আলফাডাঙা উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

স্থানাঙ্ক: ২৩°১৭′০০″ উত্তর ৮৯°৪৩′০০″ পূর্ব / ২৩.২৮৩৩° উত্তর ৮৯.৭১৬৭° পূর্ব / 23.2833; 89.7167

আলফাডাঙা উপজেলা
BD Districts LOC bn.svg
Red pog.svg
আলফাডাঙা
বিভাগ
 - জেলা
ঢাকা বিভাগ
 - ফরিদপুর জেলা
স্থানাঙ্ক ২৩°১৭′০০″ উত্তর ৮৯°৪৩′০০″ পূর্ব / ২৩.২৮৩৩° উত্তর ৮৯.৭১৬৭° পূর্ব / 23.2833; 89.7167
আয়তন ১৩৬ বর্গকিমি
সময় স্থান বিএসটি (ইউটিসি+৬)
জনসংখ্যা (১৯৯১)
 - ঘনত্ব
৯০,৮৭৩
 - ৬৬৮ বর্গকিমি
মানচিত্র সংযোগ: আলফাডাঙার দাপ্তরিক মানচিত্র

আলফাডাঙ্গা, বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা

অবস্থান[সম্পাদনা]

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের ১৩তম জেলা যশোরের অন্তর্গত ছিল বর্তমান (২০১১) আলফাডাঙ্গা উপজেলা। কবে কখন আলফাডাঙ্গার নামকরণ করা হয়েছিল তার সঠিক তথ্য জানা যায়নি। তবে কেউ কেউ বলেন মধুমতি নদীর কূলে "আলফা" নামক এক ধরণের লতানো ফুল ডাঙ্গায় ফুটতো এবং সেই ফুলের নামানুসারে আলফাডাঙ্গার নামকরণ করা হয়েছে। আবার অনেকে মনে করেন অল্পডাঙ্গা বা আলিফাডাঙ্গা থেকে আলফাডাঙ্গার নামকরণ করা হয়। ১৯৬০ সালে আলফাডাঙ্গা থানাকে ফরিদপুর জেলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়। পূর্বে এটি ছিল যশোর জেলার নড়াইল মহাকুমার আওতাধীন।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

নূরুল মোমেন প্রখ্যাত নাট্যকার,শিক্ষাবিধ ও পরিচালক নূরুল মোমেন ১৯০৮ সালের ২৫ নভেম্বর ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গায় জন্মগ্রহন করেন।আধুনিক বাংলা নাটকের পথিকৃত বলা হয় তাকে।বাংলাদেশী থিয়েটারের পিতৃপুরুষ হিসেবেও স্বীকৃত তিনি।

শেখ আব্দুল মজিদ। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের একজন সফল সংগঠক। তিনি নিজের দুই ছেলেকে মুক্তিযুদ্ধে পাঠিয়েছিলেন। বড় ছেলে জাহাঙ্গীর আলম আলফাডাঙ্গা থানার প্রথম মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার। মেঝো ছেলে হুমায়ুন কবির নৌ কমান্ডো বাহিনীর কমান্ডার। তার ছোট বোনের ছেলে নুরুল ইসলাম (বটু)ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার। বড় বোনের দুই ছেলে সরওয়ার ও সাইদুর রহমানও ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা। তিনি মোট ৩৩ জনকে মুক্তিযুদ্ধে পাঠিয়ে ছিলেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাজাকার, আলবদর, আল শামস, শান্তি কমিটি ও পাক সেনাদের তথ্য পৌঁছে দিতেন মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে। ১৯৭১ সালের ১৪ই আগস্ট তিনি রাজাকারদের হাতে ধরা পড়ে যান। সেই থেকে তিনি নিখোঁজ। এই অসমসাহসী মুক্তিযোদ্ধা সংগঠকের বাড়ি টগরবন্দ ইউনিয়নের অন্তর্গত নন্দীগ্রামে।

ডা. শেখ মোঃ নাজমুল হাসান। একাধারে একজন চিকিৎসক, গবেষক, লেখক, কবি, কলামিস্ট ও অধ্যাপক। শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় থেকে ডাক্তারি পাস করে আমেরিকার নিউক্যাসেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ ক্যম্পাস থেকে পাবলিক হেলথ এ মাস্টারস করেন। এখানে তিনি সবগুলি বিষয়ে সর্বেোচ্চ নম্বর পান। এরপরে অস্ট্রেলিয়া সরকারের স্কলারশিপ নিয়ে উচ্চ শিক্ষার্থে অস্ট্রেলিয়া গমন করেন এবং এনজিও ম্যানেজমেন্ট বিষয়ের উপরে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। সেখান থেকে দেশে ফিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পপুলেশন সাইন্সেস এ উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন এবং আইটিএন, বুয়েট থেকে আর্সেনিক দূষণ এবং এর প্রতিকার বিষয়ে সার্টফিকেট ডিগ্রি করেন। আর্সেনিক বিষয়ে তার দুটি মৌলিক গবেষণা কর্ম বিশ্বখ্যাত আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত। তিনি একজন গবেষণাধর্মী লেখক। এ পর্যন্ত প্রকাশিত ১৭টি গ্রন্থের মধ্যে বয়োঃসন্ধি এবং হঠাৎ অসুস্থতায় জরুরি চিকিৎসা বই দুটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এছাড়া তার লেখা মনোদৈহিক এবং বিবাহার্থী উপন্যাস দুটি পাঠক মহলে সমাদৃত হয়েছে। এই গুণী মানুষটি আলফাডাঙ্গা উপজেলার টগরবন্দ ইউনিয়নের অন্তর্গত নন্দীগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। স্কুল জীবনে তিনি টিটা প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইউনাইটেড একাডেমী পানাইল এবং কামারগ্রাম কাঞ্চন একাডেমীতে লেখাপড়া করেছেন।

বিবিধ[সম্পাদনা]

ঐতিহ্য[সম্পাদনা]

মীরগঞ্জ নীলকুঠি[সম্পাদনা]

মীরগঞ্জ নীলকুঠি আলফাডাঙ্গা উপজেলার বারাংকুলা ও ফলিয়া গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে বারাশিয়া নদী সংলগ্ন অবস্থিত। ফরিদপুর অঞ্চলের নীল চাষের প্রধান কার্যালয় ছিল মীরগঞ্জ নীলকুঠি। ১৮৩৩ সালের পরবর্তী সময়ে এই কুঠির আওতায় ৫২টি কুঠি ছিল। এখানে এক ইংরেজ সাহেবের সমাধী ছিল। কুঠি ঘিরে এখানে গড়ে উঠেছিল বাজার।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]