হেমচন্দ্র চৌধুরী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
হেমচন্দ্র চৌধুরী
জাতীয়তাবাংলাদেশী
নাগরিকত্ববাংলাদেশ Flag of Bangladesh.svg
পেশারাজা, শিক্ষানুরাগী, দানবীর

[১] [২]

জন্ম[সম্পাদনা]

হেমচন্দ্র চৌধুরী ছিলেন একজন প্রভাবশালী রাজা, দানবীর, সমাজসেবক, দুরদৃষ্টিসম্পন্ন শাসক, দক্ষ নির্মাতা, সাহিত্যিক এবং বিদ্যানুরাগী। তিনি ১৮৩৩ সালে ( ১২৩৯ বঙ্গাব্দ) মধুপুর উপজেলার আমবাড়িয়ায় জন্মগ্রহণ করেন।[৩]

পরিবার[সম্পাদনা]

হেমচন্দ্রের পিতার নাম কালীচন্দ্র রায় এবং পিতামহের নাম পদ্মলোচন রায়। তার তিন বোন ছিল। এরা হলেন স্বর্ণময়ী দেবী স্বামী নীলকান্ত গাঙ্গুলী, ক্ষিরোদা সুন্দরী দেবী স্বামী গোবিন্দ চন্দ্র গাঙ্গুলী এবং বারোদা সুন্দরী দেবী স্বামী রজনীকান্ত গাঙ্গুলী। হেম চন্দ্রের চার পুত্র ও চার কণ্যা ছিল। পুত্রগণ হলেন হেরম্ভ চৌধুরী, গঙ্গেশ চৌধুরী, প্রফুল্ল চৌধুরী ও যোগেশ চৌধুরী। কণ্যাগণ হলেন সুরেন্দ্র বালা দেবী স্বামী সতীশ মুখার্জী, কিরণ বালা দেবী স্বামী বাদল মুখার্জী, সুমতি বালা দেবী স্বামী ‍মুরলিধর গাঙ্গুলী ও সুনীতি বালা দেবী স্বামী অজ্ঞাত (নাম জানা যায় নি)। হেমচন্দ্র চৌধুরীর বাবা কালী চন্দ্র রায়ের স্ত্রী ছিলেন দুইজন। হেম চন্দ্রের মাতা হরগঙ্গা দেবী ও সৎ মাতা ‍ছিলেন শশীমুখী দেবী

ধর্মীয় স্বভাব[সম্পাদনা]

হেমচন্দ্র চৌধুরী ছিলেন কুলীণ ব্রাক্ষ্মণ এবং ধর্মীয় নিষ্ঠাবান। নিজ সম্প্রদাযের জন্য উৎসর্গপ্রাণ হিসেবে পরিচিত হেমবাবু ছিলেন নাক উঁচিয়ে চলা স্বভাবের মানুষ। তার পরিবারের সবাই ‍ছিলেন উচ্চশিক্ষিত ও মার্জিত রুচিবোধসম্পন্ন।

চৌধুরী উপাধি[সম্পাদনা]

হেমচন্দ্র চৌধুরীর পিতামহ পদ্মলোচন রায় ছিলেন ভূস্বামী। তিনি ১৮৪৮ সালে (১২৫৪ বঙ্গাব্দ) পুথুরিয়া পরগনার জমিদার ভৈরবচন্দ্রের নিকট থেকে দুই আনার তালুক (ভূসম্পত্তি) কিনেছিলেন। তার মৃত্যুর পর হেমচন্দ্রের পিতা কালীচন্দ্র রায় ১৮৫৫ সালে (১২৬১ বঙ্গাব্দ) পরগনার বাকী চারআনা তালুকও নিলামে ক্রয় করেন। কালীচন্দ্র রায়ের মৃত্যুর পর হেমচন্দ্র রায় মুক্তাগাছার মহারাজা সূর্যকান্ত রায়ের সাথে টেক্কা দিয়ে জয়েনশাহী পরগনার পাঁচ আনা আড়াই গন্ডা তালুক নিলামে ক্রয় করেন। যা ছিল প্রায় ৮৫ হাজার একর পরিমাণ। তিনি রায় থেকে হলেন চৌধুরী। হেমচন্দ্র চৌধুরীর জমিদারি আমবাড়িয়া থেকে উত্তর টাঙ্গাইলসিরাজগঞ্জ জেলার প্রায় চার লক্ষ একরে প্রসারিত হয়।

বাসস্থান[সম্পাদনা]

হেমচন্দ্র চৌধুরী ১৮৮০ সালে (১২৮৬ বঙ্গাব্দ) মধুপুর উপজেলার আমবাড়িয়া রাজবাড়ি ত্যাগ করে গোপালপুর উপজেলার ঝাওয়াইল ইউনিয়নের সুবর্ণখালি গ্রামে নতুন রাজবাড়ি নির্মাণ করেন। তিনি সেখান থেকেই জমিদারি পরিচালনা শুরু করেন। সুবর্ণখালি ছিল যমুনা তীরের প্রসিদ্ধ নদীবন্দর। তখন কলকাতার সাথে সহজ যোগাযোগের কারণে সুবর্ণখালিতে আসাম ও কলকাতার স্টীমার আসতো। হেমচন্দ্র চৌধুরীসহ কয়েকজন হিন্দু জমিদারের উদ্দ্যোগ ও প্রচেষ্টায় ১৯০৫ সালে ময়মনসিংহ হতে জগন্নাথগঞ্জ ঘাট পর্যন্ত রেলওয়ে লাইন সম্প্রসারণ করা হয়। যা রেল ও স্টীমার যোগে ঢাকার সাথে কলকাতার যোগাযোগকে সহজ করে তোলে। হেমবাবু সুবর্ণখালি হতে সরিষাবাড়ি উপজেলার জগন্নাথগঞ্জ ঘাট পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার সড়কে হেরিংবন্ড করে টমটম বা পালকিতে যাতায়াতের ব্যবস্থা করেন। জানা যায়, এটিই গোপালপুর উপজেলার প্রথম পাঁকা সড়ক। ঊনবিংশ শতাদ্বির শেষ দশকে যমুনার করাল গ্রাসে বিলীন হয় সুবর্ণখালি নদীবন্দর ও হেমচন্দ্রের রাজবাড়ি। সুবর্ণখালি ঐতিহ্য হারিয়ে আজ সোনামুই/সোনামুখী নাম ধারণ করে টিকে আছে।

Hemnagar Rajbari is one of the most beautiful palace of King Hem Chandra Chowdhury. It is now in Hemnagar union under Gopalpur upazila in Tangail district.
Hemnagar Rajbari is one of the most beautiful palace of King Hem Chandra Chowdhury. It is now in Hemnagar union under Gopalpur upazila in Tangail district.
Hemnagar Rajbari is one of the most beautiful palace of King Hem Chandra Chowdhury. It is now in Hemnagar union under Gopalpur upazila in Tangail district.

বর্তমান রাজবাড়ি[সম্পাদনা]

হেমচন্দ্র চৌধুরী ১৮৯০ সালে (১২৯৬ বঙ্গাব্দ) শিমলাপাড়া মৌজায় নতুন একটি দ্বিতল রাজপ্রাসাদ নির্মাণ করেন। এটি সুবর্ণখালি থেকে তিন কিলোমিটার পুর্ব-দক্ষিণে অবস্থিত। অত্যন্ত কারুকর্য মন্ডিত, দামি কড়ি ও অপুর্ব পাথরে মোড়ানো অগ্রভাগে দুইটি পরীর ভাস্কর্যসমৃদ্ধ বাড়িটি লতাপাতার অপরুপ নকশায় তৈরি। দিল্লী ও কলকাতার কারিগর ও রাজমিস্ত্রি দিয়ে ইটসুরকির তৈরি বাড়িটি দেখে মনে হয় যেন শিল্পকর্ম। ৬০ একর জায়গার উপর শত কক্ষবিশিষ্ট এ বাড়িটিকে ডাকা হয় “পরীর দালান” নামে। উঁচু ও প্রসস্থ দেওয়ালে ঘেরা বাড়ির ভেতরে সুপেয় পানির জন্য একাধিক কূপ খনন করা হয়েছিল। সেখানে ছিল চিড়িয়াখানা, পূজামণ্ডপ, হাতিশালা ও ফুলের বাগান। পরীর দালানের সামনেই ছিল দ্বিতল নাটঘর। বাড়িটির ভেতরে ও সামনে রয়েছে পাকা সান (ইট ও সুরকির) বাঁধানো ঘাটসহ সুবিশাল পুকুর (দিঘি)। পরীর দালানের আশেপাশে স্বজনদের জন্য সান বাঁধা ঘাটসহ দিঘি ও পাকা বাড়িঘর নির্মাণ করা হয়েছিল। রাজবাড়ির অদুরে দক্ষিণদিকে গড়ে ওঠে বিশাল বাজার। এলাকাটি হেমচন্দ্র চৌধুরীর নামানুসারে “হেমনগর” নামকরণ করা হয়েছিল। বর্তমানে (১৯৭৯ সালে) বাড়িটিতে একটি মহাবিদ্যালয় (ডিগ্রী কলেজ) ([৪]) স্থাপন করা হয়েছে।[৫]

সংস্কৃতিতে অবদান[সম্পাদনা]

হেমচন্দ্র চৌধুরী ও তার বংশধররা সবাই ছিলেন উদার সংস্কৃতিমনা। তাদের নাটঘরে সে যুগের নামিদামি শিল্পীরা অভিনয় করতো। যাত্রাপালা হতো দুর্গাপুজার সময়। রাজবাড়ির সামনে বসতো কীর্তণের আসর। তবে মুসলমান ও নিচু জাতের হিন্দুদের সেখানে প্রবেশাধিকার ছিল না। হেমচন্দ্র চৌধুরীর তৃতীয় পুত্র প্রফুল্ল চন্দ্র ‍চৌধুরী ছিলেন বিখ্যাত ফুটবলার। পুর্ববঙ্গ ছাড়াও কলকাতায় দাপুটে ফুটবলার হিসেবে সুনাম ছিল। হেমচন্দ্র চৌধুরী পারিবারিকভাবে “হিতৈষী” নামে সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশ করতেন। কবি ও গীতিকার হিসেবে হেমবাবুর তৎকালে বেশ সুনাম ছিল।

প্রস্থান[সম্পাদনা]

হেমচন্দ্র চৌধুরীর মৃত্যুর পর তার উত্তরসুরিরা ১৯৪৬ সালে দেশ বিভাগের সময় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ভয়ে ভারতে পাড়ি জমান। জন্মভুমির মায়া ছাড়তে না পেরে শ্যামকান্ত গাঙ্গুলী ও তার পুত্র কমল গাঙ্গুলী হেমনগরে থেকে যান। কিন্তু ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধের সময় তারাও দেশত্যাগ করেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় হেমনগরের এই রাজবাড়িটি মুক্তিযোদ্ধারা আশ্রয় হিসেবে ব্যবহার করে।

অবদান[সম্পাদনা]

হেমচন্দ্র চৌধুরী অত্যন্ত দানবীর ও শিক্ষানুরাগী ছিলেন। তিনি ১৯০০ সালে তার মাতার (সৎ মাতা) নামে হেমনগর শশীমুখী উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয়[৬] স্থাপন করেন। কুঁড়ি একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টি এখনও শিক্ষার আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে। হেমবাবু গোপালপুরের সুতী ভিএম পাইলট হাই স্কুল[৭] ও পিংনা হাই স্কুল প্রতিষ্ঠায় জমি ও অর্থ দান করেন। এছাড়াও তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল স্কুল, ময়মনসিংহ ভিক্টোরিয়া হাসপাতাল নির্মাণে, ময়মনসিংহ পুরাতন হাসপাতালের সৌধ নির্মাণে, পিংনা দাতব্য চিকিৎসালয়, গোপালপুর বালিকা বিদ্যালয় এবং বরিশাল মুক ও বধির বিদ্যালয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ দান করেছিলেন। আনন্দমোহন কলেজ প্রতিষ্ঠায় শিলালিপিতে দশজন দাতার মধ্যে চতুর্থ স্থানে রয়েছে তার নাম। প্রজাসাধারণের পানীয় জলের সুবিধার্থে রাস্তার মোড়ে মোড়ে কূপ ও বহুসংখ্যক পুকুর খনন করেন। চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডের চন্দ্রনাথ মন্দির ও চন্দ্রনাথ পাহাড়ে তীর্থযাত্রীদের জন্য লোহার সেতু নির্মাণে এবং টাঙ্গাইল ফৌজদারী উকিলবার প্রতিষ্ঠায় সার্বিক সহায়তা করেন। প্রজাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার নানা কাহিনী লোকমুখে প্রচলিত আছে। হেমনগরে তিনি স্থাপন করেছিলেন হরদুর্গা দাতব্য চিকিৎসালয়। ম্যালেরিয়ার স্বর্গরাজ্য বলে কথিত এ অঞ্চলে তিনি বিংশ শতব্দির প্রথমার্ধে ডাকঘর মারফত মাসিক ১৫ পাউন্ড কুনলিন ঔষধ বিতরণ করেছিলেন। হেমনগর - গোপালপুর - আমবাড়িয়া সড়কও নির্মাণ করেন তিনি। রাজবাড়ির উত্তর-পুর্ব ‍দিকে সড়কের ত্রিমোহনায় লোহার ব্রিজ স্থাপন করেছিলেন।[৮]

আতিথ্যতা[সম্পাদনা]

রাজবাড়ির নিকটদুরে জমিদারের সুদৃশ্য বাংলো ছিলো। লাল রংয়ের গেট বিশিষ্ঠ চারিদিকে কোমর সমান উঁচু দেওয়ালে ঘেরা ডাকবাংলোতে চব্বিশ চৌকিদারের পাহারা ছিল। ভেতরে দেশি-বিদেশি ফুলের বাগান ছিল। এখানে কলকাতা থেকে জমিদারের আত্মীয়-স্বজন ও ব্রিটিশ কর্মকর্তারা আতিথ্য গ্রহণ করতেন। পানসি নৌকায় অতিথিরা গরিল্লা বিলের অপরুপ জলরাশিতে নৌবিহার উপভোগ করতেন। বিলের মাঝখানে দ্বীপের মতো সদা ভাসমান বিস্ময়কর সৌন্দর্য ছিল যোগির ঘোপা, যা এখনও টিকে আছে।

সমাচার[সম্পাদনা]

মাঘ মাস এলে খাজনা আদায় উপলক্ষে রাজগোলাবাড়ি এলাকায় জমিদারেরা ঘটা করে প্রজাদর্শন দিতো। হেমচন্দ্র চৌধুরীর কণ্যা সুমতি বালা দেবীর স্বামী মুরলীধর গাঙ্গুলী হেমনগর ইউনিয়ন পরিষদের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। জানা যায়, ভোটাভুটির জয়পরাজয় নিয়ে তৎকালীন কৃষকনেতা হাতেম আলী খানের সাথে জমিদার পরিবারের বিরোধ সৃষ্টি হয়েছিল। অনেকের স্মৃতিচারণে হেমচন্দ্র চৌধুরীর প্রজা নিপীড়নের চিত্র পাওয়া যায়, বিশেষ করে মুসলমানদের উপর। এছাড়া রাজবাড়ির পুর্ব পাশের সড়ক ‍দিয়ে জমিদারের লাঠিয়ালরা ছাতা মাথায় বা জুতো পায়ে হেঁটে যেতে দিতো না। লাঠিয়ালরা শাস্তি দিতেন ও অতিরিক্ত প্রভুভক্তি দেখাতে বাড়াবাড়ি করতেন। যা প্রজা মনে অসন্তোষ ও প্রতিহিংসার সৃষ্টি করেছিল।[৯] তথাপিও অত্র এলাকার সাধারণ মানুষ তাদেরকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা ও ভক্তিভরে স্মরণ করে থাকে। রাজনৈতিক পট পরিবর্তন বা বিবর্তনের কারণে হেমচন্দ্র চৌধুরীর অনেক কিছুই হারিয়ে গেলেও হেমনগরবাসীর হৃদয়ে তিনি অমর হয়ে থাকবেন।

চিত্রশালা[সম্পাদনা]

মৃত্যু[সম্পাদনা]

হেমচন্দ্র চৌধুরী ১৯২৫ সালে (১৩৩১ বঙ্গাব্দ) কাশীতে (বারাণসী/বেনারস) মারা যান। মৃত্যুকালীন সময়ে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।

তথ্যসুত্র[সম্পাদনা]

  1. "প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ২২ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ 
  2. "হেমচন্দ্র"Tangail Info। January 01, 2016। মার্চ ১৯, ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ 2016-10-22  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  3. Chowdhury, Hemchandra - Banglapedia
  4. National University College List http://www.nubd.info/college/college_details.php
  5. https://www.tripadvisor.in/ShowUserReviews-g4971747-d10001070-r351863131-Hemnagar_Zamindar_Bar-Tangail_Dhaka_Division.html
  6. Dhaka Education Board http://deb114211.dhakaeducationboard.gov.bd ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৩ মে ২০১৯ তারিখে
  7. http://deb114208.dhakaeducationboard.gov.bd/2400/personnel.html[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  8. এলাকাবাসীর বর্ণনা মতে
  9. জনাব আব্দুস সালাম মেম্বার, শিমলাপাড়া। জনাব জোয়াহের বিএসসি, শাখারিয়া। স্থানীয় পত্রিকা। টাঙ্গাইলের ইতিহাস। জমিদারের সাতকাতন - জনাব জয়নাল আবেদীন। গুগল সার্চ। বাংলাপিডিয়া।