মৌর্য্য সাম্রাজ্য

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(মৌর্য রাজবংশ থেকে পুনর্নির্দেশিত)
মৌর্য্য সাম্রাজ্য
मौर्यसाम्राज्यम्

খ্রিঃপূঃ ৩২২–খ্রিঃপূঃ ১৮৫
 

 

 

মৌর্য্য সাম্রাজ্যের সর্বাধিক বিস্তার
রাজধানী পাটলিপুত্র
ভাষাসমূহ প্রাচীন ভারতীয় ভাষাসমূহ (যেমন মাগধী প্রাকৃত, সংস্কৃত)
ধর্ম হিন্দু ধর্ম
বৌদ্ধ ধর্ম
জৈন ধর্ম
আজীবিক
সরকার রাজতন্ত্র
সম্রাট
 -  খ্রিঃপূঃ ৩২০-২৯৮ চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য্য
 -  খ্রিঃপূঃ ২৯৮-২৭২ বিন্দুসার
 -  খ্রিঃপূঃ ২৬৮-২৩২ অশোক
 -  খ্রিঃপূঃ ২৩২-২২৪ দশরথ
 -  খ্রিঃপূঃ ২২৪-২১৫ সম্প্রতি
 -  খ্রিঃপূঃ ২১৫-২০২ শালিশুক
 -  খ্রিঃপূঃ ২০২-১৯৫ দেববর্মণ
 -  খ্রিঃপূঃ ১৯৫-১৮৭ শতধনবান
 -  খ্রিঃপূঃ ১৮৭-১৮৫ বৃহদ্রথ
ঐতিহাসিক যুগ প্রাচীন ইতিহাস
 -  সংস্থাপিত খ্রিঃপূঃ ৩২২
 -  ভাঙ্গিয়া দেত্তয়া হয়েছে খ্রিঃপূঃ ১৮৫
আয়তন ৫০,০০,০০০ বর্গ কি.মি. (১৯,৩০,৫১১ বর্গ মাইল)
মুদ্রা Panas
বর্তমানে অংশ  আফগানিস্তান
 বাংলাদেশ
 ভুটান
 ভারত
 ইরান
 নেপাল
 পাকিস্তান
সতর্কীকরণ: "common_name" জন্য উল্লিখিত মান নয়।|- style="font-size: 85%;" সতর্কীকরণ: "মহাদেশের" জন্য উল্লিখিত মান সম্মত নয়

মৌর্য সাম্রাজ্য (সংস্কৃত: मौर्यसाम्राज्यम्) প্রাচীন ভারতে লৌহ যুগের একটি বিস্তীর্ণ ও সাম্রাজ্য ছিল। মৌর্য রাজবংশ দ্বারা শাসিত এই সাম্রাজ্য ৩২১ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে ১৮৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত টিকে ছিল। ভারতীয় উপমহাদেশের পূর্বদিকে সিন্ধু-গাঙ্গেয় সমতলভূমিতে অবস্থিত মগধকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল পাটলিপুত্র[১][২]

মৌর্য্য সাম্রাজ্য তৎকালীন যুগের অন্ততম বৃহত্তম সাম্রাজ্য হিসেবে পরিগণিত হত, শুধু তাই নয়, ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে এর চেয়ে বড় সাম্রাজ্য কখনো তৈরী হয়নি।[৩][৪] ৩২২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য্য নন্দ রাজবংশ উচ্ছেদ করে এই সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন এবং তারপর মহান আলেকজান্ডারের সেনাবাহিনীর পশ্চাৎ অপসারণের সুযোগে নিজ সামরিক শক্তিবলে মধ্য ও পশ্চিম ভারতের আঞ্চলিক রাজ্যগুলিকে জয় করে বিরাট সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন। ৩১৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দের মধ্যেই গ্রীক সত্রপগুলিকে পরাজিত করে মৌর্য্য সাম্রাজ্য সম্পূর্ণ উত্তর-পশ্চিম ভারত জুড়ে বিস্তৃত হয়।[৫] বর্তমান যুগের মানচিত্রের নিরিখে এই সাম্রাজ্য উত্তরে হিমালয়, পূর্বে অসম, পশ্চিমে বালুচিস্তানহিন্দুকুশ পর্বতমালা পর্য্যন্ত বিস্তৃত ছিল।[৫] চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য্যবিন্দুসার এই সাম্রাজ্যকে দক্ষিণ ভারতে বিস্তৃত করেন এবং অশোক কলিঙ্গ রাজ্য জয় করে সমগ্র দক্ষিণ ভারতে মৌর্য্য সাম্রাজ্যের শাসন প্রতিষ্ঠিত করেন। অশোকের মৃত্যুর পঞ্চাশ বছরের মধ্যেই ১৮৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দে এই সাম্রাজ্যের পতন ঘটে মগধে শুঙ্গ রাজবংশের উত্থান ঘটে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য্য ও চাণক্য[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধগুলি: চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য্য এবং চাণক্য

তক্ষশীলার[৬] ব্রাহ্মণ[৭] আচার্য্য[৮] এবং বিষ্ণুর উপাসক ছিলেন।.[৯] চাণক্যের সহায়তায় চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য্য একটি সুবিশাল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করেন। প্রবাদানুসারে, মগধ শাসনকারী নন্দ রাজবংশের সম্রাট ধননন্দ দ্বারা অপমানিত হয়ে চাণক্য নন্দ সাম্রাজ্য ধ্বংস করার প্রতিজ্ঞা করেন।[১০] চন্দ্রগুপ্তকথা নামক গ্রন্থানুসারে, চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য্যচাণক্যের সেনাবাহিনী প্রথমদিকে নন্দ সাম্রাজ্যের কর্তৃক পরাজিত হয়। কিন্তু চন্দ্রগুপ্ত এরপর বেশ কয়েকটি যুদ্ধে ধননন্দ ও তাঁর সেনাপতি ভদ্রশালাকে পরাজিত করতে সক্ষম হন এবং অবশেষে পাটলিপুত্র নগরী অবরোধ করে ৩২১ খ্রিটপূর্বাব্দে মাত্র কুড়ি বছর বয়সে নন্দ সাম্রাজ্য অধিকার করেন।[১১] বিশাখদত্ত রচিত মুদ্রারাক্ষস নামক সংস্কৃত নাটকে চাণক্যের কূটনৈতিক বুদ্ধির সহায়তায় চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য্যের শাসন প্রতিষ্ঠার ঘটনা বর্ণিত রয়েছে।

৩২৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মহান আলেকজান্ডারের মৃত্যুর পরে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য্য তাঁর সাম্রাজ্যের উত্তর পশ্চিম সীমান্তে অবস্থিত ম্যাসিডনীয় সত্রপ রাজ্যগুলির দিকে নজর দেন। তিনি পশ্চিম পাঞ্জাব ও সিন্ধু নদ উপত্যকা অঞ্চলের শাসক ইউদেমোসপাইথনের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হন বলে মনে করা হয়।[nb ১] আলেকজান্ডারের মৃত্যুর পর ব্যাক্ট্রিয়াসিন্ধু নদ পর্য্যন্ত তাঁর সাম্রাজ্যের পূর্বদিকের অংশ সেনাপতি প্রথম সেলেউকোস নিকাতোরের অধিকারে আসে। ৩০৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তিনি চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য্যের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হন। এই সংঘর্ষের সঠিক বর্ণনা পাওয়া যায় না, কিন্তু যুদ্ধে পরাজিত হয়ে প্রথম সেলেউকোস নিকাতোর তাঁকে আরাকোশিয়া, গেদ্রোসিয়াপারোপামিসাদাই ইত্যাদি সিন্ধু নদের পশ্চিমদিকের বিশাল অঞ্চল[১৩][১৪] অঞ্চল সমর্পণ করতে[১৫] এবং নিজ কন্যাকে তাঁর সাথে বিবাহ দিতে বাধ্য হন।[nb ২] চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য্যের সঙ্গে মৈত্রী চুক্তির পর প্রথম সেলেউকোস নিকাতোর পশ্চিমদিকে প্রথম আন্তিগোনোস মোনোফথালমোসের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হন।[nb ৩] চন্দ্রগুপ্ত প্রথম সেলেউকোস নিকাতোরকে ৫০০টি যুদ্ধ-হস্তী দিয়ে সহায়তা করেন।[১৫][১৭][১৮], যা ইপসাসের যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে তাঁকে জয়লাভে সহায়তা করে।

এরপর চন্দ্রগুপ্ত দক্ষিণ ভারতের দিকে অগ্রসর হন। তিনি বিন্ধ্য পর্বত পেরিয়ে দাক্ষিণাত্য মালভূমির সিংহভাগ দখল করতে সক্ষম হন। এর ফলে কলিঙ্গ ও দাক্ষিণাত্যের অল্পকিছু অংশ বাদে সমগ্র ভারত মৌর্য্য সাম্রাজ্যের অন্তর্গত হয়।[১১] সঙ্গম সাহিত্যের বিখ্যাত তামিল কবি মমুলনার মৌর্য্য সেনাবাহিনী দ্বারা দাক্ষিণাত্য আক্রমণের ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন।[১৯]

বিন্দুসার[সম্পাদনা]

মৌর্য বংশের চন্দ্রগুপ্ত পরবর্তী রাজার নাম রাজা বিন্দুসার। তাঁর রাজত্বকাল আনুমানিক ৩০০-২৭২ খ্রিস্টপূর্বাব্দ। একথা প্রচলিত আছে যে চন্দ্রগুপ্তের গুরু চাণিক্য প্রত্যহ সম্রাটকে অল্প পরিমানে বিষ সেবন করাতেন যেন তার শরীর বিষ প্রতিরোধক হতে পারে। একবার সম্রাট জানতেন না যে তার খাদ্যে বিষ মেশানো আছে এবং সেই খাবার তিনি তার সন্তানসম্ভবা স্ত্রী দুরধারার সাথে গ্রহন করেন, খাবার গ্রহনে দুরধারার মৃত্যু হয়। এসময় কক্ষে প্রবেশ করেন চাণিক্য তিনি অনাগত সন্তান কে বাচানোর জন্য দুরধারার পেট চিরে শিশু বিন্দুসার কে বের করেন, কিন্তু কিছু বিষ ইতোমধ্যেই শিশুর মাথায় উঠে এবং তার মাথার কিয়দংশে সারাজীবনের জন্য নীল রংএর দাগ বা বিন্দু স্থান পায় এবং এ থেকেই তার নাম হয় বিন্দুসার। উত্তরাধিকার সূত্রেই পিতার বিশাল সাম্রাজ্যের অধিকার হন তিনি। তিনি তার সাম্রাজ্যকে দক্ষিণে কর্ণাটক পর্য্যন্ত বিস্ত্রত করেছিলেন। তিনি ১৬ টি প্রদেশকে এক শাসনের অধীনে আনেন যদিওবা তিনি বন্ধুবৎসল দ্রাবিড় ও কোল সাম্রাজ্য আক্রমন করেননি। দক্ষিণের কলিঙ্গ প্রদেশ বাদে তিনি অধিকাংশ স্থানই তার শাসনের অধীন ই ছিল। বিন্দুসারের জীবন সম্পর্কে তেমন কোন সুনির্দিস্ট ইতিহাস পাওয়া যায়না যেমনটা পাওয়া যায় তার পিতা চন্দ্রগুপ্ত বা তার পুত্র মহামতি অশোক সম্পর্কে। মহাপন্ডিত চাণিক্য তার জীবদ্দশায় বিন্দুসারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অধিস্ঠিত ছিলেন। মধ্যযুগীয় তিব্বতীয় পন্ডিত তারানাথ এর মতে চাণিক্যের পরামর্শেই বিন্দুসার ১৬ টি প্রদেশের রাজাকে পরাজিত করেন এবং তা তার শাসনের অধিভুক্ত করেন। তার শাসন আমলে তক্ষশীলায় দুইবার বিদ্রোহ সংঘটিত হয় যার প্রথমটির কারন ছিলো বিন্দুসার পুত্র সুসীমের অপশাসন।

অশোক[সম্পাদনা]

বিন্দুসারের মৃত্যুর পরে তার পুত্র অশোক মৌর্য বংশের সিংহাসণে আরোহন করেন। তাঁর রাজত্ব কাল আনুমানিক ২৭২-২৩৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দ। তিনি ছিলেন প্রাচীন ভারতের সর্বশ্রেষ্ট সম্রাট। তিনি সূদীর্ঘ ৩৬ বছর রাজত্ব করেন তাঁর সিংহাসন লাভের বারো বছর পরে, কলিঙ্গ যুদ্ধে অসংখ্য জীবনহানির ঘটনায় তিনি মর্মাহত হন এবং বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করে অহিংস নীতির অনুসারী হন। তাঁর আমলে বৌদ্ধ ধর্মের ব্যাপক বিস্তার ঘটে।

পতন[সম্পাদনা]

অশোকের মৃত্যুর পরে মৌর্য বংশের শেষ নরপতি বৃপদ্রর্থ নিজ সেনাপতি কর্তৃক নিহত হবার পর, মৌর্য বংশের সমাপ্তি ঘটে।

পাদটীকা[সম্পাদনা]

  1. India, after the death of Alexander, had assassinated his prefects, as if shaking the burden of servitude. The author of this liberation was Sandracottos, but he had transformed liberation in servitude after victory, since, after taking the throne, he himself oppressed the very people he has liberated from foreign domination[১২]
  2. Always lying in wait for the neighboring nations, strong in arms and persuasive in council, he acquired Mesopotamia, Armenia, 'Seleucid' Cappadocia, Persis, Parthia, Bactria, Arabia, Tapouria, Sogdia, Arachosia, Hyrcania, and other adjacent peoples that had been subdued by Alexander, as far as the river Indus, so that the boundaries of his empire were the most extensive in Asia after that of Alexander. The whole region from Phrygia to the Indus was subject to Seleucus. He crossed the Indus and waged war with Sandrocottus [Maurya], king of the Indians, who dwelt on the banks of that stream, until they came to an understanding with each other and contracted a marriage relationship. Some of these exploits were performed before the death of Antigonus and some afterward.[১৬]
  3. After having made a treaty with him [Sandrakotos] and put in order the Orient situation, Seleucos went to war against Antigonus[১২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Kulke, Hermann; Rothermund, Dietmar (২০০৪)। A History of India। 4th edition. Routledge, Pp. xii, 448। আইএসবিএন 0-415-32920-5 
  2. Thapar, Romila (১৯৯০)। A History of India, Volume 1। New Delhi and London: Penguin Books. Pp. 384। আইএসবিএন 0-14-013835-8 
  3. Vaughn, Bruce (২০০৪)। "Indian Geopolitics, the United States and Evolving Correlates of Power in Asia"। Geopolitics 9 (2): 440–459 [442]। ডিওআই:10.1080/14650040490442944 
  4. Goetz, H. (১৯৫৫)। "Early Indian Sculptures from Nepal"। Artibus Asiae 18 (1): 61–74। ডিওআই:10.2307/3248838 
  5. ৫.০ ৫.১ Rajadhyaksha, Abhijit (২০০৯-০৮-০২)। "The Mauryas: Chandragupta"। Historyfiles.co.uk। সংগৃহীত ২০১২-০৩-০১ 
  6. The Indian Encyclopaedia by Subodh Kapoor (2002). Cosmo Publications. Page 1372. ISBN 978-81-7755-257-7. Retrieved 14 April 2012.
  7. Renu Saran (১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৪)। Chanakya। Diamond Pocket Books Pvt Ltd। পৃ: 4–। আইএসবিএন 978-93-5083-482-4 
  8. "Chanakya, The Legend"Chanakya National Law University। ২০১৩। সংগৃহীত ১৭ জুন ২০১৩ 
  9. "Sri Chanakya Niti-Sastra"। philosophy.ru। সংগৃহীত ১৭ জুন ২০১৩ 
  10. Sugandhi, Namita Sanjay (২০০৮)। Between the Patterns of History: Rethinking Mauryan Imperial Interaction in the Southern Deccan। পৃ: 88–89। আইএসবিএন 9780549744412 
  11. ১১.০ ১১.১ Mookerji, Radha Kumud (১৯৮৮) [১৯৬৬]। Chandragupta Maurya and his times Chandragupta Maurya and His Times (4th সংস্করণ)। Motilal Banarsidass। আইএসবিএন 81-208-0405-8 
  12. ১২.০ ১২.১ Justin"XV.4.19"। Historiarum Philippicarum libri XLIV। 
  13. Vincent A. Smith (1998). Ashoka. Asian Educational Services. ISBN 81-206-1303-1.
  14. Walter Eugene, Clark (১৯১৯)। "The Importance of Hellenism from the Point of View of Indic-Philology"। Classical Philology 14 (4): 297–313। ডিওআই:10.1086/360246 
  15. ১৫.০ ১৫.১ Ramesh Chandra Majumdar; Ancient India. Motilal Banarsidass Publ. 1977. ISBN 81-208-0436-8.
  16. Appian"The Syrian Wars"। History of Rome, 
  17. Tarn, W. W. (১৯৪০)। "Two Notes on Seleucid History: 1. Seleucus' 500 Elephants, 2. Tarmita"। The Journal of Hellenic Studies 60: 84–94। ডিওআই:10.2307/626263 
  18. Partha Sarathi Bose (2003). Alexander the Great's Art of Strategy. Gotham Books. ISBN 1-59240-053-1.
  19. Upinder Singh (১ সেপ্টেম্বর ২০০৮)। A History of Ancient and Early Medieval India: From the Stone Age to the 12th Century। Pearson Education India। পৃ: 30–। আইএসবিএন 978-81-317-1120-0। সংগৃহীত ৬ জুন ২০১২