নিখিল সেন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search

নিখিল সেন বাংলাদেশের একজন প্রতিথযশা নাট্যকার ও সংস্কৃতিকর্মী। তিনি একজন অভিনয় শিল্পী, নাট্যকার, আবৃতিশিল্পী, ভাষা সৈনিক, মুক্তিযোদ্ধা এবং রাজনীতিবিদ। আবৃতিতে অবদান রাখার জন্য ২০১৫ সালে শিল্পকলা পদক এবং নাটকে বিশেষ অবদান রাখার জন্য তিনি ২০১৮ সালে একুশে পদক লাভ করেন।[১]

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

১৯৩১ সালের ১৬ এপ্রিল বরিশালের কলশ গ্রামে নিখিল সেন জন্মগ্রহণ করেন।[২] তার পুরো নাম নিখিল সেনগুপ্ত। কিন্তু তিনি নিখিল সেন এবং নিখিল দা নামেই পরিচিত। তার বাবার নাম যতীশ চন্দ্র সেনগুপ্ত ও মা সরোজিনী সেনগুপ্ত। তিনি বাবা মায়ের দশ সন্তানের মধ্যে চতুর্থ।[১]

পড়াশোনা[সম্পাদনা]

নিখিল সেন মাধ্যমিক পাশ করে উচ্চ শিক্ষার জন্য কোলকাতা সিটি কলেজে ভর্তি হন। সেখান থেকে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করে আবার বরিশালে ফিরে আসেন।[১]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

নাটকে অবদান[সম্পাদনা]

সিরাজের স্বপ্ন নাটকে সিরাজ চরিত্রে অভিনয় করার মধ্য দিয়ে নাট্যজীবন শুরু করেন নিখিল সেন। এরপর তিনি অনেক নাটকে অভিনয় করেছেন। নিজেই দিকনির্দেশনা দিয়েছেব ২৮টি নাটকে।[১]

রাজনীতি[সম্পাদনা]

নিখিল সেন কমিউনিস্ট আন্দোলনে ভূমিকা রেখেছেন।[২]

মুক্তিযুদ্ধে অবদান[সম্পাদনা]

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হলে নিখিল সেন যুদ্ধে যোগদান করেন।

একুশে পদক[সম্পাদনা]

প্রথিতযশা এই ব্যক্তি ২০১৮ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার একুশে পদক লাভ করেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার হাতে এই সম্মাননা তুলে দেন।

পুরস্কার[সম্পাদনা]

  • জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা (১৯৯৬)
  • বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন সম্মাননা (১৯৯৯)
  • শহীদ মুনীর চৌধুরী পুরস্কার (২০০৫)
  • শিল্পকলা পদক (২০১৫)[৩]
  • একুশে পদক (২০১৮)[২]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "একুশে পদক পাচ্ছেন বরিশালের নিখিল সেন"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০২-২১ 
  2. "বরিশালের ভাষাসংগ্রামী নিখিল সেন পাচ্ছেন একুশে পদক | দৈনিক বাংলাদেশ বানী"দৈনিক বাংলাদেশ বানী (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৮-০২-০৮। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০২-২১ 
  3. "শিল্পকলা পদক দিলেন রাষ্ট্রপতি – bangla media and entertainment news" (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০২-২১