চট্টগ্রাম জেলা
| চট্টগ্রাম জেলা | |
| চট্টগ্রাম শহর | |
| বিভাগ | চট্টগ্রাম বিভাগ |
| স্থানাঙ্ক | 22.3375° N 91.8389° E |
| আয়তন | ৫২৮২.৯৮ বর্গ কিমি |
| সময় স্থান | বিএসটি (ইউটিসি+৬) |
| জনসংখ্যা (১৯৯১) - ঘণত্ব - শিক্ষার হার |
৬৫৪৫০৭৮ - ১৫২৭২/কিমি² - ৪৩.২% |
| মানচিত্র সংযোগ: চট্টগ্রাম জেলার প্রাতিষ্ঠানিক মানচিত্র | |
চট্টগ্রাম জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। পাহাড়, সমুদ্র, উপত্যকা, বন-বনানীর কারণে চট্টগ্রামের মতো ভৌগোলিক বৈচিত্র বাংলাদেশের আর কোন জেলার নেই।
পরিচ্ছেদসমূহ |
ভূগোল [সম্পাদনা]
ভৌগোলিক অবস্থান : বাংলাদেশের দক্ষিণপূর্বে ২০০৩৫’ থেকে ২২০৫৯’উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯১০২৭’থেকে ৯২০২২’ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ বরাবর এর অবস্থান। ভৌগোলিক সীমানা : চট্টগ্রাম জেলার উত্তরে ফেনী জেলা এবং ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য, দক্ষিণে কক্সবাজার জেলা, পূর্ব দিকে বান্দরবান, রাঙামাটি, ও খাগড়াছড়ি জেলা, এবং পশ্চিমে নোয়াখালী জেলা এবং বঙ্গোপসাগর অবস্থিত। এছাড়া দ্বীপাঞ্চল সন্দ্বীপ চট্টগ্রামের অংশ।
নামকরনের ইতিহাস [সম্পাদনা]
চট্টগ্রামের প্রায় ৪৮টি নামের খোঁজ পাওয়া গেছে। এরমধ্যে রয়েছে রম্যভুমি, চাটিগা, চাতগাও, রোসাং, চিতাগঞ্জ, জাটিগ্রাম ইত্যাদি। চট্টগ্রাম নামের উৎপত্তি নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতভেদ রয়েছে। পণ্ডিত বার্নোলির মতে, আরবি "শ্যাত (খন্ড)" অর্থ বদ্বীপ, গাঙ্গ অর্থ গঙ্গা নদী এ থেকে চট্টগ্রাম নামের উৎপত্তি। অপর এক মত অনুসারে ত্রয়োদশ শতকে এ অঞ্চলে ইসলাম প্রচার করতে বার জন আউলিয়া এসেছিলেন, তাঁরা একটি বড় বাতি বা চেরাগ জ্বালিয়ে উঁচু জায়গায় স্থাপন করেছিলেন। চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় 'চাটি' অর্থ বাতি বা চেরাগ এবং 'গাঁও' অর্থ গ্রাম। এ থেকে নাম হয় 'চাটিগাঁও'। আবার এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা স্যার উইলিয়াম জোন্সের মতে এ এলাকার একটি ক্ষুদ্র পাখির নাম থেকে চট্টগ্রাম নামের উৎপত্তি।চট্টগ্রাম ১৬৬৬ সালে মোগল সাম্রাজ্যের অংশ হয়। আরাকানীদের হটিয়ে মোঘলরা এর নাম রাখেন ইসলামাবাদ। মোগলরা এর প্রশাসনিক সীমানা চিহ্নত করে। ১৭৬০ সালে মীর কাশিম আলী খান ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে এটি হস্তান্তর করেন। ব্রিটিশরা এরনাম রাখেন চিটাগাং।
সাধারন ইতিহাস [সম্পাদনা]
খ্রিষ্টীয় নবম শতাব্দী থেকেই আরবগণ চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে পরিচিত ছিল। এশিয়ার ঘটনাবলী বর্ণনা করেছেন এমন বিখ্যাত পর্তুগিজদের মধ্যে প্রথম ঐতিহাসিক ডি বারোস ১৫৫২ সালে চট্টগ্রামকে এর বন্দরের জন্য বাংলারাজ্যের সর্বাপেক্ষা বিখ্যাত ও সম্পদশালী নগরী বলে বর্ণনা করেছেন; যেখানে পূর্বাঞ্চলের সকল বাণিজ্য জাহাজ সমবেত হতো ।বর্মি ঘটনাপঞ্জিতে আরাকান অঞ্চলের নরপতিদের এক দীর্ঘ তালিকা পাওয়া যায় । ষষ্ঠ ও সপ্তম শতকে চট্টগ্রাম আরাকান রাজ্যের অমত্মর্ভূক্ত ছিল । এ সকল নরপতির নামের শেষে চন্দ্র পদবি যুক্ত ছিল। ঐতিহাসিক লামা তারনাথ গোপিচন্দ্র নামে এক বৌদ্ধরাজার নাম উল্লেখ করেছেন, দশম শতাব্দীতে যার রাজধানী ছিল চট্টগ্রামে । তিববতি জনশ্রুতি মতে চট্টগ্রাম ছিল দশম শতাব্দীতে কর্মরত বৌদ্ধতান্ত্রিক তিলাযোগীর জন্মস্থান । বাংলার শাসক গিয়াসউদ্দীন তুঘলক বাংলাকে লখনৌতি, সাতগাঁও ও সোনারগাঁও ও তিনটি প্রশাসনিক এলাকায় বিভক্ত করেন । ১৩৩৮ সালে ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ সোনারগাঁও এ ক্ষমতা দখল করেন এবং স্বল্প সময়ের মধ্যেই চট্টগ্রাম অধিকার করেন । তিনি চাঁদপুর হতে চট্টগ্রাম পর্যমত্ম একটি মহাসড়ক এবং চট্টগ্রামের কয়েকটি মসজিদ ও সমাধিসৌধ নির্মাণ করেন । শেরশাহ এর হাতে সুলতান গিয়াসউদ্দীন মাহমুদ শাহ এর পতনের পর ১৫৩৮ হতে ১৬৬৬ সাল পর্যমত্ম সময়কালে পর্তুগিজরা চট্টগ্রামে ঘন ঘন আক্রমণ চালায় এবং প্রকৃতপক্ষে এ সময়ে চট্টগ্রাম তাদেরই শাসনাধীন ছিল। পরবর্তী ১২৮ বছর চট্টগ্রাম পতুর্গিজ ও মগ জলদস্যুদের আবাসস্থলে পরিণত হয়। মুঘলদের চট্টগ্রাম বিজয়ের ফলে সার্বিকভাবে এ জেলায় এবং বিশেষ করে নগরীতে শামিত্ম শৃংখলা পুন:প্রতিষ্ঠিত হয়। অবশ্য পর্তুগিজদের অধিকারে থাকাকালে চট্টগ্রাম নগরী ও বন্দর ব্যবসা-বাণিজ্যের কেন্দ্র হিসেবে বিশেষ সুখ্যাতি অর্জন করে। অষ্টাদশ ও ঊনবিংশ শতাব্দীতে প্রধানত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাণিজ্যিক কার্যক্রম বৃদ্ধিতে দিনে দিনে কলকাতার উত্থান ও উন্নয়নের ফলে এতদঞ্চলে চট্টগ্রাম গুরুত্ব হ্রাস পায়।১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ এবং পূর্ববাংলা ও আসাম নিয়ে প্রদেশ সৃষ্টি হলে চট্টগ্রাম পুনরায় প্রাধান্য লাভ করে। আসামবেঙ্গল রেলওয়ে নির্মাণের ফলে এর প্রাকৃতিক পশ্চাদভূমির সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের সংযোগ সাধিত হয় এবং সার্বিকভাবে চট্টগ্রাম ব্যাপক প্রবৃদ্ধি অর্জন করে ।
১৮৫৭ সালের সিপাহি বিপ্লব এর সময় ৩৪তম বেঙ্গল পদাতিক রেজিমেন্টের ২য়, ৩য় ও ৪র্থ কোম্পানীগুলি চট্টগ্রামে মোতায়েন ছিল। ১৮ নভেম্বর রাতে উল্লিখিত তিনটি কোম্পানী বিদ্রোহী হয়ে ওঠে এবং জেল থেকে সকল বন্দি মুক্ত করে সিপাহিরা ৩টি সরকারি হাতি, গোলাবারুদ ও ধনসম্পদ নিয়ে চট্টগ্রাম ত্যাগ করে। তারা পার্বত্য ত্রিপুরার সীমামত্ম পথ ধরে এগিয়ে সিলেট ও কাছাড়ে পৌঁছে । দূর্ভাগ্যবশত তাদের সকলেই কুকি স্কাউটস এবং পরবর্তীকালে দশম গোর্খা রাইফেল নামে পরিচিত সিলেট লাইট ইনফ্যান্ট্রির হাতে নিহত বা বন্দি হয়।
১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিল রাতে ৭০০ যুবক কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে একটি নির্দিষ্ট সময়ে আর্টিলারী কোরের অস্ত্রাগার ও গোলাবারুদের ভান্ডার আক্রমণ করে, টেলিফোন ও টেলিফোন অফিস দখল করে এবং ধুম নামক স্থানে রেলপথের ফিসপ্লেট উপড়ে ফেলে সকল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় । তাছাড়া মাষ্টারদা নামে খ্যাত বৃটিশ রাজের ভীত কাপানো এ বিপ্লবীর তত্বাবধানে প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার নামে এক উচ্চ শিক্ষিতা বিপ্লবী নারীর নেতৃত্বে পাহাড়তলীতে অবস্থিত কুখ্যাত ইউরোপীয়ান ক্লাব আক্রমন করে তা ধংস করে দেয়া হয় । ক্লাব ধংস করে ফেরার পথে ব্রিটিশ পুলিশের গুলিতে আহত হয়ে মহীয়ষী এ নারী পটাশিয়াম সায়ানাইড খেয়ে আত্নহত্যা করেন । পরবর্তীতে সূর্যসেন ইংরেজ শাসকগন কর্তৃক গ্রেফতার হন এবং ১৯৩৩ সালের ২০শে এপ্রিল তাঁকে ফাঁসি দেয়া হয় ।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে ব্রিটিশগণ চট্টগ্রামকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করে । ফলে চট্টগ্রাম জাপানি আক্রমনের লক্ষ্যস্থলে পরিণত হয় । ১৯৪২ সালের এপ্রিলে পতেঙ্গার বিমানঘাটিতে পর পর দুদিন এবং ঐ বছর ২০ ও ২৪ ডিসেম্বর পুনরায় বোমাবর্ষণ করা হয়।
সাহিত্য [সম্পাদনা]
এই বিষয়ে মূল নিবন্ধের জন্য দেখুন: চট্টগ্রামের ব্যক্তিত্ব
চট্টগ্রামে বাংলা সাহিত্যের বিকাশ শুরু হয় ষোড়শ শতকে। সে সময়কার চট্টগ্রামের শাসক পরাগল খাঁ এবং তার পুত্র ছুটি খাঁর সভা কবি ছিলেন কবীন্দ্র পরমেশ্বর ও শ্রীকর নন্দী।[১] কবীন্দ্র পরমেশ্বর মহাভারতের অশ্বমেধ পর্বের একটি সংক্ষিপ্ত বাংলা অনুবাদ করেন। আর শ্রীকর নন্দী জৈমিনি সংহিতা অবলম্বনে অশ্বমেধ পর্বের বিস্তারিত অনুবাদ করেন।
চট্টগ্রামের মধ্যযুগের কবি [সম্পাদনা]
কবি শাহ মোহাম্মদ ছগির/রহিমুন্নিসা/আলী রজা/মুহম্মদ মুকিম/কবি মুজাম্মিল/কবি আফজাল আলী/সাবিরিদ খান/কবীন্দ্র পরমেশ্বর/শ্রীকর নন্দী/দৌলত উজির বাহরাম খান/হাজী মুহম্মদ কবির/কবি শ্রীধর/সৈয়দ সুলতান/শেখ পরান/মোহাম্মদ নসরুল্লা খাঁ/মুহাম্মদ খা/নওয়াজিশ খান/করম আলী/কবি কাজি হাসমত আলী।
আরাকানের রাজসভায় চট্টগ্রামের কবি [সম্পাদনা]
দৌলত কাজী/মহাকবি আলাওল/কোরেশী মাগন ঠাকুর/ কবি মরদন এবং আব্দুল করিম খোন্দকার। [২]
অষ্টম শতক থেকে পরবর্তীকালের উল্লেখযোগ্য কবি ও সাহিত্যিক [সম্পাদনা]
কবি আবদুল হাকিম/রামজীবন বিদ্যাভূষণ/ভবানী শঙ্কর দাস/নিধিরাম আচার্য/মুক্তারাম সেন/কবি চুহর/হামিদুল্লা খান/আসকর আলী পন্ডিত/রঞ্জিত রাম দাস/রামতনু আচার্য/ভৈরব আইচ/নবীন চন্দ্রদাস/নবীনচন্দ্র সেন/শশাঙ্ক মোহন সেনগুপ্ত/আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ/মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী/বেন্দ্রকুমার দত্ত/হেমেন্দ্র বালা দত্ত/পূর্ণচন্দ্র চৌধুরী/আশুতোষ চৌধুরী/সতীশচন্দ্র বিদ্যাভূষণ।
আধুনিক যুগের কবি-সাহিত্যিক [সম্পাদনা]
মাহাবুব উল আলম/আবুল ফজল (সাহিত্যিক)/সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ/ওহীদুল আলম/ডক্টর আবদুল করিম/আহমদ শরীফ/আইনুন নাহার/নুরুন নাহার/সুচরিত চৌধুরী/আবদুল হক চৌধুরী/কবি-কথাসাহিত্যিক আহমদ ছফা/কবি সর্বানন্দ বড়ুয়া/কবি নবীন দাশ/ছড়াকার সুকুমার বড়ুয়া/চৌধুরী জহুরুল হক।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
চট্টগ্রাম জেলার ভৃ-প্রকৃতি [সম্পাদনা]
নদনদী [সম্পাদনা]
এখানকার প্রধান নদীর মধ্যে কর্ণফুলী নদী, হালদা নদী, সাঙ্গু নদী, এবং মুহুরী নদী উল্লেখযোগ্য।
প্রশাসনিক এলাকাসমূহ [সম্পাদনা]
চট্টগ্রাম জেলা ৪১ ওয়ার্ড বিশিষ্ট ১টি সিটি কর্পোরেশন, ১৪টি উপজেলা, ২৭টি থানা, ১৩টি পৌরসভা, ১৯৪টি ইউনিয়ন, ১২৬৭টি গ্রাম, ৮৯০টি মৌজা, ১৬টি সংসদীয় আসন নিয়ে গঠিত। [৩] [৪]
উপজেলা সমূহ [সম্পাদনা]
চট্টগ্রাম জেলা ১৪টি উপজেলা। উপজেলা গুলো হলোঃ
চট্টগ্রাম শহর এলাকা ১২টি থানার অধীনঃ চাঁদগাও, বন্দর, ডাবলমুরিং, কোতোয়ালী, পাহাড়তলী, পাঁচলাইশ, বায়েজীদ, পতেঙ্গা এবং নবগঠিত হালিশহর ও খুলশী থানা।[১]
পৌরসভা সমূহ [সম্পাদনা]
- মীরসরাই পৌরসভা
- বারৈয়ারহাট পৌরসভা
- সীতাকুন্ড পৌরসভা
- ফটিকছড়ি পৌরসভা
- হাটহাজারী পৌরসভা
- সন্দ্বীপ পৌরসভা
- রাউজান পৌরসভা
- রাঙ্গুনিয়া পৌরসভা
- পটিয়া পৌরসভা
- বাঁশখালী পৌরসভা
- সাতকানিয়া পৌরসভা
- চন্দনাইশ পৌরসভা।
- বোয়ালখালী পৌরসভা
চন্দনাইশ পৌরসভা।হারলা ইউনিয়ন ও জোয়ারার আনশিক ও হাশিমপুরের আনশিক ও সাতবাড়ীয়ার আনশিক নিয়ে চন্দনাইশ
অর্থনীতি [সম্পাদনা]
দর্শনীয় স্থান [সম্পাদনা]
চট্টগ্রাম জেলার ঐতিহাসিক এবং দর্শনীয় স্থানের মধ্যে রয়েছেঃ
- সীতার পাহার - সীতাকুন্ড ।
- বাড়বকুন্ড
- পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত
- নেভাল এরিয়া
- শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর।
- ফয়্স লেক
- চেরাগি পাহাড় মোড় (স্মৃতি মিনার)
- জে এম সেন হল
- নজরুল স্কয়ার (ডি.সি হিল)
- লালদীঘি
- কালুরঘাট
- পার্কির চর (আনয়ারা)।
- বৌদ্ধ তীর্থ স্থান চক্রশালা পটিয়া
- বাটালী হিল
- আন্দর কিল্লা জামে মসজিদ
- বাঁশখালী ইকোপার্ক।
- খানখানাবাদ সমুদ্র সৈকত, বাঁশখালী।
- খিরাম সংরক্ষিত বনাঞ্চল, ফটিকছড়ি।
- লোহাগাড়া বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য।
- মহামুনি বৌদ্ধ বিহার, রাউজান।
- চাঁদপুর-বেলগাঁও চা বাগান, পুকুরিয়া, বাশখালী।
- ভূজপুর সংরক্ষিত বনাঞ্চল, ভূজপুর, ফটিকছড়ি।
- মহামায়া সেচ প্রকল্প, মীরসরাই।
আনুসঙ্গিক নিবন্ধ [সম্পাদনা]
বহিসংযোগ [সম্পাদনা]
- চট্টগ্রাম জেলার সরকারী ওয়েব জেলা তথ্য বাতয়ন
তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]
- ↑ ১.০ ১.১ সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান, সম্পাদনাঃ অঞ্জলি বসু, ৪র্থ সংস্করণ, ১ম খণ্ড, ২০০২, সাহিত্য সংসদ, কলকাতা, পৃ. ৭৬
- ↑ দৈনিক প্রথম আলো
- ↑ চট্টগ্রাম জেলা তথ্য বাতায়ন
- ↑ সিটিজি টাইমস
|
|||||||||||
|
|||||||||||||||||||||||||
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |