বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো.png
নীতিবাক্যজানুন, চিন্তা করুন, পরিবর্তন সাধন করুন
ধরনসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়
স্থাপিত২০১১
আচার্যরাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ
উপাচার্যডঃ মোহাম্মদ শাহজাহান
শিক্ষার্থী১১০০০ জন (প্রায়) [১]
অবস্থান,
শিক্ষাঙ্গন৫৫ একর (শেখ হাসিনা কৃষি ইন্সটিটিউট এবং শেখ হাসিনা ইন্সটিটিউট অব আইসিটি ব্যতীত)
সংক্ষিপ্ত নামবশেমুরবিপ্রবি (BSMRSTU)
অধিভুক্তিবিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন
ওয়েবসাইটwww.bsmrstu.edu.bd

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এটি দেশের ঢাকা বিভাগের গোপালগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। ২০০১ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টির কাজ শুরু হলেও বিভিন্ন কারণে তা পিছিয়ে যায়। অবশেষে ২০১১ সালে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থী সংখ্যার দিক থেকে বর্তমানে এটি বাংলাদেশের চতুর্থ বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

বিশ্ববিদ্যালয়টির জন্ম প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল ১৯৯৯ সালে। ১২টি বৃহত্তর জেলায় ১২টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনা তৎকালীন সরকার গ্রহণ করে। প্রথম পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য ৬টি উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব প্রণয়ন করা হয়। এই ৬টির মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্পটি ছিল একটি। ১৯৯৯ সালের ১৫ নভেম্বর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত পদার্থবিজ্ঞান ও ইলেকট্রনিক্স বিভাগের প্রফেসর ড. এম. খায়রুল আলম খানকে প্রকল্প পরিচালক নিযুক্ত করে গোপালগঞ্জে পাঠানো হয়। প্রকল্প পরিচালক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান নির্বাচন, জমি অধিগ্রহণ (প্রায় ৫৫একর) এবং জমি ভরাটের কাজ সম্পন্ন করেন। ইতোমধ্যে ২০০১ সালের ৮ জুলাই মহান জাতীয় সংসদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন প্রণীত হয়। ২০০১ সালের ১৩ জুলাই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। ১৪ জুলাই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর হিসেবে প্রফেসর ড. এম. খায়রুল আলম খানকে নিয়োগের সুপারিশ করেন এবং রাষ্ট্রপতি ১৯ জুলাই ২০০১ উক্ত নিয়োগ অনুমোদন করেন।

২০০২ সালের ১৫ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকল্পটি সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করা হয় এবং ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম. খায়রুল আলম খানের নিয়োগ বাতিল করে এবং তাকে তার পূর্বতন প্রতিষ্ঠান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের নির্দেশ দেয়া হয়। ২০০৯ সালের নভেম্বরে স্থগিত প্রকল্পটি পুনর্জীবিত হয় এবং ২০১০ সালের ৫ জানুয়ারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রফেসর ড. এম. খায়রুল আলম খানকে আবারও প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ করে এবং ২০ জানুয়ারি ২০১০ তারিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ আইন-২০০১ বাস্তবায়নের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় এসআরও জারী করে।

পরবর্তীতে ১৪ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনে রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমান প্রফেসর ড. এম. খায়রুল আলম খানকে পুনরায় ৪ বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেন এবং ১৩ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে মেয়াদ শেষ করেন। রাষ্ট্রপতি মোঃ আব্দুল হামিদ ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ তারিখে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. খোন্দকার মোঃ নাসিরউদ্দিনকে ভাইস-চ্যান্সেলর হিসেবে ৪ বছরের জন্য নিয়োগ প্রদান করে। কিন্তু ২০১৯ সালে ডঃ নাসিরুদ্দীনের বিপক্ষে নারী কেলেঙ্কারী, ক্ষমতার অপব্যবহার সহ নানাবিধ অভিযোগের প্রেক্ষিতে ছাত্রছাত্রীদের দুর্বার আন্দোলনের কারণে অপসারণ করা হয়। এরপর খন্ডকালীন উপাচার্য হিসেবে ডঃ মো শাহজাহানকে নিয়োগ করা হয়।[২] তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড টেলিকমিউনিকশনস ইঞ্জিনিয়ারিং (ইটিই) বিভাগের সভাপতি ছিলেন।

অনুষদ ও বিভাগসমূহ[সম্পাদনা]

বশেমুরবিপ্রবিতে বর্তমানে ৯ টি অনুষদের অধীনে ৩৪ টি বিভাগ রয়েছে।

প্রকৌশল অনুষদ[সম্পাদনা]

  • তড়িৎ এবং ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগ (EEE)
  • কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ (CSE)
  • ইলেকট্রনিকস এবং টেলিযোগাযোগ কৌশল বিভাগ (ETE)
  • ফলিত রসায়ন এবং রাসায়নিক প্রকৌশল বিভাগ (ACCE)
  • পুরকৌশল বিভাগ (CE)
  • খাদ্য এবং কৃষি প্রক্রিয়া প্রকৌশল (FAPE)
  • স্থাপত্য

বিজ্ঞান অনুষদ[সম্পাদনা]

  • গণিত
  • রসায়ন
  • পদার্থ
  • পরিসংখ্যান
  • পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

জীববিজ্ঞান অনুষদ[সম্পাদনা]

  • ফার্মেসি
  • জৈব রসায়ন এবং আণবিক জীববিজ্ঞান
  • জৈবপ্রযুক্তি ও জিনতত্ত্ব প্রকৌশল
  • মনোবিজ্ঞান
  • উদ্ভিদবিজ্ঞান

কলা অনুষদ[সম্পাদনা]

সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ[সম্পাদনা]

ব্যবসা অধ্যয়ন অনুষদ[সম্পাদনা]

আইন অনুষদ[সম্পাদনা]

শেখ হাসিনা কৃষি ইনস্টিটিউট[সম্পাদনা]

শিক্ষা পদ্ধতি[সম্পাদনা]

এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কোর্স ক্রেডিট সিস্টেম পদ্ধতি চালু রয়েছে। সেমিস্টার পদ্ধতির এ শিক্ষা ব্যবস্থায় কোর্স যথাসময়ে শেষ হয় বিধায় কোনো সেশনজট থাকে না৷ আটটি সেমিস্টারে শিক্ষাপর্ব শেষ হয় ৷ হাতে-কলমে শিক্ষা দানের জন্য এখানে রয়েছে গবেষণাগার বা ল্যাবরেটরি ৷

ভর্তি কার্যক্রম[সম্পাদনা]

শিক্ষার্থীদের ব্যাপক প্রতিযোগিতামূলক ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রণের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির সুযোগ করে নিতে হয়। ভর্তি পরীক্ষায় এক আসনের বিপরীতে প্রায় ৩৪ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

একাডেমিক কার্যক্রম[সম্পাদনা]

প্রথম পর্যায়ে ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাসে চারটি অনুষদ; প্রকৌশল, বিজ্ঞান, ব্যবসা অধ্যয়ন এবং মানবিক অনুষদে পাঁচটি বিভাগ যথাক্রমে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল, ফলিত পদার্থ বিজ্ঞান ও ইলেক্ট্রনিক্স, গণিত, ব্যবস্থাপনা এবং ইংরেজি বিভাগ খোলা হয় এবং প্রতি বিভাগে ৩২ জন করে মোট ১৬০ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরু করে। পরবর্তীতে ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে আরও নতুন ২টি অনুষদ (জীব বিজ্ঞান ও সামাজিক বিজ্ঞান) ও ৬টি বিভাগ চালু হয়। বিভাগগুলো হলো- ফার্মেসি, তড়িৎ এবং ইলেকট্রনিক প্রকৌশল, ফলিত রসায়ন ও রাসায়নিক প্রকৌশল, পরিসংখ্যান, অর্থনীতি ও সমাজ বিজ্ঞান। ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির আসন সংখ্যাও বৃদ্ধি করা হয় এবং ১১ বিভাগে মোট ৫২০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষ থেকে আরও ৩টি বিভাগ ও একটি গবেষণা ইনস্টিটিউট চালু হয়েছে। বিভাগগুলো হলো বাংলা, লোক প্রশাসন ও অ্যাকাউন্টিং এবং তথ্য ব্যবস্থা। গবেষণা ইনস্টিটিউটটির নাম হলো "Bangabandhu Institute of Liberation War and Bangladesh Studies"।

২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে ১৪টি বিভাগে ৭৪৭ জন এবং উক্ত ইনস্টিটিউটে পিএইচডি'র ২জন ও এম ফিল কোর্সে ৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ প্রদান করা হয়।[৪]

ক্যাম্পাস[সম্পাদনা]

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবন

প্রায় ৫৫ একর জমিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো নির্মাণের জন্য ২০০৯ সালের ২৪ নভেম্বর একনেকে ৯১ কোটি টাকার একটি প্রকল্প পাশ হয়। অবকাঠামোর মধ্যে রয়েছে একাডেমিক ভবন,দুইটি ছাত্র হল, একটি ছাত্রী হল, প্রশাসনিক ভবন, লাইব্রেরি ভবন, ক্যাফেটারিয়া, মসজিদ, ভিসির বাসভবন, শিক্ষক-কর্মকর্তাদের জন্য দুইটি ডরমিটরি, কর্মচারীদের কোয়ার্টার, পানি শোধনাগার, সীমানা প্রাচীর ইত্যাদি। শিক্ষা প্রকৌশল দপ্তরের তত্ত্বাবধানে এসব অবকাঠামোর নির্মাণকাজ শেষ হয়।

বর্তমানে ছাত্রদের ৫০০ আসন বিশিষ্ট ০২টি এবং ছাত্রীদের ২৫০ আসন বিশিষ্ট একটি হলে ছাত্র-ছাত্রীদের আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে। কর্তৃপক্ষ তিনটি হল, একাডেমিক ভবন ও লাইব্রেরি ভবনের নামকরণ করেছে। হল তিনটির নাম যথাক্রমে "স্বাধীনতা দিবস হল", "বিজয় দিবস হল" এবং "বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল।" একাডেমিক ভবনের নাম- আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবন এবং লাইব্রেরি ভবনের নাম- একুশে ফেব্রুয়ারি লাইব্রেরি ভবন করা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষক-কর্মকর্তাদের দুইটি ডরমিটরি, ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী কোয়ার্টার, লাইব্রেরি ভবন, ভাইস-চ্যান্সেলরের বাসভবন, কেন্দ্রীয় ক্যাফেটারিয়া, সীমানা প্রাচীর এবং প্রশাসনিক ভবনের নির্মাণ কাজও শেষ হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সুপেয় পানি সরবরাহের জন্য একটি পানি শোধনাগার নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি কেন্দ্রীয় মসজিদ রয়েছে।

ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে ১২টি বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেডস্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড-এর পক্ষ থেকে বাস ২টি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ছাত্র-ছাত্রীদের উন্নত শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে আধুনিক ল্যাবরেটরি । দেওয়া হয়েছে দ্রুত গতির ইন্টারনেট (ব্রডব্যান্ডওয়াই ফাই) সংযোগ। এছাড়া শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ভাষায় দক্ষ করতে গড়ে তোলা হয়েছে ইংলিশ ল্যাংগুয়েজ ল্যাব।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণের জন্য সম্প্রতি একনেকের সভায় ১০৫ কোটি টাকার অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদ ২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত। ডিপিপিতে অন্তর্ভুক্ত অবকাঠামোর মধ্যে রয়েছে একাডেমিক ভবন-২, ছাত্র ও ছাত্রীদের ২টি হল, শিক্ষক-কর্মকর্তাদের আবাসিক ভবন, কর্মচারীদের কোয়ার্টার, বঙ্গবন্ধুর মুরাল, মেইন গেট, অডিটোরিয়াম, লাইব্রেরি ভবনের সম্প্রসারণ, দৃষ্টিনন্দন জলাধার, জিমনেশিয়াম নির্মাণ, পুকুর খনন ইত্যাদি।

আবাসিক হল[সম্পাদনা]

বর্তমানে ছাত্রছাত্রীদের জন্য মোট ছয়টি হল রয়েছে।

যার মধ্যে তিনটি ছেলেদের আর তিনটি মেয়েদের।

ছাত্র হলঃ

  1. বিজয় দিবস হল
  2. স্বাধীনতা দিবস হল
  3. শেখ রাসেল হল

ছাত্রী হলঃ

  1. বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হল
  2. শেখ রেহেনা হল
  3. নতুন ছাত্রী হল

গ্রন্থাগার[সম্পাদনা]

একুশে ফেব্রুয়ারি লাইব্রেরিঃ একটি দুই তলা ভবনে লাইব্রেরিটি অবস্থিত। অসংখ্য একাডেমিক বই ছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন লেখকদের বিখ্যাত সব বই।পুরো ভবনটি সিসি ক্যামেরার আওতাধীন। গ্রন্থাগারে অবস্থিত কম্পিউটার ল্যাবে প্রায় ১৪০ টি কম্পিউটার রয়েছে।

সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড[সম্পাদনা]

বাঁধন - বশেমুরবিপ্রবি ইউনিট[সম্পাদনা]

বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১২ - ১৩ শিক্ষাবর্ষের একদল তরুণ শিক্ষার্থীদের আগ্রহে এবং ঔষধ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক আশীষ কুমার বিশ্বাসের প্রত্যক্ষ সহায়তায় ২০১৪ সালের মহান শহিদ দিবসে (ফেব্রুয়ারি ২১, ২০১৪) যাত্রা শুরু হয় স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের সংগঠন বাঁধনের। 'একের রক্ত অন্যের জীবন, রক্তই হোক আত্মার বাঁধন' স্লোগানকে সামনে নিয়ে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, স্বেচ্ছায় রক্তদানে উদ্বুদ্ধকরণ এবং বিনামূল্যে রক্তদান করে আসছে সংগঠনটি। প্রথম দিকে সংগঠনটি আবিদ - নাঈমের সংগঠন হিশেবে পরিচিত থাকলেও ২০১৫ সালের আগেই সংগঠনটি পুরো গোপালগঞ্জ ছড়িয়ে পরে। বর্তমানে সংগঠনটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিশেবে দায়িত্বরত আছেন আইন বিভগের সাকিব হোসেন হৃদয় এবং সমাজবিজ্ঞান বিভাগের খন্দকার আরমান হোসেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের ১০১ নম্বর কক্ষ থেকে সংগঠনটি যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

সাংস্কৃতিক ক্লাব[সম্পাদনা]

  • সাদাকালো সঙ্গীত ক্লাব

ক্লাবের শিল্পীরা বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করে থাকে।

  • বশেমুরবিপ্রবি ফটোগ্রাফিক সোসাইটি

বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটোগ্রাফি প্রেমিদের একটি গ্রুপ।যারা ফটোগ্রাফি নিয়ে খুব আগ্রহী মূলত তাদের নিয়েই এই ক্লাবটি চলমান

  • রংধনু সাংস্কৃতিক ক্লাব

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নাটক এবং নৃত্য ইত্যাদি পরিবেশন করে থাকে এই ক্লাবের শিল্পীরা।

ক্লাবের শিল্পীরা বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করে থাকে। এছাড়াও প্রতি শনিবার ক্লাবের গানের আসর অনুষ্ঠিত হয়।

সমালোচনা[সম্পাদনা]

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি খন্দকার নাসিরুদ্দিনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের দরুন বিভিন্ন সময়ে জাতীয় দৈনিকে নেতিবাচক খবর হিসেবে একাধিকবার শিরোনাম হয়েছে। নারী কেলেঙ্কারী, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের বাজেটে দুর্নীতি, ভর্তি বাণিজ্য, উপাচার্য কোটায় শিক্ষার্থী ভর্তি করানো, স্বজন তোষণের ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ, অপেক্ষাকৃত যোগ্য শিক্ষকদের পদোন্নতি না দেওয়া, ইচ্ছামত শিক্ষার্থীদের বহিস্কার করা এবং শিক্ষকদের তুচ্ছ ঘটনায় শোকজ করার মত অভিযোগ উঠে উপাচার্য নাসিরুদ্দিনের বিরুদ্ধে।[৫]

জাতীয় দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন অনুসারে উপাচার্য খন্দকার নাসিরুদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগে যে ন্যুনতম যোগ্যতা থাকার কথা ছিল, তা শিথিল করেছেন। শিক্ষক হওয়ার যোগ্যতার মানদণ্ড অনুসরণ না করে তৃতীয় শ্রেণি প্রাপ্ত অনেকেই শুধুমাত্র উপাচার্যের আত্মীয় হওয়ার দরুণ অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে পদাধিকার পান বলে বিভিন্ন দৈনিকে উঠে এসেছে।[৬] তিনি বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি এবং বিশ্ববিদ্যালয় বরাদ্দের নাম করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তার বিরুদ্ধে একটি অন্যতম অভিযোগ হল ভর্তি বাণিজ্যের অভিযোগ। পূর্বোক্ত ভিসির সময় ভর্তি হতে যত টাকা প্রয়োজন ছিল, ভিসি নাসিরুদ্দীনের সময় তা অন্তত ৫ গুণ বেশি লাগে বলে একাধিক শিক্ষার্থী জানিয়েছে। তুলনামুলক ভাবে ভর্তির মেধাতালিকায় অনেক পিছিয়ে থাকা বেশ কিছু শিক্ষার্থীকে ভিসি কোটা (১ শতাংশ) চালু করে ভর্তি হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন তিনি। একই প্রতিবেদন থেকে জানা যায় তিনি ক্যাম্পাসে তার নিজ বাংলোয় একটি বিউটি পার্লার খুলেছেন। যেখানের নারী গ্রাহকদের তালিকা তিনিই নিয়ন্ত্রণ করতেন। [৭] যা তীব্র সমালোচনার পর বন্ধ করে দেওয়া হয়। শিক্ষক নিয়োগের সময় ধর্মভিত্তিক দল জামায়াত-শিবিরের কর্মীদের ইচ্ছাকৃত ভাবে নিয়োগের অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে[৮]আরটিভির সাথে একটি সাক্ষাৎকারে দ্য ডেইলি সান দৈনিকের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি জানান বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল, শহীদ মিনার, স্টেডিয়াম নির্মাণের এর জন্য কোনো প্রকার টেন্ডার ছাড়াই এসব প্রকল্প হয় এবং এর জন্য কয়েক কোটি টাকা ব্যায় দেখানো হয়েছে, গাছের গোবর কিনার জন্য ব্যায় দেখানো হয়েছে এক কোটি টাকা। [৯] এধরনের উপাত্ত নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় তাকে প্রতিনিয়ত হুমকির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে।[১০][১১] দুদকের কাছে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হলে দুদক ইউজিসির কাছে এই বিষয়ে সাত কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাখ্যা জানতে চায়। এপ্রসঙ্গে নাসিরুদ্দিনের কাছে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি উপর থেকে সব ম্যানেজ করে ফেলেছেন বলে জানান।[৭] অভিযোগ আছে, শিক্ষার্থীরা কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির মামলা করলে তা নিয়ে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার।[১২] বিভিন্ন সম্পাদকীয়তে এবং ফেসবুকে যৌন হয়রানির শিকার হওয়া ব্যক্তি স্ট্যাটাস দেওয়ায় কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান অভিযুক্ত আক্কাস আলীকে বাধ্যতামূলক ছুটি দেওয়া হয়। উপাচার্য খন্দকার নাসিরুদ্দিন অপসারণ আন্দোলন চলার সময় বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আক্কাস আলিকে নিয়োগেও উপাচার্য সীমাহীন দুর্নীতি করেছেন। উক্ত শিক্ষক বিভাগের প্রধান হওয়ার পর তিনি সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার সায়েন্সের মাস্টার্সের কোর্স চালু করেন এবং তিনিই প্রথম সে বিভাগ থেকে মাস্টার্স সমমান অর্জন করেন। অর্থাৎ, তিনিই নির্ধারণ করেছেন, তিনি কী পড়াশুনা করবেন এবং তিনিই তাকে পাস করিয়ে দিয়েছেন- এবিষয়টিকে অত্যন্ত অদ্ভুৎরকমের রসিকতা বলে সম্পাদকীয়তে উল্লেখ করা হয়।[১৩] উপাচার্য খোন্দকার নাসিরুদ্দীন এধরনের নিয়ম বহির্ভুত কাজ অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পন্ন হতে দিয়েছেন বলে বিভিন্ন শিক্ষাবিদেরা তার তীব্র সমালোচনা করেন।[১৩][১৪]

খন্দকার নাসিরুদ্দিন অনৈতিক সম্পর্কে জড়িত ছিলেন বলেও অভিযোগ উঠেছিল। যদিও দুইঘন্টার ব্যবধানে অভিযোগকারী নিজেই এ অভিযোগ প্রত্যাহার করেন এবং তাকে চাকরি না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে এ অভিযোগ করেছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবী করেন। যদিও বিভিন্ন মহল এবং সুধীজনেরা সন্দেহ প্রকাশ করেন, বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে অভিযোগকারীকে নিবৃত্ত করা হয়েছে।[১৫]

২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কার্যকর না হলেও অন্তত ২৭ জন শিক্ষার্থীর উপর বহিস্কারাদেশের বিজ্ঞপ্তি আসে। [১৬] একই বছরে ধানের ন্যায্য মুল্যে নিশ্চিত করার দাবীতে মানববন্ধন করায় ১৪ জন শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। সরকার আর প্রশাসন বিরোধী মানবন্ধন হয়েছে বলে সেই নোটিশে উল্লেখ করা হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শ্রেণিকক্ষ অপরিষ্কার থাকার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে স্ট্যাটাস ও মন্তব্য (কমেন্ট) করায় একই বছরের সেপ্টেম্বরে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের ছয় শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। সেই মাসেই আইন বিভাগের একজন শিক্ষার্থী ফেসবুকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ কী লিখে পোস্ট করায় তাকে বহিস্কার করা হয়। তাকে বহিস্কার করার সময় ভিসি খোন্দকার নাসিরুদ্দিনের অকথ্য ভাষায় শব্দচয়নের একটি অডিওক্লিপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরে। ভিসি এই ধরনের ভাষা প্রয়োগ করতে পারেন কিনা, এই প্রশ্নে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষকরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান। [১৭] এর পরপরই দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। আন্দোলন আর বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে পড়ে অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস।[১৮]

আন্দোলনকে দমন করতে বিশ্ববিদ্যালয়ে দুর্গাপূজার ১৫ দিন আগে থেকে ছুটি ঘোষণা করা হয় এবং হল ত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়।[১৯] পরদিন ২১ সেপ্টেম্বর ভিসির পদত্যাগের আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের উপর উপাচার্য সমর্থিত দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়। যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নয় বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে উঠে আসে [২০] বহিরাগতদের শিক্ষার্থীদের উপর হামলা করতে প্ররোচিত করায়, বিশ্ববিদ্যালয়টির সমাজবিজ্ঞান বিভাগের একজন প্রভাষক পদত্যাগ করেন।[২১] তিনি দাবী করেন এই হামলার সিদ্ধান্ত একটি বৈঠকে স্বয়ং উপাচার্যই নেয়। [২২] এরই ধারাবাহিকতায় আরো দুজন প্রক্টরসহ মোট তিনজন প্রক্টর পদত্যাগ করেন।[২৩] পরবর্তীতে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রতিহত করতে খাবার ও পানি সরবরাহ এবং আশেপাশের দোকান বন্ধ করে দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পানি ও খাদ্য ক্রয়ের জন্য আশেপাশের এলাকায় শিক্ষার্থীরা যাওয়ার চেষ্টা করলে তারা পুলিশি বাঁধার স্থানীয়দের হামলার সম্মুখীন হন।[২৪][২৫] এ আন্দোলন নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে উপাচার্য খন্দকার নাসিরুদ্দিন সাংবাদিকদেরই দায়ী করেন৷ সাংবাদিকরাই আন্দোলনকারীদের নাচতে বলছেন, বলে তিনি দাবী করেন। তার মতে আন্দোলনকারীরা রাতে ঝোপে ঝাড়ে অশালীন কাজ করছে। সাংবাদিকদের আহ্বান করেন, যাতে আন্দোলন নিয়ে সংবাদ প্রকাশ না করা হয়।[২৬] ঘটনা তদন্তে আসা ইউজিসির এক তদন্ত কর্মকর্তা জানান, উপাচার্য শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করার শর্তে পদত্যাগ করতে রাজি হয়েছেন।[২৭] পরবর্তীতে ইউজিসির তদন্ত কর্মকর্তারা উপাচার্যের পদত্যাগের সুপারিশ করলে ৩০ সেপ্টেম্বর খোন্দকার নাসিরুদ্দিন পদত্যাগ করেন৷ [২৮]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Ali, Md. Akkas। "BSMRSTU (Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman Science & Technology University)"www.bsmrstu.edu.bd [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  2. "বশেমুরবিপ্রবির উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পেলেন অধ্যাপক শাহজাহান"Jugantor। সংগ্রহের তারিখ ১০ অক্টোবর ২০১৯ 
  3. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ৪ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ 
  4. Saha, Sudarshan। "BSMRSTU (Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman Science And Technology University, Gopalganj)"www.bsmrstu.edu.bd 
  5. "দীর্ঘদিনের ক্ষোভ থেকে এক দফার আন্দোলন"প্রথম আলো। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 
  6. "তৃতীয় শ্রেণি পাওয়া ব্যক্তিরাও গুরুত্বপূর্ণ পদে"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 
  7. jugantor.com। "ভিসির বাসভবনে বিউটি পার্লার! | প্রথম পাতা | Jugantor"jugantor.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৯-২৪ 
  8. "বঙ্গবন্ধু প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ | banglatribune.com"বাংলা ট্রিবিউন। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 
  9. "সাংবাদিকদের সাথে ধমকের সুরে কথা বলতেই অভ্যস্ত ভিসি!"The Daily Campus। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৯-২৪ 
  10. "হ্যাকিং নয় ভিসির দুর্নীতি সংবাদ প্রকাশ করাতেই আমাকে বহিস্কার"m.rtvonline.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৯-২৪ 
  11. "পদত্যাগ ও অপসারণ আলোচন্যায়"banglatribune 
  12. "বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ, কর্তৃপক্ষ জানে না! | banglatribune.com"বাংলা ট্রিবিউন। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 
  13. "Master's in CSE at BSMRSTU: Chairman the first student!"The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 
  14. "বিভাগের চেয়ারম্যান, তিনিই একমাত্র ছাত্র!"bdnews24.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 
  15. "ভিসি'র যৌন কেলেঙ্কারী: চাকরির আশ্বাসে অভিযোগ প্রত্যাহার"amritabazar.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৯-২৪ 
  16. "কথায় কথায় 'বহিষ্কার' করে যে বিশ্ববিদ্যালয় | banglatribune.com"বাংলা ট্রিবিউন। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 
  17. "ভিসির মুখে এ কী ভাষা! | banglatribune.com"বাংলা ট্রিবিউন। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 
  18. "ফেসবুকে বিরুদ্ধ মত দিলেই বহিষ্কার করেন উপাচার্য"প্রথম আলো। ২০১৯-০৯-১৭। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৯-২৪ 
  19. "বশেমুরবিপ্রবিতে পূজার আগাম ছুটি, হল না ছাড়ার ঘোষণা শিক্ষার্থীদের"The Daily Star Bangla। ২০১৯-০৯-২১। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৯-২৪ 
  20. "যে কারণে পদত্যাগ করলেন বশেমুরবিপ্রবির সহকারী প্রক্টর | বাংলাদেশ প্রতিদিন"Bangladesh Pratidin (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৯-২৪ 
  21. BanglaNews24.com। "ছাত্রদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সহকারী প্রক্টরের পদত্যাগ :: BanglaNews24.com mobile"banglanews24.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৯-২৪ 
  22. পারভীন, শাহনাজ (২০১৯-০৯-২২)। "'প্রশাসন থেকেই শিক্ষার্থীদের উপর হামলার সিদ্ধান্ত'" (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৯-২৪ 
  23. https://www.jagonews24.com/campus/news/529401। সংগ্রহের তারিখ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯  |শিরোনাম= অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য)
  24. "বশেমুরবিপ্রবিতে পানি ও খাবার সরবরাহ বন্ধ"The Daily Campus। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৯-২৪ 
  25. "পানি-বিদ্যুৎ নেই, বশেমুরবিপ্রবির আন্দোলন তবুও দমছে না"ডেইলি স্টার। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 
  26. "ভিসি বললেন- আন্দোলনের নামে ঝোপে ঝাড়ে ছাত্রছাত্রীরা"www.m.mzamin.com। সংগ্রহের তারিখ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 
  27. "'এক শর্তে পদত্যাগে রাজি গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি'"Poriborton (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 
  28. "পদত্যাগ করলেন ভিসি নাসির"NTV Online। সংগ্রহের তারিখ ১০ অক্টোবর ২০১৯ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]