জসিম
জসিম | |
|---|---|
| জন্ম | আবুল খায়ের জসিম উদ্দিন ১৪ আগস্ট ১৯৪৫ |
| মৃত্যু | ৮ অক্টোবর ১৯৯৮ (বয়স ৫৩) |
| জাতীয়তা | বাংলাদেশী |
| পেশা | অভিনেতা প্রযোজক ফাইট পরিচালক |
| কর্মজীবন | ১৯৭২– ১৯৯৮ |
উল্লেখযোগ্য কর্ম | লালু মাস্তান, টাইগার, দোস্ত দুশমন |
| উচ্চতা | ৫" ১১' |
| দাম্পত্য সঙ্গী |
|
আবুল খায়ের জসিম উদ্দিন (পেশাদার নাম জসিম নামেই অধিক পরিচিত; ১৯৪৫– ১৯৯৮) ছিলেন একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা, প্রযোজক, ফাইট পরিচালক ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা।[১] অনেকেই তাকে বাংলা চলচ্চিত্রের অ্যাকশনের পথপ্রদর্শক হিসেবে মনে করেন। তিনি প্রখ্যাত অভিনেতা আজিমের হাত ধরে চলচ্চিত্রে আসেন। ১৯৭২ সালে ‘দেবর’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বাংলা চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়।[২]
প্রাথমিক জীবন
[সম্পাদনা]জসিম ১৯৪৫ সালের ১৪ আগস্ট তৎকালীন বৃটিশ ভারত (বর্তমান বাংলাদেশ) ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার বক্সনগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার প্রকৃত নাম আবদুল খায়ের জসিম উদ্দিন।[৩] জসিম ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধে একজন সৈনিক হিসেবে দুই নম্বর সেক্টরে মেজর হায়দারের নেতৃত্বে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন।[২]
চলচ্চিত্র জীবন
[সম্পাদনা]
জসিম আশির দশকে বাংলা চলচ্চিত্রে দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করেন। জসিম চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন দেবর চলচ্চিত্রের মাধ্যমে ১৯৭২ সালে। এই ছবিতে জসিম চলচ্চিত্র পরিচালকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হন। ১৯৭৩ সালে তিনি রংবাজ ছবিতে অ্যাকশন ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করেন তিনি।[২] তিনি পরিচিতি পান দেওয়ান নজরুল পরিচালিত দোস্ত দুশমন চলচ্চিত্রে খলনায়কের অভিনয় করে। খলনায়ক চরিত্রের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করলেও পরবর্তীকালে নায়ক হিসেবেও তিনি সফলতা পেয়েছিলেন। দোস্ত দুশমন ছবিটি সাড়াজাগানো হিন্দি চলচ্চিত্র শোলের পুনর্নিমাণ। ছবিটিতে তিনি গাফফার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন।[৩] খোদ শোলে ছবির নামকরা চরিত্র গব্বার সিং এর আদলে থাকা ভারতীয় খলনায়ক আমজাদ খান পর্যন্ত ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন জসিমের। তার খলনায়ক অভিনয়ের সমাপ্তি ঘটে ‘সবুজ সাথী’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। সবুজ সাথী চলচ্চিত্রে তিনি প্রথম প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন। এই চলচ্চিত্রে তিনি নায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন এবং মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত নায়ক হিসেবেই অভিনয় চালিয়ে যান।[২]
আশির দশকের সকল জনপ্রিয় নায়িকার বিপরীতে অভিনয় করেছেন এই অ্যাকশন অভিনেতা। তবে শাবানা ও রোজিনার সাথে তার জুটিই সবচেয়ে দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। বিভিন্ন চলচ্চিত্রে তাকে শোষণ-বঞ্চিত মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে দেখা যায়।
ব্যক্তিগত জীবন
[সম্পাদনা]জসিমের প্রথম স্ত্রী ছিলেন ড্রিমগার্লখ্যাত নায়িকা সুচরিতা। পরে তিনি ঢাকার প্রথম সবাক ছবির নায়িকা পূর্ণিমা সেনগুপ্তার মেয়ে নাসরিনকে বিয়ে করেন। জসিমের তিন ছেলে রাতুল, রাহুল, সামি। যার মধ্যে রাতুল ও সামি 'ওউনড' ব্যান্ডের বেজিস্ট ও ড্রামার আর রাহুল 'ট্রেইনরেক' ব্যান্ডের গিটারিস্ট।[৩]
চলচ্চিত্রের তালিকা
[সম্পাদনা]- রংবাজ (১৯৭৩) - জসিম
- দেবর (১৯৭৩)
- রাতের পর দিন (১৯৭৩)
- অপবাদ (১৯৭৩)
- টাকার খেলা (১৯৭৪)
- মাসুদ রানা (১৯৭৪)
- বিচার (১৯৭৪)
- গোপাল ভাঁড় (১৯৭৪)
- ভাইবোন (১৯৭৪)
- ডাকু মনসুর (১৯৭৪)
- অন্তরালে (১৯৭৪)
- মামা ভাগ্নে (১৯৭৪)
- জিঘাংসা (১৯৭৪) - জঙ্গা ডাকু
- জেহাদ (১৯৭৪)
- উৎসর্গ (১৯৭৪)
- অপরাধ (১৯৭৫)
- আজও ভুলিনি (১৯৭৫)
- সোনার খেলনা (১৯৭৫)
- দুই রাজকুমার (১৯৭৫)
- এপার ওপার (১৯৭৫) - আসলাম
- তীর ভাঙ্গা ঢেউ (১৯৭৫)
- টারজান অব বেঙ্গল (১৯৭৬)
- প্রতিনিধি (১৯৭৬)
- এক মুঠো ভাত (১৯৭৬)
- কাজল রেখা (১৯৭৬)
- রং বেরং (১৯৭৬)
- গুন্ডা (১৯৭৬)
- দি রেইন (১৯৭৬)
- বাহাদুর (১৯৭৬)
- প্রতিনিধি (১৯৭৬)
- জীবন মরণ (১৯৭৬)
- লুকোচুরি (১৯৭৭)
- দোস্ত দুশমন (১৯৭৭) - গাফফার খান
- নিশান (১৯৭৭)
- দাতা হাতেম তাই (১৯৭৭)
- রাজদুলারী (১৯৭৮)
- গুনাহগার (১৯৭৮)
- মিন্টু আমার নাম (১৯৭৮)
- শাহজাদা (১৯৭৮)
- আসামী হাজির (১৯৭৮) - ডাকু ধর্মা
- তুফান (১৯৭৮)
- মহেশখালীর বাঁকে (১৯৭৮)
- জবাব (১৯৭৯)
- নাগ নাগিনী (১৯৭৯)
- বারুদ (১৯৭৯)
- মধুমতি (১৯৭৯)
- যৌতুক (১৯৭৯)
- নওজোয়ান (১৯৭৯)
- সুন্দরী (১৯৭৯) - ঈমান আলী
- বিজয়িনী সোনাভান (১৯৭৯)
- বদলা (১৯৭৯)
- লুটেরা (১৯৮০)
- মোকাবেলা (১৯৮০)
- রাজনন্দিনী (১৯৮০)
- তাজ ও তলোয়ার (১৯৮০)
- হুর-এ-আরব (১৯৮০)
- বাগদাদের চোর (১৯৮০)
- ওমর শরীফ (১৯৮০)
- শাহী দরবার (১৯৮০)
- দোস্তী (১৯৮০)
- যাদুনগর (১৯৮০)
- প্রতিজ্ঞা (১৯৮০)
- কসাই (১৯৮০)
- বাদল (১৯৮১)
- আলাদিন আলীবাবা সিন্দাবাদ (১৯৮১)
- নবাবজাদী (১৯৮১)
- সেলিম জাভেদ (১৯৮১)
- বাঁধনহারা (১৯৮১)
- ওস্তাদ সাগরেদ (১৯৮১)
- সোহাগ মিলন (১৯৮২)
- আলী আসমা (১৯৮২)
- যুবরাজ (১৯৮২)
- নাগিনী কন্যা (১৯৮২)
- লাভ ইন সিঙ্গাপুর (১৯৮২)
- সবুজ সাথী (১৯৮২)
- আল হেলাল (১৯৮২)
- মাই লাভ (১৯৮২)
- চিৎকার (১৯৮২)
- নাগরানী (১৯৮৩)
- লাইলী মজনু (১৯৮৩) - ডাকু সর্দার
- নাজমা (১৯৮৩) - জাফর মির্জা
- প্রতিহিংসা (১৯৮৩)
- মান সম্মান (১৯৮৩)
- শাহী চোর (১৯৮৩)
- চ্যালেঞ্জ (১৯৮৩)
- ঘরের বউ (১৯৮৩)
- জনি (১৯৮৩)
- গাদ্দার (১৯৮৩)
- সিআইডি (১৯৮৪)
- অভিযান (১৯৮৪) - রউফ
- বউ কথা কও (১৯৮৪)
- হাসান তারেক (১৯৮৪)
- জালিম (১৯৮৪)
- সালতানাৎ (১৯৮৪)
- দ্বীপকন্যা (১৯৮৪)
- মহল (১৯৮৪)
- সকাল সন্ধ্যা (১৯৮৪)
- অগ্নি পরীক্ষা (১৯৮৪)
- অন্যায় (১৯৮৫)
- দরদী শত্রু (১৯৮৫)
- কোরবানী (১৯৮৫)
- নেপালী মেয়ে (১৯৮৫)
- মুজাহিদ (১৯৮৫)
- শমসের (১৯৮৫)
- মোহাম্মদ আলী (১৯৮৬)
- ধর্ম আমার মা (১৯৮৬)
- আক্রোশ (১৯৮৬)
- নিশানা (১৯৮৬)
- অশান্তি (১৯৮৬)
- হালচাল (১৯৮৬)
- রকি (১৯৮৬)
- নিষ্পাপ (১৯৮৬)
- শত্রু (১৯৮৬)
- রাজমাতা (১৯৮৬)
- দেশ বিদেশ (১৯৮৭)
- হাতি আমার সাথী (১৯৮৭)
- সারেন্ডার (১৯৮৭) - জসিম
- লালৃু মাস্তান (১৯৮৭) - রাজু / লালু
- লোভ লালসা (১৯৮৭)
- গৃহ বিবাদ (১৯৮৭)
- ভাগ্যবতী (১৯৮৭)
- সুখ শান্তি (১৯৮৭)
- ভরসা (১৯৮৭)
- মহান (১৯৮৭)
- বিশ্বাসঘাতক (১৯৮৮)
- অবদান (১৯৮৮)
- কোহিনূর (১৯৮৮)
- আদিল (১৯৮৮)
- হুশিয়ার (১৯৮৮)
- হিরো (১৯৮৮)
- বিশ্বাসঘাতক (১৯৮৮)
- অবদান (১৯৮৮)
- টাকা পয়সা (১৯৮৮)
- সাহস (১৯৮৮)
- কোহিনুর (১৯৮৮)
- ভাই আমার ভাই (১৯৮৮)
- পরিবার (১৯৮৮)
- বৌমা (১৯৮৯)
- কালা খুন (১৯৮৯)
- বিজয় (১৯৮৯)
- ভাইজান (১৯৮৯) - লাট
- এক্সিডেন্ট (১৯৮৯)
- বিস্ফোরণ (১৯৮৯)
- দেবর ভাবী (১৯৮৯)
- জাদরেল বউ (১৯৯০)
- অগ্নি পুরুষ (১৯৯০)
- ছোট বউ (১৯৯০)
- কুচ বরণ কন্যা মেঘ বরণ কেশ (১৯৯০)
- ধনরত্ন (১৯৯০)
- অমর সঙ্গী (১৯৯০)
- লাল গোলাপ (১৯৯০)
- গরিবের প্রেম (১৯৯০)
- অশান্ত সংসার (১৯৯০)
- ওমর আকবর (১৯৯০)
- ধনবান (১৯৯১)
- গর্জন (১৯৯১)
- নাচে নাগিন (১৯৯১)
- স্বামীর আদেশ (১৯৯১)
- কাজের বেটি রহিমা (১৯৯১)
- নির্দয় (১৯৯১)
- নিঃস্বার্থ (১৯৯১)
- ন্যায় অন্যায় (১৯৯১)
- অগ্নি তুফান (১৯৯১)
- ভাবীর সংসার (১৯৯১)
- বিধান (১৯৯১)
- লক্ষ্মীর সংসার (১৯৯২)
- রূপসী নাগিন (১৯৯২)
- প্রেম লড়াই (১৯৯২)
- রক্তের বদলা (১৯৯২)
- উচিৎ শিক্ষা (১৯৯২)
- সম্পর্ক (১৯৯২)
- শান্তি অশান্তি (১৯৯২)
- মাস্তান রাজা (১৯৯৩)
- ভাইয়ের আদর (১৯৯৩)
- নাগ নাগিনীর প্রেম (১৯৯৩)
- হিংসা (১৯৯৩)
- দাগী সন্তান (১৯৯৩)
- শত্রুতা (১৯৯৩)
- নাচ নাগিনা নাচ (১৯৯৩)
- জালিমের দুশমন (১৯৯৩)
- আশিক প্রিয়া (১৯৯৩)
- কালিয়া (১৯৯৪) - কালিয়া
- রাজা গুন্ডা (১৯৯৪)
- ডাকাত (১৯৯৪)
- হাতকড়া (১৯৯৪)
- ডিসকো বাঈদানী (১৯৯৪)
- চাকরানী (১৯৯৫)
- বাংলার নায়ক (১৯৯৫) - ডন
- রাজাবাবু (১৯৯৫)
- বুকের ধন (১৯৯৫)
- হাবিলদার (১৯৯৫)
- দেশী রংবাজ (১৯৯৫)
- পাষাণ (১৯৯৫)
- বীর বাহাদুর (১৯৯৫)
- ঘাত প্রতিঘাত (১৯৯৬)
- স্ত্রী হত্যা (১৯৯৬)
- বিশ্বনেত্রী (১৯৯৬)
- সন্ত্রাসী রাজা (১৯৯৬)
- জানের বাজী (১৯৯৬)
- গরীবের সংসার (১৯৯৬)
- আখেরি মোকাবেলা (১৯৯৬)
- গরীবের ওস্তাদ (১৯৯৬)
- মর্যাদার লড়াই (১৯৯৬)
- ভয়ংকর যোদ্ধা (১৯৯৬)
- নিষ্ঠুর (১৯৯৬)
- স্বামী কেন আসামী (১৯৯৭)
- ফাইভ রাইফেলস (১৯৯৭)
- চিরশত্রু (১৯৯৭)
- টাইগার (১৯৯৭)
- মেয়েরাও মানুষ (১৯৯৮)
- ভালবাসার ঘর (১৯৯৮)
- দুই রংবাজ (১৯৯৮)
- পরাধীন (১৯৯৮)
- জিদ্দী (১৯৯৯)
- আমি নির্দোষ (১৯৯৯)
- লাট সাহেব (১৯৯৯)
- জোর (১৯৯৯)
কুয়াশা, প্রতিজ্ঞা, এপার-ওপার, নিশান, নিষ্পাপ, নিঃস্বার্থ, নিষ্ঠুর, ভরসা, মাস্তান রাজা, ঘাত-প্রতিঘাত, বিজয়, রক্তের বদলা, চিরশত্রু, লক্ষ্মীর সংসার, যাদুনগর, গর্জন, আখেরী মোকাবেলা, বাইদা, গরিবের মাস্তান, রক্তের বদলা, সাহস, গর্জন, শত্রুতা, মান সম্মান, প, রূপসী নাগিন।
খলনায়ক হিসেবে তাঁর অভিনীত বেশকিছু ছবির মধ্যে রয়েছে:
- রংবাজ
- মাসুদ রানা
- এপার ওপার
- দুই রাজকুমার
- ডাকু মনসুর
- জিঘাংসা
- এক মুঠো ভাত
- দোস্ত দুশমন
- নিশান
- বাহাদুর
- আসামী হাজির
- বারুদ
- আলাদিন আলিবাবা সিন্দাবাদ
- রাজ দুলারী
- রাজ নন্দিনী
- বদলা
- মিন্টু আমার নাম
- প্রতিজ্ঞা
- কসাই
- তুফান
- লাভ ইন সিঙ্গাপুর
- ওস্তাদ সাগরেদ
- গাদ্দার
- আলী আসমা
- জনি
- চ্যালেঞ্জ
- প্রতিহিংসা
- মান সম্মান
- জালিম
- ধর্ম আমার মা।
মৃত্যু
[সম্পাদনা]জসিম ১৯৯৮ সালের ৮ই অক্টোবর মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে পরলোকগমন করেন। জসিমের মৃত্যুর পর এফডিসিতে তার নামে একটি ফ্লোরের নামকরণ করা হয়।[২]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Raihan, Siam (৮ অক্টোবর ২০১৭)। "Film star Jashim's 19th Death anniversary"। ঢাকা ট্রিবিউন। সংগ্রহের তারিখ ৯ অক্টোবর ২০১৭।
- 1 2 3 4 5 "নায়ক জসিম নেই ২২ বছর"। এনটিভি অনলাইন। ৮ অক্টোবর ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০২০।
- 1 2 3 "জসিম সম্পর্কে ১০টি অজানা তথ্য"। দৈনিক কালের কণ্ঠ। ১১ আগস্ট ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৭।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- বাংলা মুভি ডেটাবেজে জসিম
- ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজে জসিম (ইংরেজি)