০টি দলকে পাঁচটি দলের চারটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছিল, যেখান থেকে প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুটি দল সুপার ৮ রাউন্ডে গিয়েছিল। এই পর্বে, উত্তীর্ণ দলগুলিকে চারটি দলের দুটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছিল; প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুটি দল নকআউট পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল, যেখানে দুটি সেমিফাইনাল এবং একটি ফাইনাল ছিল।[৩][৪][৫][৬]

আয়োজক নির্বাচন

[সম্পাদনা]

২০২১ সালের নভেম্বরে, ২০২৪-২০৩১ আইসিসি পুরুষদের আয়োজক চক্রের অংশ হিসেবে, আইসিসি ঘোষণা করে যে ২০২৬ পুরুষদের টি২০ বিশ্বকাপ ভারত এবং শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হবে।[৭] প্রাথমিকভাবে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট পুরো টুর্নামেন্টটি আয়োজনের প্রস্তাব করেছিল, তবে, পূর্ববর্তী সংস্করণ থেকে ২০টি দলে টুর্নামেন্টটি সম্প্রসারিত হওয়ার কারণে এবং শ্রীলঙ্কায় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের অভাবের কারণে, এটি ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ বোর্ড (বিসিসিআই) এর সাথে যৌথভাবে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।[৮] শ্রীলঙ্কা এর আগে ২০১২ সালে এবং ২০১৬ সালে ভারত এই প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করেছিল।[৯]

দলসমূহ এবং যোগ্যতা

[সম্পাদনা]

শ্রীলঙ্কা ও ভারত সরাসরি সহ-আয়োজক হিসেবে যোগ্যতা অর্জন করে।[১০] তাদের সাথে যোগ দেবে ২০২৪ আইসিসি পুরুষ টি২০ বিশ্বকাপের শীর্ষ ৮টি দল এবং আইসিসি পুরুষদের টি২০ র‍্যাঙ্কিংয়ের সেরা ৩টি দল।[১১] বাকি ৮টি দল আঞ্চলিক বাছাইপর্ব দ্বারা নির্ধারিত হবে, যেখানে দুটি দল আফ্রিকা ও ইউরোপ থেকে যোগ্যতা অর্জন করবে, তিনটি দল সম্মিলিত এশিয়া-ইএপি অঞ্চল থেকে এবং একটি দল আমেরিকা অঞ্চল থেকে যোগ্যতা অর্জন করবে।[১২]

ইতালি প্রথমবারের মতো পুরুষদের টি২০ বিশ্বকাপের জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছে, যা আইসিসির একটি বড় টুর্নামেন্টে তাদের অভিষেক হবে।[১৩]

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ বয়কট

[সম্পাদনা]

বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগে ভারতের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও ধর্মীয় কিছু গোষ্ঠীর প্রতিবাদের মুখে বাংলাদেশের পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দিতে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে (কেকেআর) নির্দেশ দিয়েছিল ভারতীয় বোর্ড বিসিসিআই। পরে তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। [১৪] এই ঘটনার পর বাংলাদেশে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। [১৫] বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তাদের ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানায় । পাকিস্তানের সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে জিও নিউজ বলে, বাংলাদেশের ম্যাচ ভারত থেকে না সরিয়ে বিশ্বকাপ আয়োজন করা হলে পাকিস্তানও টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবে। [১৬]

২০২৬ সালের ২৪শে জানুয়ারি, ভারতে ভেন্যু নিরাপত্তা নিয়ে বিরোধের কারণে বাংলাদেশ এই টি২০ বিশ্বকাপ থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নেয়। আইসিসি তাদের ম্যাচগুলি শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তরের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করার পর, স্কটল্যান্ডকে প্রতিস্থাপন দল হিসেবে নামকরণ করা হয়। সেই সময়ে সর্বোচ্চ র‍্যাঙ্কিং অযোগ্য দল হিসেবে, স্কটল্যান্ডকে গ্রুপ সি-তে যুক্ত করা হয়, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইতালি এবং নেপালের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মূল ম্যাচগুলি দখল করে।[১৭]বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচার বন্ধের উদ্যোগ নেন আসিফ নজরুল[১৮]এই ঘটনায় বিসিবির প্রতি ‘অন্যায়’ করা হয়েছে দাবি করে বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি না খেলার ঘোষণা দেয় পাকিস্তান।পাকিস্তানকে ভারতের বিপক্ষে খেলতে অনুরোধ জানান বিসিবি সভাপতি আমিনুল[১৯]

২০২৬ আইসিসি পুরুষ টি২০ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করা দেশগুলোকে রঙিন করে দেখানো হয়েছে।
  নাম প্রত্যাহার
  ২০২৪ আইসিসি পুরুষ টি২০ বিশ্বকাপের শীর্ষ ৮ দলের একটি হয়ে বা আয়োজক হিসেবে বা আইসিসি পুরুষ টি২০আই দলের র‍্যাঙ্কিং এর মাধ্যমে যোগ্যতা অর্জন
  আঞ্চলিক বাছাইপর্বের মাধ্যমে যোগ্যতা অর্জন
  আঞ্চলিক বাছাইপর্বে অংশগ্রহণ কিন্তু মূলপর্বে উত্তীর্ণ হতে ব্যর্থ
২০২৬ টি২০ বিশ্বকাপে উত্তীর্ণ দলসমূহ
উত্তরণের যোগ্যতা তারিখ আয়োজনস্থল আসন উত্তীর্ণ দল
আয়োজক ১৬ নভেম্বর ২০২১ — ২  ভারত
 শ্রীলঙ্কা
২০২৪ আইসিসি পুরুষ টি২০ বিশ্বকাপ
(আগের আসরের সেরা ৮ টি দল)
১৭ জুন ২০২৪  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ
৬  আফগানিস্তান
 অস্ট্রেলিয়া
 বাংলাদেশ[ক]
 ইংল্যান্ড
 দক্ষিণ আফ্রিকা
 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ
আইসিসি র‍্যাঙ্কিং ৩০ জুন ২০২৪ — ৪[খ]  নিউজিল্যান্ড
 পাকিস্তান
 আয়ারল্যান্ড
 স্কটল্যান্ড
ইউরোপ বাছাইপর্ব ৫–১১ জুলাই ২০২৫  নেদারল্যান্ডস ২  নেদারল্যান্ডস
 ইতালি
আমেরিকাস বাছাইপর্ব ১৫–২১ জুন ২০২৫  কানাডা ১  কানাডা
এশিয়া-ইএপি বাছাইপর্ব ৮–১৭ অক্টোবর ২০২৫  ওমান ৩    নেপাল
 ওমান
 সংযুক্ত আরব আমিরাত
আফ্রিকা বাছাইপর্ব ২৬ সেপ্টেম্বর – ৪ অক্টোবর ২০২৫  জিম্বাবুয়ে ২  নামিবিয়া
 জিম্বাবুয়ে
মোট ২০
টীকা
  1. ↑ ভারতে খেলতে আসা ঝুঁকিপূর্ণ – এরূপ যুক্তিতে বাংলাদেশ নাম প্রত্যাহার করেছিল।
  2. ↑ যেহেতু ভারত ২০২৪ সংস্করণের শীর্ষ আটে শেষ করেছে, তাই র‌্যাঙ্কিংয়ের মাধ্যমে যোগ্যতা অর্জনের জন্য প্রাথমিক ভাবে তিনটি স্লট বরাদ্দ করা হয়েছিল। পরে বাংলাদেশ নাম প্রত্যাহার করলে চারটি স্লট দেওয়া হয়েছিল।

দলীয় সদস্য

[সম্পাদনা]

প্রতিটি দলকে সর্বোচ্চ ১৫ জন খেলোয়াড়ের স্কোয়াড গঠনের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল এবং ৮ জানুয়ারি ২০২৬ সালের মধ্যে আইসিসির কাছে অস্থায়ী স্কোয়াড জমা দিতে হয়েছিল। দলগুলিকে ৩১ জানুয়ারী ২০২৬ পর্যন্ত স্কোয়াডে পরিবর্তন করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।[২০] এর পরে যেকোনো পরিবর্তনের জন্য আইসিসির টেকনিক্যাল কমিটির অনুমতি প্রয়োজন ছিল।[২১]

২০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে, সহ-আয়োজক ভারত টুর্নামেন্টের জন্য তাদের দল ঘোষণাকারী প্রথম দল হয়ে ওঠে। ৩০ ডিসেম্বর ইংল্যান্ড ও ওমান এবং ৩১ ডিসেম্বর আফগানিস্তান তাদের দল ঘোষণা করে। ১ জানুয়ারী ২০২৬ তারিখে অস্ট্রেলিয়া তাদের দল ঘোষণা করে; তারপরে ২ জানুয়ারী দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে; ৩ জানুয়ারী নামিবিয়া; ৬ জানুয়ারী নেপাল; ৭ জানুয়ারী নিউজিল্যান্ড; ৯ জানুয়ারী আয়ারল্যান্ড; ১২ জানুয়ারী নেদারল্যান্ডস; ১৪ জানুয়ারী কানাডা; ১৭ জানুয়ারী ইতালি ; ২৫ জানুয়ারী পাকিস্তান; ২৬ জানুয়ারী স্কটল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ; ৩০ জানুয়ারী সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দল ঘোষণা করেছিল। ২ ফেব্রুয়ারি টুর্নামেন্টের জন্য তাদের দল ঘোষণাকারী চূড়ান্ত দল হিসেবে সহ-আয়োজক শ্রীলঙ্কা উঠে এসেছিল।


সূচক
  • গাঢ় রঙে অধিনায়কের নাম লিখিত
  • * চিহ্ন দ্বারা উইকেট-রক্ষক প্রদর্শিত

গ্রুপ এ

[সম্পাদনা]
গ্রুপ এ-এর পাঁচটি দলের স্কোয়াড
 ভারত আর্শদীপ সিং, অভিষেক শর্মা, ওয়াশিংটন সুন্দর, সঞ্জু স্যামসন*, কুলদীপ যাদব, অক্ষর প্যাটেল, সূর্যকুমার যাদব, শিবম দুবে, বরুণ চক্রবর্তী, যশপ্রীত বুমরাহ, ঈশান কিষাণ*, তিলক বর্মা, রিঙ্কু সিং, হার্দিক পাণ্ড্য, হর্ষিত রানা, মোহাম্মদ সিরাজ
 পাকিস্তান শাদাব খান, শাহীন আফ্রিদি, মোহাম্মদ নওয়াজ, খোয়াজা নাফায়*, ফখর জামান, আবরার আহমেদ, ফাহিম আশরাফ, শাহিবজাদা ফারহান*, বাবর আজম, সাইম আইয়ুব, নাসিম শাহ, উসমান তারিক, উসমান খান*, সালমান মির্জা, সালমান আলী আগা
 নেদারল্যান্ডস ম্যাক্স ও'ডাউড, বাস দি লিডি, কাইল ক্লাইন, টিম ফন দের গাগতেন, ফ্রেড ক্লাসেন, লোগান ফন বীক, স্কট এডওয়ার্ডস*, জাখ লায়ন-ক্যাশে, নোয়াহ ক্রোস, পল ফন মিকিরেন, কলিন অ্যাকারম্যান, সাকিব জুলফিকার, আর্যন দত্ত, মাইকেল লেভিট, রোল্ফ ফন দার মারউই
 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মোনাঙ্ক প্যাটেল*, হরমীত সিং বাঁধন, সাইতেজা মুক্কামাল্লা, সঞ্জয় কৃষ্ণমূর্তি, সৌরভ নেত্রভালকর, শ্যাডলে ভন শাল্কুইক, মহম্মদ মহসিন, মিলিন্দ কুমার, আলী খান, শুভম রঞ্জনে, শায়ান জাহাঙ্গীর*, শিহান জয়াসুরিয়া, আন্দ্রিস গুস*, নষ্ঠুস কেনজিগে, এহসান আদিল, জেসি সিং
 নামিবিয়া বার্নার্ড সোলজ, গেরহার্ড ইরাসমাস, ইয়ান নিকোল লোফটি-ইটন, ইয়ান ফ্রাইলিঙ্ক, বেন শিকোঙ্গো, জেজে স্মিট, ম্যালান ক্রুগার, ডিলান লাইখার, উইলেম মাইবার্ঘ, জ্যাক ব্রাসেল, লাউরেন স্টিনকাম্প, জেন গ্রিন*, ম্যাক্স হেইঙ্গো, ইয়ান বল্ট, রুবেন ট্রাম্পেলম্যান, আলেকজান্ডার বুসিং-ভলশেঙ্ক

গ্রুপ বি

[সম্পাদনা]
গ্রুপ বি-এর পাঁচটি দলের স্কোয়াড
 অস্ট্রেলিয়া ম্যাট রেনশ, কুপার কনোলি, জশ ইংলিস*, মিচেল মার্শ, নাথান এলিস, জেভিয়ার বার্টলেট, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, মার্কাস স্টোইনিস, ক্যামেরন গ্রিন, ম্যাথিউ কুহনেমান, স্টিভ স্মিথ, ট্র্যাভিস হেড, টিম ডেভিড, বেন ডরশুইস, অ্যাডাম জাম্পা, জোশ হজলউড, প্যাট কামিন্স, ম্যাথিউ শর্ট, শন অ্যাবট
 শ্রীলঙ্কা দুষ্মন্ত চামিরা, কুশল পেরেরা, কুশল মেন্ডিস*, দাসুন শানাকা, দুনিথ ভেল্লালাগে, কামিন্দু মেন্ডিস, পাথুম নিসাঙ্কা, দুশান হেমন্ত, প্রমোদ মদুশন, পবন রথনায়কে, চরিত আশালংকা, মহেশ তীক্ষণ, কামিল মিশারা, জনিথ লিয়ানাগে, দিলশান মদুশঙ্কা, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, মাথিশা পাথিরানা, এশান মালিঙ্গা
 আয়ারল্যান্ড লোরকান টাকার*, টিম টেক্টর, হ্যারি টেক্টর, পল স্টার্লিং, ম্যাথিউ হামফ্রিস, কার্টিস ক্যাম্ফার, বেন হোয়াইট, জোশ লিটল, গ্যারেথ ডেলানি, জর্জ ডকরেল, ব্যারি ম্যাকার্থি, বেন কালিৎজ, ক্রেগ ইয়ং, রস অ্যাডায়ার, মার্ক অ্যাডায়ার, স্যাম টপিং
 ওমান হাম্মাদ মির্জা*, জয় ওদেদ্রা, আশিস ওদেদ্রা, যতীন্দার সিং, নদীম খান, মহম্মদ নদীম, শাকিল আহমেদ, শাহ ফয়সাল, করণ সোনাওয়ালে, সুফিয়ান মেহমুদ, ওয়াসিম আলী, শফিক জান, বিনায়ক শুক্লা*, জিতেন রামানন্দী, আমির কলীম, হাসনাইন শাহ
 জিম্বাবুয়ে ব্রায়ান বেনেট, ব্লেসিং মুজারাবানি, গ্রেইম ক্রিমার, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা, ডায়োন মায়ার্স, তাশিঙ্গা মুসেকিওয়া, সিকান্দার রাজা, টনি মুনিওঙ্গা, রিচার্ড নগারাভা, ক্লাইভ মাদান্দে*, রয়্যান বুর্ল, তাদিওয়ানাশে মারুমনি*, তিনোতেন্দা মাপুসা, বেন কারেন, ব্রেন্ডন টেলর*

গ্রুপ সি

[সম্পাদনা]
গ্রুপ সি-এর পাঁচটি দলের স্কোয়াড
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ শেরফেন রাদারফোর্ড, শাই হোপ*, ব্র্যান্ডন কিং, জেসন হোল্ডার, রস্টন চেজ, শিমরন হেটমায়ার, রোভম্যান পাওয়েল, গুড়াকেশ মোতি, আকিল হোসেন, রোমারিও শেফার্ড, ম্যাথু ফোর্ড, জনসন চার্লস, কুয়েন্টিন স্যাম্পসন, জেইডেন সিলস, শামার জোসেফ
 ইংল্যান্ড বেন ডাকেট, জোফ্রা আর্চার, রেহান আহমেদ, জশ টাং, লিউক উড, স্যাম কারেন, ফিল সল্ট*, জস বাটলার*, জেমি ওভারটন, লিয়াম ডসন, জেকব বেথেল, আদিল রশীদ, উইল জ্যাকস, হ্যারি ব্রুক, টম ব্যান্টন
   নেপাল লোকেশ বাম, কুশল ভুর্তেল, সোমপাল কামি, আসিফ শেখ*, গুলশান ঝা, রোহিত পৌডেল, সন্দীপ জোরা, নন্দন যাদব, আরিফ শেখ, সন্দীপ লামিছানে, করণ কেসি, শের মল্ল, ললিত রাজবংশী, দীপেন্দ্র সিং আইরি, বশীর আহমদ
 ইতালি জাস্টিন মোস্কা, অ্যান্থনি মোস্কা, সাঈদ নাকভি, গ্র্যান্ট স্টুয়ার্ট, জিয়ান পিয়েরো-মিড*, হ্যারি ম্যানেন্টি, বেন ম্যানেন্টি, যশপ্রীত সিং, জেইন আলী, মার্কাস ক্যাম্পোপিয়ানো, জেজে স্মাটস, থমাস ড্রাকা, আলী হাসান, ওয়েন ম্যাডসেন, ক্রিশান কালুগামাগে
 স্কটল্যান্ড ম্যাথু ক্রস*, রিচি বেরিংটন, জায়িনুল্লাহ ইহসান, ব্র্যাড কারি, অলিভার ডেভিডসন, ক্রিস গ্রিভস, ব্র্যান্ডন ম্যাকমুলেন, ফিনলে ম্যাকক্রিথ, টম ব্রুস, মাইকেল লিস্ক, মার্ক ওয়াট, মাইকেল জোনস, ব্র্যাড হুইল, জর্জ মানসি, জ্যাক জার্ভিস, জ্যাসপার ডেভিডসন, সাফিয়ান শরীফ

গ্রুপ ডি

[সম্পাদনা]
গ্রুপ ডি-এর পাঁচটি দলের স্কোয়াড
 নিউজিল্যান্ড কাইল জেমিসন, রচিন রবীন্দ্র, গ্লেন ফিলিপস, টিম সিফার্ট*, ফিন অ্যালেন*, ম্যাট হেনরি, ড্যারিল মিচেল, জেকব ডাফি, ইশ সোধি, লকি ফার্গুসন, জেমস নিশাম, মিচেল স্যান্টনার, ডেভন কনওয়ে, মার্ক চ্যাপম্যান, বেন সিয়ার্স, অ্যাডাম মিলনে, মাইকেল ব্রেসওয়েল, কোলে ম্যাককঞ্চি
 আফগানিস্তান ফজলহক ফারুকী, আজমাতুল্লাহ ওমরজাই, মোহাম্মদ নবী, নূর আহমদ, গুলবাদিন নাইব, রশীদ খান, ইব্রাহীম জাদরান, রহমানুল্লাহ গুরবাজ*, সিদ্দিকুল্লাহ আতাল, মুজিব উর রহমান, মোহাম্মদ ইশাক*, আবদুল্লাহ আহমদজাই, শাহিদুল্লাহ কামাল, জিয়াউর রহমান, দরবেশ রসূলী, ইজাজ আহমেদ আহমদজাই, আল্লাহ মোহাম্মদ গজানফর, নবীন-উল-হক, ফরিদ আহমেদ
 দক্ষিণ আফ্রিকা এইডেন মার্করাম, কুইন্টন ডি কক*, ডেভিড মিলার, কেশব মহারাজ, অ্যানরিখ নরকিয়া, লুঙ্গি এনগিডি, কাগিসো রাবাদা, জর্জ লিন্ডে, করবিন বশ, ট্রিস্টান স্টাবস*, ডেওয়াল্ড ব্রেভিস, রয়্যান রিকেলটন, মার্কো ইয়ানসেন, জেসন স্মিথ, কোয়েনা মাফাকা, টনি ডি জর্জি, ডোনোভান ফেরেইরা*
 সংযুক্ত আরব আমিরাত আর্যাংশ শর্মা*, মুহাম্মদ রোহিদ, মুহাম্মদ ওয়াসিম, মুহাম্মদ জাওয়াদুল্লাহ, আলিশান শারাফু, হর্ষিত কৌশিক, সিমরনজিত সিং, ময়ঙ্ক কুমার, ধ্রুব পরাশর, শোয়েব খান, মুহাম্মদ আরফান, জুনায়েদ সিদ্দিক, হায়দার আলী, সাঈদ হায়দার*, মুহাম্মদ ফারুক, মুহাম্মদ জোহাইব
 কানাডা শ্রেয়াস মোভা*, হর্ষ ঠাকের, যুবরাজ সামরা, নবনীত ধালিওয়াল, অংশ প্যাটেল, কলীম সানা, সাদ বিন জাফর, অজয়বীর হুন্দাল, জসকরন সিং, ডিলন হেইলিগার, নিকোলাস কির্টন, কানওয়ারপাল তথগুড়*, রবীন্দ্রপাল সিং, শিবম শর্মা, দিলপ্রীত বাজওয়া

প্রধান কোচের তালিকা

[সম্পাদনা]
প্রতিটি দলের প্রধান কোচের নাম
গ্রুপ দল কোচ
গ্রুপ এ  ভারতভারত গৌতম গম্ভীর
 পাকিস্তাননিউজিল্যান্ড মাইক হেসন
 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রশ্রীলঙ্কা পুবুদু দাসানায়াকে
 নেদারল্যান্ডসদক্ষিণ আফ্রিকা রয়্যান কুক
 নামিবিয়ানামিবিয়া ক্রেগ উইলিয়ামস
গ্রুপ বি  অস্ট্রেলিয়াঅস্ট্রেলিয়া অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড
 আয়ারল্যান্ডদক্ষিণ আফ্রিকা হাইনরিখ মালান
 শ্রীলঙ্কাশ্রীলঙ্কা সনাথ জয়াসুরিয়া
 ওমানশ্রীলঙ্কা দিলীপ মেন্ডিস
 জিম্বাবুয়েদক্ষিণ আফ্রিকা জাস্টিন স্যামন্স
গ্রুপ সি  ওয়েস্ট ইন্ডিজক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ ড্যারেন স্যামি
 ইংল্যান্ডনিউজিল্যান্ড ব্রেন্ডন ম্যাককালাম
 ইতালিকানাডা জন ডেভিসন
   নেপালঅস্ট্রেলিয়া স্টুয়ার্ট ল
 স্কটল্যান্ডইংল্যান্ড ওয়েন ডকিন্স
গ্রুপ ডি  দক্ষিণ আফ্রিকাদক্ষিণ আফ্রিকা শুকরি কনরাড
 আফগানিস্তানইংল্যান্ড জোনাথান ট্রট
 কানাডাকানাডা ইঙ্গেলটন লিবার্ড
 সংযুক্ত আরব আমিরাতভারত লালচাঁদ রাজপুত
 নিউজিল্যান্ডদক্ষিণ আফ্রিকা রব ওয়াল্টার

নভেম্বর ২০২৫-এ, আইসিসি টি২০ বিশ্বকাপের জন্য মাঠ ঘোষণা করেছিল, এবং জানিয়েছিল যে — ভারতের ৫টি এবং শ্রীলঙ্কার ৩টি মাঠ ব্যবহৃত হবে।[২২][২৩]

ভারতের মাঠ
আহমেদাবাদ দিল্লি কলকাতা চেন্নাই মুম্বই
নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম অরুণ জেটলি ক্রিকেট স্টেডিয়াম ইডেন গার্ডেন্স এম. এ. চিদম্বরম স্টেডিয়াম ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম
ধারণক্ষমতা: ১৩২,০০০ ধারণক্ষমতা: ৫৫,০০০ ধারণক্ষমতা: ৬৮,০০০ ধারণক্ষমতা: ৩৮,২০০ ধারণক্ষমতা: ৩৩,১০০
Narendra Modi Stadium Arun Jaitley Stadium in 2023 World Cup Eden Gardens Chepauk Stadium during IPL match 2011 Cricket World Cup final
শ্রীলঙ্কার মাঠ
২০২৬ আইসিসি পুরুষ টি২০ বিশ্বকাপ শ্রীলঙ্কা-এ অবস্থিত
কলম্বো (আরপিএস)
কলম্বো (আরপিএস)
কলম্বো (এসএসসি)
কলম্বো (এসএসসি)
কলম্বো ক্যান্ডি
আর. প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম সিংহলীজ স্পোর্টস ক্লাব গ্রাউন্ড পাল্লেকেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম
ধারণক্ষমতা: ৩৫,০০০ ধারণক্ষমতা: ১০,০০০ ধারণক্ষমতা: ৩৫,০০০


৬ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে, আইসিসি বিশ্বকাপের জন্য চূড়ান্ত ভেন্যু ঘোষণা করে, ভারতে পাঁচটি – আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম, চেন্নাইয়ের এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়াম, দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়াম, কলকাতার ইডেন গার্ডেন এবং মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম ; এবং শ্রীলঙ্কায় তিনটি – আর.প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম, কলোম্বোর সিংহলেসে স্পোর্টস ক্লাব ক্রিকেট গ্রাউন্ড এবং কান্ডির পাল্লেকেলে স্টেডিয়াম।

ম্যাচ পরিচালক

[সম্পাদনা]

৩০ জানুয়ারি ২০২৬-এ, আইসিসি ম্যাচ রেফারি এবং আম্পায়ারদের তালিকা প্রকাশ করেছিল।[২৪]

ম্যাচ রেফারি
আম্পায়ার

প্রস্তুতিমূলক ম্যাচ

[সম্পাদনা]

২৬ জানুয়ারি ২০২৬-এ, আইসিসি ঘোষণা করে যে টি২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতিমূলক ম্যাচগুলি (ওয়ার্ম-আপ) ২ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হতে চলেছে।[২৫][২৬][২৭]

মোট ১৬টি প্রস্তুতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে ভারত এ এবং শ্রীলঙ্কা এ দল ছাড়াও বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী ১৮টি দল অংশগ্রহণ করেছিল। প্রস্তুতি ম্যাচগুলি ভারতের চারটি স্থানে অনুষ্ঠিত হয়: বেঙ্গালুরুর বিসিসিআই সেন্টার অফ এক্সিলেন্স গ্রাউন্ড ১ এবং ২, চেন্নাইয়ের এম. এ. চিদাম্বরম স্টেডিয়াম এবং নবি মুম্বইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়াম; এবং শ্রীলঙ্কায় তিনটি: কলম্বো ক্রিকেট ক্লাব গ্রাউন্ড, আর. প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম এবং কলম্বোর এসএসসি ক্রিকেট গ্রাউন্ড। বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে শ্রীলঙ্কা এবং ইংল্যান্ড ৩০ জানুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ক্যান্ডির পাল্লেকেলে ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলে।[২৮]

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

[সম্পাদনা]

৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ, আইসিসি ঘোষণা করে যে ভারত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দিনের তৃতীয় ম্যাচের আগে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।[২৯][৩০] বাদশাহ, নোরা ফাতেহি, ঋষভ শর্মা এবং শিবমণি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পরিবেশনা করেন।[৩১][৩২]

গ্রুপ পর্ব

[সম্পাদনা]
গ্রুপ এ গ্রুপ বি গ্রুপ সি গ্রুপ ডি
গ্রুপ পর্বের টাইব্রেকার[৩৩]
  1. মোট অর্জিত পয়েন্ট;
  2. মোট জয়লাভ;
  3. নেট রান রেট;
  4. প্রশ্নবিদ্ধ দলদুটির মধ্যে হেড-টু-হেড ফলাফল;
  5. প্রাথমিক গ্রুপ সিড (আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে)।

গ্রুপ এ

[সম্পাদনা]
অব দল খেলা জ হা ফহ পয়েন্ট নে.রা.রে. যোগ্যতা অর্জন
১  ভারত (H) ৪ ৪ ০ ০ ৮ +২.৫০০ সুপার ৮
২  পাকিস্তান ৪ ৩ ১ ০ ৬ +০.৭৪৪
৩  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৪ ২ ২ ০ ৪ +০.৭৮৮
৪  নেদারল্যান্ডস ৪ ১ ৩ ০ ২ −১.২১৭
৫  নামিবিয়া ৪ ০ ৪ ০ ০ −২.৮৯১
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো
শ্রেণীবিভাগের নিয়মাবলী: গ্রুপ পর্বের টাইব্রেকার
(H) স্বাগতিক।

ম্যাচ ১
৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-07)
১১:০০ ইউটিসি+৫:৩০
স্কোরকার্ড
নেদারল্যান্ডস 
১৪৭ (১৯.৫ ওভার)
ব
 পাকিস্তান
১৪৮/৭ (১৯.৩ ওভার)
  • পাকিস্তান টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।

ম্যাচ ৩
৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-07)
১৯:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (রাত)
স্কোরকার্ড
ভারত 
১৬১/৯ (২০ ওভার)
ব
  • মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহম্মদ মহসিন এবং শুভম রঞ্জনের টি২০আই অভিষেক হয়েছিল।
  • সৌরভ নেত্রভালকর (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) টি২০ বিশ্বকাপের এক ইনিংসে (০-৬৫) সর্বাধিক রান দেওয়ায় শেহান জয়াসুরিয়ার রেকর্ড ভেঙে গেছেন।[৩৪]
  • এটি টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের টানা নবম জয়, যেহেতু তারা আগের সংস্করণে আটটি ম্যাচের সবকটিতেই জয়লাভ করেছিল। টি২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটি যেকোনো দলের দীর্ঘতম জয়ের ধারা। [৩৫]

ম্যাচ ১০
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-10)
১১:০০ ইউটিসি+৫:৩০
স্কোরকার্ড
নামিবিয়া 
১৫৬/৮ (২০ ওভার)
ব
 নেদারল্যান্ডস
১৫৯/৩ (১৮ ওভার)
বাস দি লিডি ৭২* (৪৮)
বার্নার্ড সোলজ ১/২৭ (৪ ওভার)
নেদারল্যান্ডস ৭ উইকেটে জয়ী
অরুণ জেটলি ক্রিকেট স্টেডিয়াম, নয়াদিল্লি
আম্পায়ার: আদ্রিয়ান হোল্ডস্টক (দক্ষিণ আফ্রিকা) এবং ল্যাংটন রুসেরে (জিম্বাবুয়ে)
ম্যাচ সেরা খেলোয়াড়: বাস দি লিডি (নেদারল্যান্ডস)
  • নেদারল্যান্ডস টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • উইলেম মাইবার্ঘের (নামিবিয়া) টি২০আই অভিষেক হয়েছিল।
  • এটি ভারতের মাটিতে নামিবিয়ার প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ ছিল।[৩৬]

ম্যাচ ১২
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-10)
১৯:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (রাত)
স্কোরকার্ড
পাকিস্তান 
১৯০/৯ (২০ ওভার)
ব
শুভম রঞ্জনে ৫১ (৩০)
উসমান তারিক ৩/২৭ (৪ ওভার)

ম্যাচ ১৮
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-12)
১৯:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (রাত)
স্কোরকার্ড
ভারত 
২০৯/৯ (২০ ওভার)
ব
 নামিবিয়া
১১৬ (১৮.২ ওভার)
  • নামিবিয়া টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • ঈশান কিষাণ প্রথম ভারতীয় উইকেট রক্ষক হিসেবে টি২০ বিশ্বকাপে শতরানের ইনিংস খেলেন।[৩৮]
  • এটি টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের টানা দশম জয়লাভ ছিল।
  • এটি টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের সবচেয়ে বেশি রানের ব্যবধানে জয়লাভ ছিল।[৩৯]

ম্যাচ ২১
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-13)
১৯:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (রাত)
স্কোরকার্ড
ব
 নেদারল্যান্ডস
১০৩ (১৫.৫ ওভার)
বাস দি লিডি ২৩ (১৭)
হরমীত সিং ৪/২১ (৪ ওভার)
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৯৩ রানে জয়ী
এম. এ. চিদম্বরম স্টেডিয়াম, চেন্নাই
আম্পায়ার: কে. এন. অনন্তপদ্মনাভন (ভারত) এবং নিতিন মেনন (ভারত)
ম্যাচ সেরা খেলোয়াড়: হরমীত সিং (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
  • নেদারল্যান্ডস টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • এটি কোনো টি২০ বিশ্বকাপে কোনো অ্যাসোসিয়েট দলের সবচেয়ে বড় রানের ব্যবধানে জয়লাভ ছিল।[৪০]

ম্যাচ ২৬
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-15)
১৫:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ব
 নামিবিয়া
১৬৮/৬ (২০ ওভার)
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৩১ রানে জয়ী
এম. এ. চিদম্বরম স্টেডিয়াম, চেন্নাই
আম্পায়ার: কে. এন. অনন্তপদ্মনাভন (ভারত) এবং শরফুদ্দৌলা (বাংলাদেশ)
ম্যাচ সেরা খেলোয়াড়: সঞ্জয় কৃষ্ণমূর্তি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
  • মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র টসে জিতে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • মোনাঙ্ক প্যাটেল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম ব্যাটার হিসেবে টি২০ আন্তর্জাতিকে ১০০০ রান পূর্ণ করেন।[৪১]
  • নামিবিয়া প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নিয়েছিল।

ম্যাচ ২৭
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-15)
১৯:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (রাত)
স্কোরকার্ড
ভারত 
১৭৫/৭ (২০ ওভার)
ব
 পাকিস্তান
১১৪ (১৮ ওভার)
ঈশান কিষাণ ৭৭ (৪০)
সাইম আইয়ুব ৩/২৫ (৪ ওভার)
উসমান খান ৪৪ (৩৪)
হার্দিক পাণ্ড্য ২/১৬ (৩ ওভার)
  • পাকিস্তান টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • এটি টি২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে ভারতের সর্বোচ্চ সমষ্টিগত রান।[৪২]
  • এটি টি২০ আন্তর্জাতিকে পাকিস্তানের বিপক্ষে রানের বিচারে ভারতের সর্ববৃহৎ জয়লাভ।[৪৩]
  • ভারত সুপার ৮-এ উত্তীর্ণ হয়েছিল।[৪৪]
  • এটি টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের টানা একাদশতম জয়লাভ ছিল।

ম্যাচ ৩৫
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-18)
১৫:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
পাকিস্তান 
১৯৯/৩ (২০ ওভার)
ব
 নামিবিয়া
৯৭ (১৭.৩ ওভার)
  • পাকিস্তান টসে জিতে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • শাহিবজাদা ফারহান (পাকিস্তান) টি২০আইতে প্রথম শতরান করেন।[৪৫]
  • পাকিস্তান সুপার ৮-এ উত্তীর্ণ হয়েছিল এবং নেদারল্যান্ডস ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিদায় নিয়েছিল।[৪৬][৪৭][৪৮]

ম্যাচ ৩৬
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-18)
১৯:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (রাত)
স্কোরকার্ড
ভারত 
১৯৩/৬ (২০ ওভার)
ব
 নেদারল্যান্ডস
১৭৬/৭ (২০ ওভার)
শিবম দুবে ৬৬ (৩১)
লোগান ফন বীক ৩/৫৬ (৪ ওভার)
বাস দি লিডি ৩৩ (২৩)
বরুণ চক্রবর্তী ৩/১৪ (৩ ওভার)
  • ভারত টসে জিতে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • এটি ভারতের টি২০ বিশ্বকাপে টানা ১২তম এবং আইসিসির সীমিত ওভারের বিশ্বকাপে টানা ১৭তম জয়লাভ ছিল।[৪৯]

গ্রুপ বি

[সম্পাদনা]
অব দল খেলা জ হা ফহ পয়েন্ট নে.রা.রে. যোগ্যতা অর্জন
১  জিম্বাবুয়ে ৪ ৩ ০ ১ ৭ +১.৫০৬ সুপার ৮
২  শ্রীলঙ্কা (H) ৪ ৩ ১ ০ ৬ +১.৭৪১
৩  অস্ট্রেলিয়া ৪ ২ ২ ০ ৪ +১.৫২৩
৪  আয়ারল্যান্ড ৪ ১ ২ ১ ৩ +০.১৫০
৫  ওমান ৪ ০ ৪ ০ ০ −৪.৮৪৫
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো
শ্রেণীবিভাগের নিয়মাবলী: গ্রুপ পর্বের টাইব্রেকার
(H) স্বাগতিক।
ম্যাচ ৬
৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-08)
১৯:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (রাত)
স্কোরকার্ড
শ্রীলঙ্কা 
১৬৩/৬ (২০ ওভার)
ব
 আয়ারল্যান্ড
১৪৩ (১৯.৫ ওভার)
কুশল মেন্ডিস ৫৬* (৪৩)
জর্জ ডকরেল ২/১৭ (৪ ওভার)
হ্যারি টেক্টর ৪০ (৩৪)
মহেশ তীক্ষণ ৩/২৩ (৪ ওভার)
  • আয়ারল্যান্ড টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • এটি শ্রীলঙ্কার ১০০তম টি২০আই জয়লাভ ছিল।

ম্যাচ ৮
৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-09)
১৫:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ওমান 
১০৩ (১৯.৫ ওভার)
ব
 জিম্বাবুয়ে
১০৬/২ (১৩.৩ ওভার)
  • জিম্বাবুয়ে টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • টি২০আইতে ওমান এবং জিম্বাবুয়ে প্রথমবারের জন্য মুখোমুখি হয়েছিল।[৫০]

ম্যাচ ১৪
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-11)
১৫:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
অস্ট্রেলিয়া 
১৮২/৬ (২০ ওভার)
ব
 আয়ারল্যান্ড
১১৫ (১৬.৫ ওভার)
জর্জ ডকরেল ৪১ (২৯)
নাথান এলিস ৪/১২ (৩.৫ ওভার)
অস্ট্রেলিয়া ৬৭ রানে জয়ী
আর. প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম, কলম্বো
আম্পায়ার: ক্রিস গফানি (নিউজিল্যান্ড) এবং রিচার্ড ইলিংওয়ার্থ (ইংল্যান্ড)
ম্যাচ সেরা খেলোয়াড়: নাথান এলিস (অস্ট্রেলিয়া)
  • অস্ট্রেলিয়া টসে জিতে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।

ম্যাচ ১৬
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-12)
১১:০০ ইউটিসি+৫:৩০
স্কোরকার্ড
শ্রীলঙ্কা 
২২৫/৫ (২০ ওভার)
ব
 ওমান
১২০/৯ (২০ ওভার)
মহম্মদ নদীম ৫৩* (৫৬)
মহেশ তীক্ষণ ২/১১ (৪ ওভার)
  • ওমান টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • টি২০আইতে ওমান এবং শ্রীলঙ্কা প্রথমবারের জন্য মুখোমুখি হয়েছিল।[৫০]
  • দাসুন শানাকা শ্রীলঙ্কার হয়ে দ্রুততম অর্ধশতরানের রেকর্ড গড়েন (১৯ বলে)।[৫১]
  • মহম্মদ নদীম (ওমান) টি২০ বিশ্বকাপে প্রবীণতম ব্যাটার হিসেবে অর্ধশতরানের রেকর্ড করেন (৪৩ বছর ১৬১ দিন বয়সে)।[৫২]

ম্যাচ ১৯
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-13)
১১:০০ ইউটিসি+৫:৩০
স্কোরকার্ড
জিম্বাবুয়ে 
১৬৯/২ (২০ ওভার)
ব
 অস্ট্রেলিয়া
১৪৬ (১৯.৩ ওভার)
  • অস্ট্রেলিয়া টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়
  • ব্লেসিং মুজারাবানি টি২০ আন্তর্জাতিকে জিম্বাবুয়ের ইতিহাসে তৃতীয় বোলার হিসেবে ১০০টি উইকেট লাভ করেন।[৫৩]

ম্যাচ ২২
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-14)
১১:০০ ইউটিসি+৫:৩০
স্কোরকার্ড
আয়ারল্যান্ড 
২৩৫/৫ (২০ ওভার)
ব
 ওমান
১৩৯ (১৮ ওভার)
লোরকান টাকার ৯৪* (৫১)
শাকিল আহমেদ ৩/৩৩ (৪ ওভার)
আমির কলীম ৫০ (২৯)
জোশুয়া লিটল ৩/১৬ (৪ ওভার)
  • ওমান টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • আমির কলীম (ওমান) টি২০ বিশ্বকাপে প্রবীণতম ব্যাটার হিসেবে অর্ধশতরানের রেকর্ড করেন (৪৪ বছর ৮৬ দিন বয়সে)।
  • ওমান প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নিয়েছিল।

ম্যাচ ৩০
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-16)
১৯:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (রাত)
স্কোরকার্ড
অস্ট্রেলিয়া 
১৮১ (২০ ওভার)
ব
 শ্রীলঙ্কা
১৮৪/২ (১৮ ওভার)
  • শ্রীলঙ্কা টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • পাথুম নিসাঙ্কা শ্রীলঙ্কার হয়ে টি২০ বিশ্বকাপে শতরান করা দ্বিতীয় খেলোয়াড় হন এবং টি২০আইতে ২৫০০ রান পূর্ণ করেন।[৫৪][৫৫]
  • এটি টি২০ বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার সর্বোচ্চ সফল রান তাড়া।[৫৬]
  • পাথুম নিসাঙ্কা এই টি২০ বিশ্বকাপে শতরান করা প্রথম খেলোয়াড় হন।[৫৭]
  • শ্রীলঙ্কা সুপার ৮-এ উত্তীর্ণ হয়েছিল।[৫৮]

ম্যাচ ৩২
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-17)
১৫:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ব
  • বৃষ্টির কারণে টস হয়নি।
  • জিম্বাবুয়ে সুপার ৮-এ উত্তীর্ণ হয়েছিল এবং অস্ট্রেলিয়া ও আয়ারল্যান্ড বিদায় নিয়েছিল।

ম্যাচ ৩৮
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-19)
১৫:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
শ্রীলঙ্কা 
১৭৮/৭ (২০ ওভার)
ব
 জিম্বাবুয়ে
১৮২/৪ (১৯.৩ ওভার)
  • শ্রীলঙ্কা টসে জিতে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।

ম্যাচ ৪০
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-20)
১৯:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (রাত)
স্কোরকার্ড
ওমান 
১০৪ (১৬.২ ওভার)
ব
 অস্ট্রেলিয়া
১০৮/১ (৯.৪ ওভার)
ওয়াসিম আলী ৩২ (৩৩)
অ্যাডাম জাম্পা ৪/২১ (৩.২ ওভার)
মিচেল মার্শ ৬৪* (৩৩)
শাকিল আহমেদ ১/২৯ (৪ ওভার)
  • অস্ট্রেলিয়া টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • টি২০আইতে গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ৫০তম উইকেট লাভ করেন।

গ্রুপ সি

[সম্পাদনা]
অব দল খেলা জ হা ফহ পয়েন্ট নে.রা.রে. যোগ্যতা অর্জন
১  ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪ ৪ ০ ০ ৮ +১.৮৭৪ সুপার ৮
২  ইংল্যান্ড ৪ ৩ ১ ০ ৬ +০.২০১
৩  স্কটল্যান্ড ৪ ১ ৩ ০ ২ +০.১৮৪
৪  ইতালি ৪ ১ ৩ ০ ২ −১.০২০
৫    নেপাল ৪ ১ ৩ ০ ২ −১.৩৪৯
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো
শ্রেণীবিভাগের নিয়মাবলী: গ্রুপ পর্বের টাইব্রেকার
ম্যাচ ২
৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-07)
১৫:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ওয়েস্ট ইন্ডিজ 
১৮২/৫ (২০ ওভার)
ব
 স্কটল্যান্ড
১৪৭ (১৮.৫ ওভার)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩৫ রানে জয়ী
ইডেন গার্ডেন্স, কলকাতা
আম্পায়ার: নিতিন মেনন (ভারত) এবং স্যাম নোগাজস্কি (অস্ট্রেলিয়া)
ম্যাচ সেরা খেলোয়াড়: শিমরন হেটমায়ার (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)
  • স্কটল্যান্ড টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • অলিভার ডেভিডসন (স্কটল্যান্ড) টি২০আই অভিষেক করেন।
  • টম ব্রুস স্কটল্যান্ডের হয়ে টি২০আই অভিষেক করেন। পূর্বে তিনি নিউজিল্যান্ডের হয়ে ১৭টি টি২০আই খেলেছিলেন এবং দুই দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা ২৪তম ক্রিকেটার হিসেবে উঠে আসেন।[৫৯]
  • শিমরন হেটমায়ার ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে টি২০ বিশ্বকাপে ক্রিস গেইলের করা দ্রুততম অর্ধশতরানের রেকর্ড ভাঙেন।[৬০]
  • জেসন হোল্ডার ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে টি২০ আন্তর্জাতিকে সর্বপ্রথম বোলার হিসেবে ১০০ উইকেট লাভ করেন।[৬১]
  • রোমারিও শেফার্ড (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) টি২০আইতে তার দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক লাভ করেন এবং প্রথমবারের জন্য ইনিংসে পাঁচ-উইকেট লাভ করেন। এটিই ছিল এই বিশ্বকাপের প্রথম হ্যাটট্রিক এবং টি২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে দশম হ্যাটট্রিক।[৬২]

ম্যাচ ৫
৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-08)
১৫:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ইংল্যান্ড 
১৮৪/৭ (২০ ওভার)
ব
   নেপাল
১৮০/৬ (২০ ওভার)
ইংল্যান্ড ৪ রানে জয়ী
ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম, মুম্বই
আম্পায়ার: লেসলি রীফার (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) এবং রড টাকার (অস্ট্রেলিয়া)
ম্যাচ সেরা খেলোয়াড়: উইল জ্যাকস (ইংল্যান্ড)
  • ইংল্যান্ড টসে জিতে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • ইংল্যান্ড এবং নেপাল প্রথমবারের জন্য টি২০আইতে মুখোমুখি হয়েছিল।[৬৩]
  • শের মল্ল (নেপাল) টি২০আই অভিষেক করেন। তিনি দ্বিতীয় নেপালি ক্রিকেটার এবং বিশ্বের ২৯তম ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ারের প্রথম বলে উইকেট পান।[৬৪]
  • দীপেন্দ্র সিং আইরি প্রথম নেপালি ব্যাটার হিসেবে টি২০ আন্তর্জাতিকে ২০০০ রান করেন।
  • টি২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটিই নেপালের সর্বোচ্চ সমষ্টিগত রান (১৮০)।

ম্যাচ ৭
৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-09)
১১:০০ ইউটিসি+৫:৩০
স্কোরকার্ড
স্কটল্যান্ড 
২০৭/৪ (২০ ওভার)
ব
 ইতালি
১৩৪ (১৬.৪ ওভার)
জর্জ মানসি ৮৪ (৫৪)
আলী হাসান ১/২১ (৪ ওভার)
স্কটল্যান্ড ৭৩ রানে জয়ী
ইডেন গার্ডেন্স, কলকাতা
আম্পায়ার: ক্রিস ব্রাউন (নিউজিল্যান্ড) এবং আল্লাহুদ্দিন পালেকর (দক্ষিণ আফ্রিকা)
ম্যাচ সেরা খেলোয়াড়: মাইকেল লিস্ক (স্কটল্যান্ড)
  • ইতালি টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • এটি টি২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে ইতালির প্রথম ম্যাচ ছিল।[৬৫]
  • টি২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটিই স্কটল্যান্ডের সর্বোচ্চ সমষ্টিগত রান (২০৭)। টি২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটিই কোনো অ্যাসোসিয়েট দলের করা সর্বোচ্চ সমষ্টিগত রানের ইনিংস।[৬৬]

ম্যাচ ১৫
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-11)
১৯:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (রাত)
স্কোরকার্ড
ওয়েস্ট ইন্ডিজ 
১৯৬/৬ (২০ ওভার)
ব
 ইংল্যান্ড
১৬৬ (১৯ ওভার)
স্যাম কারেন ৪৩* (৩০)
গুড়াকেশ মোতি ৩/৩৩ (৪ ওভার)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩০ রানে জয়ী
ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম, মুম্বই
আম্পায়ার: ডোনোভান কখ (অস্ট্রেলিয়া) এবং আল্লাহুদ্দিন পালেকর (দক্ষিণ আফ্রিকা)
ম্যাচ সেরা খেলোয়াড়: শেরফেন রাদারফোর্ড (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)
  • ইংল্যান্ড টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।

ম্যাচ ১৭
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-12)
১৫:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
নেপাল   
১২৩ (১৯.৩ ওভার)
ব
 ইতালি
১২৪/০ (১২.৪ ওভার)
  • ইতালি টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • টি২০আইতে প্রথমবারের জন্য নেপাল ও ইতালি মুখোমুখি হয়েছিল।[৬৭]
  • ইতালি যেকোনো ফরম্যাটের ক্রিকেট বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচ জিতেছিল।[৬৮]
  • এটি ইতালির টি২০ আন্তর্জাতিকে প্রথম এবং টি২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে কোনো দলের অষ্টম দশ উইকেটে জয়লাভ।[৬৯]

ম্যাচ ২৩
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-14)
১৫:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
স্কটল্যান্ড 
১৫২ (১৯.৪ ওভার)
ব
 ইংল্যান্ড
১৫৫/৫ (১৮.২ ওভার)
রিচি বেরিংটন ৪৯ (৩২)
আদিল রশীদ ৩/৩৬ (৪ ওভার)
ইংল্যান্ড ৫ উইকেটে জয়ী
ইডেন গার্ডেন্স, কলকাতা
আম্পায়ার: ক্রিস ব্রাউন (নিউজিল্যান্ড) এবং আল্লাহুদ্দিন পালেকর (দক্ষিণ আফ্রিকা)
ম্যাচ সেরা খেলোয়াড়: টম ব্যান্টন (ইংল্যান্ড)
  • ইংল্যান্ড টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • জস বাটলার (ইংল্যান্ড) তার ১৫০তম টি২০আই ম্যাচ খেলেন এবং টি২০আইতে ৪০০০ রান পূর্ণ করেন।
  • জোফ্রা আর্চার (ইংল্যান্ড) টি২০আইতে ৫০তম উইকেট লাভ করেন।
  • এটি ইংল্যান্ডের কোনো ইউরোপীয় দলের বিপক্ষে টি২০ বিশ্বকাপে প্রথম জয়লাভ ছিল।[৭০]

ম্যাচ ২৫
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-15)
১১:০০ ইউটিসি+৫:৩০
স্কোরকার্ড
নেপাল   
১৩৩/৮ (২০ ওভার)
ব
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ
১৩৪/১ (১৫.২ ওভার)
শাই হোপ ৬১* (৪৪)
নন্দন যাদব ১/২৪ (৩ ওভার)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৯ উইকেটে জয়ী
ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম, মুম্বই
আম্পায়ার: গাজী সোহেল (বাংলাদেশ) এবং অ্যালেক্স হোয়ার্ফ (ইংল্যান্ড)
ম্যাচ সেরা খেলোয়াড়: জেসন হোল্ডার (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)
  • ওয়েস্ট ইন্ডিজ টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • নেপাল প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নিয়েছিল।

ম্যাচ ২৯
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-16)
১৫:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ইংল্যান্ড 
২০২/৭ (২০ ওভার)
ব
 ইতালি
১৭৮ (২০ ওভার)
ইংল্যান্ড ২৪ রানে জয়ী
ইডেন গার্ডেন্স, কলকাতা
আম্পায়ার: ক্রিস ব্রাউন (নিউজিল্যান্ড) এবং ডোনোভান কখ (অস্ট্রেলিয়া)
ম্যাচ সেরা খেলোয়াড়: উইল জ্যাকস (ইংল্যান্ড)
  • ইংল্যান্ড টসে জিতে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • টি২০আইতে ইতালি এবং ইংল্যান্ড প্রথমবারের জন্য মুখোমুখি হয়েছিল।
  • ইংল্যান্ড সুপার ৮-এ উত্তীর্ণ হয়েছিল এবং ইতালি ও স্কটল্যান্ড বিদায় নিয়েছিল।

ম্যাচ ৩৩
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-17)
১৯:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (রাত)
স্কোরকার্ড
স্কটল্যান্ড 
১৭০/৭ (২০ ওভার)
ব
   নেপাল
১৭১/৩ (১৯.২ ওভার)
মাইকেল জোনস ৭১ (৪৫)
সোমপাল কামি ৩/২৫ (৪ ওভার)
  • নেপাল টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • এটি গত ১২ বছরের টি২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে নেপালের প্রথম জয়লাভ ছিল।[৭১]

ম্যাচ ৩৭
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-19)
১১:০০ ইউটিসি+৫:৩০
স্কোরকার্ড
ওয়েস্ট ইন্ডিজ 
১৬৫/৬ (২০ ওভার)
ব
 ইতালি
১২৩ (১৮ ওভার)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪২ রানে জয়ী
ইডেন গার্ডেন্স, কলকাতা
আম্পায়ার: আদ্রিয়ান হোল্ডস্টক (দক্ষিণ আফ্রিকা) এবং ল্যাংটন রুসেরে (জিম্বাবুয়ে)
ম্যাচ সেরা খেলোয়াড়: শাই হোপ (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)
  • ইতালি টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • জেসন হোল্ডার (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) তার ৩০০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেন।[৭২]

গ্রুপ ডি

[সম্পাদনা]
অব দল খেলা জ হা ফহ পয়েন্ট নে.রা.রে. যোগ্যতা অর্জন
১  দক্ষিণ আফ্রিকা ৪ ৪ ০ ০ ৮ +১.৯৪৩ সুপার ৮
২  নিউজিল্যান্ড ৪ ৩ ১ ০ ৬ +১.২২৭
৩  আফগানিস্তান ৪ ২ ২ ০ ৪ +০.৮৮৯
৪  সংযুক্ত আরব আমিরাত ৪ ১ ৩ ০ ২ −১.৩৬৪
৫  কানাডা ৪ ০ ৪ ০ ০ −২.৪২৬
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো
শ্রেণীবিভাগের নিয়মাবলী: গ্রুপ পর্বের টাইব্রেকার
ম্যাচ ৪
৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-08)
১১:০০ ইউটিসি+৫:৩০
স্কোরকার্ড
আফগানিস্তান 
১৮২/৬ (২০ ওভার)
ব
 নিউজিল্যান্ড
১৮৩/৫ (১৭.৫ ওভার)
টিম সিফার্ট ৬৫ (৪২)
মুজিব উর রহমান ২/৩১ (৪ ওভার)
  • আফগানিস্তান টসে জিতে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • গুলবাদিন নাইব (আফগানিস্তান) টি২০আইতে ১০০০ রান পূর্ণ করেন।
  • টিম সিফার্ট (নিউজিল্যান্ড) টি২০আইতে ২০০০ রান পূর্ণ করেন।
  • টি২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটিই নিউজিল্যান্ডের সর্বোচ্চ সফল রান তাড়া।[৭৩]

ম্যাচ ৯
৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-09)
১৯:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (রাত)
স্কোরকার্ড
দক্ষিণ আফ্রিকা 
২১৩/৪ (২০ ওভার)
ব
 কানাডা
১৫৬/৮ (২০ ওভার)
  • কানাডা টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • দক্ষিণ আফ্রিকা এবং কানাডা প্রথমবারের জন্য টি২০আইতে মুখোমুখি হয়েছিল।[৭৪]

ম্যাচ ১১
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-10)
১৫:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
সংযুক্ত আরব আমিরাত 
১৭৩/৬ (২০ ওভার)
ব
 নিউজিল্যান্ড
১৭৫/০ (১৫.২ ওভার)
নিউজিল্যান্ড ১০ উইকেটে জয়ী
এম. এ. চিদম্বরম স্টেডিয়াম, চেন্নাই
আম্পায়ার: পল রেইফেল (অস্ট্রেলিয়া) এবং রোল্যান্ড ব্ল্যাক (আয়ারল্যান্ড)
ম্যাচ সেরা খেলোয়াড়: টিম সিফার্ট (নিউজিল্যান্ড)
  • সংযুক্ত আরব আমিরাত টসে জিতে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • কোনো টি২০ বিশ্বকাপে কোনো উইকেটের মধ্যে মুহাম্মদ ওয়াসিম এবং আলিশান শারাফুর মধ্যেকার ১০২ রানের পার্টনারশিপ সংযুক্ত আরব আমিরাতের জন্য রেকর্ড।
  • এটি টি২০ বিশ্বকাপের সংযুক্ত আরব আমিরাতের সর্বোচ্চ সমষ্টিগত রান (১৭৩)।
  • টিম সিফার্ট এবং ফিন অ্যালেন (নিউজিল্যান্ড) উভয়েই ১০০টি ছক্কা মারার রেকর্ড করেন।
  • কোনো টি২০ বিশ্বকাপে কোনো উইকেটের মধ্যে টিম সিফার্ট এবং ফিন অ্যালেনের মধ্যেকার ১৭৫ রানের পার্টনারশিপ নিউজিল্যান্ডের জন্য রেকর্ড। তারা প্রথম উইকেটে জস বাটলার ও অ্যালেক্স হেলস কর্তৃক করা পার্টনারশিপের পূর্ববর্তী রেকর্ড ভেঙেছিলেন।
  • এটি নিউজিল্যান্ড চতুর্থ ১০ উইকেটে জয়লাভ এবং টি২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে উইকেটের মার্জিনে সপ্তম সবচেয়ে বড় জয়।

ম্যাচ ১৩
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-11)
১১:০০ ইউটিসি+৫:৩০
স্কোরকার্ড
দক্ষিণ আফ্রিকা 
১৮৭/৬ (২০ ওভার)
ব
 আফগানিস্তান
১৮৭ (১৯.৪ ওভার)
  • আফগানিস্তান টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • ১ম সুপার ওভার: আফগানিস্তান ১৭/০, দক্ষিণ আফ্রিকা ১৭/১।
  • ২য় সুপার ওভার: দক্ষিণ আফ্রিকা ২৩/০, আফগানিস্তান ১৯/২।[৭৫]

ম্যাচ ২০
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-13)
১৫:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
কানাডা 
১৫০/৭ (২০ ওভার)
ব
 সংযুক্ত আরব আমিরাত
১৫১/৫ (১৯.৪ ওভার)
আর্যাংশ শর্মা ৭৪* (৫৩)
সাদ বিন জাফর ৩/১৪ (৪ ওভার)
সংযুক্ত আরব আমিরাত ৫ উইকেটে জয়ী
অরুণ জেটলি ক্রিকেট স্টেডিয়াম, নয়াদিল্লি
আম্পায়ার: আদ্রিয়ান হোল্ডস্টক (দক্ষিণ আফ্রিকা) এবং গাজী সোহেল (বাংলাদেশ)
ম্যাচ সেরা খেলোয়াড়: জুনায়েদ সিদ্দিক (সংযুক্ত আরব প্রজাতন্ত্র)
  • কানাডা টসে জিতে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • জুনায়েদ সিদ্দিক (সংযুক্ত আরব আমিরাত) প্রথমবার টি২০আইতে এক ইনিংসে পাঁচ-উইকেট লাভ করেন এবং টি২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে ১৪তম বোলার হিসেবে এটি করেছিলেন।[৭৬]

ম্যাচ ২৪
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-14)
১৯:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (রাত)
স্কোরকার্ড
নিউজিল্যান্ড 
১৭৫/৭ (২০ ওভার)
ব
 দক্ষিণ আফ্রিকা
১৭৮/৩ (১৭.১ ওভার)
দক্ষিণ আফ্রিকা ৭ উইকেটে জয়ী
নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম, আহমেদাবাদ
আম্পায়ার: রোল্যান্ড ব্ল্যাক (আয়ারল্যান্ড) এবং পল রেইফেল (অস্ট্রেলিয়া)
ম্যাচ সেরা খেলোয়াড়: মার্কো ইয়ানসেন (দক্ষিণ আফ্রিকা)
  • দক্ষিণ আফ্রিকা টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • কুইন্টন ডি কক (দক্ষিণ আফ্রিকা) টি২০আইতে ৩০০০ রান পূর্ণ করেন।
  • এইডেন মার্করাম দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে দ্রুততম অর্ধশতরানের রেকর্ড করেন (১৯ বলে) এবং রোহিত শর্মা ও দাসুন শানাকার পর তৃতীয় অধিনায়ক হিসেবে টি২০ বিশ্বকাপে দ্রুততম অর্ধশতরান করেন।[৭৭]

ম্যাচ ২৮
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-16)
১১:০০ ইউটিসি+৫:৩০
স্কোরকার্ড
সংযুক্ত আরব আমিরাত 
১৬০/৯ (২০ ওভার)
ব
 আফগানিস্তান
১৬২/৫ (১৯.২ ওভার)
  • আফগানিস্তান টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • রশীদ খান বিশ্বের প্রথম বোলার হিসেবে টি২০আইতে ৭০০ উইকেট লাভ করেন।[৭৮]
  • দক্ষিণ আফ্রিকা সুপার ৮-এ উত্তীর্ণ হয়েছিল।[৭৯]

ম্যাচ ৩১
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-17)
১১:০০ ইউটিসি+৫:৩০
স্কোরকার্ড
কানাডা 
১৭৩/৪ (২০ ওভার)
ব
 নিউজিল্যান্ড
১৭৬/২ (১৫.১ ওভার)
যুবরাজ সামরা ১১০ (৬৫)
জেকব ডাফি ১/২৫ (৪ ওভার)
  • কানাডা টসে জিতে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • টি২০আইতে নিউজিল্যান্ড ও কানাডা প্রথমবারের জন্য মুখোমুখি হয়েছিল।[৮০]
  • যুবরাজ সামরা এবং দিলপ্রীত বাজওয়ার মধ্যেকার ১১৬ রানের পার্টনারশিপ টি২০ বিশ্বকাপে কানাডার ইতিহাসে যেকোনো উইকেটে সর্বোচ্চ।[৮১]
  • যুবরাজ সামরা টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম কোনো কানাডীয় এবং প্রথম কোনো অ্যাসোসিয়েট দলের ব্যাটার হিসেবে শতরান করেন।[৮২][৮৩] এছাড়াও তিনি টি২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে তরুণতম শতরান সংগ্রাহক এবং এই আসরের দ্বিতীয় শতরানের অধিকারী।[৮৪][৮৫]
  • নিউজিল্যান্ড সুপার ৮-এ উত্তীর্ণ হয়েছিল এবং আফগানিস্তান, কানাডা ও সংযুক্ত আরব আমিরাত বিদায় নিয়েছিল।[৮৬][৮৭][৮৮]

ম্যাচ ৩৪
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-18)
১১:০০ ইউটিসি+৫:৩০
স্কোরকার্ড
সংযুক্ত আরব আমিরাত 
১২২/৬ (২০ ওভার)
ব
 দক্ষিণ আফ্রিকা
১২৩/৪ (১৩.২ ওভার)
আলিশান শারাফু ৪৫ (৩৮)
করবিন বশ ৩/১২ (৪ ওভার)
দক্ষিণ আফ্রিকা ৬ উইকেটে জয়ী
অরুণ জেটলি ক্রিকেট স্টেডিয়াম, নয়াদিল্লি
আম্পায়ার: লেসলি রীফার (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) এবং রড টাকার (অস্ট্রেলিয়া)
ম্যাচ সেরা খেলোয়াড়: করবিন বশ (দক্ষিণ আফ্রিকা)
  • দক্ষিণ আফ্রিকা টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।

ম্যাচ ৩৯
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-19)
১৯:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (রাত)
স্কোরকার্ড
আফগানিস্তান 
২০০/৪ (২০ ওভার)
ব
 কানাডা
১১৮/৮ (২০ ওভার)
ইব্রাহীম জাদরান ৯৫* (৫৬)
জসকরন সিং ৩/৫২ (৪ ওভার)
হর্ষ ঠাকের ৩০ (২৪)
মোহাম্মদ নবী ৪/৭ (৪ ওভার)
  • কানাডা টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।

সুপার ৮

[সম্পাদনা]

গ্রুপ পর্ব শেষে প্রতি গ্রুপের শীর্ষ ২টি দলকে সুপার এইট পর্বে ৪টি করে মোট ৪টি দলের ২টি গ্রুপে রাখা হয়েছিল। এটি একক রাউন্ড-রবিন হিসাবে খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুটি দল নকআউট পর্বে অগ্রসর হয়েছিল। গ্রুপ পর্ব থেকে সুপার এইটে কোনও পয়েন্ট নিয়ে যাওয়া হয়নি।

টুর্নামেন্টের আগে, আইসিসি সুপার এইট পর্বের জন্য ৮টি সিডপ্রাপ্ত দল ঘোষণা করেছিল — গ্রুপ ১-এর জন্য অস্ট্রেলিয়া, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং গ্রুপ ২-এর পাকিস্তান, ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা ও নিউজিল্যান্ড। যদি তারা গ্রুপ পর্ব থেকে অগ্রসর হয়, তবে তাদের পূর্বনির্ধারিত অবস্থানে রাখা হয়েছিল, তারা তাদের গ্রুপে প্রথম বা দ্বিতীয় স্থান অর্জন করুক না কেন। যদি একটি অসিডপ্রাপ্ত দল একটি সিডপ্রাপ্ত দলের ব্যয়ে যোগ্যতা অর্জন করে, তবে তারা সংশ্লিষ্ট সিডপ্রাপ্ত সরাসরি সুপার ৮ গ্রুপে উক্ত দলের অবস্থান নেবে যা গ্রুপ থেকে যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছিল।[৮৯]

প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুটি দল সেমি-ফাইনালে উত্তীর্ণ হয়েছিল।

উত্তীর্ণ হওয়ার মাধ্যম সুপার ৮
গ্রুপ ১ গ্রুপ ২
গ্রুপ পর্ব থেকে উত্তীর্ণ
(সেরা ৮টি দল)
 ভারত  পাকিস্তান
 জিম্বাবুয়ে[ক]  শ্রীলঙ্কা
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ  ইংল্যান্ড
 দক্ষিণ আফ্রিকা  নিউজিল্যান্ড
  1. ↑ অস্ট্রেলিয়া অনুত্তীর্ণ হওয়ার জন্য জিম্বাবুয়ে অস্ট্রেলিয়ার জন্য বরাদ্দ সিড (বি২) দখল করেছিল।

গ্রুপ ১

[সম্পাদনা]
অব দল খেলা জ হা ফহ পয়েন্ট নে.রা.রে. যোগ্যতা অর্জন
১  দক্ষিণ আফ্রিকা ৩ ৩ ০ ০ ৬ +২.২৫৯ সেমি-ফাইনাল
২  ভারত (H) ৩ ২ ১ ০ ৪ +০.১০৬
৩  ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩ ১ ২ ০ ২ +০.৯৯৩
৪  জিম্বাবুয়ে ৩ ০ ৩ ০ ০ −৩.৪১৫
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো
শ্রেণীবিভাগের নিয়মাবলী: গ্রুপ পর্বের টাইব্রেকার[৩৩]
(H) স্বাগতিক।

ম্যাচ ৪৩
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-22)
১৯:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (রাত)
স্কোরকার্ড
দক্ষিণ আফ্রিকা 
১৮৭/৭ (২০ ওভার)
ব
 ভারত
১১১ (১৮.৫ ওভার)
শিবম দুবে ৪২ (৩৭)
মার্কো ইয়ানসেন ৪/২২ (৩.৫ ওভার)
দক্ষিণ আফ্রিকা ৭৬ রানে জয়ী
নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম, আহমেদাবাদ
আম্পায়ার: ক্রিস গফানি (নিউজিল্যান্ড) এবং রিচার্ড কেটেলবরা (ইংল্যান্ড)
ম্যাচ সেরা খেলোয়াড়: ডেভিড মিলার (দক্ষিণ আফ্রিকা)
  • দক্ষিণ আফ্রিকা টসে জিতে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • দক্ষিণ আফ্রিকা টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের টানা ১২টি ম্যাচ জয়ের রেকর্ড ভেঙেছিল।[৯০]
  • এটি টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের সবচেয়ে বড় রানের ব্যবধানে পরাজয় ছিল।[৯১]
  • ২০২৩ ক্রিকেট বিশ্বকাপ ফাইনাল হারের পর কোনো আইসিসি প্রতিযোগিতায় এটিই ভারতের প্রথম পরাজয় ছিল।

ম্যাচ ৪৪
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-23)
১৯:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (রাত)
Scorecard
ওয়েস্ট ইন্ডিজ 
২৫৪/৬ (২০ ওভার)
ব
 জিম্বাবুয়ে
১৪৭ (১৭.৪ ওভার)
  • জিম্বাবুয়ে টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • শিমরন হেটমায়ার ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে টি২০আইতে দ্রুততম অর্ধশতরানের রেকর্ড করেন (১৯ বলে)।[৯২]
  • ওয়েস্ট ইন্ডিজের ২৫৪ রানের ইনিংস টি২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সমষ্টিগত রান ছিল।[৯৩]
  • ব্র্যাড ইভান্স ও রিচার্ড নগারাভা (জিম্বাবুয়ে) টি২০ বিশ্বকাপে দশম উইকেটে সর্বোচ্চ পার্টনারশিপের রেকর্ড গড়েন।[৯৪]

ম্যাচ ৪৭
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-26)
১৫:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ওয়েস্ট ইন্ডিজ 
১৭৬/৮ (২০ ওভার)
ব
 দক্ষিণ আফ্রিকা
১৭৭/১ (১৬.১ ওভার)
এইডেন মার্করাম ৮২* (৪৬)
রস্টন চেস ১/৪৬ (৪ ওভার)
দক্ষিণ আফ্রিকা ৯ উইকেটে জয়ী
নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম, আহমেদাবাদ
আম্পায়ার: কুমার ধর্মসেনা (শ্রীলঙ্কা) এবং শরফুদ্দৌলা (বাংলাদেশ)
ম্যাচ সেরা খেলোয়াড়: এইডেন মার্করাম (দক্ষিণ আফ্রিকা)
  • দক্ষিণ আফ্রিকা টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • জেসন হোল্ডার এবং রোমারিও শেফার্ড (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) টি২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে ৮ম উইকেটের জন্য সর্বোচ্চ পার্টনারশিপের রেকর্ড গড়েন।

ম্যাচ ৪৮
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-26)
১৯:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (রাত)
স্কোরকার্ড
ভারত 
২৫৬/৪ (২০ ওভার)
ব
 জিম্বাবুয়ে
১৮৪/৬ (২০ ওভার)
  • জিম্বাবুয়ে টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • সূর্যকুমার যাদব (ভারত) আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৪০০০ রান পূর্ণ করেন।[৯৫]
  • এটি টি২০ বিশ্বকাপের ইতিহাস দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এবং ভারতের সর্বোচ্চ সমষ্টিগত রান।[৯৬]
  • দক্ষিণ আফ্রিকা সেমি-ফাইনালে উত্তীর্ণ হয়েছিল, জিম্বাবুয়ে বিদায় নিয়েছিল।[৯৭]

ম্যাচ ৫১
১ মার্চ ২০২৬ (2026-03-01)
১৫:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (দিন/রাত)
Scorecard
জিম্বাবুয়ে 
১৫৩/৭ (২০ ওভার)
ব
 দক্ষিণ আফ্রিকা
১৫৪/৫ (১৭.৫ ওভার)
  • জিম্বাবুয়ে টসে জিতে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • লুঙ্গি এনগিডি টি২০আইতে ৯০তম উইকেট লাভ করে টি২০আইতে দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বোচ্চ উইকেট লাভকারী হন।

ম্যাচ ৫২
১ মার্চ ২০২৬ (2026-03-01)
১৯:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (রাত)
স্কোরকার্ড
ওয়েস্ট ইন্ডিজ 
১৯৫/৪ (২০ ওভার)
ব
 ভারত
১৯৯/৫ (১৯.২ ওভার)
রস্টন চেজ ৪০ (২৫)
যশপ্রীত বুমরাহ ২/৩৬ (৪ ওভার)
  • ভারত টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • ভারত টানা তৃতীয়বারের জন্য এবং মোট ষষ্ঠবারের জন্য টি২০ বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে উত্তীর্ণ হয়েছিল এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিদায় নিয়েছিল।[৯৮]
  • টি২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটিই ভারতের সর্বোচ্চ সফল রান তাড়া।[৯৯]
  • সঞ্জু স্যামসন টি২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে ভারতের হয়ে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ রান করেন।[১০০]

গ্রুপ ২

[সম্পাদনা]
অব দল খেলা জ হা ফহ পয়েন্ট নে.রা.রে. যোগ্যতা অর্জন
১  ইংল্যান্ড ৩ ৩ ০ ০ ৬ +১.০৯৬ সেমি-ফাইনাল
২  নিউজিল্যান্ড ৩ ১ ১ ১ ৩ +১.৩৯০
৩  পাকিস্তান ৩ ১ ১ ১ ৩ −০.১২৩
৪  শ্রীলঙ্কা (H) ৩ ০ ৩ ০ ০ −১.৯৫০
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো
শ্রেণীবিভাগের নিয়মাবলী: গ্রুপ পর্বের টাইব্রেকার[৩৩]
(H) স্বাগতিক।

ম্যাচ ৪১
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-21)
১৯:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (রাত)
স্কোরকার্ড
ব
ফলাফল হয়নি
আর. প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম, কলম্বো
আম্পায়ার: পল রেইফেল (অস্ট্রেলিয়া) এবং রড টাকার (অস্ট্রেলিয়া)
  • পাকিস্তান টসে জিতে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • বৃষ্টির জন্য খেলা হয়নি।[১০১]
  • এটি পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে ৫০তম টি২০আই ম্যাচ ছিল।[১০২]
  • এটি ড্যারিল মিচেলের (নিউজিল্যান্ড) শততম টি২০আই ম্যাচ ছিল।[১০৩]

ম্যাচ ৪২
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-22)
১৫:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ইংল্যান্ড 
১৪৬/৯ (২০ ওভার)
ব
 শ্রীলঙ্কা
৯৫ (১৬.৪ ওভার)
ফিল সল্ট ৬২ (৪০)
দুনিথ ভেল্লালাগে ৩/২৬ (৪ ওভার)
দাসুন শানাকা ৩০ (২৪)
উইল জ্যাকস ৩/২২ (৪ ওভার)
  • শ্রীলঙ্কা টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।

ম্যাচ ৪৫
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-24)
১৯:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (রাত)
স্কোরকার্ড
পাকিস্তান 
১৬৪/৯ (২০ ওভার)
ব
 ইংল্যান্ড
১৬৬/৮ (১৯.১ ওভার)
হ্যারি ব্রুক ১০০ (৫১)
শাহীন আফ্রিদি ৪/৩০ (৪ ওভার)
  • পাকিস্তান টসে জিতে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • শাদাব খান (পাকিস্তান) টি২০আইতে ১০০০ রান পূর্ণ করেন।[১০৪]
  • হ্যারি ব্রুক (ইংল্যান্ড) টি২০আইতে প্রথম শতরান করেন। তিনি টি২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে শতরান করা প্রথম অধিনায়ক।[১০৫]
  • ইংল্যান্ড সেমি-ফাইনালে উত্তীর্ণ হয়েছিল।[১০৬]

ম্যাচ ৪৬
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-25)
১৯:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (রাত)
স্কোরকার্ড
নিউজিল্যান্ড 
১৬৮/৭ (২০ ওভার)
ব
 শ্রীলঙ্কা
১০৭/৮ (২০ ওভার)
নিউজিল্যান্ড ৬১ রানে জয়ী
আর. প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম, কলম্বো
আম্পায়ার: আল্লাহুদ্দিন পালেকর (দক্ষিণ আফ্রিকা) এবং আসিফ ইয়াকুব (পাকিস্তান)
ম্যাচ সেরা খেলোয়াড়: রচিন রবীন্দ্র (নিউজিল্যান্ড)
  • শ্রীলঙ্কা টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • মিচেল স্যান্টনার (নিউজিল্যান্ড) টি২০আইতে ১০০০ রান পূর্ণ করেন। তিনি নিউজিল্যান্ডের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে টি২০আইতে ১০০০ রান ও ১০০ উইকেটের মালিক হন।[১০৭]
  • শ্রীলঙ্কা প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নিয়েছিল।[১০৮]

ম্যাচ ৪৯
২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-27)
১৯:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (রাত)
স্কোরকার্ড
নিউজিল্যান্ড 
১৫৯/৭ (২০ ওভার)
ব
 ইংল্যান্ড
১৬১/৬ (১৯.৩ ওভার)
গ্লেন ফিলিপস ৩৯ (২৮)
উইল জ্যাকস ২/২৩ (৪ ওভার)
টম ব্যান্টন ৩৩ (২৪)
রচিন রবীন্দ্র ৩/১৯ (৪ ওভার)

ম্যাচ ৫০
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (2026-02-28)
১৯:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (রাত)
স্কোরকার্ড
পাকিস্তান 
২১২/৮ (২০ ওভার)
ব
 শ্রীলঙ্কা
২০৭/৬ (২০ ওভার)
দাসুন শানাকা ৭৬* (৩১)
আবরার আহমেদ ৩/২৩ (৪ ওভার)
  • শ্রীলঙ্কা টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • শাহিবজাদা ফারহান (পাকিস্তান) ভারতের বিরাট কোহলির একটি টি২০ বিশ্বকাপ আসরে করা সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের রেকর্ড ভাঙেন (৩৮৩ রান)।[১১০]
  • শাহিবজাদা ফারহান এবং ফখর জামানের ১৭৬ রানের পার্টনারশিপ টি২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে পাকিস্তানের জন্য যেকোনো উইকেটে সর্বোচ্চ।[১১১]
  • শাহিবজাদা ফারহান (পাকিস্তান) একক বিশ্বকাপ আসরে দুটি শতরান করা প্রথম ব্যাটার হয়েছিলেন।[১১২]
  • আবরার আহমেদ (পাকিস্তান) টি২০আইতে ৫০তম উইকেট লাভ করেন।
  • দাসুন শানাকা টি২০আইতে প্রথম শ্রীলঙ্কান হিসেবে ১০০টি ছক্কা মারেন।
  • পাকিস্তান বিদায় নিয়েছিল এবং নিউজিল্যান্ড সেমি-ফাইনালে উত্তীর্ণ হয়েছিল।[১১৩]

নক-আউট পর্ব

[সম্পাদনা]

প্রাককথন

[সম্পাদনা]

নকআউট পর্বে ৪ ও ৫ মার্চ দুটি সেমিফাইনাল এবং ৮ মার্চ ফাইনাল খেলা হয়েছিল।[৪] সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল উভয়ের জন্য যথাক্রমে ৫, ৬ এবং ৯ মার্চ একটি রিজার্ভ ডে থাকবে। যদি রিজার্ভ ডে খেলা হয়, তাহলে ম্যাচটি পুনরায় শুরু করা হবে না বরং আগের দিনের খেলা থেকে পুনরায় শুরু করা হবে।[৩৩] নির্ধারিত দিনে বা রিজার্ভ ডেতে কোন খেলা না হলে, সেমিফাইনালে, গ্রুপ পর্বে যে দলটি বেশি ভাল খেলেছে তারা ফাইনালে উঠবে এবং ফাইনালে কোন খেলা সম্ভব না হলে, ট্রফি ভাগাভাগি করা হবে। যদি কোন ম্যাচ টাই হয়, তাহলে বিজয়ী নির্ধারণের জন্য একটি সুপার ওভার ব্যবহার করা হবে। যদি সুপার ওভারের স্কোরও টাই হয়, তাহলে পরবর্তী সুপার ওভারগুলি খেলা হবে যতক্ষণ না বিজয়ী দল খুঁজে পাওয়া যায়।[৩৩] প্রথম সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল যথাক্রমে কলকাতার ইডেন গার্ডেন এবং আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, তবে যদি খেলাটি পাকিস্তানের সাথে হত তবে দুটিই কলম্বোর আর. প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে স্থানান্তরিত হত। দ্বিতীয় সেমিফাইনালটি মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।[১১৪] আইসিসি আরও ঘোষণা করেছে যে যদি ভারত নকআউটের জন্য যোগ্যতা অর্জন করে তবে তারা সেমিফাইনাল ২-এ খেলবে এবং যদি শ্রীলঙ্কা যোগ্যতা অর্জন করত এবং পাকিস্তান যোগ্যতা অর্জন না করত তবে তারা কলম্বোতে সেমিফাইনাল ১-এ খেলত।[৩৩]

বন্ধনী

[সম্পাদনা]
  সেমি-ফাইনাল[১১৫] ফাইনাল
                 
  দক্ষিণ আফ্রিকা ১৬৯/৮ (২০)  
  নিউজিল্যান্ড ১৭৩/১ (১২.৫)  
    সেফা১   নিউজিল্যান্ড ১৫৯ (১৯)
  সেফা২   ভারত ২৫৫/৫ (২০)
  ভারত ২৫৩/৭ (২০)
  ইংল্যান্ড ২৪৬/৭ (২০)  

সেমি-ফাইনাল

[সম্পাদনা]
সেমি ফাইনাল ১
৪ মার্চ ২০২৬ (2026-03-04)
১৯:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (রাত)
স্কোরকার্ড
দক্ষিণ আফ্রিকা 
১৬৯/৮ (২০ ওভার)
ব
 নিউজিল্যান্ড
১৭৩/১ (১২.৫ ওভার)
ফিন অ্যালেন ১০০* (৩৩)
কাগিসো রাবাদা ১/২৮ (৩ ওভার)
নিউজিল্যান্ড ৯ উইকেটে জয়ী
ইডেন গার্ডেন্স, কলকাতা
আম্পায়ার: রিচার্ড ইলিংওয়ার্থ (ইংল্যান্ড) এবং অ্যালেক্স হোয়ার্ফ (ইংল্যান্ড)
ম্যাচ সেরা খেলোয়াড়: ফিন অ্যালেন (নিউজিল্যান্ড)
  • নিউজিল্যান্ড টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • ফিন অ্যালেন গ্লেন ফিলিপসের নিউজিল্যান্ডের হয়ে টি২০ বিশ্বকাপে দ্রুততম অর্ধশতরানের রেকর্ড ভাঙেন।[১১৬]
  • ফিন অ্যালেন (নিউজিল্যান্ড) টি২০ বিশ্বকাপে দ্রুততম শতরানের রেকর্ড করেন। এছাড়াও এটি ছিল টি২০ বিশ্বকাপের কোনো নক-আউট ম্যাচে প্রথম শতরান।[১১৭]

সেমি ফাইনাল ২
৫ মার্চ ২০২৬ (2026-03-05)
১৯:০০ ইউটিসি+৫:৩০ (রাত)
স্কোরকার্ড
ভারত 
২৫৩/৭ (২০ ওভার)
ব
 ইংল্যান্ড
২৪৬/৭ (২০ ওভার)
সঞ্জু স্যামসন ৮৯ (৪২)
উইল জ্যাকস ২/৪০ (৪ ওভার)
জেকব বেথেল ১০৫ (৪৮)
হার্দিক পাণ্ড্য ২/৩৮ (৪ ওভার)
  • ইংল্যান্ড টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয়।
  • এটি ভারতের কোনো আইসিসি সীমিত ওভারের প্রতিযোগিতার বিংশতম নক-আউট অংশগ্রহণ ছিল; যা সব দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ।[১১৮]
  • এটি টি২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে টানা তৃতীয়বারের জন্য ভারত-ইংল্যান্ড সেমি-ফাইনাল ম্যাচ ছিল।[১১৯]
  • সূর্যকুমার যাদব (ভারত) ১৫০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
  • টি২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে ভারতের ২৫৩ রানের ইনিংস নক-আউটে সর্বোচ্চ সমষ্টিগত রান।[১২০]
  • জেকব বেথেল (ইংল্যান্ড) প্রথম টি২০আই শতরান করেন। এছাড়াও তার ইনিংসটি ছিল টি২০ বিশ্বকাপের নক-আউটের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রান।[১২১][১২২]
  • এই ম্যাচে মোট ৪৯৯ রান হয়েছিল, যা টি২০ আন্তর্জাতিকের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।[১২৩]
  • ভারত প্রথম দেশ হিসেবে টানা দ্বিতীয়বারের জন্য এবং মোট চতুর্থবারের জন্য টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে উত্তীর্ণ হয়েছিল।[১২৪]

ফাইনাল

[সম্পাদনা]

পরিসংখ্যান

[সম্পাদনা]

ব্যাটিং

[সম্পাদনা]

মোট রান সংগ্রহ

[সম্পাদনা]
মোট রান সংগ্রহ[১২৫]
রান খেলোয়াড় দল
৩৮৩ শাহিবজাদা ফারহান পাকিস্তান
৩২৬ টিম সিফার্ট নিউজিল্যান্ড
৩২১ সঞ্জু স্যামসন ভারত
৩১৭ ঈশান কিষাণ ভারত
২৯৮ ফিন অ্যালেন নিউজিল্যান্ড

শতরান

[সম্পাদনা]
ক্রম খেলোয়াড় দল প্রতিপক্ষ রান (বল) তারিখ তথ্যসূত্র
১ পাথুম নিসাঙ্কাশ্রীলঙ্কাঅস্ট্রেলিয়া১০০* (৫২) ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ [৫৭]
২ যুবরাজ সামরাকানাডানিউজিল্যান্ড১১০ (৬৫) ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ [৮৪]
৩ শাহিবজাদা ফারহানপাকিস্তাননামিবিয়া১০০* (৫৮) ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ [৪৫]
৪ হ্যারি ব্রুকইংল্যান্ডপাকিস্তান১০০ (৫১) ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ [১০৫]
৫ শাহিবজাদা ফারহানপাকিস্তানশ্রীলঙ্কা১০০ (৬০) ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ [১১২]
৬ ফিন অ্যালেননিউজিল্যান্ডদক্ষিণ আফ্রিকা১০০* (৩৩) ৪ মার্চ ২০২৬ [১১৭]
৭ জেকব বেথেলইংল্যান্ডভারত১০৫ (৪৮) ৫ মার্চ ২০২৬ [১২২]

সর্বাধিক ছয়

[সম্পাদনা]
ক্রম খেলোয়াড় দল ছয় সংখ্যা
১ সঞ্জু স্যামসন  ভারত ২৪
২ ফিন অ্যালেন  নিউজিল্যান্ড ২০
৩ শিমরন হেটমায়ার  ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৯
৪ ঈশান কিষাণ  ভারত ১৮
শাহিবজাদা ফারহান  পাকিস্তান ১৮

উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো

বোলিং

[সম্পাদনা]

মোট উইকেট লাভ

[সম্পাদনা]
মোট উইকেট লাভ[১২৬]
উইকেট খেলোয়াড় দল
১৪ যশপ্রীত বুমরাহ ভারত
বরুণ চক্রবর্তী ভারত
১৩ শ্যাডলে ভন শাল্কুইক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ব্লেসিং মুজারাবানি জিম্বাবুয়ে
আদিল রশীদ ইংল্যান্ড

হ্যাটট্রিক

[সম্পাদনা]
ক্রম খেলোয়াড় দল প্রতিপক্ষ বোলিং বিশ্লেষণ তারিখ তথ্যসূত্র
১ রোমারিও শেফার্ড ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ স্কটল্যান্ড ৪-০-২০-৫ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ [৬২]

প্রতিযোগিতার সেরা একাদশ

[সম্পাদনা]

৯ মার্চ ২০২৬-এ, আইসিসি প্রতিযোগিতার সেরা একাদশ ঘোষণা করেছিল:[১২৭]

খেলোয়াড় দল ভূমিকা
শাহিবজাদা ফারহান  পাকিস্তানব্যাটার
সঞ্জু স্যামসন  ভারতউইকেট-রক্ষক
ঈশান কিষাণ  ভারতব্যাটার
এইডেন মার্করাম  দক্ষিণ আফ্রিকাব্যাটার (অধিঃ)
হার্দিক পাণ্ড্য  ভারতঅল-রাউন্ডার
উইল জ্যাকস  ইংল্যান্ডঅল-রাউন্ডার
জেসন হোল্ডার  ওয়েস্ট ইন্ডিজঅল-রাউন্ডার
যশপ্রীত বুমরাহ  ভারতবোলার
লুঙ্গি এনগিডি  দক্ষিণ আফ্রিকাবোলার
আদিল রশীদ  ইংল্যান্ডবোলার
ব্লেসিং মুজারাবানি  জিম্বাবুয়েবোলার
শ্যাডলে ভন শাল্কুইক  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রদ্বাদশ খেলোয়াড়

বিতর্ক

[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের নাম প্রত্যাহার

[সম্পাদনা]

বাংলাদেশি ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানকে ২০২৬ সালের আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স ছেড়ে দেওয়ার পর, ৩ জানুয়ারী ২০২৬ তারিখে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নিরাপত্তার কারণে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচগুলি ভারত থেকে স্থানান্তর করার অনুরোধ করে।[১২৮][১২৯] আইসিসির কর্মকর্তারা বিসিবির সদস্যদের সাথে বৈঠক করে সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন।[১৩০] ৬ জানুয়ারী, ইএসপিএনক্রিকইনফো জানিয়েছে যে আইসিসি বিসিবির অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং যদি তারা খেলতে অস্বীকৃতি জানায় তবে বাংলাদেশ পয়েন্ট হারাবে।[১৩১] একদিন পরে, বিসিবি এটি অস্বীকার করে বলে, "আইসিসি [আমাদের] উদ্বেগগুলি সমাধানের জন্য বিসিবির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে"।[১৩২]

১১ জানুয়ারী, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড শ্রীলঙ্কার ভেন্যুগুলো টুর্নামেন্টের জন্য অনুপলব্ধ থাকলে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো পাকিস্তানে আয়োজনের জন্য তাদের আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানা গেছে।[১৩৩] পরের দিন, মিডিয়া রিপোর্ট করে যে তামিলনাড়ু ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন এবং কেরালা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন ভারতের ইডেন গার্ডেন্স এবং ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের পরিবর্তে যথাক্রমে এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়াম এবং গ্রিনফিল্ড আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ম্যাচগুলো আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছে।[১৩৪] ১২ জানুয়ারী, আইসিসি বাংলাদেশের নিরাপত্তা মূল্যায়ন প্রত্যাখ্যান করে, এই বলে যে "[দলের] জন্য কোনও সামগ্রিক হুমকি নেই" এবং "কিছু ভেন্যুতে [দলের] জন্য কম থেকে মাঝারি ঝুঁকি রয়েছে এবং অন্য ভেন্যুতে কম থেকে শূন্য"।[১৩৫] একদিন পরে, বিসিবি নিরাপত্তা উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারতের বাইরে স্থানান্তরের অনুরোধ পুনর্ব্যক্ত করে।[১৩৬] ১৭ জানুয়ারী, বিসিবি আয়ারল্যান্ডের সাথে (যারা শ্রীলঙ্কায় তাদের ম্যাচ খেলার কথা ছিল) দল পরিবর্তন করার অনুরোধ জানায়, যা আইসিসি প্রত্যাখ্যান করে।[১৩৭]

১৮ জানুয়ারী, আইসিসি ঘোষণা করে যে ২১ জানুয়ারী নির্ধারিত বোর্ড সভার পরে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।[১৩৮] ২১ জানুয়ারী সভার পর, আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচগুলি স্থানান্তর করতে অস্বীকৃতি জানায় এবং অংশগ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য বিসিবিকে এক দিনের সংশোধিত সময়সীমা প্রস্তাব করে।[১৩৯][১৪০] পরের দিন, বিসিবি ভারতে খেলার বিষয়ে তাদের অস্বীকৃতি পুনর্ব্যক্ত করে।[১৪১] ২৪ জানুয়ারী, আইসিসি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে যে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে দলে নেওয়া হবে, আইসিসি টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে পরবর্তী সর্বোচ্চ স্থান অধিকারী দল, যারা টুর্নামেন্টের জন্য যোগ্যতা অর্জন করেনি।[১৪২][১৪৩] ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে, পাকিস্তান সরকার ঘোষণা করে যে পাকিস্তান দল ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ভারতের বিরুদ্ধে তাদের নির্ধারিত গ্রুপ এ ম্যাচ বয়কট করবে। যদিও পিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসিকে এই সিদ্ধান্ত জানায়নি, তবে আইসিসির বাংলাদেশের ম্যাচগুলি ভারতের বাইরে স্থানান্তর করতে অস্বীকৃতি জানানোর প্রতিবাদে এটি নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে।[১৪৪][১৪৫]

৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ তারিখে জারি করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে, আইসিসি জানিয়েছে যে টুর্নামেন্ট থেকে প্রত্যাহারের বিষয়ে বিসিবির উপর কোনও আর্থিক, ক্রীড়া বা প্রশাসনিক জরিমানা আরোপ করা হবে না। এতে আরও বলা হয়েছে যে, বিদ্যমান আইসিসির নিয়ম অনুসারে বিসিবির আপিল করার অধিকার রয়েছে এবং বাংলাদেশকে ২০২৮-২০৩১ সালের ইভেন্ট চক্রে আইসিসির একটি ইভেন্টের আয়োজক অধিকার দেওয়া হবে।[১৪৬]

ভারত-পাকিস্তান জটিলতা

[সম্পাদনা]

পাকিস্তান সরকার তাদের ক্রিকেট দলকে ২০২৬ সালের আইসিসি পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের অনুমতি দিয়েছিল কিন্তু রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে এবং নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারত ভ্রমণে অস্বীকৃতি জানানোর পর বাংলাদেশের সাথে সংহতি প্রকাশ করে ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে না খেলার নির্দেশ দিয়েছিল। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) আনুষ্ঠানিকভাবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নীরব রয়েছে, অন্যদিকে অধিনায়ক সালমান আলী আগার নেতৃত্বে দলটি সরকারি নির্দেশাবলী অনুসরণ করছে এবং অন্যান্য গ্রুপ ম্যাচগুলিতে অংশগ্রহণের পরিকল্পনা করছে। কলম্বোতে ভারত-পাকিস্তান খেলা বয়কটের জন্য আইসিসি পাকিস্তানকে সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে সতর্ক করেছে।[১৪৭]

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দলের একজন ক্রিকেটার আলী খান ভারতীয় ভিসা না পাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন এবং অন্যান্য ক্রিকেট দলের পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত আরও বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারের ভারতীয় ভিসা পেতে সমস্যা হয়েছিল।[১৪৮]

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এর সাথে আলোচনার পর, আইসিসি জানিয়েছে যে তারা স্টেকহোল্ডারদের সাথে গঠনমূলক আলোচনায় অংশ নিয়েছে এবং পুনর্ব্যক্ত করেছে যে অংশগ্রহণের বিষয়ে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি শাস্তিমূলক ব্যবস্থার পরিবর্তে নিরপেক্ষতা এবং সুবিধার দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল।[১৪৯]

মার্কেটিং

[সম্পাদনা]

২০২৫ সালের নভেম্বরে, প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে টুর্নামেন্টের জন্য একজন অ্যাম্বাসেডর হিসেবে মনোনীত করা হয়েছিল।[১৫০] টুর্নামেন্টের অফিসিয়াল থিম সং, "ফিল দ্য থ্রিল", যা অনিরুদ্ধ রবিচন্দর দ্বারা প্রযোজিত এবং পরিবেশিত হয়েছিল এবং হাইজেনবার্গ এবং রকিব আলমের কথার সুরে, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত হয়েছিল।[১৫১][১৫২] ৫ ফেব্রুয়ারি মুম্বই এবং কলম্বোতে সমস্ত দলের অধিনায়ক এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্রভাবশালীদের নিয়ে একটি প্রচারমূলক অনুষ্ঠান, ক্যাপ্টেনস কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হয়েছিল।[১৫৩]

বহিঃস্থ ভিডিও
video icon "Feel the Thrill", ইউটিউব
video icon "Feel the Thrill (তামিল সিংহলী ভার্সন)", ইউটিউব

সম্প্রচার

[সম্পাদনা]
২০২৬ পুরুষ টি২০ বিশ্বকাপের সম্প্রচারকারী[১৫৪][১৫৫]
অঞ্চল দেশ/উপ-অঞ্চল টেলিভিশন সম্প্রচারক রেডিও
এশিয়া আফগানিস্তান লেমার—
বাংলাদেশ নাগরিক টিভি
টফি
—
ভারত স্টার স্পোর্টস
ডিজনি+ হটস্টার (শুধুমাত্র ভারতে)
অল ইন্ডিয়া রেডিও (এআইআর)
হংকং অ্যাস্ট্রো ক্রিকেট—
মালয়েশিয়া
পাকিস্তান পিটিভি হোম
পিটিভি জাতীয়
পিটিভি স্পোর্টস
টেন স্পোর্টস
হাম এফএম
সিঙ্গাপুর স্টারহাব—
ওমান ভক্স সিনেমা—
নেপাল কান্তিপুর টিভি—
শ্রীলঙ্কা শক্তি টিভি
সিরাসা টিভি
টিভি ১
আইটিএন
লাখন্দা এফএম
ইউরোপ নেদারল্যান্ডস এনওএস—
ইতালি স্কাই ইতালিয়া
আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্র স্কাই স্পোর্টস
যুক্তরাজ্য বিবিসি রেডিও[১৫৬]
আমেরিকা কানাডা উইলো—
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ ইএসপিএন ক্যারিবিয়ান
ওশেনিয়া অস্ট্রেলিয়াআমাজন প্রাইমএবিসি স্পোর্ট
নিউজিল্যান্ডস্কাই স্পোর্ট নিউজিল্যান্ড—
আফ্রিকা মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা এতিসালাত বাই ই& টক ১০০.৩ এফএম
বিগ ১০৬.২
আফ্রিকা ইউনিয়ন সুপারস্পোর্ট—
রেস্ট অফ ওয়ার্ল্ড আইসিসি ক্রিকেট আইসিসি.টিভি
(ফ্রি লাইভ স্ট্রিমিং)[১৫৭]
—

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. ↑ "T20 World Cup to return to Asia in 2026; India, Sri Lanka to jointly host 9th edition of the tournament"। TimesNow (ইংরেজি ভাষায়)। ১৭ আগস্ট ২০২২। ১৭ আগস্ট ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ অক্টোবর ২০২৩।
  2. ↑ "USA to stage T20 World Cup: 2024-2031 ICC Men's tournament hosts confirmed"। www.icc-cricket.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৮ অক্টোবর ২০২৩।
  3. ↑ "ICC announces major changes to World Cup schedule | cricket.com.au"। www.cricket.com.au (ইংরেজি ভাষায়)। ২ জুন ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ২৮ অক্টোবর ২০২৩।
  4. 1 2 "T20 World Cup 2026 schedule: India grouped with Pakistan, England with West Indies"। ESPNcricinfo। ২৫ নভেম্বর ২০২৫। ১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
  5. ↑ "Your guide to the ICC Men's T20 World Cup 2026: Key details" (ইংরেজি ভাষায়)। International Cricket Council। ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  6. ↑ "T20 World Cup 2026 FAQs: Groups, timings, venues and everything you want to know"। ESPNcricinfo। ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  7. ↑ "USA to stage T20 World Cup: 2024–2031 ICC Men's tournament hosts confirmed"। International Cricket Council। ১৬ নভেম্বর ২০২১। ৫ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
  8. ↑ "India to host 2026 T20 World Cup with Sri Lanka, 2031 ODI World Cup with Bangladesh"। Deccan Herald। ৮ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০২৪।
  9. ↑ "ICC Men's T20 World Cup 2026 schedule announced"। International Cricket Council। ২৫ নভেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২৭ নভেম্বর ২০২৫।
  10. ↑ "Sri Lanka, India to co-host ICC Men's T20 World Cup in 2026"। www.adaderana.lk (ইংরেজি ভাষায়)। ৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
  11. ↑ "Stop clock set to become a permanent fixture in white-ball internationals from T20 World Cup 2024"। International Cricket Council। সংগ্রহের তারিখ ১৫ মার্চ ২০২৪।
  12. ↑ "How does qualification for the 2026 T20 World Cup work?"। Wisden। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুন ২০২৪।
  13. ↑ "This former Australian Test star just led Italy to cricket World Cup for first time"। Sydney Morning Herald। সংগ্রহের তারিখ 12 July 2025। {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: |access-date= এর 9 নং অবস্থানে line feed character রয়েছে (সাহায্য); |access-date= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)
  14. ↑ "ভারতে না গেলে বাংলাদেশকে ছাড়াই হবে বিশ্বকাপ, আইসিসি বোর্ডসভায় সিদ্ধান্ত"। প্রথম আলো। ২১ জানুয়ারি ২০২৬। ১৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  15. ↑ "ভারতে না গেলে বাংলাদেশকে ছাড়াই হবে বিশ্বকাপ, আইসিসি বোর্ডসভায় সিদ্ধান্ত"। প্রথম আলো। ২১ জানুয়ারি ২০২৬। ১৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  16. ↑ "বাংলাদেশ না খেললে বিশ্বকাপ থেকে সরে যেতে পারে পাকিস্তানও"। প্রথম আলো। ১৮ জানুয়ারি ২০২৬,। সংগ্রহের তারিখ ১৯ এপ্রিল ২০২৬। {{সংবাদ উদ্ধৃতি}}: |তারিখ= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অতিরিক্ত বিরামচিহ্ন (লিঙ্ক)
  17. ↑ "Soctland replaced Bangladesh by ICC over security dispute"। mobilecrichd। ২৪ জানুয়ারি ২০২৬।
  18. ↑ "বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচার বন্ধ করতে বললেন আসিফ নজরুল"। প্রথম আলো। ১৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ এপ্রিল ২০২৬।
  19. ↑ "পাকিস্তানকে ভারতের বিপক্ষে খেলতে অনুরোধ জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল"। প্রথম আলো। ১৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ এপ্রিল ২০২৬।
  20. ↑ "What is the deadline to announce squad for T20 World Cup 2026?"। Inside Sport। ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫।
  21. ↑ "2026 Men's T20 World Cup gets underway in Colombo today"। Ada Derana (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  22. ↑ "ICC confirms venues for 2026 T20 World Cup"। Dunya News। ৭ নভেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৯ নভেম্বর ২০২৫।
  23. ↑ "ICC shortlists venues for 2026 T20 World Cup in India and Sri Lanka"। ESPNCricinfo। ৬ নভেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৯ নভেম্বর ২০২৫।
  24. ↑ "Match officials named for T20 World Cup 2026 group stage"। International Cricket Council। ৩০ জানুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জানুয়ারি ২০২৬।
  25. ↑ "T20 World Cup 2026: India to play warm-up match against South Africa in Navi Mumbai"। The Week। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জানুয়ারি ২০২৬।
  26. ↑ Kukalyekar, Aditya (২৯ জানুয়ারি ২০২৬)। "T20 World Cup 2026 warm up matches schedule confirmed, two Indian teams to play"। India TV News। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জানুয়ারি ২০২৬।
  27. ↑ Madaan, Shubham (২৭ জানুয়ারি ২০২৬)। "T20 World Cup 2026 Warm-Up Schedule announced Check All details"। The Sunday Guardian। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জানুয়ারি ২০২৬।
  28. ↑ Sahay, Suyash (২৮ জানুয়ারি ২০২৬)। "These 2 Teams Will Not Play T20 World Cup 2026 Warm-Up Matches - Here's Why"। ABP News। সংগ্রহের তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  29. ↑ "Spectacular ICC Men's T20 World Cup 2026 Opening Ceremony to get tournament underway in Mumbai" (ইংরেজি ভাষায়)। International Cricket Council। ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  30. ↑ "Star-studded opening ceremony announced for T20 World Cup 2026" (ইংরেজি ভাষায়)। International Cricket Council। ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  31. ↑ Sahay, Suyash (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)। "ICC T20 World Cup 2026 Opening Ceremony Live: Time, Performers, Streaming Info"। ABP Live (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  32. ↑ Nishant, Shashwat (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)। "ICC T20 world cup 2026 opening ceremony, performers list, live streaming"। Business Standard (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  33. 1 2 3 4 5 6 "ICC Men's T20 World Cup 2026" (পিডিএফ)। ICC Men's T20 World Cup, playing conditions। ১০। International Cricket Council। ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  34. ↑ "IND vs USA: Saurabh Netravalkar registers most expensive spell in T20 World Cups"। Sportstar। ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  35. ↑ "Stats - India's record ninth consecutive win at T20 World Cup"। ESPN India। ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  36. ↑ "Namibia play their first-ever game on Indian soil, Netherlands seek comeback with two changes"। India TV News। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  37. ↑ "Shaheen Shah Afridi amasses major landmark amid T20 World Cup 2026"। Geo Super। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  38. ↑ "Ishan Kishan scores his maiden T20 World Cup half-century"। KhelWire। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  39. ↑ "Cricket Records in ICC Men's T20 World Cup Trophy - India"। ESPNCricinfo।
  40. ↑ Bhattacharyya, Debayan (১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)। "USA Break Nepal's Associate Record with Dominant 93-Run Triumph In T20 World Cup 2026"। Mykhel (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  41. ↑ "T20 WC: Monank, Sanjay hit fifties as USA post 199/4 against Namibia"। Australia Indian News (অস্ট্রেলীয় ইংরেজি ভাষায়)। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  42. ↑ "India smash their highest-ever total vs Pakistan in T20 World Cup"। CNBC TV। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  43. ↑ "India Touch New High! Register Their Highest Margin Of Victory (Runs) Over Pakistan In T20Is"। News 18। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  44. ↑ "India beat Pakistan to qualify for Super 8s, extend T20 World Cup unbeaten record to 11 matches in Colombo"। The Indian Express। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  45. 1 2 "Sahibzada Farhan becomes second Pakistan batter to score hundred in T20 World Cups"। Sportstar। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  46. ↑ "Pakistan in T20 World Cup Super 8, become eighth team to advance"। The Times of India। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  47. ↑ "State of Play: Pakistan complete Super Eight line-up"। International Cricket Council। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  48. ↑ "United States eliminated from 2026 T20 World Cup. USA stats, results"। USA Today। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  49. ↑ "India Beat Netherlands by 17 Runs, Extend T20 World Cup Winning Streak to 12"। ipl.com। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  50. 1 2 "Result summary by Oman in T20Is"। ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  51. ↑ "Dasun Shanaka breaks his own Sri Lanka's fastest fifty record"। Newswire। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  52. ↑ "Oman's Mohammad Nadeem Breaks Sanath Jayasuriya's Record, Becomes Oldest Batter To..."। News18। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  53. ↑ "T20 WC: Muzarabani's 100th wicket seals stunning Zimbabwe win over Aus"। Asianet। ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  54. ↑ "Pathum Nissanka becomes second Sri lankan player to score century in T20 World Cups"। sportstar.thehindu.com। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  55. ↑ "Pathum Nissanka Achieves 2,500 T20I Runs, Second in Sri Lanka History"। el-balad.com। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  56. ↑ "Nissanka emulates Jayawardene and Dilshan - All the records Sri Lanka shattered on their way to a thumping win over Australia"। ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  57. 1 2 "Pathum Nissanka hits first century of T20 World Cup 2026; Australia on the verge of being knocked out in group stage"। Hindustan Times। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  58. ↑ "T20 World Cup: Sri Lanka qualify for Super 8 after record chase at Pallekele, Australia on brink of exit"। insidesport.in। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  59. ↑ "Former New Zealand international Tom Bruce switches to Scotland"। ESPNCricinfo। ১২ আগস্ট ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  60. ↑ "WI vs SCO, T20 World Cup 2026: Shimron Hetmyer Overtakes Chris Gayle's Milestone With Explosive Fifty"। ETV Bharat। ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  61. ↑ "West Indies All-Rounder Jason Holder Achieves Massive Milestone During T20 World Cup Win vs Scotland"। NDTV। ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  62. 1 2 "Romario Shepherd Bags Hattrick Against Scotland At T20 World Cup, Joins Elite List"। News18। ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  63. ↑ "England enter the unknown in maiden encounter with Nepal"। ESPNCricinfo। ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  64. ↑ "Sher Malla Strikes 1st Ball On T20I Debut After Getting Cap From Only Other Nepali To Do The Same"। News18। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  65. ↑ "Italy carry hope and curiosity to their cricket World Cup debut"। Cricbuzz। সংগ্রহের তারিখ ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  66. ↑ "Scotland records highest team total by an associate team in T20 World Cups"। Business Standard। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  67. ↑ "Buoyed by strong support, Paudel's Nepal search for two points against Italy"। ESPNcricinfo। ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  68. ↑ "Italy beats Nepal to claim first T20 World Cup win"। Sportstar। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  69. ↑ "Every 10 wicket win at men's T20 World Cups: Italy register record maiden victory"। Wisden। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  70. ↑ "England beats Scotland to claim first win over a European country in T20 World Cups"। Sportstar। ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  71. ↑ "Nepal sign off from T20 World Cup with first win in 12 years"। The Kathmandu Post। ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  72. ↑ "Italy ask West Indies to bat in Holder's 300th international game"। ESPN। ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  73. ↑ "New Zealand pass Afghanistan spin test in Chennai to lay down early marker"। India Today। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  74. ↑ "Canada look for early splash against favourites South Africa"। ESPNCricinfo। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  75. ↑ "SA vs AFG produces first-ever double super over in T20 WC history"। KhelWire। ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  76. ↑ "Junaid Siddique's five-for in T20 World Cup puts him in elite list"। India TV। ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  77. ↑ "Aiden Markram Equals Rohit Sharma's Record Of Fastest 50 By A Captain In T20 World Cup"। News 18। ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  78. ↑ "Rashid becomes first to 700 wickets in T20 cricket"। ESPNCricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  79. ↑ "South Africa into Super Eights without playing as Afghanistan beat UAE"। The Daily Star। ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  80. ↑ "New Zealand and Canada will face each other for the first time in T20Is in Chennai on Monday"। Business Standard। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  81. ↑ "List of Centuries in T20 World Cup 2026: Pathum Nissanka, Yuvraj Samra Make Headlines"। latestly.com। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  82. ↑ "Another Yuvraj Rules the World Cup - Canada's Yuvraj Samra Humiliates New Zealand with a Record-Breaking 58-Ball Ton"। icccricketschedule.com। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  83. ↑ "Yuvraj Samra becomes first player from Associate nation to score a T20 World Cup hundred, reaches three figures vs New Zealand"। sportstar.thehindu.com। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  84. 1 2 "Canada's 19-year-old Yuvraj makes history with 58-ball T20 World Cup century vs New Zealand"। The Indian Express। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  85. ↑ "Samra becomes second centurion of T20 World Cup 2026, leads Canada's to 173-4"। Dunya News। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  86. ↑ "NZ vs CAN HIGHLIGHTS, T20 World Cup 2026: New Zealand beats Canada by eight wickets, qualifies for Super Eights stage"। Sportstar। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  87. ↑ "New Zealand storm into Super 8s, knock Afghanistan out of T20 World Cup"। India Today। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  88. ↑ "न्यूजीलैंड ने सुपर-8 में मारी एंट्री, कनाडा के साथ-साथ अफगानिस्तान और यूएई की उम्मीदें खत्म"। Live Hindustan (হিন্দি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  89. ↑ "Fixtures, groups released for ICC Men's T20 World Cup 2026"। International Cricket Council। ২৫ নভেম্বর ২০২৫। ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ নভেম্বর ২০২৫।
  90. ↑ "Ahmedabad heartbreak 2.0: SA bring India back to earth, hand massive Super 8 loss"। India Today। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  91. ↑ "India Outplayed By South Africa In Super Eight, Suffer Their Biggest Defeat In T20 World Cup"। NDTV। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  92. ↑ "Shimron Hetmyer blazes 19-ball half-century against Zimbabwe, fastest T20 World Cup fifty for West Indies"। Rajasthan Royals। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  93. ↑ "West Indies smash second-highest T20 World Cup total - Check full list"। The Times of India। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  94. ↑ "T20 World Cup Super8: Many records from the Zimbabwe - West Indies match"। gossiplankanews.com। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  95. ↑ "IND vs ZIM Live cricket score: Hardik Pandya key, India four down in Chennai"। India TV। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  96. ↑ "IND vs ZIM: India records its highest score in T20 World Cups, second best total in tournament history"। Sportstar। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  97. ↑ "T20 World Cup: India stay in semi-final hunt after beating Zimbabwe with South Africa's knockout place confirmed"। Sky Sports। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  98. ↑ "IND vs WI, T20 World Cup 2026: India qualifies for semifinals after beating West Indies"। Sportstar। সংগ্রহের তারিখ ১ মার্চ ২০২৬।
  99. ↑ "Highest successful run chases in T20 World Cup history: India's 196 vs West Indies ranks third; Check full list"। The Indian Express। সংগ্রহের তারিখ ১ মার্চ ২০২৬।
  100. ↑ "Sanju Samson Breaks Virat Kohli's Record Of Highest Score By Indian Batter In..."। News18। সংগ্রহের তারিখ ১ মার্চ ২০২৬।
  101. ↑ "Incessant rain washes out opening Super Eight fixture between New Zealand and Pakistan"। ESPNcricinfo। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  102. ↑ indiatribune (২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)। "T20 WC: Pakistan vs New Zealand head-to-head record and last five matches performance"। India Tribune - Chicago - (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  103. ↑ "Pakistan vs New Zealand match abandoned due to rain: Teams share points, must win remaining matches to make"। Bhaskar English (ইংরেজি ভাষায়)। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  104. ↑ "ICC T20 World Cup 2026: Shadab Khan Hits Major Career Milestone During England Clash"। Tapmad। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  105. 1 2 "Harry Brook's maiden T20I century guides England to two-wicket Super 8 win over Pakistan"। CNBC। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  106. ↑ "England qualifies for semifinals of T20 World Cup 2026"। Sportstar। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  107. ↑ "Mitchell Santner Creates History, Becomes 1st New Zealand Cricketer To..."। News18। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  108. ↑ "T20 World Cup 2026: Rachin Ravindra spins New Zealand step closer to semis, Sri Lanka eliminated"। WION। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  109. ↑ "Will Jacks equals Shane Watsons T20 World Cup record"। Mint। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  110. ↑ "Most runs in a T20 World Cup - Sahibzada Farhan breaks Virat Kohli's record"। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  111. ↑ "Sahibzada Farhan, Fakhar Zaman record highest partnership in T20 World Cup history"। Sportstar। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  112. 1 2 "Sahibzada Farhan becomes first player to score two hundreds in a T20 World Cup edition"। Sportstar। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  113. ↑ "Pakistan knocked out of T20 World Cup after failing to restrict Sri Lanka below 147 in Super 8 game"। The Indian Express। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  114. ↑ "Narendra Modi Stadium to host T20 World Cup final, R Premadasa Stadium announced as alternative for Pakistan."। ESPNcricinfo। ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫। ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
  115. ↑ ইএসপিএনক্রিকইনফোতে 2026 Men's T20 World Cup, fixtures and results । সংগ্রহের তারিখ 1 January 2026।
  116. ↑ "Finn Allen Breaks Record Of Fastest 50 By New Zealand Batter In T20 World Cup"। News18। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৬।
  117. 1 2 "Finn Allen hits 33-ball century as New Zealand demolish South Africa"। The Times। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৬।
  118. ↑ Vishnu, P. N. (২ মার্চ ২০২৬)। "T20 World Cup 2026: India create history with record 20th ICC tournament semi-final; check top five list here"। Mint (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০২৬।
  119. ↑ "India set up T20 World Cup semi-final against England after edging West Indies"। The Independent (ইংরেজি ভাষায়)। ১ মার্চ ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৩ মার্চ ২০২৬।
  120. ↑ "India Break Record Of Highest Team Total (253/7) In T20 World Cup Knockout Match"। News18। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০২৬।
  121. ↑ "Stats - Records and sixes galore in a high-scoring semi-final"। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০২৬।
  122. 1 2 "Highest individual scores in T20 World Cup knockouts: Bethell, Sanju Samson enter top five"। Sportstar (ইংরেজি ভাষায়)। ৫ মার্চ ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০২৬।
  123. ↑ Bandarupalli, Sampath (৫ মার্চ ২০২৬)। "Stats - Records and sixes galore in a high-scoring semi-final"। ESPN (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০২৬।
  124. ↑ "India becomes first team to qualify for four men's T20 World Cup finals"। Sportstar (ইংরেজি ভাষায়)। ৫ মার্চ ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০২৬।
  125. ↑ ICC Men's T20 World Cup, 2026 . Retrieved 19 February 2026.
  126. ↑ ICC Men's T20 World Cup, 2026 . Retrieved 19 February 2026.
  127. ↑ "Team of the tournament announced for T20 World Cup 2026"। International Cricket Council। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০২৬।
  128. ↑ "Bangladesh govt asks cricket board to shift T20 World Cup games out of India after Mustafizur controversy"। The Economic Times। ৪ জানুয়ারি ২০২৬। আইএসএসএন 0013-0389। ৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ জানুয়ারি ২০২৬।
  129. ↑ "Bangladesh refuse to travel to India for T20 World Cup"। ESPNcricinfo। ৪ জানুয়ারি ২০২৬। ৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ জানুয়ারি ২০২৬।
  130. ↑ "ICC to meet with BCB over refusal to play T20 World Cup matches in India"। ESPNcricinfo। ৬ জানুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ১০ জানুয়ারি ২০২৬।
  131. ↑ "ICC to Bangladesh: play in India or forfeit points"। ESPNcricinfo। ৬ জানুয়ারি ২০২৬। ৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৬।
  132. ↑ "BCB: ICC willing to address concerns about playing T20 World Cup in India"। ESPNcricinfo। ৭ জানুয়ারি ২০২৬। ৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৬।
  133. ↑ "Pakistan Want To Host Bangladesh's Matches Amid T20 World Cup 2026 Controversy – Report"। Times Now। ১১ জানুয়ারি ২০২৬। ১১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২৬।
  134. ↑ "New venue options emerge for Bangladesh's T20 World Cup 2026 matches: Report"। India TV। ১২ জানুয়ারি ২০২৬। ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২৬।
  135. ↑ "No specific threat to Bangladesh team in India, says ICC security assessment"। ESPNcricinfo। ১২ জানুয়ারি ২০২৬। ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০২৬।
  136. ↑ "BCB firm on stance that Bangladesh won't travel to India for T20 World Cup"। ESPNcricinfo। ১৩ জানুয়ারি ২০২৬। ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জানুয়ারি ২০২৬।
  137. ↑ "T20 World Cup crisis: PCB writes to ICC supporting Bangladesh's stance"। ESPNcricinfo। ২১ জানুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ২১ জানুয়ারি ২০২৬।
  138. ↑ "Bangladesh's participation in 2026 T20 World Cup to be finalised by January 21"। ESPNcricinfo। ১৮ জানুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ২১ জানুয়ারি ২০২৬।
  139. ↑ "ICC to replace Bangladesh at T20 World Cup if they don't travel to India"। ESPNcricinfo। ২১ জানুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ২১ জানুয়ারি ২০২৬।
  140. ↑ "Bangladesh asked to play in India or sit-out"। India Today। ২১ জানুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ২১ জানুয়ারি ২০২৬।
  141. ↑ "Bangladesh firm on not playing T20 World Cup in India despite risk of exclusion"। ESPNcricinfo। ২২ জানুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ২২ জানুয়ারি ২০২৬।
  142. ↑ "Scotland to replace Bangladesh at T20 World Cup"। International Cricket Council। ২৪ জানুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জানুয়ারি ২০২৬।
  143. ↑ "Bangladesh Replaced By Scotland At 2026 Men's T20 World Cup After Refusing To Travel To India"। Wisden। ২৪ জানুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জানুয়ারি ২০২৬।
  144. ↑ "Pakistan government says 'no' to India match in T20 World Cup"। Cricbuzz। ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  145. ↑ "Pakistan to Boycott India match on 15 Feb"। ESPNcricinfo। ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  146. ↑ "ICC Men's T20 World Cup 2026 – Press Note"। International Cricket Council। ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  147. ↑ "No India vs Pakistan at T20 World Cup? Pak's boycott, ICC's warning & the big fallout explained"। The Economic Times। ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। আইএসএসএন 0013-0389। সংগ্রহের তারিখ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  148. ↑ "T20 World Cup 2026 Hit With Another Controversy; USA Cricketer Denied Indian Visa - 'KFC For The Win'"। Times Now (ইংরেজি ভাষায়)। ১৩ জানুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  149. ↑ "ICC Men's T20 World Cup 2026 – Press Note"। International Cricket Council। ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  150. ↑ "Rohit Sharma named Men's T20 World Cup tournament ambassador"। International Cricket Council। ২৫ নভেম্বর ২০২৫। ৫ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ নভেম্বর ২০২৫।
  151. ↑ "ICC unveil 'Feel the Thrill' as Official Song of Men's T20 World Cup 2026"। International Cricket Council। ৩০ জানুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জানুয়ারি ২০২৬।
  152. ↑ "ICC launches 'Feel the Thrill' as Official Song of ICC Men's T20 World Cup 2026"। International Cricket Council। ৩০ জানুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জানুয়ারি ২০২৬।
  153. ↑ "Captains' Carnival sets tone for ICC Men's T20 World Cup 2026" (ইংরেজি ভাষায়)। International Cricket Council। ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  154. ↑ "All the Broadcast details for ICC Men's T20 World Cup 2026" (ইংরেজি ভাষায়)। International Cricket Council। ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  155. ↑ "T20WC 2026 to be broadcast in more languages and countries" (ইংরেজি ভাষায়)। International Cricket Council। ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  156. ↑ "BBC and ICC sign four-year audio deal starting with Men's T20 World Cup"। BBC। ৩০ মে ২০২৪। ১ জুন ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০২৪।
  157. ↑ "What's on ICC.tv"। International Cricket Council। ১৮ জানুয়ারি ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১ জুন ২০২৪।

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:২০২৬ আইসিসি পুরুষ টি২০ বিশ্বকাপ