অ্যাডাম মিলেন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
অ্যাডাম মিলেন
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নাম অ্যাডাম ফ্রেজার মিলেন
জন্ম (১৯৯২-০৪-১৩) ১৩ এপ্রিল ১৯৯২ (বয়স ২৬)
পালমারস্টোন নর্থ, মানাওয়াতু-ওয়াঙ্গানুই, নিউজিল্যান্ড
ডাকনাম মিলেন, পকেট রকেট, বোনস, শার্কি
ব্যাটিংয়ের ধরন ডানহাতি
বোলিংয়ের ধরন ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ১৭৫)
১০ নভেম্বর ২০১২ বনাম শ্রীলঙ্কা
শেষ ওডিআই ২১ মার্চ ২০১৫ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ওডিআই শার্ট নং ২০
টি২০আই অভিষেক
(ক্যাপ ৪৬)
২৬ ডিসেম্বর ২০১০ বনাম পাকিস্তান
শেষ টি২০আই ৪ ডিসেম্বর ২০১৪ বনাম পাকিস্তান
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছর দল
২০১০-বর্তমান সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টস
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা ওডিআই টি২০আই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ২২ ১৩ ৪৫
রানের সংখ্যা ৩৯ ২৫৭ ১৩২
ব্যাটিং গড় ১৯.৫০ ২৮.৫৫ ১৪.৬৬
১০০/৫০ ০/০ ০/০ ০/১ ০/০
সর্বোচ্চ রান ১৯ ৩* ৯৭ ১৯*
বল করেছে ৯৩৪ ১৪৪ ২,০৭৯ ২,১৫৪
উইকেট ১৯ ৩৯ ৬৬
বোলিং গড় ৪১.৮৯ ৪৯.২৫ ৩০.৫৬ ২৮.৯৬
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট - - -
সেরা বোলিং ২/২৮ ২/২২ ৫/৪৭ ৫/৬১
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১২/– ১/– ৫/– ১৫/–
উৎস: ক্রিকইনফো, ২৮ মার্চ ২০১৫

অ্যাডাম ফ্রেজার মিলেন (ইংরেজি: Adam Milne; জন্ম: ১৩ এপ্রিল, ১৯৯২) পালমারস্টোন নর্থে জন্মগ্রহণকারী নিউজিল্যান্ডের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারনিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য অ্যাডাম মিলেন ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করেন। এছাড়াও তিনি নীচের সারির ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবেও দলে ভূমিকা রাখছেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টস দলে খেলছেন।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

২০০৯-১০ মৌসুমে ১৮ বছর বয়সে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে মিলেনের। উদ্বোধনী খেলার দ্বিতীয় বলেই উইকেট পান তিনি। খেলায় ক্যান্টারবারি দলের বিপক্ষে তার বোলিং পরিসংখ্যান ছিল ৪/৫২। ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লীগে সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টসের টুয়েন্টি২০ দলে তিনিও অন্তর্ভুক্ত হন। ঘরোয়া এইচআরভি কাপে তিনি কোন খেলায় অংশ নেননি। প্রতিযোগিতায় তিনি দুই খেলায় অংশ নিয়ে পেস বোলিংয়ে সকলকে আশ্চর্য্যান্বিত করেন।

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

ডিসেম্বর, ২০১০ সালে নিউজিল্যান্ডের টুয়েন্টি২০ ক্রিকেট দলে অভিষেক ঘটে তার। পাকিস্তানের বিপক্ষে তিনি শুধুমাত্র রানই দিয়ে যান। কিন্তু তার পেস বোলিংয়ের রান দেয়ার হার বেশি থাকায় ব্যাপক সমালোচিত হয়। আঘাতের কারণে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে বাঁধাগ্রস্ত হয়। তারপরও জাতীয় দলে খেলার জন্য দৃঢ়চেতা মনোভাব ছিল তার। তিনি ঘন্টা প্রতি ১৫০ কিলোমিটারেরও অধিক গতিবেগে বোলিংয়ে পারদর্শী। অতঃপর ২০১২ সালে শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০ প্রতিযোগিতায় নিউজিল্যান্ড দলে ঠাঁই হয়।

২০১৫ মৌসুমে ইংল্যান্ড সফরে নিউজিল্যান্ডের ওডিআই ও টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে দলের অন্যতম সদস্য মনোনীত হন।[১][২] কিন্তু আঘাতের কারণে তার পরিবর্তে মিচেল স্যান্টনার স্থলাভিষিক্ত হন।[৩]

ক্রিকেট বিশ্বকাপ[সম্পাদনা]

২০১৫ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট কর্তৃক ৩০-সদস্যের প্রাথমিক তালিকায় তিনিও অন্তর্ভুক্ত হন।[৪] পরবর্তীতে ৮ জানুয়ারি, ২০১৫ তারিখে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট কর্তৃপক্ষ তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের ১৫-সদস্যের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে।[৫] ঐ তালিকায় তিনিও অন্তর্ভুক্ত হন। কিন্তু, ২২ মার্চ হাঁটুর গোড়ালিতে আঘাতাপ্রাপ্তির ফলে অ্যাডাম মিলেন দল থেকে বাদ পড়েন। তার পরিবর্তে উদীয়মান ফাস্ট বোলার ম্যাট হেনরিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।[৬]

২০১৫ বিশ্বকাপে মিলেনের অর্জনসমূহ
বোলিং/রান প্রতিপক্ষ স্থান তারিখ ফলাফল
২/৫৬  শ্রীলঙ্কা ক্রাইস্টচার্চ ১৪ ফেব্রুয়ারি জয়
০/৩২, ১*  স্কটল্যান্ড ডুনেডিন ১৭ ফেব্রুয়ারি জয়
১/২৫  ইংল্যান্ড ওয়েলিংটন ২০ ফেব্রুয়ারি জয়
০/৬, ০  অস্ট্রেলিয়া অকল্যান্ড ২৮ ফেব্রুয়ারি জয়
১/৩৮  আফগানিস্তান নেপিয়ার ৮ মার্চ জয়
১/৪২  ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওয়েলিংটন ২১ মার্চ জয়

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "New Zealand One-Day Squad"ESPNcricinfo। ESPN Sports Media। ৪ এপ্রিল ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৫ 
  2. "New Zealand Twenty20 Squad"ESPNcricinfo। ESPN Sports Media। ৪ এপ্রিল ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৫ 
  3. "Adam Milne ruled out of one-day series"ESPNCricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০১৫ 
  4. "New Zealand omit Ryder from World Cup 30"espncricinfo। ১৬ ডিসেম্বর ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৮ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  5. "New Zealand 2015 ODI World Cup Squad"। Genius। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মার্চ ২০১৫ 
  6. "Milne ruled out of New Zealand tilt"। ESPNCricinfo। ২৬ মার্চ ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মার্চ ২০১৫ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]