শাহরিয়ার খান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
নবাবজাদা শাহরিয়ার মোহাম্মদ খান
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
১৮ আগস্ট, ২০১৪
পূর্বসূরীনজম শেঠি
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি
কাজের মেয়াদ
ডিসেম্বর, ২০০৩ – অক্টোবর, ২০০৬
পূর্বসূরীলেফট্যানেন্ট জেনারেল তৌকির জিয়া
উত্তরসূরীনাসিম আশরাফ
পাকিস্তানের ২০শ বৈদেশিক সচিব
কাজের মেয়াদ
১৯৯০ – ১৯৯৪
পূর্বসূরীতানভীর আহমদ খান
উত্তরসূরীনাজমুদ্দিন শেখ
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম (1934-03-29) ২৯ মার্চ ১৯৩৪ (বয়স ৮৫)
ভোপাল, ভোপাল রাজ্য, ব্রিটিশ ভারত
(বর্তমানে মধ্যপ্রদেশ, ভারত)
জাতীয়তাপাকিস্তানী
আত্মীয়স্বজনসাইফ আলি খান (ভাইপো)
বাসস্থানলাহোর, পাঞ্জাব, পাকিস্তান
প্রাক্তন শিক্ষার্থীডালি কলেজ, ইন্দোর;
প্রিন্স অব ওয়েলস রয়্যাল ইন্ডিয়ান মিলিটারী কলেজ, দেরাদুন;
কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়
ফ্লেচার স্কুল অব ল এন্ড ডিপ্লোমেসি
পেশাকূটনীতিবিদ
ধর্মইসলাম

নবাবজাদা শাহরিয়ার মোহাম্মদ খান (উর্দু: شہریار محمد خان‎‎; জন্ম: ২৯ মার্চ, ১৯৩৪) ব্রিটিশ ভারতের ভোপালে জন্মগ্রহণকারী পাকিস্তানী কূটনীতিবিদ ও এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল-এর সভাপতি। তিনি ভোপালের রাজপরিবারের সঙ্গে যুক্ত ও তার মাতামহ হামিদুল্লাহ খান ছিলেন ভোপাল রাজ্যের শেষ নবাব। ১০ ডিসেম্বর, ২০০৩ তারিখে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি হিসেবে মনোনীত হন। কিন্তু, ৭ অক্টোবর, ২০০৬ তারিখে পদত্যাগে বাধ্য হন । এরপর ১৬ আগস্ট, ২০১৪ তারিখ থেকে অদ্যাবধি এ দায়িত্বে পুণরায় আসীন হন।[১] নবাব মনসুর আলি খান পতৌদি সম্পর্কে তার আত্মীয়।[২] তার চার সন্তান রয়েছে। বর্তমানে তিনি লাহোর ব্যবস্থাপনা বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ে পাকিস্তানের বৈদেশিক সম্পর্ক বিষয়ে অধ্যাপনা করছেন।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

এক বছর বার্মা শেল অয়েলে কাজ করার পর ১৯৫৭ সালে পাকিস্তানের বৈদেশিক বিভাগে যোগ দেন। ১৯৬০ সালে লন্ডনে পাকিস্তান হাইকমিশনে তৃতীয় সচিব হিসেবে স্থানান্তরিত হন। এরপর ১৯৬২ থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত তিউনিসের দূতাবাসে দ্বিতীয় সচিব ছিলেন। ১৯৭৬ থেকে ১৯৮২ এবং ১৯৮৭ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত যথাক্রমে জর্দান ও যুক্তরাজ্যে পাকিস্তানের দূতের দায়িত্ব পালন করেন।[৩][৪]

১ জুলাই, ১৯৯৪ তারিখে জাতিসংঘের মহাসচিব বুত্রোস বুত্রোস গালি কর্তৃক রুয়ান্ডায় বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে জ্যাকুয়েস-রজার বু-বু'র স্থলাভিষিক্ত হন। সেখানে তিনি জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে গণহত্যা ও তৎপরবর্তী শরণার্থী সমস্যা বিষয়ে তদারকী করেন।[৫]

কর্মজীবন থেকে অবসর নেয়ার পর একগুচ্ছ পুস্তক রচনা করেন তিনি। ক্রিকেট - এ ব্রিজ অব পিস শিরোনামে পাকিস্তান-ভারত সম্পর্ক বিষয়ে তৃতীয় গ্রন্থ প্রকাশ করেন।

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড[সম্পাদনা]

২০০৩ সালে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি হিসেবে মনোনীত হলেও ২০০৬ সালে এ পদ ত্যাগ করতে বাধ্য হন। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক অনুমোদিত পিসিবি গঠনতন্ত্র প্রণয়নের পর থেকে অদ্যাবধি এ দায়িত্বে পুণরায় আসীন হন।[৬] ২০০৬ সালে ওভাল টেস্টে বল টেম্পারিংয়ের বিষয়টি তার সময়কালে সংঘটিত হয়েছিল।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "PCB unanimously elects Shahryar Khan as chairman - Sport"। Dawn.Com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-০৮-১৭ 
  2. "Cherish hunting trips with my cousin Mansur, says Shahryar Khan"। India Today। ২০১১-০৯-২৩। 
  3. "Cricket – A Bridge of Peace" ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৬ মে ২০১১ তারিখে indiaclub.com'
  4. "Lecture by Ambassador Shaharyar M. Khan, UN special rep in Rwanda 1994-6"। ১৫ মে ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মার্চ ২০১৬ 
  5. "Massacres, 'mindless violence and carnage' rage in Rwanda", UN Chronicle, September 1994
  6. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ১৩ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মার্চ ২০১৬ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

কূটনৈতিক পদবী
পূর্বসূরী
??
যুক্তরাজ্যে পাকিস্তানী হাইকমিশনার
১৯৮৭-১৯৯০
উত্তরসূরী
হুমায়ুন খান
পূর্বসূরী
তানভীর আহমেদ খান
পাকিস্তানের বৈদেশিক সচিব
১৯৯০-১৯৯৪
উত্তরসূরী
নাজমুদ্দিন শেখ