নাসিরউদ্দিন নুসরাত শাহ
| নাসিরউদ্দিন নুসরাত শাহ | |
|---|---|
| বাংলার সুলতান | |
একটি আধুনিক ধারণাগত শিল্পকর্মে নাসিরুদ্দিন নুসরাত শাহ চিত্রিত। | |
| রাজত্ব | ১৫১৯-১৫৩৩ |
| রাজ্যাভিষেক | ১৫১৯ |
| পূর্বসূরি | আলাউদ্দিন হোসেন শাহ |
| উত্তরসূরি | দ্বিতীয় আলাউদ্দিন ফিরোজ শাহ |
| মৃত্যু | ১৫৩৩ |
| দাম্পত্য সঙ্গী | ইব্রাহিম লোদীর কন্যা |
| বংশধর | ফিরোজ শাহ চতুর্থ আরেক পুত্র (মুঙ্গেরের গভর্নর) |
| রাজবংশ | হোসেন শাহি রাজবংশ |
| পিতা | আলাউদ্দিন হোসেন শাহ |
| ধর্ম | ইসলাম (সুন্নি) |

নাসিরউদ্দিন নুসরাত শাহ (শাসনকাল ১৫১৯-১৫৩৩) ছিলেন সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের পুত্র।[১] তিনি তার পিতার অনুসৃত নীতি বজায় রাখেন। শাসনের প্রথমদিকে নতুন অঞ্চল জয় করে সালতানাতের অন্তর্ভুক্ত করলেও ১৫২৬ সালের পর তাকে মোগলদের সাথে ঘাঘরার যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে হয়। নাসির উদ্দিন নুসরাত শাহ এর সময় বাংলা সালতানাত তার সোনালী যুগে পৌছে।
প্রারম্ভিক জীবন ও পটভূমি
[সম্পাদনা]নসরত জন্মগ্রহণ করেছিলেন বাংলা সালতানাতের এক সম্ভ্রান্ত সুন্নি মুসলিম পরিবারে। তাঁর পিতা আলাউদ্দিন হোসেন শাহ ছিলেন হুসাইন শাহী বংশের প্রথম সুলতান- তাঁর আঠারো, মতান্তরে চব্বিশ পুত্র ও অন্তত এগারো কন্যা ছিল। নসরতের ভাইদের মধ্যে দানিয়াল ও মাহমুদ ছিলেন উল্লেখযোগ্য।[২] দানিয়াল, সুলতানের জ্যেষ্ঠ পুত্র হিসেবে, প্রথমে যুবরাজ নিযুক্ত হন, কিন্তু আসাম যুদ্ধে নিহত হন।
১৫১৫ সালে নসরত বাংলার যুবরাজ হিসেবে ঘোষিত হন এবং তাঁকে স্বতন্ত্রভাবে নিজের নামে মুদ্রা প্রচলনের অধিকার প্রদান করা হয়।[৩]
হুসেন শাহের ত্রিপুরা অভিযানের সময়, আরাকানের রাজা ত্রিপুরার ধন্য মানিক্যকে সহায়তা করেন এবং চট্টগ্রাম থেকে হুসেন শাহের কর্মকর্তাদের বহিষ্কার করেন। ১৫১৬ সালে হুসেন শাহ আরাকানের বিরুদ্ধে অভিযানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি ভূমিসেনার দায়িত্ব দেন পরাগল খানকে; এবং নসরতকে সমগ্র অভিযানের সর্বমুখী অধিনায়ক নিযুক্ত করেন।[৪] নসরতের আদেশে পরাগল খান ফেনী নদীর ঘাঁটি থেকে অগ্রসর হন। কালাদান নদীর পশ্চিম তীর পর্যন্ত দখলকৃত অঞ্চলের প্রশাসন তাঁর গভর্নরত্বাধীন ছিল। শত্রুতার অবসান সম্ভবত একই বছর, অর্থাৎ ১৫১৬ সালেই ঘটে, যখন ম্রাউক-উ রাজ্য চট্টগ্রাম ও উত্তর আরাকানের উপর বাংলার সার্বভৌমত্ব স্বীকার করে।[৫] এই সংঘাতের ফলে ম্রাউক-উ পুনরায় বাংলার সুলতানতের অধীনস্থ হয়।[৫] নসরত চট্টগ্রামের নামকরণ করেন ‘ফতেহাবাদ’, অর্থাৎ বিজয়ের নগরী। এই তথ্য পর্তুগিজ অভিযাত্রী জোয়াও দে সিলভেরার বিবরণেও সমর্থিত; তিনি ১৫১৭ সালে চট্টগ্রামে অবতরণকালে উল্লেখ করেন যে আরাকান তখন বাংলার সুলতানতের অধীনস্থ।[৬]
নসরত শাহ পার্শ্ববর্তী দিল্লি সালতানাতের শেষ সুলতান ও পশতুন শাসক ইব্রাহিম লোদীর কন্যাকে বিবাহ করেন।[৭]
শাসনকাল
[সম্পাদনা]
১৫১৯ সালে পিতা আলা-উদ-দীন হুসাইন শাহের মৃত্যুর পর নসরত নাসিরউদ্দীন নসরত শাহ উপাধি গ্রহণ করে বাংলার সিংহাসনে আরোহণ করেন। তিনি পিতার মৃত্যুর পর তাঁর ছোট ভাইদের (জ্যেষ্ঠভ্রাতা দানিয়াল আগেই মৃত্যুবরণ করেছিলেন) অন্ধ বা বন্দি না করে বরং তাঁদের প্রত্যেককে উচ্চ উপাধি ও প্রশাসনিক পদ প্রদান করেন। তাঁর ভাই মাহমুদ অন্তত ১৫২৬ সাল পর্যন্ত ‘‘আমির’’ পদে ছিলেন। বিশ শতকের ইতিহাসবিদ যদুনাথ সরকার উল্লেখ করেছেন যে মাহমুদের প্রকৃত নাম ছিল আবদুল বদর এবং রাজকীয় প্রতীকের প্রারম্ভিক ব্যবহারের কারণে তাঁকেই যুবরাজ হিসেবে মনোনীত করা হয়েছিল বলে ধারণা করা যায়।[৮]
পিতার নীতি অনুসরণ করে নসরত শাহ তাঁর শাসনের প্রারম্ভেই সালতানাতের সীমানা সম্প্রসারিত করেন এবং খলিফাতাবাদকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রা-প্রচলনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলেন।[৯] নসরত শাহ বিহারের লোদি শাসনের পতনের সুযোগ নেন এবং লোহানি বিদ্রোহীদের সঙ্গে মিলিত হয়ে ১৫২২ সালের পরে টন্স নদী পর্যন্ত অঞ্চল দখল করেন।[১০] তাঁর শাসনকালে সালতানাত মিথিলা অঞ্চলে প্রবেশ করে, নসরত শাহ ওয়ৈনিবার রাজবংশের শাসকদের ১৫২৬ সালে পরাজিত করেন। লক্ষ্মীনাথ সিংহ, মিথিলার রাজা, যুদ্ধে নিহত হন।[১১][১২] মিথিলা জয় করার পরে নসরত তাঁর দুই ভগ্নিপতি আলাউদ্দিন ও মখদুম আলমকে দখলকৃত অঞ্চলের প্রশাসনের দায়িত্ব দেন।[১০]
বাবরের ভারতের আক্রমণের পর মাহমুদ লোদী ও তাঁর আফগান সহযোগীরা নিরাপত্তার জন্য বাংলায় আশ্রয় নেন। বাবর তাঁর আত্মজীবনীতে নসরত শাহকে “নসরত শাহ বাঙালি” বলে উল্লেখ করেছেন।[১৩] ১৫২৭ সালে বাবর বাংলার প্রতি নসরত শাহের মনোভাব ও সালতানাত সম্পর্কে তথ্য জানার উদ্দেশ্যে দূত প্রেরণ করেন। নসরত শাহ প্রথমে তার জবাব না দিয়ে দূতকে বন্দি করেন; পরবর্তীতে শান্তিচুক্তি স্থাপনের লক্ষ্যে দূতকে মুক্তি দিয়ে বাবরের কাছে উপঢৌকন প্রেরণ করেন। এতে সন্তুষ্ট হয়ে বাবর নসরতকে ভারতীয় উপমহাদেশের প্রধান শাসকদের অন্যতম হিসেবে বর্ণনা করেন এবং বাংলা সৈন্যদের কামানবিদ্যা ও নৌবাহিনীর প্রশংসা করেন; একই সঙ্গে তিনি বাংলার জনগণের শাসকের প্রতি আনুগত্যকেও স্বীকার করেন।[১৪]
আফগানদের প্ররোচনায় মোগলরা আফগান ও তাদের বাঙালি মিত্রদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। আফগানদের পরাজিত করার প্রচেষ্টায় মোগল সেনারা বাংলার দিকে অগ্রসর হয়। আফগানদের পথিমধ্যে পরাজিত করার চেষ্টা করতে করতে মুঘলরা বঙ্গের দিকে অগ্রসর হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় মাহমুদ ও শের খানের নেতৃত্বাধীন আফগান জোট চুনার ও বেনারস আক্রমণ করে, আর নসরত শাহ তাঁর সেনাপতি কুতুব খানকে পশ্চাৎদিক থেকে লখনৌ আক্রমণের নির্দেশ দেন। তবে শের বেনারস দখলে সফল হলেও এবং কুতুব খান কয়েকটি মুঘল বিচ্ছিন্ন বাহিনীকে প্রতিহত করলেও মাহমুদ তাঁর লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হন এবং বাবরের অগ্রগতির সংবাদে পলায়ন করেন। [১৫] বাবর তিরহুত দখল করে বক্সারে পৌঁছান এবং বাংলার সৈন্যদের ঘাঘরার তীর থেকে প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান। নসরত শাহের প্রত্যাখ্যানের ফলে ১৫২৯ সালের ৬ মে ঘাঘরার যুদ্ধ সংঘটিত হয়, যেখানে মোগল, আফগান ও বাঙালি বাহিনীর মধ্যে যুদ্ধ হয়। মোগলরা যুদ্ধে বিজয়ী হয় এবং তাদের প্রভাব বিহারের ঘাঘরার পূর্ব তীরে পর্যন্ত বিস্তৃত হয়, যদিও তারা বাংলায় প্রবেশ করেনি।[১৬] নসরত শাহ তবুও বাংলার স্বাধীন মর্যাদা বজায় রাখতে সক্ষম হন।[১৭]
একজন দূরদর্শী শাসক হিসেবে নসরত শাহ লোদী ও রাজপুতদের পরিণতি দেখে মোগলদের সঙ্গে যুদ্ধে যাওয়াকে অবিবেচক মনে করেন। তাই তিনি ১৫৩১ সালের দৌরাহ যুদ্ধে আফগানদের সঙ্গে যোগ দেননি, যেখানে হুমায়ুন মাহমুদ লোদীর নেতৃত্বাধীন আফগানদের পরাজিত করেন। তবুও হুমায়ুনের প্রতিশোধের আশঙ্কায় নসরত শাহ গুজরাটের সুলতান বাহাদুর শাহের সঙ্গে মিত্রতা স্থাপনের লক্ষ্যে দূত প্রেরণ করেন; তবে এই জোট কার্যকর হওয়ার আগেই তিনি পিতার সমাধি পরিদর্শনের সময় এক দাসের হাতে নিহত হন।[১৮][১৯]
ধারণা করা হয়, নসরত শাহ গৌড় নগরের কদম রসুল মসজিদের নিকটে সমাধিস্থ হন। হেনরি ক্রেইটন গৌড়ে আলাউদ্দিন হুসাইন শাহ ও নসরাত শাহের কালো পাথরের কবর দেখেছিলেন, যা পরবর্তীতে নিখোঁজ হয়, সম্ভবত ইংরেজদের দ্বারা অপসারিত।[২০]
নাসরাত শাহের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র দ্বিতীয় আলাউদ্দিন ফিরোজ শাহ সিংহাসনে আরোহণ করেন। তিনি পিতার শাসনামলে চট্টগ্রামের গভর্নর ছিলেন। তবে মাত্র তিন মাসের মধ্যেই নসরতের ভাই মাহমুদ ফিরোজ শাহকে হত্যা করে সিংহাসন দখল করেন এবং গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ উপাধি ধারণ করেন। বাবরের আত্মজীবনী অনুযায়ী, নসরতের অপর পুত্র মুঙ্গেরের গভর্নর ছিলেন; তিনিই লস্কর-ওয়াজির হুসাইন খানের সঙ্গে পিতাকে বাবরের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি করান।[২১][২২]
নসরত শাহ, তাঁর পিতার ন্যায়, সমগ্র শাসনকাল জুড়ে উদার মনোভাব বজায় রাখেন এবং তাঁর নির্দেশে মহাভারত- এর প্রথম বাংলা অনুবাদ সম্পন্ন হয়। [২৩] যদুনাথ সরকার উল্লেখ করেছেন যে, “মুঘলদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের ক্ষেত্রে তিনি নিজেকে একজন বিচক্ষণ কূটনীতিক ও দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে প্রমাণ করেছিলেন।”[২৪] নসরত তাঁর পিতার বাণিজ্যিক সম্পর্কও বজায় রাখেন, এবং তাঁর শাসনকালে বঙ্গ এশীয় বাণিজ্যের একটি প্রধান কেন্দ্র ছিল। ১৫২১ সালে একটি পর্তুগিজ দূতাবাস নসরতের দরবার পরিদর্শন করে তাঁর দরবারের জাঁকজমক সম্পর্কে বিবরণ রেখে যায়:
উক্ত প্রাঙ্গণের শেষ প্রান্তে চন্দনকাঠের মোটা স্তম্ভের উপর স্থাপিত এক বৃহৎ আসনমঞ্চ ছিল; উপরিভাগের স্তম্ভগুলি তুলনায় সরু হলেও সবই খোদিত … অসংখ্য স্বর্ণমণ্ডিত ডালপালা ও ক্ষুদ্র পাখির অলংকরণে; এবং উপরের ছাদও একইভাবে... এক চাঁদ ও এক সূর্য, অসংখ্য নক্ষত্রসহ, সর্বত্র স্বর্ণমণ্ডিত। তারপর আমরা অবশেষে সুলতানের সম্মুখীন হলাম। তিনি জাঁকজমকের সঙ্গে এক বৃহৎ স্বর্ণখচিত সিংহাসনে উপবিষ্ট ছিলেন, যা... অসংখ্য বড় ও ছোট বালিশে আচ্ছাদিত, সবই সূচিকর্মে অলংকৃত এবং বহু মূল্যবান রত্ন ও মুক্তাদানায় সজ্জিত। তাঁর সম্মুখে উপস্থিত হয়ে আমরা দেশের প্রথা অনুসারে তাঁকে প্রণাম জানালাম, বক্ষের উপর হাত স্থাপন করে এবং যতদূর সম্ভব মাথা নত করে।[২৫]
নসরত শাহ তাঁর শাসনামলে সমগ্র রাজ্যে বহু মসজিদ নির্মাণের নির্দেশ দেন। ১৫১৬ সালে যুবরাজ হিসেবে নসরত চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোপীনাথপুরে একটি মসজিদ নির্মাণের নির্দেশ দেন। [২৬] তিনি ১৫২৪ সালে রাজশাহীতে বাঘা মসজিদ নির্মাণ সম্পন্ন করেন,[২৭] এবং ১৫২৬ খ্রিষ্টাব্দে গৌড়ে সোনা মসজিদ নির্মাণ করেন। ১৫২৭ সালে তাঁর ‘‘সর-ই-লস্কর’’ মুখতিয়ার খান উত্তর প্রদেশের আজমগড় জেলার সিকান্দারপুরে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন,[২৮] যা প্রমাণ করে যে তাঁর পিতা দখলকৃত উত্তর প্রদেশের অঞ্চলে তখনও বাংলার প্রভাব বজায় ছিল।[২৯] তিনি ১৫৩২ সালে বরিশালে নসরত গাজীর মসজিদ নির্মাণ করেন।[৩০]
শা.
| পূর্বসূরী আলাউদ্দিন হোসেন শাহ |
বাংলা সালতানাত হোসেন শাহি রাজবংশ ১৫১৯–১৫৩৩ |
উত্তরসূরী দ্বিতীয় আলাউদ্দিন ফিরোজ শাহ |
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ M.H. Syed, History of Delhi Sultanate ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২১ জুন ২০১৪ তারিখে, pp.237-238.
- ↑ ইসলাম, সিরাজুল; মিয়া, সাজাহান; খানম, মাহফুজা; আহমেদ, সাব্বীর, সম্পাদকগণ (২০১২)। "বাংলাদেশ"। বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্বকোষ (২য় সংস্করণ)। ঢাকা, বাংলাদেশ: বাংলাপিডিয়া ট্রাস্ট, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। আইএসবিএন ৯৮৪৩২০৫৯০১। ওসিএলসি 883871743। ওএল 30677644M।
- ↑ Sarkar, Jadunath, ed. History of Bengal Vol. 2. B. R. Publishing, Delhi, 1943. Internet Archive. https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.24396/page/n152/mode/1up
- ↑ Muhammad Abdur Rahim (১৯৫৭)। [(https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.98855/page/n48/mode/1up) Journal of the Asiatic Society of Pakistan, Vol. II: Chittagong under Pathan Rule in Bengal]। Asiatic Society of Pakistan। পৃ. ৪৮।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|url=মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - 1 2 উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;বাংলাদেশের ইতিহাসনামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ Muhammad Abdur Rahim (১৯৫৭)। [(https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.98855/page/n48/mode/1up) Journal of the Asiatic Society of Pakistan, Vol. II: Chittagong under Pathan Rule in Bengal]। Asiatic Society of Pakistan। পৃ. ৪৮।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|url=মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ Sen, Sailendra (২০১৩)। A Textbook of Medieval Indian History। Primus Books। পৃ. ১২০–১২১। আইএসবিএন ৯৭৮-৯-৩৮০৬০-৭৩৪-৪।
- ↑ Sarkar (1973), পৃ. 159।
- ↑ ইসলাম, সিরাজুল; মিয়া, সাজাহান; খানম, মাহফুজা; আহমেদ, সাব্বীর, সম্পাদকগণ (২০১২)। "বাংলাদেশ"। বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্বকোষ (২য় সংস্করণ)। ঢাকা, বাংলাদেশ: বাংলাপিডিয়া ট্রাস্ট, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। আইএসবিএন ৯৮৪৩২০৫৯০১। ওসিএলসি 883871743। ওএল 30677644M।
- 1 2 Sarkar (1943), পৃ. 153।
- ↑ Schwartzberg, Joseph (১৯৯২)। A Historical Atlas of South Asia। University of Chicago Press। পৃ. ৪০। আইএসবিএন ৯৭৮০১৯৫০৬৮৬৯৬। ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ Mishra, Vijaykanta (১৯৫৩)। "Chronology of the Oiniwara Dynasty of Mithila"। Proceedings of the Indian History Congress। ১৬: ২০০–২১০। জেস্টোর 44303873।
- ↑ Beveridge, Annette Susannah (১৯২২)। [(https://archive.org/details/baburnamainengli02babuuoft/page/676/mode/1up) The Babur-nama in English (Memoirs of Babur)]। London: Luzac। সংগ্রহের তারিখ ১২ নভেম্বর ২০২৫ – Internet Archive এর মাধ্যমে।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|url=মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য);|work=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ ইসলাম, সিরাজুল; মিয়া, সাজাহান; খানম, মাহফুজা; আহমেদ, সাব্বীর, সম্পাদকগণ (২০১২)। "বাংলাদেশ"। বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্বকোষ (২য় সংস্করণ)। ঢাকা, বাংলাদেশ: বাংলাপিডিয়া ট্রাস্ট, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। আইএসবিএন ৯৮৪৩২০৫৯০১। ওসিএলসি 883871743। ওএল 30677644M।
- ↑ Sarkar (1943), পৃ. 155।
- ↑ ইসলাম, সিরাজুল; মিয়া, সাজাহান; খানম, মাহফুজা; আহমেদ, সাব্বীর, সম্পাদকগণ (২০১২)। "বাংলাদেশ"। বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্বকোষ (২য় সংস্করণ)। ঢাকা, বাংলাদেশ: বাংলাপিডিয়া ট্রাস্ট, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। আইএসবিএন ৯৮৪৩২০৫৯০১। ওসিএলসি 883871743। ওএল 30677644M।
- ↑ Erskine, William (১৮৫৪)। A History of India Under the Two First Sovereigns of the House of Taimur, Báber and Humáyun। Longman, Brown, Green, and Longmans।
- ↑ ইসলাম, সিরাজুল; মিয়া, সাজাহান; খানম, মাহফুজা; আহমেদ, সাব্বীর, সম্পাদকগণ (২০১২)। "বাংলাদেশ"। বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্বকোষ (২য় সংস্করণ)। ঢাকা, বাংলাদেশ: বাংলাপিডিয়া ট্রাস্ট, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। আইএসবিএন ৯৮৪৩২০৫৯০১। ওসিএলসি 883871743। ওএল 30677644M।
- ↑ Sarkar, Jadunath, ed. History of Bengal Vol. 2. B. R. Publishing, Delhi, 1943. Internet Archive. (https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.24396/page/n179/mode/1up)
- ↑ ইসলাম, সিরাজুল; মিয়া, সাজাহান; খানম, মাহফুজা; আহমেদ, সাব্বীর, সম্পাদকগণ (২০১২)। "বাংলাদেশ"। বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্বকোষ (২য় সংস্করণ)। ঢাকা, বাংলাদেশ: বাংলাপিডিয়া ট্রাস্ট, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। আইএসবিএন ৯৮৪৩২০৫৯০১। ওসিএলসি 883871743। ওএল 30677644M।
- ↑ Beveridge, Annette Susannah (১৯২২)। [(https://archive.org/details/baburnamainengli02babuuoft/page/676/mode/1up) The Babur-nama in English (Memoirs of Babur)]। London: Luzac। সংগ্রহের তারিখ ১২ নভেম্বর ২০২৫ – Internet Archive এর মাধ্যমে।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|url=মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য);|work=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ Sarkar, Jadunath, ed. History of Bengal Vol. 2. B. R. Publishing, Delhi, 1943. Internet Archive. (https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.24396/page/n156/mode/1up)
- ↑ Sarkar (1943), পৃ. 159।
- ↑ Sarkar (1943), পৃ. 158।
- ↑ Shovelton, Emily (২০২১)। "Revisiting a Royal Sultanate Manuscript from Bengal: The Sharafnama of Nasir al-Din Nusrat Shah of 938/1531–2"। South Asia: Journal of South Asian Studies। ৪৪ (1): ২২৫–২৪৪। ডিওআই:10.1080/05786967.2021.1911759।
- ↑ Hasan, Sahidul (2021). *Epigraphic Sources: Bangladesh*. ResearchGate. Retrieved from https://www.researchgate.net/publication/348315119_Epigraphic_Sources_Bangladesh
- ↑ [টেরাকোটা শিল্পমণ্ডিত বাঘা মসজিদ দেশের এক ব্যতিক্রমী প্রত্নসম্পদ। The Daily Sangram। ৫ মার্চ ২০১৬। ৫ মার্চ ২০১৬ তারিখে [(http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=32784) মূল থেকে] আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|archive-url=মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য);|url=মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)](https://web.archive.org/web/20160305043444/http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=32784|archive-date=2016-03-05}}) - ↑ Ahmad Hasan Dani। ["Analysis of the Inscriptions"। Asiatic) Society Of Pakistan Vol-ii। পৃ. ৪৭।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|chapter-url=মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ Hussain, Syed Ejaz. Shiraz-i Hind: A History of the Jaunpur Sultanate. New Delhi: Manohar, 2017, p. 81. Available at: (https://www.academia.edu/36986170/Shiraz_i_Hind_A_History_of_Jaunpur_Sultanate)
- ↑ Bulbul, Saiful Ahsan (২০১২)। "নসরত গাজির মসজিদ, বাখরগঞ্জ"। বৃহত্তর বরিশালের ঐতিহাসিক নিদর্শন [Historical sites of Greater Barisal]। Dhaka: Gotidhara। আইএসবিএন ৯৭৮৯৮৪৮৯৪৫৯২৬।