২০১৬ আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০ ফাইনাল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
২০১৬ আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০ ফাইনাল
প্রতিযোগিতা২০১৬ আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০
ইংল্যান্ড ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ইংল্যান্ড ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড
১৫৫/৯ ১৬১/৬
২০ ওভার ১৯.৪ ওভার
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪ উইকেটে বিজয়ী
তারিখ৩ এপ্রিল, ২০১৬
মাঠইডেন গার্ডেন্স, কলকাতা
ম্যাচসেরা খেলোয়াড়মারলন স্যামুয়েলস (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)
আম্পায়াররড টাকার (মাঠে অবস্থানরত আম্পায়ার)
কুমার ধর্মসেনা (মাঠে অবস্থানরত আম্পায়ার)
মারাইজ ইরাসমাস (টিভি আম্পায়ার)
ব্রুস অক্সেনফোর্ড (সংরক্ষিত আম্পায়ার)
দর্শক উপস্থিতি৬৬,০০০[১]
সম্প্রচারনাইন নেটওয়ার্ক
২০২০ →

২০১৬ আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০ ফাইনাল খেলা ৩ এপ্রিল, ২০১৬ তারিখে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে অনুষ্ঠিত হয়। চূড়ান্ত খেলায় ইংল্যান্ড ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ৪ উইকেটে পরাজিত হয়।[২] বিজয়ী ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল ২০১৬ সালের আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০ ট্রফি লাভ করে। এরফলে দলটি দুইবার আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০ শিরোপা পায়।[৩]

প্রেক্ষাপট[সম্পাদনা]

ইংল্যান্ড এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ ইতোঃপূর্বে দুইবার আইসিসি প্রতিযোগিতার ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে। লর্ডসে ১৯৭৯ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ এবং ওভালে ২০০৪ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে উভয় দল পরস্পর অবতীর্ণ হয়। উভয় ক্ষেত্রেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ জয়লাভ করেছিল। এছাড়াও ২০১০ সালের বিশ্ব টুয়েন্টি২০ প্রতিযোগিতায় ইংল্যান্ড এবং ২০১২ সালের বিশ্ব টুয়েন্টি২০ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হবার পর প্রথমবারের মতো প্রতিযোগিতার ফাইনালে অংশ নিচ্ছে।

উভয় দলই সুপার টেনের গ্রুপ-১ এ আফগানিস্তান, শ্রীলঙ্কাদক্ষিণ আফ্রিকার সাথে খেলে। ১৬ মার্চ মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে একে-অপরের বিপক্ষে অংশ নিয়েছিল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের তারকা ব্যাটসম্যান ক্রিস গেইল ইংল্যান্ডের ১৮২ রানের লক্ষ্যমাত্রাকে অতিক্রম করতে স্মরণীয় ভূমিকা পালন করেন। ৪৭ বলে অপরাজিত ১০০* রান করেন তিনি। তার এ বিধ্বংসী ইনিংসটিতে ১১ ছক্কার মার ছিল। এরফলে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে গেইল টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে দুইবার শতরান করার গৌরবগাথা রচনা করেন। ১১ বল বাকী থাকতেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল ছয় উইকেটের ব্যবধানে সহজ জয় পায়।

ফাইনালের পথে[সম্পাদনা]

ইংল্যান্ড[সম্পাদনা]

অন্যতম শক্তিধর দল হিসেবে ইংল্যান্ড দল ভারতে পদার্পণ করে। ২০১০ সালের বিশ্ব টুয়েন্টি২০ চ্যাম্পিয়ন হলেও পূর্ববর্তী বছরগুলোয় বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব অতিক্রম করতে ব্যর্থ হয়েছে। ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়ন দলের একমাত্র সদস্যরূপে কেবলমাত্র আইরিশ বংশোদ্ভূত ব্যাটসম্যানঅধিনায়ক ইয়ন মর্গ্যান দলের সদস্য রয়েছেন। কিন্তু প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য ইংরেজ দল নির্বাচকমণ্ডলী স্টুয়ার্ট ব্রডকে দলে রাখেনি।

বিশ্বকাপঅ্যাশেজ সিরিজে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যাটসম্যান জো রুট, উইকেট-কিপার জস বাটলারপেসার লিয়াম প্লাঙ্কেটকে দলের সদস্য হিসেবে মনোনীত করে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে পরাজিত হলেও দলটি দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২২৯ রানের জয়ের লক্ষ্যমাত্রা সফলভাবে অতিক্রম করে শক্তিমত্তার পরিচয় দেয়। এরপূর্বে আফগানিস্তান ও পরবর্তীকালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয় পেয়ে সেমি-ফাইনালে অগ্রসর হয়। দিল্লিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেমি-ফাইনালে উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান জেসন রয়ের ৪৪ বলে ৭৮ রানের ফলে ইংল্যান্ড সাত উইকেটে জয় পায়। খেলায় জেসন রয় ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ[সম্পাদনা]

টেস্টএকদিনের আন্তর্জাতিকে ভাল ফলাফল না করলেও ২০১২ সালের বিশ্ব টুয়েন্টি২০ প্রতিযোগিতার চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ মূলতঃ তাদের শক্তিশালী ব্যাটিংয়ের জন্য পরিচিত হয়ে আছে। ২০১২ সালের চ্যাম্পিয়ন দলের অন্যতম সদস্য অফ স্পিনার সুনীল নারাইনঅল-রাউন্ডার কিরণ পোলার্ড দল থেকে বাদ পড়েন। কিন্তু গেইল, ২০১২ সালের ফাইনালে ম্যান অব দ্য ম্যাচ মারলন স্যামুয়েলস ও লেগ-স্পিনার স্যামুয়েল বদ্রি বর্তমান দলে রয়েছেন।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সহজ জয়ের পর ২০১২ সালের ফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলার পুণরাবৃত্তি ঘটায়। তারপর দক্ষিণ আফ্রিকাকে পরাজিত করে। কিন্তু গ্রুপ পর্বের শেষ খেলায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে পরাজিত হয়। তাস্বত্ত্বেও গ্রুপে দলটি প্রথম স্থান নিশ্চিত করে। মুম্বাইয়ে স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে দ্বিতীয় সেমি-ফাইনালে মুখোমুখি হয়। বিরাট কোহলির ৪৭ বলে অপরাজিত ৮৯ রানের কল্যাণে ভারত দল ১৯২/২ করে। ডানহাতি পেস বোলার জসপ্রীত বুমরাহ'র বলে গেইল ৫ রানে ফিরে যান। কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজের শক্তিশালী ব্যাটিংয়ের বিপক্ষে ভারত দল কোন ভূমিকা রাখতে পারেনি। পরিবর্তিত খেলোয়াড় লেন্ডল সিমন্স ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ে নেতৃত্ব দেন। ৫১ বল অপরাজিত ৮২ তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে সাত উইকেটের ব্যবধানে জয়লাভ করান ও ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন।

খেলার বিবরণ[সম্পাদনা]

বদ্রি'র বোলিংয়ে দ্বিতীয় বলেই রয় শূন্য রানে আউট হলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ চমৎকার সূচনা করে। এরপর নিজস্ব দ্বিতীয় ওভারেই অন্য উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান অ্যালেক্স হেলসকে আন্দ্রে রাসেলের হাতে কট দেন। বদ্রি'র বলে মর্গ্যান গেইলের হাতে স্লিপে কট দেন। ফলে, ৪.৪ ওভারেই ইংল্যান্ড ২৩ রানে ৩ উইকেট হারায়। রুট ৩৬ বলে ৫৪ রান তুলে ইংল্যান্ডকে লড়াইয়ে ফিরে আনেন। কিন্তু কার্লোস ব্রাদওয়েটের বলে সুইপ মারতে গিয়ে আউট হন। ডোয়েন ব্র্যাভো তিন বলের ব্যবধানে দুই উইকেট পেলে ইংল্যান্ড ১১০/৪ থেকে ১১১/৭ হয়। নীচের সারির ব্যাটসম্যানদের কল্যাণে ইংল্যান্ড নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫৫/৯ তোলে।[৪]

আশ্চর্য্যজনকভাবে রুট বোলিং করতে আসেন ও গেইল এবং অপর উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান জনসন চার্লসকে আউট করেন। এরপর ডেভিড উইলি এলবিডব্লিউ'র মাধ্যমে সিমন্সকে গোল্ডেন ডাক দেন। দলীয় ৩ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ছিল মাত্র ১১/৩। ব্র্যাভো ও স্যামুয়েলসের ৭৫ রানের জুটি ওয়েস্ট ইন্ডিজকে খেলায় ফিরিয়ে আনে। শেষ চার ওভারে তাদের জয়ের প্রয়োজন পড়ে ৪৫ রানেন। আটোসাঁটো বোলিংয়ের ফলে শেষ ওভারে ১৯ রানের দরকার পড়ে। কিন্তু বেন স্টোকসের প্রথম চার বলেই চারটি বিশাল ছক্কায় ব্রাদওয়েট দলকে নাটকীয় জয় এনে দেন।[৪]

স্যামুয়েলস, ব্রাদওয়েট ও ব্র্যাভো - এ তিনজন মাত্র ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের কোঠায় পৌঁছেন। তন্মধ্যে স্যামুয়েলস ৬৬ বলে অপরাজিত ৮৫ করেন যা বিশ্ব টুয়েন্টি২০ ফাইনালের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। জয়ের লক্ষ্যমাত্রায় নেমে শেষ ওভারে ব্যাটসম্যান হিসেবে সর্বাধিক রান সংগ্রহ করে ব্রাদওয়েট নতুন রেকর্ড গড়েন। ২০১০ সালে সেন্ট লুসিয়ায় অনুষ্ঠিত সেমি-ফাইনালে পাকিস্তানের সাঈদ আজমলের বলে মাইকেল হাসি ২২ রান তুলেছিলেন। স্যামুয়েলস দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন ও ফাইনালে দ্বিতীয় অর্ধ-শতক করেন।

এ জয়ের ফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ চতুর্থ আইসিসি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশীপ জয় করে। এর পূর্বে তারা ১৯৭৫ ও ১৯৭৯ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ এবং ২০১২ সালের বিশ্ব টুয়েন্টি২০ শিরোপা লাভ করেছিল। এছাড়াও প্রথম দল হিসেবে দুইবার পুরুষদের বিশ্ব টুয়েন্টি২০ এবং প্রথমবারের মতো একই দিনে পুরুষ ও মহিলাদের প্রতিযোগিতার শিরোপা জয়ের বিরল সৌভাগ্য অর্জন করে।

সংক্ষিপ্ত বিবরণ[সম্পাদনা]

৩ এপ্রিল
১৯:০০ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ইংল্যান্ড 
১৫৫/৯ (২০ ওভার)
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ
১৬১/৬ (১৯.৪ ওভার)
জো রুট ৫৪ (৩৬)
কার্লোস ব্রাদওয়েট ৩/২৬ (৪ ওভার)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪ উইকেটে বিজয়ী
ইডেন গার্ডেন্স, কলকাতা
আম্পায়ার: কুমার ধর্মসেনা (শ্রীলঙ্কা) ও রড টাকার (অস্ট্রেলিয়া)
সেরা খেলোয়াড়: মারলন স্যামুয়েলস (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)
  • ওয়েস্ট ইন্ডিজ টসে জয়ী হয়ে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • প্রথম দল হিসেবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দুইবার বিশ্ব টুয়েন্টি২০ প্রতিযোগিতার শিরোপা জয় করে।[৩]
  • সামগ্রিকভাবে চারবার (১৯৭৫১৯৭৯ এবং ২০১২২০১৬) আইসিসি শিরোপা জয় করে দলটি।

খেলা পরিচালনাকারী কর্মকর্তা[সম্পাদনা]

আম্পায়ার: রড টাকার (অস্ট্রেলিয়া) ও কুমার ধর্মসেনা (শ্রীলঙ্কা)
টিভি আম্পায়ার: মারাইজ ইরাসমাস (দক্ষিণ আফ্রিকা)
ম্যাচ রেফারি: রঞ্জন মাদুগালে (শ্রীলঙ্কা)
সংরক্ষিত আম্পায়ার: ব্রুস অক্সেনফোর্ড (অস্ট্রেলিয়া)

খেলা পরবর্তীকালে[সম্পাদনা]

পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে উচ্ছসিত ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কারধারী মারলন স্যামুয়েলস তার এ পুরস্কারটি শেন ওয়ার্নকে উৎসর্গ করেন। তিনি বলেন, 'আমি ব্যাট হাতে জবাব দিয়েছি, মাইক হাতে নয়।' [৫] ২০১৩-১৪ মৌসুমে বিগ ব্যাশ লীগে উভয়ের মধ্যকার বাকযুদ্ধের প্রেক্ষিতেই তার এ মন্তব্য।[৬] ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের প্রতি তার ক্ষোভ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, 'প্রতিযোগিতা চলাকালে আমাদের ক্রিকেট বোর্ডের কাছ থেকে কথা শুনেছি। এটি অত্যন্ত দূর্ভাগ্যজনক।'[৭][৮] ইংরেজ অধিনায়ক ইয়ন মর্গ্যান বলেন, আমরা ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছি এবং সম্ভবতঃ ৪০ রানে পিছিয়ে ছিলাম।[৯] তিনি বেন স্টোকসের পাশে দাঁড়ান ও চূড়ান্ত ওভার সম্পর্কে মন্তব্য করেন যে, 'এতে তার কোন দোষ ছিল না।'[১০]

খেলা শেষে আইসিসি প্রতিযোগিতার বিশ্ব টুয়েন্টি২০ দলের সদস্যদের নামের তালিকা প্রকাশ করে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের আন্দ্রে রাসেল ও স্যামুয়েল বদ্রি এবং ইংল্যান্ডের জেসন রয়, জো রুট, জস বাটলার ও ডেভিড উইলিকে রাখে।[১১] ওয়েস্ট ইন্ডিজের শিরোপা লাভের পর সেন্ট লুসিয়ায় বিউসেজাউর স্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তিত করে ড্যারেন স্যামি জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম নামে পুণঃনামাঙ্কিত করে।[১২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Jason Le Miere (3 April 2016). ("VIDEO World T20 Final 2016: Highlights, Score; West Indies Beat England In Sensational Final Over"International Business Times. Retrieved 4 April 2016.
  2. "World T20, Final: England vs West Indies at Kolkata, Apr 3, 2016"। ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০১৬ 
  3. "Brathwaite sixes take WI to thrilling title win"। ESPNcricinfo। ৩ এপ্রিল ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০১৬ 
  4. "WI grab title after Brathwaite 6, 6, 6, 6"Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-০৪-০৪ 
  5. "'This is for Shane Warne' - Samuels"ESPN Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৪ এপ্রিল ২০১৬ 
  6. "Shane Warne defends Big Bash bust-up with Marlon Samuels"BBC Sport। সংগ্রহের তারিখ ৪ এপ্রিল ২০১৬ 
  7. "World Twenty20 2016: West Indies captain Darren Sammy hits back at critics"BBC Sport। সংগ্রহের তারিখ ৪ এপ্রিল ২০১৬ 
  8. "Emotional Sammy disappointed by lack of WICB support"ESPN Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৪ এপ্রিল ২০১৬ 
  9. "World Twenty20: West Indies beat England to claim second title"BBC Sport। সংগ্রহের তারিখ ৪ এপ্রিল ২০১৬ 
  10. "World Twenty20 final: Ben Stokes not to blame for England defeat - Morgan"BBC Sport। সংগ্রহের তারিখ ৪ এপ্রিল ২০১৬ 
  11. "World Twenty20 2016: Four England players in team of tournament"BBC Sport। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০১৬ 
  12. "St Lucia renames stadium in honour of Darren Sammy"ESPN Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৬ এপ্রিল ২০১৬ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]