এই পাতাটি স্থানান্তর করা থেকে সুরক্ষিত।
এই পাতাটি অর্ধ-সুরক্ষিত। শুধুমাত্র নিবন্ধিত ব্যবহারকারীরাই সম্পাদনা করতে পারবেন।

মনতাজুর রহমান আকবর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মনতাজুর রহমান আকবর
জন্ম
মনতাজুর রহমান আকবর

(1957-07-31) ৩১ জুলাই ১৯৫৭ (বয়স ৬১)
হাস্তাবসন্তপুর, আক্কেলপুর, জয়পুরহাট, বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাংলাদেশী
জাতিসত্তাবাঙালি
শিক্ষাবি. এ.
যেখানের শিক্ষার্থীআক্কেলপুর এম. আর. ডিগ্রী কলেজ
পেশাচলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্রচেষ্টা
কার্যকাল১৯৭৯ - বর্তমান
প্রতিষ্ঠাননয়ন-আপন প্রডাকশন
স্টারপ্লাস
উল্লেখযোগ্য কর্ম
টপ হিরো
কাজের মানুষ
ধরনরোমান্টিক, অ্যাকশন
আদি শহরবগুড়া
দাম্পত্য সঙ্গীমারিয়াম রহমান (১৯৭৮ - বর্তমান )
সন্তানঅপু মনোয়ার
মিনহাজুর রহমান নয়ন
মাহফুজুর রহমান আপন[১]
পিতা-মাতাকবির উদ্দিন মন্ডল (পিতা)
রুপজান বিবি (মাতা)
পুরস্কারজিয়া সম্মাননা পদক (২০০৩)
জনতার নিঃস্বার্থ পার্সোনালিটি অ্যাওয়ার্ড (২০০৯)

মনতাজুর রহমান আকবর (জন্ম: ৩১ জুলাই, ১৯৫৭) হলেন একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রনাট্যকার, প্রযোজক, সমাজকর্মী ও একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি মূলত বাংলা চলচ্চিত্রে মারপিঠধর্মী ও প্রণয়ধর্মী ঘরানার চলচ্চিত্র পরিচালক।[২]

১৯৭১ সালে তিনি পাকিস্তানের বিপক্ষে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। আকবর ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন থিয়েটার বা মঞ্চ গ্রুপের নাটকে নির্দেশনা দেন। কলেজ জীবনের এই সময়ে মঞ্চ-নাট্য পরিচালক হিসেবে কাজ করেন। এছাড়া কলেজের বিভিন্ন সংগঠনের সাথেও কাজ করেছেন। তারপর তিনি ঢালিউড-এ কাজ করার জন্য ঢাকায় চলে আসেন। তিনি বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক আজিজুর রহমানের অধীনে সহকারী পরিচালক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। এছাড়াও তিনি মতিন রহমান, জিল্লুর রহমান, সাইফুল আজম কাশেম ও নারায়ণ ঘোষ মিতার সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি ছুটির ঘণ্টাজনতা এক্সপ্রেস-এর মত আন্তর্জাতিক সম্মাননা পাওয়া চলচ্চিত্রসহ আরো অনেক সফল চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন। তিনি ১৯৭৯ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন। মনতাজুর রহমান বিভিন্ন সময়ে ঢালিউডের অনেক অভিনেতার সাথে কাজ করেছেন। তিনি মান্না, মৌসুমী, রাজ্জাক, রাজীব, হুমায়ুন ফরীদি, ডিপজল সহ অনেক অভিনেতাদের সঙ্গে তিনি সফলতার সাথে কাজ করেছেন। বিশেষ করে তিনি প্রয়াত নায়ক মান্নার সাথে সবচেয়ে বেশি ছবি পরিচালনা করেছেন, এর মধ্যে বেশিরভাগ ছবিই বাণিজ্যিকভাবে সফল ছিল। মান্না অভিনীত ২৬টি ছবি পরিচালনা করেছেন,[৩] যা একটি রেকর্ড জনপ্রিয় কোন এক নায়কের সাথে বিশটির বেশি ছবিতে পরিচালনায় থাকা। এছাড়া তিনি দেলোয়ার জাহান ঝন্টু এবং আজিজুর রহমানের পর তৃতীয় পরিচালক হিসেবে অর্ধশত ছায়াছবি পরিচালনার মাইলফলক স্পর্শ করেন।[৪] তার ছবির মাধ্যমে ডিপজল, পপি, কেয়া, রিয়া সেন, শাকিবা, সঙ্গীতা, অন্তরা বিশ্বাস, অভি, পুষ্পিতা পপি বাংলা চলচ্চিত্রে প্রদার্পণ করেন।[৫][৬] মনতাজুর রহমান আকবর ২০০০ সালে যৌথভাবে প্রযোজনায় আসেন। আকবর ২০০৩ সালের বিগ বস ছায়াছবির জন্য একটি গান রচনা করেন। ২০০৭ সালে তিনি প্রথম এককভাবে চলচ্চিত্রে প্রযোজনা করেন। তিনি নয়ন-আপন প্রোডাকশনস্টারপ্লাস নামে চলচ্চিত্র প্রযোজনা সংস্থা চালু করেন।আকবর তার গ্রাম জয়পুরহাট জেলার উন্নয়নের জন্য তার বন্ধু ও আত্মীয় স্বজনদের নিয়ে ২০০০ সালে এনজিও প্রচেষ্টা চালু করেন। প্রচেষ্টা'র সদস্য দের কাছ থেকে সংগ্রহকৃত অনুদানের পাশাপাশি এনজিও ফোরাম, ডেমোক্রেসি ওয়াচ এর মত বড় সংস্থার সাথে পার্টনার সংস্থা হিসেবে স্যানিটেশন ও অনান্য উন্নয়ন মূলক কাজ করে থাকে। এছাড়া তিনি টানা ছয় বছর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক-পরিবেশক সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।[৭]

প্রাথমিক জীবন

মনতাজুর রহমান আকবর তার গ্রামের বাড়ি জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর। আক্কেলপুরে আকবরের বাবার তখন মত্স আড়ত ছিলো। আকবর পড়াশুনার পাশাপাশি বাবার ব্যবসার জন্য বিভিন্ন এলকায় যেতেন। বাবার ব্যবসায় দেখার পাশাপাশি কলেজের থিয়েটারের সাথে যুক্ত ছিলেন। আকবর ১৯৭৩ সালে মেট্রিক পাস করেন আক্কেলপুর এফ ইউ পাইলট হাই স্কুল[৮] থেকে এবং ১৯৭৫ সালে ইন্টারমেডিয়েট পাস করেন আক্কেলপুর এম আর ডিগ্রী কলেজ[৯] থেকে। কলেজে পড়াকালীন থিয়েটার পরিচালনা করতেন সারা বছর ধরে। তিনি স্থানীয় বেশ কিছু ক্লাব তন্মধ্যে আক্কেলপুর আদর্শ ক্লাব, আক্কেলপুর এমআর কলেজ ক্লাব, চান্তারা ক্লাবের সদস্য ছিলেন। বেশ কিছু থিয়েটার এর অন্যতম সংগঠক হিসাবে কাজ করেন। তিনি ১৯৭৭ সালে রাজশাহী এডুকেশন বোর্ড এর অধীনে জয়পুরহাট ডিগ্রী কলেজ[১০] থেকে বি.এ.পাস করেন।

মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ

তিনি ছাত্র জীবনে আক্কেলপুর থানা সংসদে ছাত্র ইউনিয়নে যোগ দেন। সেখান থেকে যুদ্ধে যাওয়ার সাহস পান। মনতাজুর রহমান আকবর যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে পানিখনি শিলিগুড়িতে প্রশিক্ষণ নেন। তিনি সেক্টর কমান্ডার কাজী নূরুজ্জামান-এর অধীনে ১৯৭১ সালে ৭ নম্বর সেক্টরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহন করেন।

কর্ম জীবন

সহকারী পরিচালক

মনতাজুর রহমান আকবর প্রথমে সহকারী পরিচালক হিসাবে কাজ শুরু করেন। তিনি প্রথম ১৯৮০ সালে আজিজুর রহমানের সহকারী হিসেবে ছুটির ঘন্টা চলচ্চিত্রে কাজ করেন। পরবর্তীতে তার সহকারী হিসেবে ১৯৮১ সালে জনতা এক্সপ্রেস, মহানগর, সোনার তরী, ১৯৮২ সালে যন্তর মন্তর এবং ১৯৮৪ সালে মায়ের আঁচল চলচ্চিত্রে কাজ করেন। মতিন রহমানের সহকারী হিসেবে ১৯৮৩ সালে লাল কাজল, ১৯৮৯ সালে বীরঙ্গনা সখিনা ও ১৯৯২ সালে রাধা কৃষ্ণ চলচ্চিত্রে কাজ করেন। এছাড়া তিনি জিল্লুর রহমান পরিচালিত মিস লোলিতা, আঁচল বন্দী, ও সুখ শান্তি, নারায়ণ ঘোষ মিতা পরিচালিত সুখের সংসার, আফতাব খান টুলু পরিচালিত দুনিয়া, এবং সাইফুল আজম কাশেম পরিচালিত দুনিয়াদারি চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন।

পরিচালক

আকবর পূর্ণ পরিচালক হিসাবে প্রথম পরিচালনা করেন টাকার পাহাড়। এটি ডিপজল অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র।[১১] কিন্তু ছায়াছবিটি ১৯৯৩ সালে মুক্তি পায়। তাঁর পরিচালিত প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ন্যায় যুদ্ধ। চলচ্চিত্রটি ১৯৯১ সালে মুক্তি পায়। এতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন ইলিয়াস কাঞ্চনসুচরিতা। পরের বছর জনপ্রিয় জুটি ইলিয়াস কাঞ্চন ও দিতিকে নিয়ে নির্মাণ করেন চাকর। অভিনেতা মান্নাকে নিয়ে তার প্রথম চলচ্চিত্র প্রেম দিওয়ানা (১৯৯৩)।[৩] এতে মান্নার বিপরীতে অভিনয় করেন চম্পা। ছবিটি ব্যবসাসফল হলে এই জুটিকে নিয়ে নির্মাণ করেন ডিসকো ডান্সার (১৯৯৪),[১২] বশিরা (১৯৯৫), বাবার আদেশ (১৯৯৫) ও খলনায়ক (১৯৯৬)।[১৩] ১৯৯৭ সালে ঈদুল ফিতরে মুক্তি পায় তার পরিচালিত কুলি[১৪] এই ছায়াছবির মাধ্যমে অভিষেক হয় চিত্রনায়িকা পপির[১৫] পরবর্তীতে আকবর পপিকে নিয়ে নির্মাণ করেন কে আমার বাবা (১৯৯৯), ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী (২০০১), ও লেডি অ্যাকশন ছায়াছবি বস্তির রানী সুরিয়া (২০০৪)।[১৬] ১৯৯৮ সালে মান্না অভিনীত শান্ত কেন মাস্তান ব্যবসাসফল হয়। একই বছর তিনি বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ প্রযোজনায় নির্মাণ করেন মনের মত মন। এতে অভিনয় করেন বাংলাদেশের আমিন খান এবং ভারতের মোহিনী ও ভিক্টর ব্যানার্জি। ছায়াছবিটি ভারতের ওড়িশা রাজ্যে ওড়িয়া ভাষায় রাজা রানী নামে মুক্তি পায়।[১৭]

২০০১ সালে তিনি পরিচালনা করেন কঠিন বাস্তবরিয়াজ, আমিন খানকেয়া অভিনীত ছায়াছবিটি এই বছর হিট সিনেমার তালিকায় নাম লেখায়। এটি চিত্রনায়িকা কেয়ার প্রথম চলচ্চিত্র।[১৮] একই বছর বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ প্রযোজনায় নির্মাণ করেন মনে পড়ে তোমাকে। এতে প্রথমবারের মত বাংলাদেশী ও বাংলা ছায়াছবিতে অভিনয় করেন কলকাতার অভিনেত্রী রিয়া সেন। ২০০৩ সালে পরিচালনা করেন বিগ বস। এই চলচ্চিত্রের একটি গানের কথাও লিখেছেন তিনি। ২০০৪ সালে মুক্তি পায় আমিন খান অভিনীত জীবনের গ্যারান্টি নাইভন্ড নেতা এবং মান্না ও মৌসুমী অভিনীত ভাইয়ের শত্রু ভাই[১৯] ২০০৯ সালে ডিপজল ও রেসিকে নিয়ে নির্মাণ করেন কাজের লোক। ছায়াছবিটি সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করে এবং তিনি জনতার নিঃস্বার্থ পারসোনালিটি অ্যাওয়ার্ডে সেরা পরিচালকের পুরস্কার অর্জন করেন। একই বছর রিয়াজশাবনূর জুটিকে নিয়ে নির্মাণ করেন রোমান্টিক ঘরানার তুমি আমার স্বামী। ২০১০ সালে সঙ্গীতশিল্পী এসডি রুবেল ও শাবনূরকে নিয়ে নির্মাণ করেন 'এভাবেই ভালোবাসা হয়। এছাড়া ডিপজল ও রেসীকে নিয়ে নির্মাণ করেন রিকশাওয়ালার ছেলেমায়ের চোখ[২০][২১]

২০১১ সালে আকবর ডিপজল ও রেসীকে নিয়ে নির্মাণ করেন ছোট্ট সংসার। পরের বছর ডিপজল, রেসী ও নিপুণকে নিয়ে নির্মাণ করেন বাজারের কুলি[২২] ছায়াছবিটি ব্যবসাসফল হয়।[২৩] ২০১৩ সালে মাহিয়া মাহীবাপ্পি চৌধুরী জুটিকে নিয়ে নির্মাণ করেন তবুও ভালোবাসি[২৪] ২০১৪ সালে নির্মাণ করেন আগে যদি জানতাম তুই হবি পর। গ্রামীণ পটভূমিতে নির্মিত ত্রিভুজ প্রেমের এই ছায়াছবিতে অভিনয় করেন অভি, পুষ্পিতা পপি ও আরিয়ান শাহ।[২৫] এটি অভি ও পুষ্পিতার প্রথম ছায়াছবি।[২৬] এছাড়া একই বছরে পরিচালনা করেন মাই নেম ইজ সিমি[২৭] ২০১৭ সালে তিনি দুলাভাই জিন্দাবাদ চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন। এতে শ্রেষ্ঠাংশে অভিনয় করেন ডিপজল, মৌসুমী, বাপ্পি চৌধুরীবিদ্যা সিনহা সাহা মীম। এই ছবির মাধ্যমে প্রায় ১২ বছর পর আকবরের ছবিতে কাজ করেন মৌসুমী।[১৯]

প্রযোজনা

আকবর প্রযোজনার স্বার্থে নয়ন-আপন প্রডাকশন ও স্টারপ্লাস চলচ্চিত্র প্রযোজনা সংস্থা চালু করেন এবং একের পর এক ছায়াছবি প্রযোজনা করেন। তিনি ২০০০ সালে নয়ন-আপন প্রডাকশনসের ব্যানারে কুখ্যাত খুনি চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেন। মান্না, মৌসুমী ও ডিপজল অভিনীত ছায়াছবিটি বক্স অফিসেও ব্লকবাস্টার হয়েছিল।[২৮] ২০০৮ সালে স্টারপ্লাসের ব্যানারে এককভাবে প্রযোজনা করেন বাবার জন্য যুদ্ধ। এটি ছিল মান্নাকে নিয়ে নির্মিত শেষ ছায়াছবি। ছায়াছবিটি ব্যবসাসফলতা লাভ করে। ২০১০ সালে প্রযোজনা ও পরিচালনা করেন শাকিব খান অভিনীত টপ হিরো[২৯] কিন্তু ছায়াছবিটি বক্স অফিসে সাড়া না পাওয়ায় তিনি প্রযোজনা থেকে সরে আসেন। পরবর্তীতে দীর্ঘ পাঁচ বছর পর ২০১৫ সালে প্রযোজনা ও পরিচালনা করেন বোঝেনা সে বোঝেনা[৩০] রোমান্টিক এই ছায়াছবিতে অভিনয় করেন আঁচল, নবাগত আকাশ খান ও অমিত হাসান।[৩১][৩২]

টেলিভিশন

আকবর চলচ্চিত্রের পাশাপাশি টেলিভিশন নাটকও পরিচালনা করেছেন।[৩৩] তিনি ২০১৩ সালে পাখাল নাটক পরিচালনা করেন। এক ঘন্টার নাটকটি এই বছর ঈদুল ফিতরে মোহনা টেলিভিশনে প্রচারিত হয়। ২০১৪ সালে পরিচালনা করেন ধারাবাহিক নাটক পাখি এবং মানুষেরা। নাটকটি চ্যানেল আই-এ প্রচারিত হয়। এছাড়া তিনি ২০০৯ সালে এনটিভিতে প্রচারিত ট্যালেন্ট হান্ট শো সুপার হিরো সুপার হিরোইন অনুষ্ঠানের বিচারক, ২০১১ সালে জি বাংলার মিরাক্কেল আক্কেল চ্যালেঞ্জার অনুষ্ঠানের বাংলাদেশী অডিশনের বিচারক এবং ২০১৩ সালে একুশে টেলিভিশনের ভয়েজ অফ দ্য ন্যাশন অনুষ্ঠানের বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন।[৩৪]

চলচ্চিত্রের তালিকা

বছর চলচ্চিত্র পরিচালক চিত্রনাট্যকার সংলাপ রচয়িতা প্রযোজক ভাষা টীকা
১৯৯১ ন্যায় যুদ্ধ হ্যাঁ বাংলা মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম পরিচালিত চলচ্চিত্র
১৯৯২ চাকর হ্যাঁ বাংলা
১৯৯৩ প্রেম দিওয়ানা হ্যাঁ বাংলা
টাকার পাহাড় হ্যাঁ বাংলা প্রথম পরিচালিত চলচ্চিত্র, তবে বিলম্বে মুক্তি পায়
১৯৯৪ ডিসকো ডান্সার হ্যাঁ বাংলা
১৯৯৫ বাবার আদেশ হ্যাঁ হ্যাঁ বাংলা
বশিরা হ্যাঁ হ্যাঁ বাংলা
১৯৯৬ বাঘিনী কন্যা হ্যাঁ বাংলা
খলনায়ক হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ বাংলা
শয়তান মানুষ হ্যাঁ বাংলা
১৯৯৭ কুলি হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ বাংলা
আমার মা হ্যাঁ বাংলা
অন্ধ ভালোবাসা হ্যাঁ বাংলা
১৯৯৮ শান্ত কেন মাস্তান হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ বাংলা
মনের মত মন হ্যাঁ হ্যাঁ বাংলা বাংলাদেশ- ভারত যৌথ প্রযোজনার চলচ্চিত্র এবং ওড়িয়া ভাষাতে ওড়িশায় মুক্তি পায়, ভারতে নাম রাজা রানী হিসেবে মুক্তি পায়।
১৯৯৯ কে আমার বাবা হ্যাঁ হ্যাঁ বাংলা
মগের মুল্লুক হ্যাঁ হ্যাঁ বাংলা
লাঠি হ্যাঁ হ্যাঁ বাংলা
ভয়ংকর বিষু হ্যাঁ বাংলা
২০০০ গুন্ডা নাম্বার ওয়ান হ্যাঁ হ্যাঁ বাংলা
মনে পরে তোমাকে হ্যাঁ হ্যাঁ বাংলা রিয়া সেন এর প্রথম বাংলা এবং বাংলাদেশি চলচ্চিত্র।
কুখ্যাত খুনী হ্যাঁ বাংলা
২০০১ ভয়ংকর সন্ত্রাসী হ্যাঁ বাংলা
কঠিন বাস্তব হ্যাঁ বাংলা
চেয়ারম্যান হ্যাঁ হ্যাঁ বাংলা
রংবাজ বাদশা হ্যাঁ হ্যাঁ বাংলা
২০০২ ঢাকাইয়া মস্তান হ্যাঁ বাংলা
ভয়ানক সংঘর্ষ হ্যাঁ বাংলা
মেজর সাহেব হ্যাঁ হ্যাঁ বাংলা
আরমান হ্যাঁ বাংলা
মাস্তানের উপর মাস্তান হ্যাঁ হ্যাঁ বাংলা
আঘাত পাল্টা আঘাত হ্যাঁ বাংলা
২০০৩ বউয়ের সম্মান হ্যাঁ বাংলা মূল নাম : আমি তোমাকে ভালবাসি
বিগ বস হ্যাঁ হ্যাঁ বাংলা
কঠিন সীমার হ্যাঁ হ্যাঁ বাংলা
টপ সম্রাট হ্যাঁ হ্যাঁ বাংলা
২০০৪ ভাইয়ের শত্রু ভাই হ্যাঁ হ্যাঁ বাংলা
জীবনের গারান্টি নাই হ্যাঁ হ্যাঁ বাংলা
বস্তির রানী সুরিয়া হ্যাঁ হ্যাঁ বাংলা
ভন্ড নেতা হ্যাঁ হ্যাঁ বাংলা
২০০৫ একশ্যান লেডি হ্যাঁ হ্যাঁ বাংলা
ভয়ংকর রাজা হ্যাঁ বাংলা
২০০৬ দুশমন খতম হ্যাঁ বাংলা
২০০৭ কুখ্যাত নুরু হ্যাঁ বাংলা
২০০৮ বাবার জন্য যুদ্ধ হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ বাংলা
২০০৯ তুমি আমার স্বামী হ্যাঁ বাংলা
কাজের মানুষ হ্যাঁ বাংলা সেরা পরিচালকঃ পুরুস্কার প্রাপ্ত
২০১০ মায়ের চোখ হ্যাঁ বাংলা
রিক্সাওয়ালার ছেলে হ্যাঁ বাংলা
টপ হিরো হ্যাঁ হ্যাঁ বাংলা
এভাবেই ভালোবাসা হয় হ্যাঁ হ্যাঁ বাংলা
২০১১ ছোট্ট সংসার হ্যাঁ বাংলা
বাজারের কুলি হ্যাঁ বাংলা
২০১৩ তবুও ভালোবাসি হ্যাঁ বাংলা
২০১৪ আগে যদি জানতাম তুই হবি পর হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ বাংলা
মাই নেম ইজ সিমি হ্যাঁ বাংলা
২০১৫ বোঝেনা সে বোঝেনা হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ বাংলা
২০১৭ মাই ডার্লিং হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ বাংলা নির্মাণাধীন
২০১৭ দুলাভাই জিন্দাবাদ হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ বাংলা নির্মাণাধীন

সহকারী পরিচালক

বছর চলচ্চিত্র পরিচালক ভাষা নোট
১৯৮০ ছুটির ঘন্টা আজিজুর রহমান বাংলা মস্কো চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত[৩৫]
১৯৮১ জনতা এক্সপ্রেস আজিজুর রহমান বাংলা তাসখন্দ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত
১৯৮১ মহানগর আজিজুর রহমান বাংলা
১৯৮১ সোনার তরী আজিজুর রহমান বাংলা
১৯৮২ যন্তর মন্তর আজিজুর রহমান বাংলা
১৯৮৩ লাল কাজল মতিন রহমান বাংলা বাচসাস পুরস্কার বিজয়ী
১৯৮৪ মায়ের আঁচল আজিজুর রহমান বাংলা
১৯৮৫ দুনিয়াদারি সাইফুল আজম কাশেম বাংলা
১৯৮৫ মিস লোলিতা জিল্লুর রহমান বাংলা
১৯৮৯ বীরাঙ্গনা সখিনা মতিন রহমান বাংলা
১৯৮৯ আঁচল বন্দী জিল্লুর রহমান বাংলা
১৯৮৯ সুখের সংসার নারায়ণ ঘোষ মিতা বাংলা
১৯৮৯ সুখ শান্তি জিল্লুর রহমান বাংলা
১৯৯২ রাধা কৃষ্ণ মতিন রহমান বাংলা

টেলিভিশন

নাটক
  • পাখাল
  • গোল্ডেন স্বর্ণা
  • কুয়াশা (মুক্তি পায় নি)
  • ব্রেসলেট
ধারাবাহিক নাটক
  • পাখি ও মানুষেরা
  • কাজি সাহেবের তিন পুত্র ( মুক্তি পায় নি)
টিভি বিজ্ঞাপন
  • গ্রিনল্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার
  • হাইটন টিভি
  • ডিসেন্ট হোল্ডিং
অতিথি বিচারক

নির্দেশিত মঞ্চ নাটক

সময়কাল মঞ্চ লেখক মঞ্চ গ্রুপ
১৯৭৩ - ১৯৭৮ পাগলা গারদ ভইরব নাথ গঙ্গপাধ্যায় আক্কেলপুর আদর্শ ক্লাব

আক্কেলপুর এমআর কলেজ ক্লাব

চান্তারা ক্লাব

সিদুর নিয়না মুছে রঞ্জন দেবনাথ
এক মুঠো ভাত রঞ্জন দেবনাথ
দায়ি কে? -
মালার প্রেম -
নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা -

পুরস্কার ও সম্মাননা

জিয়া সম্মাননা পুরস্কার
  • বিজয়ী: সেরা পরিচালক - ২০০৩
জনতার নিঃস্বার্থ পারসোনালিটি অ্যাওয়ার্ড
  • বিজয়ী: সেরা পরিচালক - কাজের মানুষ (২০০৯)
অন্যান্য
  • আক্কেলপুর ক্রীড়াচক্র ও লেখক ফোরাম (২০০৪)
  • জামালগঞ্জ ইউনাইটেড ক্লাব (২০১৬)
  • চলচ্চিত্রে সংশ্লিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা (২০১৭)[৩৬][৩৭]

তথ্যসূত্র

  1. "Montazur Rahman Akbar" 
  2. "বাসায় ফিরলেন মনতাজুর রহমান আকবর"দ্য রিপোর্ট। আগস্ট ১১, ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৬ 
  3. রবি, আইরিন (২৪ ডিসেম্বর ২০১৫)। "মান্না স্মরণে পরিচালক মনতাজুর রহমান"নিউজনেক্সটবিডি ডটকম। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে ২০১৮ 
  4. "'বোঝে না সে বোঝে না' মুক্তি পাচ্ছে শুক্রবার"দৈনিক জনকণ্ঠ। ৫ মে ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৬ 
  5. "Our film industry lacks professionalism: Popy"দৈনিক ইত্তেফাক। ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০১৫ 
  6. "'আগে যদি জানতাম তুই হবি পর' এখন মুক্তির মিছিলে"মিডিয়া খবর। ২৮ আগস্ট ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৬ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  7. "যাদের কারণে বারে বারে নির্বাচন বানচাল"কারুনিউজ। ৮ জুন ২০১৬। ২২ আগস্ট ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৬ 
  8. জয়পুরহাটের আক্কেলপুর এফইউ পাইলট হাই স্কুল ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ তারিখে, http://akkelpur.joypurhat.gov.bd/
  9. আক্কেলপুর এম আর ডিগ্রী কলেজ[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ], আক্কেলপুর উপজেলা, জয়পুরহাট
  10. জয়পুরহাট সরকারি কলেজ, জয়পুরহাট[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ], http://joypurhatsadar.joypurhat.gov.bd/
  11. "বিনষ্ট হচ্ছে ডিপজলের ঘোষণা"ভোরের ডাক। ৫ আগস্ট ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৬ 
  12. "ঈদে আমার সেরা কাজ"দৈনিক প্রথম আলো। ৩ নভেম্বর ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৬ 
  13. "৫৬ থেকে এবার আকবরের ৫৭"মিডিয়া খবর। ৪ মে ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৬ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  14. "উৎসবে আমার প্রথম সিনেমা"দৈনিক সমকাল। ৩০ জুন ২০১৬। ১৩ নভেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০১৫ 
  15. "পপি বাদ, সুযোগ পেলেন সূচনা"দৈনিক আমাদের সময়। ১৯ মার্চ ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০১৫ 
  16. "নতুন ছবিতে পপি"দৈনিক ভোরের পাতা। ২২ ডিসেম্বর ২০১৫। ৩০ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৬ 
  17. "মনের মত মন"ওড়িয়া মুভি ডাটাবেজ। ২০ জুলাই ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৬ 
  18. "'ঢাকাই চলচ্চিত্রে এ রকম আর কেউ নেই'"রাইজিংবিডি। ৬ আগস্ট ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৬ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  19. "১২ বছর পর আকবরের চলচ্চিত্রে মৌসুমী"দ্য ডেইলি স্টার। ২৪ জানুয়ারি ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে ২০১৮ 
  20. জয়ন্ত সাহা (২ জুলাই ২০১৪)। "ফিরছেন ডিপজল"বিডিনিউজ। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৬ 
  21. "এককেন্দ্রিক রেসী !"বাংলানিউজ। জুলাই ২, ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৬ 
  22. "সুনিপুণ নিপুণ"দৈনিক যায় যায় দিন। সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৬ 
  23. "রিভিউ : বাজারের কুলি"দৈনিক আমার দেশ। মে ১৯, ২০১১। ৭ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৬ 
  24. "বাপ্পি-মাহির 'তবুও ভালোবাসি'"দৈনিক প্রথম আলো। সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৬ 
  25. "৫৫ নম্বর ছবি"দৈনিক মানবজমিন। ২৮ আগস্ট ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৬ 
  26. তানজিল আহমেদ জনি (২০ আগস্ট ২০১৪)। "ঢাকাই সিনেমায় নাম বদলের পালা"বিডিনিউজ। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৬ 
  27. রাহাত সাইফুল (২২ অক্টোবর ২০১৪)। "জটিলতা থাকলেও মুক্তি পাচ্ছে 'মাই নেম ইজ সিমি'"রাইজিংবিডি। ২৫ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৬ 
  28. "মনতাজুর রহমান আকবরের নতুন ছবি"দৈনিক মানবজমিন। সংগ্রহের তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০১৫ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  29. "শাকিবের উপাধি নিয়ে চার ছবি"দৈনিক সমকাল। ১৫ মার্চ ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৬ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  30. মাজহার বাবু (৫ মে ২০১৫)। "আসছে 'আয়না সুন্দরী' ও 'বোঝে না সে বোঝে না'"এনটিভি অনলাইন। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৬ 
  31. "আঁচলের \'বোঝে না সে বোঝে না\'"দৈনিক কালের কণ্ঠ। ২৩ মার্চ ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৬ 
  32. "আঁচল কি বোঝে না ? দেখতে হলে যেতে হবে ; প্রেক্ষাগৃহে"সিনেইনফোজ। মে ৬, ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৬ 
  33. "ওদের কথায় অবাক লজ্জায় আমদেরই মাথা হেট হয়ে যায় :মনতাজুর রহমান আকবর"দৈনিক ইত্তেফাক। ৩ ডিসেম্বর ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০১৫ 
  34. এরশাদ কমল (১৫ জুন ২০০৮)। ""Super Hero Super Heroine" Talent hunt for film industry"দ্য ডেইলি স্টার। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৬ 
  35. "ছুটির ঘণ্টা"বাংলা মুভি ডাটাবেজ 
  36. "সম্মাননা পেলেন চলচ্চিত্রাঙ্গনের ৪১ মুক্তিযোদ্ধা"পরিবর্তন। মার্চ ৩০, ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ২৮, ২০১৭ 
  37. "চলচ্চিত্রে সংশ্লিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা দিল বাংলাদেশ ফিল্ম ক্লাব লিমিটেড"বিডি নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম। মার্চ ৩০, ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ১, ২০১৭ 

বহিঃসংযোগ