মাহিষ্য

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
রাণী রাসমণি, কলকাতার দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা মাহিষ্য পরিবারের

মাহিষ্য হলো বাঙালি হিন্দু জাতি । মাহিষ্যদের বাংলায় শিক্ষিত ও উচ্চ জাতিগোষ্ঠী[১] হিসাবে ধরা হয়।[২][৩] এদের প্রধানত ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা এবং ওড়িশা রাজ্যে পাওয়া যায়। মাহিষ্যেরা পশ্চিমবঙ্গের - হাওড়াপশ্চিম মেদিনীপুরপূর্ব মেদিনীপুরহুগলি, উত্তর চব্বিশ পরগনাদক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, এবং নদিয়া জেলার মূলনিবাসী অধিবাসী। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে মাহিষ্যদের একটা প্রভাবশালী সম্প্রদায় হিসাবে ধরা হয়।[৪][৫][৬][৭]

উৎস[সম্পাদনা]

কৈবর্তরা উড়িষ্যা এবং মেদিনীপুরের পশ্চিমে অবস্থিত ছোটনাগপুর মালভূমির প্রাচীন অধিবাসী এবং এরা আর্যদের বাংলায় প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গেই হিন্দুধর্ম গ্রহণ করেন এবং এদের মধ্যে থেকে প্রাচীনকালে বেশ কিছু ব্রাহ্মণ হয়।[৮]

মেদিনীপুরের ঐতিহ্য অনুযায়ী, কৈবর্তদের আদি বাসস্থান ছিল অযোধ্যার সরযূ নদীর তীরবর্তী এলাকা। পাঁচজন সেনানায়কের নেতৃত্বে তারা মধ্য ভারত ও ছোটনাগপুর মালভূমি হয়ে মেদিনীপুরে আসেন এবং মেদিনীপুর জয় করে সেখানে তমলুক, বালিসীতা (বর্তমান ময়নাগড়), তুর্ক, সুজামাথা ও কুতুবপুরে পাঁচটি রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেন।[৯]

রিসলের মতে, কৈবর্তরা হলো আর্য ও দ্রাবিড় জনগোষ্ঠীর সংমিশ্রণে গড়ে ওঠা একটা জাতি। ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র মজুমদারের মতে মাহিষ্যরা( চাষী কৈবর্ত) বাংলার প্রাচীন জনগোষ্ঠী ও আর্য জাতির সংমিশ্রণে গড়ে ওঠা জাতি। ভারতীয় বিজ্ঞানী ও পরিসংখ্যানবিদ প্রশান্ত চন্দ্র মহলানবীশের মতে, কায়স্থ, কৈবর্ত ও সদগোপরা হলো যথার্থ বঙ্গজন প্রতিনিধি। [১০][১১]

প্রাচীন বাংলায়় কৈবর্তরা খুব প্রভাবশালী জনগোষ্ঠী ছিল ‌। বাংলায় বৌদ্ধ ধর্মের বিস্তার হলে এরা বেশিরভাগই বৌদ্ধ হয়ে যায় । কিন্তু বৌদ্ধ ভিক্ষুরা যারা জীবিকার জন্য পশুহত্যা করত, তাদের দীক্ষা দিতেন না। তাই কৈবর্তরা দুটো জনগোষ্ঠীতে ভাগ হয়ে যায়- চাষী কৈবর্ত এবং জেলে কৈবর্ত। চাষী কৈবর্তরা বৌদ্ধধর্মে দীক্ষা পেতেন, কিন্তু জেলে কৈবর্তরা পেতেন না। কিন্তু এরা উভয়েই বৌদ্ধ ছিল। পশ্চিমবঙ্গের চাষী কৈবর্ত ও পূর্ববঙ্গের মাহিষ্য(দাস ও পরাশর দাস) পরবর্তীতে একই জাতি গোষ্ঠী হিসেবে পরিগণিত হয়।[১২][১৩]

বর্ণ মর্যাদা[সম্পাদনা]

মনুসংহিতার প্রাচীন গ্রন্থ অনুসারে মাহিষ্য সম্প্রদায়ের মানুষজনের পিতা ক্ষত্রিয় ও মাতা বৈশ্য বর্ণের হয়ে থাকে। [১৪] [১৫] দক্ষিণ ভারতে যেমন সমাজ পুরোহিত, অপুরোহিত- এই ভাবে বিভক্ত ছিল; উত্তর ভারতের মতো চার বর্ণের অস্তিত্ব ছিল না। বাংলাতেও সমাজে অব্রাহ্মণ সকলকেই বিভিন্ন মর্যাদার শূদ্র বা সংকর পর্যায়ভুক্ত করা হয়েছিল। রমেশচন্দ্র মজুমদার এর কারণ হিসেবে বলেছেন, অতীতে বাংলায় তন্ত্র ও বৌদ্ধ ধর্মের প্রাধান্য ছিল; কিছুুু শ্রেণীর ব্রাহ্মণ এভাবে সমাজকে বিভক্ত করেন । অধ্যাপক মজুমদার এর মতে প্রাচীনকাল থেকেই কৈবর্তরা দুটি সম্প্রদায়ে বিভক্ত ছিল- কৃষিজীবী ও মৎস্যজীবী। মধ্যযুগীয়় বাংলায় পুরানে কৃষিজীবীরা 'উত্তম সংকর' এবং মৎসজীবীরা 'মধ্যম সংকর' পর্যায়ভুক্ত ছিল। উনবিংশ শতকে সংস্কৃতায়নের সময় মাহিষ্যরা নিজেদের ক্ষত্রিয় হিসাবে দাবি করেন।[১৬] এর কারণ হিসেবে তাদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সাফল্য এবং অতীতের 'গৌরবময় ইতিহাস' তুলে ধরা হয়।[১৭]

প্রাচীন বাংলায় মাহিষ্যেরা রাজ্যশাসন, জমিদারী, তালুকদারি, ও কৃৃৃষিকাজ করতেন ।[১৮][১৯] অনেকে রাজকর্মচারী ও সভাকবি ছিলেন। ঐতিহাসিক নীহাররঞ্জন রায়ের মতে এনাদের মধ্যে কেউ কেউ সংস্কৃতচর্চা ও কাব্য রচনা করেছেন; সেন রাজাদের রাজসভায় কবি পপীপ তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য। সদুক্তিকর্ণামৃত কাব্যসংকলনগ্রন্থে তার লেখা গঙ্গাস্তবের পদ বিনয়-মধুর ও সুন্দর।[২০]

বিংশ শতকের শুরু থেকেই সরকারের জনগণনা রিপোর্টে চাষী কৈবর্ত, মাহিষ্য ও মাহিষ্য-ক্ষত্রিয় পদগুলি একে অপরের পরিপূরক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এরা সদজাতি ও এদের স্বতন্ত্র পুরোহিত ছিল যারা 'ব্যাস ব্রাহ্মণ' নামে পরিচিত ছিলেন।[২১] গৌড়্য বৈদিক ব্রাহ্মণদের মতে মাহিষ্যরা(চাষী কৈবর্ত) বৈশ্য বর্ণের, কারণ তাদের বেশিরভাগেরই পেশা কৃষিকাজ ও বাণিজ্য, যা বৈদিক যুগ থেকে মূলত বৈশ্যদের পেশা।[২২] সম্প্রতি কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের রিপোর্ট অনুযায়ী মাহিষ্য ও চাষী কৈবর্তরা কার্যতক্ষেত্রে দুটি পৃথক জাতি হয়ে গেছে। মাহিষ্য নামের জাতিটি ক্ষত্রিয় বর্ণের ও জেনারেল কাস্ট, আর দাস/চাষী কৈবর্ত নামের জাতিটি শূদ্র বর্ণের ও ওবিসি তালিকাভুক্তির দাবি করেন, যা পরবর্তীতে মেনে নেওয়া হয়।[২৩][২৪] মাহিষ্য নামের জাতিটি সংখ্যাগুরু এবং বাংলার সর্ববৃহৎ জাতি ‌। বর্তমানে বেশিরভাগ মাহিষ্যরাই গৌড়ীয় বৈষ্ণব গুরুদের কাছ থেকে বৈষ্ণব মন্ত্রে দীক্ষা নিয়ে থাকেন ।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

বাংলার সর্ববৃহৎ, বৈচিত্র্যময় ও ঐতিহ্যপূর্ণ জনগোষ্ঠী হল মাহিষ্য।বিশিষ্ট ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র মজুমদারের মতে পূর্ব বঙ্গের মাহিষ্য তথা দাস(কৃষিজীবী) বা পরাশর দাস ও পশ্চিমবঙ্গের চাষী কৈবর্ত একই জাতি ধরা হত। পাল রাজা দ্বিতীয় মহীপালের সময় সামন্ত রাজা দিব্য-এর বিদ্রোহ করে বরেন্দ্রভূমি দখল এবং তিনি ও তাঁর দুই বংশধর রূদক ও ভীমের শাসন থেকে বোঝা যায় প্রাচীনকাল থেকেই বাংলায় রাষ্ট্র ও সমাজে মাহিষ্যদের যথেষ্ট প্রতিপত্তি ছিল।[২৫][২৬] ইতিহাসবেত্তা রোমিলা থাপরের মতে সামন্ত রাজাদের নেতৃত্বে নিজেদের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য এই লড়াই সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম সফল কৃষক বিদ্রোহ ।[২৭] মাহিষ্যদের মধ্যে অনেক জমিদার ও তালুকদার ছিলেন । মেদিনীপুরে এরা অতি সম্ভ্রান্ত শ্রেণী।[২৮] প্রাচীন বাংলায় মাহিষ্যরা রাজকর্মচারী ও রাজ্যশাসক ছিলেন। পূর্ববঙ্গের মাহিষ্যদের মধ্যে রাজকর্মচারী ও সভাকবি ছিলেন। নীহাররঞ্জন রায়ের মতে ব্রাহ্মণ, অম্বষ্ঠ-বৈদ্য, করন-কায়স্থ ছাড়াও মাহিষ্যদের এক সম্প্রদায় খুব প্রভাবশালী ছিলেন এবং পরবর্তীতেও খুব সম্ভবত সেই প্রভাব অক্ষুন্ন রেখেছিলেন।[২৯]

ঊনবিংশবিংশ শতকের শেষের দিকে সমাজে মাহিষ্যদের অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন মতবাদ লক্ষ্য করা গেছে। প্রাচীনপন্থী সংস্কৃতজ্ঞ পণ্ডিত রাজেন্দ্রলাল মিত্রের মতে, মাহিষ্যরা ক্ষুদ্র চাষী সম্প্রদায়ের যারা আধুনিকতাকে অর্থাৎ বিদ্যালয় শিক্ষা গ্রহণ করতে পারত না। কিন্তু যোগেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যর ১৮৯৬ সালে বাংলার "হিন্দুবর্ণ ও সম্প্রদায়"-এর উপর রচিত প্রধান গ্রন্থ অনুসারে প্রতীয়মান হয় যে, মাহিষ্যরা যথেষ্ট উন্নত জাতের, মেদিনীপুরের পরিসংখ্যানে তারা আধা-রাজকীয় পরিবারের অন্তর্ভুক্ত, আইনজীবি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক সহ বেশিরভাগই বিভিন্ন পেশায় নিযুক্ত মানুষ।[৩০] মাহিষ্যরা সম্ভবত সর্বাধিক বিচিত্র বাঙালি জাত বাংলার। তারা ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত ভাবে সচ্ছল আর্থিক অবস্থা অর্জন করেছে। তাদের মধ্যে মেদিনীপুরের কিংবদন্তি রাজা বা জমিদার  ―  যেমন ছিলেন শাসমলেরা বা কলকাতার জানবাজারের বাসিন্দা রাণী রাসমণি। অপর দিকে মাহিষ্যদের মধ্যে বহু সংখ্যক আইনজীবী ও উদ্যোগপতিও ছিলেন। যেমন এরা ছিলেন ―  বিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে হাওড়ার আয়রন ফাউণ্ড্রি সেক্টরের আলামোহন দাশের পরিবার ও অসংখ্য সৎ ও বিনয়ী উদ্যোক্তারা। তবুও তাদের বেশিরভাগই মানুষজন ছিলেন সম্ভবত ক্ষুদ্র চাষীই। ১৮৬০ দশকে পূর্ব মেদিনীপুরের একচেটিয়া লবণের ব্যবসা বন্ধের ফলে তারা সে জমি পুনরুদ্ধার করে। সেই সঙ্গে কেউ কেউ গৃহস্থালির কাজে অথবা কৃষি মজদুর হিসাবে কাজ করতে থাকেন। এদের কেউ সৈন্য হিসাবে কাজ করত এবং অনেকে প্রফেশনাল এবং অফিশিয়াল কাজ করত‌।[৩১] যদিও তাদের অনেকেই গ্রামীণ এলাকায় পুরুষানুক্রমে কাজে লিপ্ত থাকেন, মাহিষ্য সম্প্রদায়ের বহুসংখ্যক মানুষ কৃষিকাজ ছেড়ে হাওড়া ও কলকাতার শহুরে এলাকায় ইঞ্জিনিয়ারিং এবং প্রশিক্ষিত কর্মী হিসাবে কাজ করতে থাকেন। হাওড়ায় মাহিষ্যেরা সংখ্যায় অনেক এবং প্রায় সবাই সফল ব্যবসায়ী। বিশ শতকের শুরুতে জেলার বেশিরভাগ জমি ও কারখানার মালিক ছিলেন কায়স্থ সম্প্রদায়ের। কিন্তু ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দে প্রায় ৬৭ শতাংশ ইঞ্জিনিয়ারিং - সামগ্রীর ব্যবসা মাহিষ্যেরা নিয়ে নেয়।[৩২][৩৩][৩৪]

স্বাধীনতা আন্দোলনে ভূমিকা[সম্পাদনা]

দেশপ্রাণ বীরেন্দ্রনাথ শাসমল[৩৫] ছিলেন মাহিষ্য সম্প্রদায়ের মূল রাজনৈতিক নেতা যিনি মেদিনীপুরে অসহযোগ আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন  এবং ১৯২০ দশকে কলকাতার মেয়র পদে সুভাষচন্দ্র বসুর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন।

১৯৪০ এর দশকে কংগ্রেসের জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে মাহিষ্যেরা মেদিনীপুরে ও দক্ষিণ বঙ্গে সামগ্রিকভাবে ছিলেন আসল শক্তি। প্রকৃতপক্ষে, ভারত ছাড়ো আন্দোলনে বেশিরভাগ নেতা ও আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীরা ছিলেন মাহিষ্য। তারা তমলুকে সমান্তরাল জাতীয় সরকার  ― তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকার গঠন করেন এবং এটি প্রায় দু-বছর চলেছিল। সরকারের নিজস্ব সেনাবাহিনী,  বিচার ব্যবস্থা ও অর্থ দপ্তর ছিল। সমান্তরাল জাতীয়  সরকারের মুখপত্র বিপ্লবী ইংরাজীতে প্রকাশিত হত। মূল মুখপত্রের কপি দিল্লির নেহেরু মেমোরিয়াল মিউজিয়া অ্যান্ড লাইব্রেরীতে আজো সংরক্ষিত আছে। সেসময় বাংলার গান্ধীবাদী নেতা সতীশচন্দ্র সামন্ত ছিলেন একজন মাহিষ্য।[৩৬][৩৭]

সামাজিক কলঙ্ক[সম্পাদনা]

যদিও মাহিষ্যদের সেসময় আর্থিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থান উল্লেখযোগ্য ছিল, কিন্তু কেবল কৃষিভিত্তিক সমাজের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কারণে উচ্চবর্ণের দ্বারা অনেক সময় হেনস্থা বা অপদস্থ হতে হয়েছে। মহিষ্যরা শারীরিক শ্রমের প্রতি বিরূপ হননি (প্রায়শই "উচ্চ বর্ণের" দ্বারা সম্মানিত বিবেচনা করা হয়); [৩২] উদাহরণ স্বরূপ উল্লেখ করা যায় যে, অতি দক্ষ প্রশাসক হওয়া সত্বেও কেবলমাত্র জাতের দোহাই দিয়ে বীরেন্দ্রনাথ শাসমলকে কলকাতা কর্পোরেশনের  এক্সিকিউটিভ অফিসার হতে দেন নি তৎকালীন উচ্চ বর্ণের মানুষ এই কারণে যে, শহরের কায়স্থেরা বিক্ষুব্ধ হবেন।[৩৮][৩৯] শেষ পর্যন্ত সেই পদে সুভাষ চন্দ্র বসু নিযুক্ত হন।[৪০]

পদবী সমূহ[সম্পাদনা]

মাহিষ্য সম্প্রদায়ের বেশির ভাগের পদবী : মন্ডল, সিংহ, আর্য, চৌধুরী, রায়চৌধুরী, অধিকারী, গোস্বামী, কবিরাজ, ওঝা, উকিল, পুরকায়স্থ, তরফদার, আদক, সাঁতরা, ভৌমিক, প্রামাণিক, দাস, সরকার, রায়, মজুমদার, বিশ্বাস, মল্লিক, মণ্ডল, কর, শাসমল, পট্টনায়ক, নায়ক, মাইতি, জানা, বেরা, ধাড়া, গিরি, মান্না, দিন্দা, কারক, সামন্ত, হাজরা প্রভৃতি হয়ে থাকে।[৪১]

বিশিষ্ট মাহিষ্যেরা[সম্পাদনা]

আধ্যাত্মিক[সম্পাদনা]

স্বাধীনতা সংগ্রামী[সম্পাদনা]

উদ্যোগপতি[সম্পাদনা]

  • আলামোহন দাশ, অগ্রণী বাঙালি শিল্পপতি, ইন্ডিয়া মেসিনারি কোম্পানীর প্রতিষ্ঠাতা। এঁর স্মৃতিতে হাওড়ার শিল্পশহর দাশনগরের নামকরণ।

সাংবাদিক[সম্পাদনা]

  • সুনীল জানা, বামপন্থী ফটো সাংবাদিক এবং ডকুমেন্টারি ফটোগ্রাফার

ক্রীড়াবিদ[সম্পাদনা]

  • শৈলেন মান্না,  ভারতীয় ফুটবলার - বিশ্বের দশ শ্রেষ্ঠ অধিনায়কের  মধ্যে এশিয়া মহাদেশের একমাত্র অধিনায়ক। (ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ইংলিশ এফএ -এর বিচারে)
  • অশোক দিন্দা, ভারতীয় ক্রিকেটার।

শিক্ষাবিদ[সম্পাদনা]

রাজনীতিবিদরা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Pfeffer, Georg; Behera, Deepak Kumar (১৯৯৭)। Contemporary Society: Developmental issues, transition, and change (ইংরেজি ভাষায়)। Concept Publishing Company। আইএসবিএন 978-81-7022-642-0 
  2. Chatterjee, Partha (১৯৯৭)। The Present History of West Bengal: Essays in Political Criticism। Oxford University Press। পৃষ্ঠা 73। আইএসবিএন 978-0-19-563945-2 
  3. Das, Pyari Mohan। The Mahishyas 
  4. Beech, Robert Paul; Beech, Mary Jane (১৯৬৯)। South Asia Series Occasional Paper (ইংরেজি ভাষায়)। Asian Studies Center, Michigan State University। 
  5. Tropical Man (ইংরেজি ভাষায়)। E.J. Brill। ১৯৭২। 
  6. Chatterjee, Gouripada (১৯৮৬)। Midnapore, the Forerunner of India's Freedom Struggle (ইংরেজি ভাষায়)। Mittal Publications। 
  7. Others (১৯৯১)। Reader In Urban Sociology (ইংরেজি ভাষায়)। Orient Blackswan। আইএসবিএন 978-0-86311-152-5 
  8. Chatterjee, Gouripada (১৯৮৬)। Midnapore, the Forerunner of India's Freedom Struggle (ইংরেজি ভাষায়)। Mittal Publications। পৃষ্ঠা ১৫৬,১৫৭। 
  9. Chatterjee, Gouripada (১৯৮৬)। Midnapore, the Forerunner of India's Freedom Struggle (ইংরেজি ভাষায়)। Mittal Publications। পৃষ্ঠা 158। 
  10. Roy, Nihar Ranjan। Bangalir itihas adiparba। Dey's Publishing। পৃষ্ঠা 38। 
  11. Sengupta, Nitish (২০১১)। Land of Two Rivers। পৃষ্ঠা 30। 
  12. Roy, Samaren (১৯৯৯)। The Bengalees: Glimpses of History and Culture (ইংরেজি ভাষায়)। Allied Publishers। পৃষ্ঠা 39, 42। আইএসবিএন 978-81-7023-981-9 
  13. Majumdar, Ramesh Chandra। Bangladesher Itihas। পৃষ্ঠা 178। 
  14. Agarwalla, Shyam. S. (১৯৯৮)। Religion and Caste Politics। Rawat Publications। পৃষ্ঠা 133। 
  15. Kumar, Sangeet (২০০৫)। Changing Role of the Caste System: A Critique। Rawat Publications। পৃষ্ঠা 48। আইএসবিএন 8170338816 
  16. Sarma, Jyotirmoyee (১৯৮০)। Caste Dynamics Among the Bengali Hindus (ইংরেজি ভাষায়)। Firma KLM। আইএসবিএন 978-0-8364-0633-7 
  17. Chakrabarty, Bidyut (১৯৯৭)। Local Politics and Indian Nationalism, Midnapur, 1919-1944 (ইংরেজি ভাষায়)। Manohar Publishers & Distributors। আইএসবিএন 978-81-7304-158-7 
  18. Man and Life (ইংরেজি ভাষায়)। Institute of Social Research and Applied Anthropology। ১৯৯২। 
  19. Ray, Niharranjan (১৯৯৪)। History of the Bengali People: Ancient Period (ইংরেজি ভাষায়)। Orient Longman। আইএসবিএন 978-0-86311-378-9 
  20. Roy, Nihar Niranjan। Bangalir Itihas Aadi parba। পৃষ্ঠা 229। 
  21. MITRA, A. (১৯৫১)। THE TRIBES AND CASTES OF WEST BENGAL। Alipore, West Bengal: LAND AND LAND REVENUE DEPARTMENT। পৃষ্ঠা 22,32,65। 
  22. Sharma, Jyotirmoyee (১৯৮০)। CASTE DYNAMICS AMONG THE BENGALI HINDUS। Calcutta: Firma KLM Pvt. LTD.। পৃষ্ঠা 117,118,119,120। 
  23. "Seventh Report: WB Commission for Backward Classes"। www.google.com। ১৯৮৪। 
  24. "Central List of OBCs for the State of West Bengal"। www.google.com 
  25. Majumdar, rameshchandra (১৯৪৫)। Bangla Desher Itihas। পৃষ্ঠা 178। 
  26. MAJUMDAR, R. C. (১৯৭১)। HISTORY OF ANCIENT BENGAL। G. BHARADWAJ , CALCUTTA। 
  27. Thapar, Romila (২০১৩-১০-১৪)। The Past Before Us (ইংরেজি ভাষায়)। Harvard University Press। পৃষ্ঠা 501। আইএসবিএন 978-0-674-72651-2 
  28. Majumdar, rameshchandra (১৯৪৫)। Bangla Desher Itihas। পৃষ্ঠা 178। 
  29. Roy, Nihar Niranjan। Bangalir Itihas Aadi parba। পৃষ্ঠা 259। 
  30. Ray, Rajat Kanta; Ray, Professor and Head of the Department of History Rajat Kanta (১৯৮৪)। Social Conflict and Political Unrest in Bengal, 1875-1927 (ইংরেজি ভাষায়)। Oxford University Press। আইএসবিএন 978-0-19-561654-5 
  31. Singh, K. S.; India, Anthropological Survey of (১৯৯৮)। India's Communities (ইংরেজি ভাষায়)। Oxford University Press। আইএসবিএন 978-0-19-563354-2 
  32. Lessinger, Johanna M. (১৯৮২)। "The New Vaishyas.": 920–924। ডিওআই:10.1086/452603 
  33. Timberg, Thomas A. (১৯৭৮)। The Marwaris, from Traders to Industrialists (ইংরেজি ভাষায়)। Vikas। আইএসবিএন 978-0-7069-0528-1 
  34. Others (১৯৯১)। Reader In Urban Sociology (ইংরেজি ভাষায়)। Orient Blackswan। আইএসবিএন 978-0-86311-152-5 
  35. ".:: Legacy of Midnapore(Medinipur,Midnapur,Purba Medinipur, Paschim Medinipur,East Midnapore,West Midnapore)::."www.midnapore.in। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-১২-২২ 
  36. Sarkar, Sumit (১৯৮৯-০১-২৪)। Modern India 1885–1947 (ইংরেজি ভাষায়)। Springer। আইএসবিএন 978-1-349-19712-5 
  37. N.A (১৯৮২)। SARBADHINAYAK VOL.1 সর্বাধিনায়ক খণ্ড.১। TAMRALIPTA SWADHINATA SANGRAM ITIHAS COMMITTEE। 
  38. Rāẏa, Jībendu (১৯৯৩)। Prasaṅga, ekālera prabandha o samālocanā। Sāhityaśrī। 
  39. Maity, Sachindra (১৯৭৫)। Freedom Movement in Midnapore। Firma, K.L.। 
  40. Desk, Developer (২০২০-১০-২৬)। "মেদিনীপুরের মুকুটহীন সম্রাট 'দেশপ্রাণ' বীরেন্দ্র শাসমল : ১৪০ তম জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি"The Bengal Post (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৮-০১ 
  41. "Amader Podobir Itihaas by Lokeshwar Bosu | PDF"Scribd (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৯-২২ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]