সাভার উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

স্থানাঙ্ক: ২৩°৫১′৩০″ উত্তর ৯০°১৬′০০″ পূর্ব / ২৩.৮৫৮৩° উত্তর ৯০.২৬৬৭° পূর্ব / 23.8583; 90.2667

সাভার উপজেলা
সাভার, বাংলাদেশের স্কাইলাইন।
জাতীয় স্মৃতিসৌধ সাভার এর নবীনগরে অবস্থিত একটি স্মৃতিস্তম্ভ, যা মুক্তিযুদ্ধে নিহত শহীদদের স্মৃতি রক্ষার্থে এবং সেই স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্য নির্মিত হয়েছে।
BD Districts LOC bn.svg
Red pog.svg
সাভার
বিভাগ
 - জেলা
ঢাকা বিভাগ
 - ঢাকা
স্থানাঙ্ক ২৩°৫১′৩০″ উত্তর ৯০°১৬′০০″ পূর্ব / ২৩.৮৫৮৩° উত্তর ৯০.২৬৬৭° পূর্ব / 23.8583; 90.2667
আয়তন ২৮০.১২ বর্গকিমি
সময় স্থান বিএসটি (ইউটিসি+৬)
জনসংখ্যা (২০১১)
 - ঘনত্ব
১৪,৪২,৮৮৫
 - ৫,১৫১ বর্গকিমি
পোস্টকোড ১৩৪০
ওয়েবসাইট: [http://উপজেলা প্রশাসনের ওয়েবসাইট উপজেলা প্রশাসনের ওয়েবসাইট]
মানচিত্র সংযোগ: সাভার উপজেলার ম্যাপ

সাভার বাংলাদেশের ঢাকা বিভাগের ঢাকা জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। এটি ঢাকা শহর হতে প্রায় ২৪ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত। সাভার মূলত "জাতীয় স্মৃতিসৌধের" জন্য বিখ্যাত, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে এবং তাদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্য নির্মিত।

পরিচ্ছেদসমূহ

ভূতত্ত্ব[সম্পাদনা]

সাভার ২৩.৮৫৮৩° উত্তর এবং ৯০.২৬৬৭° পূর্বে অবস্থিত। এখানে প্রায় ৬৬,৯৫৬ টি পরিবার বসবাস করছে এবং এর সামগ্রিক আয়তন হচ্ছে ২৮০.১২ বর্গ কিলোমিটার। এটি উত্তরে কালিয়াকৈর উপজেলা এবং গাজীপুর সদর উপজেলা; দক্ষিণে কেরানীগঞ্জ উপজেলা; পূর্বে মিরপুর, মোহাম্মদপুর, পল্লবী থানা এবং উত্তরা থানা এবং পশ্চিমে ধামরাই উপজেলা এবং সিঙ্গাইর উপজেলা দিয়ে বেষ্টিত। সাভারের ভূমি প্লেইস্টোসিন সময়সীমার পাললিক মাটি দ্বারা গঠিত। ভূমির উচ্চতা পূর্ব থেকে পশ্চিমে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়েছে। সাভারের দক্ষিণাংশ বংশাই এবং ধলেশ্বরী নদীর পলল দ্বারা গঠিত। এখানকার প্রধান নদীসমূহ হচ্ছে বংশী (বংশাই), তুরাগ, ধলেশ্বরী। তবে বর্তমানে শিল্প-কারখানার বর্জ্যের কারনে বংশীতুরাগ নদী মারাত্বকভাবে দূষিত হয়ে পড়ছে এবং দখলের কারনে নদীর অস্তিত্ব ক্রমাগত হুমকির সম্মুখীন।

এখানে ১০,৫৫১.১৮ হেক্টর পতিত জমি ছাড়াও মোট আবাদি জমির পরিমাণ হচ্ছে ১৬,৭৪৫.৭১ হেক্টর।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

আয়তন ২৮০.১২ (বর্গঃ কি.মি.)
জনসংখ্যা ১৪,৪২,৮৮৫ জন
জনসংখ্যার ঘনত্ব ৫১৫১ জন (প্রায়) প্রতি বর্গ কিলোমিটারে
নির্বাচনী এলাকা ০১ টি, ঢাকা-১৯
থানা ০২ টি
ইউনিয়ন ১২ টি
পৌরসভা ০১ টি
মৌজা ২৯৭ টি
গ্রাম ৩৭৭ টি
সরকারী হাসপাতাল ০১ টি
স্বাস্থ্য কেন্দ্র / ক্লিনিক ২২ টি
পোস্ট অফিস ১৯ টি
নদ-নদী ০৩ টি
হাট-বাজার ২৮ টি
ব্যাংক শাখা ৭৫ টি
শিল্প কারখানা ক্ষুদ্র ৭৫৩ টি, ভারী ৩০ টি, মাঝারি ৩৫০ টি
ইপিজেড ০২ টি; ঢাকা ইপিজেড (পুরাতন), ঢাকা ইপিজেড (নতুন)

সাভার থানা ১৯১২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি ১৯৮১ সালে একটি উপজেলায় পরিণত হয়। বর্তমানে সাভার উপজেলা ২ টি থানায় বিভক্ত; যার একটি হচ্ছে সাভার এবং অন্যটি হচ্ছে আশুলিয়া। এ উপজেলার একমাত্র পৌরসভা হল সাভার পৌরসভা এবং ইউনিয়নগুলো হল :

ইউনিয়নের নাম আয়তন ভোটার সংখ্যা অফিস ঠিকানা / ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র
শিমুলিয়া ৩৪.৬৬ (বর্গ কি:মি:) ৫৩,১৬০ জন গোহাইল বাড়ী, শিমুলিয়া, আশুলিয়া, সাভার, ঢাকা
ধামসোনা ৩২.৭৭ (বর্গ কি:মি:) ১,৭১,৪৫৫ জন বলিভদ্র বাজার, ধামসোনা, আশুলিয়া, সাভার, ঢাকা
পাথালিয়া ২৮.৭৪ (বর্গ কি:মি:) ৫৩,৫৬৮ জন কুরগাঁও (নতুন পাড়া), সোসাইটি রোড, নবীনগর, সাভার, ঢাকা
ইয়ারপুর ২৬.৩৫ (বর্গ কি:মি:) ৭৮,২৪২ জন নরসিংহপুর, জিরাবো, আশুলিয়া, সাভার, ঢাকা
আশুলিয়া ২৬.১০ (বর্গ কি:মি:) ৫৯,৫৮৮ জন আশুলিয়া (আশুলিয়া স্কুল এন্ড কলাজ সংলগ্ন), সাভার, ঢাকা
সাভার ১০.২০ (বর্গ কি:মি:) ২৬,১৫৪ জন দেওগাঁও, রাজাশন, সাভার, ঢাকা
বিরুলিয়া ৩০.১৪ (বর্গ কি:মি:) ২১,৫৯২ জন আকরান, বিরুলিয়া, সাভার, ঢাকা
বনগাঁও ১৮.০৫ (বর্গ কি:মি:) ১৯,৮৫০ জন নগর কোন্ডা, সাভার, ঢাকা
তেঁতুলঝোড়া ১৫.৫৫ (বর্গ কি:মি:) ৪৯,৩৮০ জন তেঁতুলঝোড়া, রাজফুলবাড়ীয়া, সাভার, ঢাকা
ভাকুর্তা ২১.০৬ (বর্গ কি:মি:) ২৪,৯৯৬ জন হিন্দু ভাকুর্তা, ভাকুর্তা বাজার, সাভার, ঢাকা
আমিনবাজার ১০.৯৪ (বর্গ কি:মি:) ২০,৪২২ জন আমিনবাজার, সাভার, ঢাকা
কাউন্দিয়া ১১.৪৭ (বর্গ কি:মি:) ১৫,১৮৩ জন নয়া বাজার, কাউন্দিয়া, সাভার, ঢাকা

উপজেলার গেন্ডা এলাকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পূর্ব পাশে সাভার পৌরসভার কার্যালয় এবং পশ্চিম পাশে উপজেলা কার্যালয় রয়েছে যা সাভার বাসস্ট্যান্ড থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

উপজেলা পরিষদ[সম্পাদনা]

নাম পদবী ও ঠিকানা
জনাব মোঃ ফিরোজ কবীর উপজেলা চেয়ারম্যান, সাভার, ঢাকা
জনাব হাজী আব্দুল গণি ভাইস-চেয়ারম্যান (উপজেলা পরিষদের সদস্য), সাভার, ঢাকা
রোকেয়া হক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান (উপজেলা পরিষদের সদস্য), সাভার, ঢাকা

সাভার বাস স্ট্যান্ড[সম্পাদনা]

গাবতলী থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এখানে বাসস্ট্যান্ড এবং বাজার রয়েছে। এখানে মার্কেটের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে সাভার সিটি সেন্টার, সাভার নিউমার্কেট, সাভার অন্ধ সংস্থা মার্কেট, ভরসা সুপার মার্কেট, চৌরঙ্গী সুপার মার্কেট, উৎসব প্লাজা, কোরাইশী সুপার মার্কেট, রাজ্জাক প্লাজা, মাহাতাব প্লাজা, ইউসুফ টাউয়ার, দিলখুশা সুপার মার্কেট প্রভৃতি। এর মধ্যে সাভার সিটি সেন্টার, সাভার নিউ মার্কেট এবং রাজ্জাক প্লাজা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত।

নিকটবর্তী বিমানবন্দর[সম্পাদনা]

কোড (Code) IATA আকার (Kind) নাম (Name) শহর (City) দূরত্ব (Distance) বিয়ারিং (Bearing) বিমানবন্দর (Airlines)
VGZR DAC মাঝারি (Medium) শাহজালাল আন্তর্জাতিক (Shahjalal INTL) ঢাকা (Dhaka) 8 nm E ৯০ (90) (one of Air Kiribati or Royal Bengal A), United Airways, Best Air, Afriqiyah, (one of Jet Airways or Jet Konnect), AirAsia, Biman Bangladesh, Cathay Pacific, China Southern, (one of Emirates or Emirates SkyCa), Etihad, Air Arabia, Gulf Air, (one of Kingfisher Red or Kingfisher), Air-India Expr, Dragonair, Drukair —, Kuwait, (one of Malaysia Airli or MASkargo or MASwings), China Eastern, (one of Pakistan Inter or Riau), (one of Qatar Airways or Qatar Airways ), (one of Singapore or Singapore Airl), (one of Thai Airways I or Trans Guyana), GMG Airlines
VGTJ X ছোট (Small) তেঁজগাও (TEJGAON) ঢাকা (Dhaka) 8 nm E ১১৮ (118) X
VEAT IXA মাঝারি (Medium) আগারতলা (AGARTALA) X 54 nm E ৮৭ (87) (one of IndiGo or Viva Air Domin), (one of Jet Airways or Jet Konnect), Paramount, Indian, (one of Kingfisher Red or Kingfisher)
VGCM CLA ছোট (Small) কুমিল্লা বিমানবন্দর (Comilla Airport) কুমিল্লা (Comilla) 57 nm E ১১৫ (115) X

[১]

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী এ উপজেলার মোট জনসংখ্যা ১৪,৪২,৮৮৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৭,৬৯,১১৭ জন এবং মহিলা ৬,৭৩,৬৬৮ জন। উপজেলার শিক্ষার হার ৬৮% । মোট জনসংখ্যার মধ্যে মুসলমান ৯১.৩৮%, হিন্দু ৭.৭৪% এবং অন্যান্য ০.৮৮% । এ উপজেলার প্রধান পেশাসমূহ হলঃ

পেশার নাম শতকরা হার
কৃষি ২৪.৩৪ %
কৃষি শ্রমিক ১২.৪৮ %
অকৃষি ৪.৪৪ %
গবাদি পশু প্রজনন, বনরক্ষণ বিদ্যা এবং মাছ ধরা ১.৯০ %
শিল্প ১.৩৭ %
বাণিজ্য ১৭.৩৫ %
সেবা ২০.৬৮ %
নির্মাণ ১.৬৬ %
পরিবহণ ৩.৯৬ %
অন্যান্য ১১.৪৬ %

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা]

মসজিদ ৮৮১ টি, মন্দির ৭৪ টি এবং গির্জা ৮ টি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদ,কাতলাপুর জামে মসজিদ,ভাগলপুর জামে মসজিদ,ব্যাংক কলোনি মাদ্রাসা মসজিদ এবং সাভার ডেইরি ফার্ম মসজিদ,সাভার ব্যাপটিস্ট চার্চ, সাভার দক্ষিণ পাড়া হরির আখড়া মন্দির (Savar Daskinpara Harir Akhra Mandir) এবং পঞ্চাবতী (Panchabati) আশ্রম মন্দির।[২]

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা]

স্কুল[সম্পাদনা]

রেডিও কলোনী মডেল স্কুল ( রেডিও কলোনী), অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয় (ব্যাংকটাউন), সাভার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (ব্যাংক কলোনী), সাভার অধর চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় (ব্যাংক কলোনী), বি.পি.এ.টি.সি. স্কুল এন্ড কলেজ (বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র), সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, এ্যাবাক পাবলিক স্কুল (গেন্ডা), আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় (গেন্ডা), মধ্য গেন্ডা আইডিয়াল স্কুল (গেন্ডা), গেন্ডা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় (গেন্ডা), সেন্ট পিটার্স টিউটোরিয়াল (গেন্ডা), অনিবার্ণ উচ্চ বিদ্যালয় (গেন্ডা), আলহাজ জাফর বেপারী উচ্চ বিদ্যালয়(মাজার) কাতলাপুর প্রি-ক্যাডেট স্কুল (কাতলাপুর)

কলেজ[সম্পাদনা]

সাভার মডেল কলেজ (শাহীবাগ), সাভার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ (ব্যাংক কলোনী), ল্যাবরেটরী কলেজ (ব্যাংক কলোনী),লিজেন্ড কলেজ (সাভার বাসস্ট্যান্ড),কলেজ অফ ফাইন্যান্স এন্ড ম্যানেজমেন্ট (রেডিও কলোনী),বি.পি.এ.টি.সি. স্কুল এন্ড কলেজ (বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র),জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল এন্ড কলেজ,সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ।

বিশ্ববিদ্যালয়[সম্পাদনা]

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়,সাভার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, এনাম মেডিকেল কলেজ, গণবিশ্ববিদ্যালয়

অন্যান্য প্রতিষ্ঠানসমূহ[সম্পাদনা]

বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (Bangladesh Krira Shikkha Protisthan) (যা পূর্বে Bangladesh Institute of Sports নামে পরিচিত ছিল), বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (Atomic Energy Research Establishment), জাতীয় জৈবপ্রযুক্তি সংস্থা (National Institute of Biotechnology), বাংলাদেশ প্রানীসম্পদ গবেষণা ইন্সিটিউট(Bangladesh Livestock Research Institute), সাভার যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (Savar Youth Training Centre), ব্র্যাক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (BRAC Training Centre), সেন্টার ফর দ্য রিহ্যাবিলিটেশন অফ দ্য প্যারালাইজ্‌ড ইত্যাদি।

চিকিৎসা কেন্দ্র[সম্পাদনা]

সিআরপি[সম্পাদনা]

সাভারে অবস্থিত সেন্টার ফর দ্য রিহ্যাবিলিটেশন অফ দ্য প্যারালাইজ্‌ড সিআরপির প্রধান কার্যালয় বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ঢাকার বিভিন্ন স্থানে কার্যক্রম চালানোর ১১ বছর পর ১৯৯০ সালে সিআরপি সাভারে চলে আসে। সিআরপিতে বিভিন্ন ধরণের অসংখ্য গাছপালা এবং বিভিন্ন প্রজাতির ফুল বিভিন্ন ঋতুতে সিআরপিকে ভিন্ন ভিন্ন রূপে সুশোভিত করে রাখে। এখানে খেলাধুলা এবং আমোদ প্রমোদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা হাসপাতালের রোগী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং Bangladesh Health Professions Institute (BHPI) এর ছাত্র-ছাত্রীরা উপভোগ করে। এছাড়া বহুমুখী কার্যের জন্য নিযু্‌ক্ত সভাগৃহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলাপ-আলোচনা, সভা, খেলাধুলার বিভিন্ন ইভেন্ট এবং রোগীদের বিভিন্ন কার্যক্রমের জন্য ব্যবহৃত হয়।

স্বাস্থ্যকেন্দ্র[সম্পাদনা]

স্বাস্থ্যকেন্দ্রের নাম সংখ্যা[৩]
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (Upazila Health Complex) ১ টি
মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সাভার ক্যান্টনমেন্ট) (Combined Military Hospital) ১ টি
কোরিয়া বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হাসপাতাল (Korea Bangladesh Friendship Hospital) ১ টি
পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র (Family Planning Centre) ৭ টি
উপগ্রহ ক্লিনিক (Satellite Clinic) ২ টি
বেসরকারী ক্লিনিক (Private Clinic) ২১ টি

সংবাদপত্র ও সাময়িকী[সম্পাদনা]

জাগ্রত কন্ঠ, সাভার বার্তা, আমাদেরসাভার.কম, সাফ কথা, সাভার কন্ঠ, দৈনিক ফুলকি, গণ ভাষা সাময়িকী, জ্বালাময়ী ইত্যাদি। সাভার থেকে ২০০৫ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় অনলাইন পত্রিকা সিএনআইনিউজ২৪.কম। প্রতিষ্ঠানটি নিউজ এজেন্সী হিসেবেও কাজ করে।

এনজিও কার্যক্রম[সম্পাদনা]

সাভারের গুরুত্বপূর্ণ এনজিওসমূহ হচ্ছে ব্র্যাক (brac), আশা (Asa), প্রশিকা (Proshika), গ্রামীণ ব্যাংক (Grameen Bank), গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র (Ganasastha Kendra), ওয়াল্ড ভিশন (World Vision), স্বনির্ভর বাংলাদেশ (Swanirvor Bangladesh), ভিইআরসি (VERC), পল্লী মঙ্গল কর্মসূচী (Palli Mangal Karmasuchi), সিডিডি (CDD), আদেশ (Adesh) ইত্যাদি।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

সাভার থেকে কাঁঠাল, পেঁপে, ফুল, চারা, দুগ্ধজাত মাংস, রূপান্তরিত কাপড়, ছোপানো, ঔষধ, তৈরি পোশাক প্রস্তুত, ইলেকট্রনিক্স এবং বৈদ্যুতিক পণ্য, জুতা, ইট, সন্দেশ ইত্যাদি রপ্তানী করা হয়।

হাট, বাজার এবং মেলা[সম্পাদনা]

সাভারে হাট এবং বাজারের সংখ্যা ১৪ টি। এর মধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য বাজার হচ্ছে- সাভার বাজার (Savar Bazar), নবীনগর বাজার (Nabinagar Bazar), আমিন বাজার (Amin Bazar), বলিভাদ্র এবং বাগবাড়ী বাজার (Balibhadra and Bagbari Bazar)।

উল্ল্যেখযোগ্য হাট হচ্ছে- আশুলিয়া (Ashulia), সাভার (Savar), শিমুলিয়া (Shimulia), কাঠগড়া (Kathgara), সাদুল্লাপুর এবং ভাকুরার হাট (Sadullapur and Vhakurar Hat)।

মেলা হয় ৬ টি স্থানে- দারোগালি বয়াতি মেলা (নয়ারহাট) [Darogali Bayati Mela (Nayarhat)], বাহাত্তর প্রহার মেলা (সাভার) [Bahattar Prahar mela (Savar)], ঘোড়া পীরের মেলা (নালাম) [Ghora Pirer Mela (Nalam)], মুহার্রাম মেলা (কাতলাপুর) [Muharram Mela (Katlapur)], পৌষ মেলা (ধামসোনা) [Pawsh Mela (Dhamsona)]।

সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা]

সমবায় সমিতি ৮১ টি
শিশু সংগঠন ১ টি
চলচ্চিত্র সমাজ ৩ টি
সিনেমা হল ৪ টি
নাট্যদল ৫ টি
থিয়েটার স্টেজ ১ টি
সঙ্গীত কেন্দ্র ৩ টি
অনাথ আশ্রম ৫ টি
অপেরা পার্টি ১ টি
মহিলা সংঘ ৩ টি
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ১ টি
এ্যামনেস্টি সংস্থা ২ টি
গলফ ক্লাব ১ টি
বিনোদন পার্ক ২ টি (ফ্যান্টাসি কিংডম ও নন্দন পার্ক)

সিনেমা হল[সম্পাদনা]

১. বিলাস সিনেমা হল : এটি বাজার রোডে অবস্থিত। এটি সাভার বাসস্ট্যান্ড হতে কিছুটা পশ্চিমে অবস্থান করছে।

২. সাভার সেনা অডিটরিয়াম : এই সিনেমা হলটি নবীনগরে অবস্থান করছে।

৩. চন্দ্রিমা সিনেমা হল: এই সিনেমা হলটি ই.পি.জেড এ অবস্থান করছে।

সাভারে রাজাশনে অবস্থিত রাজা হরিশ্চন্দ্রের ধ্বংসপ্রাপ্ত প্রাসাদ

ইতিহাস[সম্পাদনা]

“বংশাবতীর পূর্বতীরে সর্বেশ্বর নগরী
বৈসে রাজা হরিশ্চন্দ্র জিনি সুরপুরী।”
ছড়াটিতে বংশাবতী বলতে আজকের বংশী ও সেকালের বংশাবতী নদীকেই বুঝাচ্ছে। যার পূর্বতীরে সর্বেশ্বর নগরী। এই নগরীর রাজা হরিশ্চন্দ্র। এ সময় তাঁর রাজ্য ছিল সুখ শান্তিতে ভরপুর। এই সুখময় রাজ্য সর্বেশ্বর নগরীর অপভ্রংশই আজকের সাভার। আবার কারো কারো মতে ইতিহাস খ্যাত পাল বংশীয় রাজা হরিশ্চন্দ্রের সর্বেশ্বর রাজ্যের রাজধানীর নাম ছিল সম্ভার এবং সম্ভার নাম থেকেই সাভার নামের উৎপত্তি। সাভার অতি প্রাচীন স্থলভূমি। ঢাকার ইতিহাসে দেখা যায় ধলেশ্বরী এবং বংশী নদীর সঙ্গম স্থলে বংশী নদীর পূর্বতটে ঢাকা থেকে ১৩ মাইল বায়ু কোনে অবস্থিত সাভার। খৃষ্টীয় অষ্টম শতাব্দী পর্যন্ত এই স্থান সম্ভাগ বা সম্ভাস প্রদেশের রাজধানি ছিল। ঢাকার ধামরাইয়ের উত্তর পশ্চিম কোনে সম্ভাগ নামে যে ক্ষুদ্র পল্লী আছে তা আজো সম্ভাগ প্রদেশের অতীত স্মৃতি বহন করে। বৌদ্ধ নৃপতিগণের শাসনাধীনে প্রাচীন সম্ভাগ তার বিপুল বৈভব ও প্রতাপে পরিপূর্ণ ছিল। সাভার বা সম্ভার নামের পূর্ব কথন বলে অনেক ঐতিহাসিক এই মতের সমর্থন করেন।

যেহেতু বৌদ্ধ আমলের অসংখ্য বৌদ্ধ ধ্বংসস্তুপ ও বৌদ্ধ মুর্তি সাভার এলাকার মাটির নিচে আবিস্কৃত হয়েছে এবং আজও হচ্ছে সেহেতু ধরে নেয়া যায় যে বৌদ্ধ শাসনামলে এই শহর গড়ে উঠেছিল। গৌতমবুদ্ধ অথবা মৌয্য বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট আশোকের সময়ও যদি এই রাজ্যের পত্তন হয়ে থাকে তবুও আজকের সাভারের বয়স দুই হাজার দুইশত বছরের অধিক। হরিশচন্দ্র পালই রাজা হরিশচন্দ্র নামে সাভারের সিংহাসনে আরোহন করেন। রাজা হরিশ চন্দ্রের রাজবাড়ী সাভারের পূর্বপাশে রাজাশন গ্রামের অবহেলিত এক কোনে মাটির নিচে চাপা পরে আছে। রাজাশনের আশপাশে লুপ্তপ্রায় বহু দীঘি, বৌদ্ধ স্থাপত্যের নিদর্শন রাজোদ্যান, খাল পরিখা আজও কালের সাক্ষী হয়ে বিরাজমান। রাজার সেনানিবাস কোঠাবাড়ী সাভারের উত্তর পাশে অবস্থিত। রাজা হরিশ্চন্দ্রের এক রানী কর্ণবতীর নামে কর্ণপাড়া এবং অপর মহিষী ফুলেশ্বরীর নামে রাজফুলবাড়ীয়া সাভারের দক্ষিনে এক মাইল অন্তর অবস্থিত।

দ্বাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে বিজয় সেন পাল বংশকে সমূলে ধ্বংস করে বাংলার সিংহাসনে বসেন। তার অত্যাচারে বৌদ্ধরা হয় মৃত্যবরণ করেন নতুবা দেশ ত্যাগে বাধ্য হন। কথিত মতে প্রাচীন সম্ভার রাজ্য ধ্বংস প্রাপ্ত হয়। এ সময় এ স্থান স্বর্বেশ্বর নগরী নামে প্রসিদ্ধি লাভ করে এবং ধর্মান্তরিত অবস্থায় পাল বংশীয় লোকেরাই সাভার শাসন করতে থাকে।

ময়নামতির তান্ত্রিক মহারানীর পুত্র গোপীনাথের সঙ্গে হরিশচন্দ্র রাজার জেষ্ঠা কন্যা অনুদার বিয়ে এবং কনিষ্ঠ কন্যা পদুনাকে যৌতুক প্রদানের গল্প কাহিনী সাভারের অনেকের কাছেই শোনা যায়। হরিশচন্দ্রের দ্বাদশ পুরুষ শিবচন্দ্র রায় তার শেষ জীবন কাশী গয়ায় অতিবাহিত করে প্রয়াত হন। শিবচন্দ্রের একাদশ পুরুষ তরুরাজ খাং এর প্রথম ও দ্বিতীয় পুত্র শুভরাজ ও যুবরাজ হুগলীতে চলে যান। তৃতীয় ও চতুর্থ পুত্র বুদ্ধিমন্ত ও ভাগ্যমন্ত পবিত্র ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেন। তাদের এক বংশধর সিদ্ধ পুরুষ খ্যাতি লাভ করেন এবং তার সমাধী কোন্ডা গ্রামে খন্দকারের দরগা নামে আজও বিদ্যমান।

আরব উপত্যকায় সমুদ্র উপকূলবর্তী সাবাহ রাজ্যের (অর্থাৎ আজকের ইয়েমেন) প্রায় সাড়ে তিন হাজার বছর আগে ব্যাবসা বানিজ্যে বিশ্বজোড়া নাম ছিল। গ্রীক ঐতিহাসিকদের বিবরণিতে জানা যায় সাবাহর ব্যবসায়ীরা চীন, জাপান এবং কোরিয়ার সঙ্গে ব্যবসা করতো। সেই সময় আজকের সাভার ছিল সমুদ্র উপকূলবর্তী নগর। আসা যাওয়ার পথে সাবাহর ব্যবসায়ীরা বাণিজ্যতরীর নোঙ্গর ফেলতো সাভারের উপকূলে। সে সময় সাভার 'সাবাহর' নামে পরিচিতি লাভ করে। 'সাবাহর' অর্থাৎ স্বয়ম্ভর নগরী যেখানে সবকিছু পাওয়া যায়। সম্ভার, সভর, সম্ভোগ, সাবাহ-উর সব কয়টি নামের অর্থ সাদৃশ্যপূর্ণ অর্থাৎ স্বয়ম্ভর, স্বয়ংসম্পূর্ণ, আত্ননির্ভরশীল। তাই ইতিহাস থেকে বলা যায় সাভার অতি প্রাচীনকাল থেকেই সমৃদ্ধ এক অঞ্চল ছিল।

সাভারে সর্বপ্রথম শিক্ষা ব্যবস্থার সূচনা করেন রাখাল চন্দ্র সাহা। তিনি তাঁর পিতার নামে অধরচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি মাতার নামে ছেলেদের থাকার বোর্ডিং, কাকার নামে মহেশচন্দ্র দাতব্য চিকিৎসালয় প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি সাভারের দানবীর নামে পরিচিত।

১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর আশুলিয়া থানার জিরাবো এলাকার ঘোষবাগ-গঙ্গাবাগে নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চুর নেতৃত্বাধীন একদল মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে পাকিস্তানি সেনাদের সম্মুখযুদ্ধ হয়। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রবল আক্রমণের মুখে পাকিস্তানি বাহিনীর অনেকে নিহত হয়। আত্মরক্ষার্থে অন্যরা পালিয়ে যায়। শত্রুমুক্ত ঘোষণা করা হয় সাভারকে। ওই যুদ্ধে গোলাম মোহাম্মদ দস্তগীর টিটু নামের এক অকুতোভয় কিশোর শহীদ হন। সাভার ডেইরি ফার্ম গেটের কাছে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে তাঁকে সমাধিস্থ করা হয়। বাংলাদেশ আর্মি তার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্য একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করে।

স্বাধীনতা যুদ্ধের চিহ্ন[সম্পাদনা]

জাতীয় স্মৃতি সৌধ (National Memorial Monument), জাতীয় স্মৃতি সৌধের সম্মুখে অবস্থিত গণ-সমাধি, সাভার ডেইরি ফার্ম এর ফটকে শহীদ স্মৃতি সৌধ, সংশপ্তক এবং অমর একুশে ভাস্কর্য (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস)।

সাম্প্রতিক উল্লেখযোগ্য ঘটনা[সম্পাদনা]

২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সকাল পৌনে ন'টায় সাভার বাসস্ট্যান্ডের পাশে রানা প্লাজা নামের একটি বহুতল ভবন ধসে পড়ে। এ দূর্ঘটনায় এক হাজার ১৭৫ জন শ্রমিক নিহত এবং দুই হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হয় যা বিশ্বের ইতিহাসে ৩য় বৃহত্তম শিল্প দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এটি বাংলাদেশে ঘটা সবচেয়ে বড় ইন্ডাস্ট্রিয়াল দুর্ঘটনা।

সাভারের ভবন ধস সম্পর্কে মূল নিবন্ধ দেখুনঃ ২০১৩ সাভার ভবন ধস

সাপের বাজার[সম্পাদনা]

সাভারের পোড়া বাড়ীতে প্রতিদিন ছোট-বড় নানা জাতের সাপ বেচাকেনার হাট বসে। ক্রেতা-বিক্রেতাদের অধিকাংশই বেদে সম্প্রদায়ের। ময়মনসিংহ, শেরপুর ও মধুপুরের পাহাড়ি এলাকার গারো এবং উত্তরাঞ্চলের সাঁওতালরাও বাড়তি রোজগারের জন্য এ হাটে সাপ বিক্রি করতে আসেন। মাঝেমধ্যে বিদেশিরাও আসেন সাপ কিনতে।

এ হাটে ১৫ থেকে ২০ জন বেদে প্রতিদিন ৫০ থেকে ৬০ টি বিভিন্ন জাতের সাপ বিক্রি করেন। গোখরা ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা, দাঁড়াশ ২০০ থেকে ৩০০ টাকা, অজগর এক হাজার থেকে সাত হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। লাউডগা, কেউটে, কালনাগিনী, কাটা দুবল ও শঙ্খিনী ১০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়ে থাকে। মাঝেমধ্যে দাম বেশ উঠা-নামা করে। হাটের বেশিরভাগ ক্রেতা-বিক্রেতাই বেদে। এ হাটের পরিচিতি থাকায় দেশের নানা প্রান্তের সাপুড়ে এখানে এসে সাপ বিক্রি করেন। আবার পছন্দ মতো সাপ পেলে তারা কিনেও নেন। তবে প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধার অভাবে বর্তমানে বেদেরা পেশা পরিবর্তন করে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছে।

কৃতি ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

রাখাল চন্দ্র সাহা (সাভারের দানবীর নামে খ্যাত), বাংলার শিশু সাহিত্য সম্রাট দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার, হযরত শাহ আহসান (রঃ) বা শাহ সাহেব (ঢাকার নারিন্দার পীর সাহেব নামে খ্যাত) প্রমুখ উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও সাভারের সার্বিক উন্নয়নে যারা অবদান রেখেছেন তারা হলেন আশরাফ উদ্দিন খান ইমু, ডাঃ দেউয়ান মোঃ সালাউদ্দিন বাবু, আলী হায়দার, ফিরোজ কবির, জনাব হাজী আব্দুল গণি, সউকত মাহমুদ, আব্দুল বাশার, ডাঃ এনামুর রহমান এনাম (এমপি), ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ সোহরাব আলী (অবসরপ্রাপ্ত) (মৃত), জনাব মোঃ রেফাতুল্লাহ, মোঃ আসাদুজ্জমান আসাদ প্রমুখ। মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে রয়েছেন আশরাফ উদ্দিন খান ইমু, আব্দুল লতিফ খান, দেলোয়ার হোসেন খান (দিলু), সুবেদার জমিরুল হুসেন খান, ফিরোজ কবির, অরুন পাল, ড. ইউনুস, ড. বরুন পাল, নাগর পাল, ধিরেন ঘোষ, নিখিল শাহা প্রমুখ।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

শহরাঞ্চল[সম্পাদনা]

নবীনগর, জাহাঙ্গীরনগর, কাঠগড়া, জামগড়া, নন্দন পার্ক, ফ্যান্টাসি কিংডম, আকরাইন, রাজাশন, রেডিও কলোনী, সাভার বাসস্ট্যান্ড, পাকিজা, ব্যাংক কলোনী, গেন্ডা, থানা স্ট্যান্ড, উলাইল, ব্যাংক টাউন, ফুলবাড়িয়া, হেমায়েতপুর, বলিয়ারপুর, আশুলিয়া, আমিন বাজার ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

উল্ল্যেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

জাতীয় স্মৃতিসৌধ, রাজা হরিশ চন্দ্রের ভিটা (এটি একটি প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য এবং সাভারের রাজাশনের মজিদপুরে অবস্থিত), ফ্যান্টাসী কিংডম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, নন্দন পার্ক, অরণ্যালয় মিনি চিড়িয়াখানা।

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

৫. Help for Disability and Distress (HDD) কর্তৃক প্রকাশিত বই : সাভার ডিরেক্টরি (সাভার উপজেলার তথ্য সম্বলিত বই); প্রকাশকাল: ডিসেম্বর, ২০১২ ইং
৬. কালিয়াকৈর-সাভার মুক্ত দিবস আজ - কালের কন্ঠ (১৪ ডিসেম্বর, ২০১৪ ইং)
৭. শহীদ টিটুর আত্মত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল সাভার মুক্ত দিবস - দৈনিক ইত্তেফাক (১৪ ডিসেম্বর, ২০১৪ ইং)

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]