যশোর জেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jessore
যশোহর জেলা
জেলা
Central Jessore Town
কেঁদ্রীয় যশোর শহর
বাংলাদেশে যশোহর জেলা-এর অবস্থান
যশোর জেলা বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
Jessore
বাংলাদেশে যশোহর জেলা-এর অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°১০′ উত্তর ৮৯°১২′ পূর্ব / ২৩.১৭° উত্তর ৮৯.২০° পূর্ব / 23.17; 89.20স্থানাঙ্ক: ২৩°১০′ উত্তর ৮৯°১২′ পূর্ব / ২৩.১৭° উত্তর ৮৯.২০° পূর্ব / 23.17; 89.20
দেশ  বাংলাদেশ
আয়তন
 • মোট ২,৬০৬.৯৪
উচ্চতা
জনসংখ্যা (২০১১ আদমসুমারি)
 • মোট ২৭,৬৪,৫৪৭
সাক্ষরতার হার
 • মোট ৫২.৫%
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+6)
 • গ্রীষ্মকাল (ডিএসটি) বিডিএসটি (ইউটিসি+7)
পোষ্টাল কোড ৭৪০০
ওয়েবসাইট বাংলাপিডিয়া নিবন্ধ

যশোর জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক গুরুত্বসম্পন্ন অঞ্চল। এর অন্য একটি প্রচলিত বানান যশোহরব্রিটিশ আমলে খুলনা ছিল যশোর জেলার অধিভুক্ত একটি মহুকুমা

ভৌগোলিক সীমানা[সম্পাদনা]

উত্তরে ঝিনাইদহ জেলা, দক্ষিণ পূর্বে সাতক্ষীরা, দক্ষিণে খুলনা, পশ্চিমে ভারত।

প্রশাসনিক এলাকাসমূহ[সম্পাদনা]

এ জেলায় ৮টি উপজেলা রয়েছে। প্রতিটি উপজেলায় একটি পুলিশ থানা রয়েছে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

যশোর একটি অতি প্রাচীন জনপদ। প্রায় সাড়ে তিন হাজার বছর পূর্বে মিশরীয়রা ভৈরব নদের তীরে এক সমৃদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র গড়ে তোলে। আনুমানিক ১৪৫০ খ্রীস্টাব্দের দিকে পীর খান জাহান আলী সহ বারজন আউলিয়া যশোরের মুড়লীতে ইসলাম ধর্ম প্রচারের প্রধান কেন্দ্র স্থাপন করেন। ক্রমে এ স্থানে মুড়লী কসবা নামে একটি নতুন শহর গড়ে উঠে। ১৫৫৫ খ্রীস্টাব্দের দিকে যশোর রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়। যশোর-খুলনা-বনগাঁ এবং কুষ্টিয়াফরিদপুরের অংশ বিশেষ যশোর রাজ্যের অন্তভুর্ক্ত ছিলো। ১৭৮১ খৃষ্টাব্দে যশোর একটি পৃথক জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং এটিই হচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম জেলা। ১৮৬৪ সালে ঘোষিত হয় যশোর পৌরসভা। ১৮৩৮ খৃষ্টাব্দে যশোর জিলা স্কুল, ১৮৫৪ খৃষ্টাব্দে যশোর পাবলিক লাইব্রেরি, বিংশ শতাব্দীর তৃতীয় ও চতুর্থ দশকে যশোর বিমান বন্দর এবং ঊনবিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে কলকাতার সাথে যশোরের রেল-যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম স্বাধীন হওয়া জেলাটি যশোর।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের ৬৪ টি জেলার মধ্যে যশোর এমন একটি জেলা যেটি শুধু অর্থনীতিই নয় বরং ২টি জেলার মধ্যে একটি যে সকল দিক থেকে স্বয়ংসম্পূর্ণ।

বেনাপোল স্থল বন্দর[সম্পাদনা]

যশোরের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান নিয়ামক বেনাপোল স্থল বন্দর যা শার্শা উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম বেনাপোলে অবস্থিত। ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্যের সিংহভাগ এর মাধ্যমে সংঘটিত হয়। ওপারে আছে পেট্রাপোল। সরকারি আমদানী শুল্ক আহরণে বেনাপোল স্থল বন্দরটির ভূমিকা তাৎপর্যপূর্ণ। এখানকার মানুষের জীবিকার অন্যতম সূত্র বেনাপোল স্থল বন্দরের কাস্টমস্‌ ক্লিয়ারিং এজেন্টের কাজ।

চিত্তাকর্ষক স্থান[সম্পাদনা]

  • সাগরদাড়ী, কবি মধুসুদনের বাড়ি[১]
  • কেশবপুরের হনুমান গ্রাম
  • মন্টু মিয়ার বাগান বাড়ি
  • বিনোদিয়া পার্ক
  • জেস গার্ডেন পার্ক
  • রাজগঞ্জ বাওড়
  • ভবদহ বিল
  • গাজীর দর গাহ

বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. [যশোর শহর থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে সাগরদাড়ীতে কবি মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ খ্রীস্টব্দে জমিদার পরিবারে জন্মলাভ করেন।

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

  1. যশোর জেলার ওয়েব
  2. যশোর ২৪ রেডিও
  3. যশোর ২৪ রেডিও নতুন