নওগাঁ জেলা
| নওগাঁ জেলা | |
| বিভাগ | রাজশাহী বিভাগ |
| স্থানাঙ্ক | |
| আয়তন | ৩,৪৩৫.৬৭ বর্গ কিমি |
| সময় স্থান | বিএসটি (ইউটিসি+৬) |
| জনসংখ্যা (১৯৯১) - ঘণত্ব - শিক্ষার হার |
২,৩৭৭,৩১৪ - ৬৯১.৯৫/কিমি² - ২৮.৪% |
| ওয়েবসাইট: নওগাঁ জেলা প্রশাসনের ওয়েবসাইট | |
| মানচিত্র সংযোগ: নওগাঁ জেলার প্রাতিষ্ঠানিক মানচিত্র | |
নওগাঁ জেলা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রাজশাহী বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। নওগাঁ জেলা বরেন্দ্রীয় অংশ। সন্ধ্যাকর নন্দীর ভাষায় বরেন্দ্রী হল "বসুধাশির", ধরিত্রীর মুকুট-মণি (Crest jewel of the earth)। সুতরাং বরেন্দ্রীর অংশ হিসেবে নওগাঁ জেলা অনেক গুরুত্ব বহন করে। বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমভাগে, বাংলাদেশ-ভারত আন্তর্জাতিক সীমারেখা সংলগ্ন যে ভূখন্ডটি ১৯৮৪-র পহেলা মার্চের পূর্ব পর্যন্ত নওগাঁ মহকুমা হিসেবে গণ্য হত, তাই হয়েছে বর্তমান বাংলাদেশের কন্ঠশোভা নওগাঁ জেলা।
সূচিপত্র |
[সম্পাদনা] ভৌগলিক সীমানা
উত্তরে ভারতের দক্ষিণ দিনাজপুর, দক্ষিণে বাংলাদেশের নাটোর ও রাজশাহী, পূর্বে জয়পুরহাট ও বগুড়া জেলা এবং পশ্চিম এ ভারতের মালদহ ও বাংলাদেশের নবাবগঞ্জ জেলা, এরই অন্তবর্তী ভূভাগ এই নওগাঁ জেলা।
[সম্পাদনা] প্রশাসনিক এলাকাসমূহ
নওগাঁ জেলার মোট ১১টি উপজেলা রয়েছে:[১]
পত্নীতলা উপজেলা,
ধামুরহাট উপজেলা,
মহাদেবপুর উপজেলা,
পরশা উপজেলা,
সাপাহার উপজেলা,
বাদলগাছি উপজেলা,
মান্দা উপজেলা,
নিয়ামতপুর উপজেলা,
আত্রাই উপজেলা,
রানীনগর উপজেলা,
নওগাঁ সদর উপজেলা।
[সম্পাদনা] শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
দুবলহাটি বলিহার ও মহাদেবপুর জমিদারগনের অকৃপণ দান, অর্থশালী ব্যবসায়ী ও জোতদার এবং গাঁজা চাষীদের যথাসাধ্য সাহায্যে এবং নওগাঁ ডেপুটি কালেকটর ও গাঁজা সোসাইটির সুপারভাইজার বাবু কৃষ্ণধন (KRISNA DHAN) বাগচীর অক্লান্ত পরিশ্রমে তাঁরই নামানুসারে ১৮৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় নওগাঁ কে. ডি. সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়।
নওগাঁ জেলার প্রথম সরকারি সাহায্যে প্রাপ্ত, এ্যাংলো ভরনাকুলার স্কুল দুবলহাটি জমিদারের আনুকূল্যে ১৮৬৪ সালে দুবলহাটিতে স্থাপিত হয়। পরে এই বিদ্যালয়টি ক্রমোন্নতি লাভ করে ১৯০০ সালে রাজা হরনাথ হাই স্কুল নামে জেলার ২য় হাই স্কুল হিসাবে খ্যাতি লাভ করে।
১৯১৪ সালে গাঁজা মহলের চাষিগণের উৎসাহ ও সহযোগীতায় চকাতিথা হাইস্কুল ও চাকলা হাইস্কুল স্থাপিত হয়।
১৯২২ সালে তাঁদেরই সহযোগিতায় কীর্ত্তিপুর হাইস্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়।
নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর উপজেলার মহাদেবপুরের জমিদারের একক প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত হয় সর্বমঙ্গলা হাইস্কুল ১৯২৬ সালে।
১৯২৭ সালে নওগাঁ কো-অপরাটিভ হাই মাদ্রাসা গাঁজা সোসাইটির অনুকূল্যে ফার্সি পাড়ার চৌধুরী পরিবারের বদন্যতায় সফিয়া হাই মাদ্রাসা এবং পরশায় শাহ্ পরিবারের পৃষ্ট পোষকতায় পরশা হাই মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯২৭ সালে ছেলেদের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয় করোনেশান মধ্য ইংরেজি স্কুল যা পরবর্তীতে নওগাঁ জিলা স্কুলে রুপান্তরিত হয়।
১৯০৯ সালে নওগাঁ জেলার পার-নওগাঁ শ্রী প্যারীমোহন স্যান্যাল মহাশয়ের বদন্যতায় তাঁর নামানুসারে প্যারীমোহন উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় নওগাঁ শহরের প্রাণ কেন্দ্রে স্থাপিত হয়।
১৯৪৮ সালে নওগাঁ মুসলিম জনগণের উৎসাহ ও উদ্যোগে মুসলিম সম্প্রদায়ের ছাত্রীদের শিক্ষার উপযোগী করে নওগাঁ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। স্ত্রী শিক্ষা চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় প্রতিষ্ঠিত হয় সেন্ট্রাল, তপোবন ও মরশুলা হাইস্কুল। ছেলেদের জন্য নওগাঁ শহরের হাট নওগাঁ, আর.জি নওগাঁ ও চকএনায়েত হাই স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় নওগাঁ জেলা স্কুল।
[সম্পাদনা] নদনদী
নওগাঁ জেলর পশ্চিম সীমান্ত দিয়ে প্রবাহিত পুনর্ভবা, মধ্যবর্তী আত্রাই এবং পূর্বভাগে যমুনা এই জেলার প্রধান নদী। যমুনাও মূলত তিস্তা নদীরই একটি শাখা।[২]
[সম্পাদনা] মুক্তিযুদ্ধে নওগাঁ
মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি ও প্রতিরোধ: ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের পরপরই নওগাঁয় সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ গড়ে ওঠে। নওগাঁ কে,ডি,সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদের কার্যালয় স্থাপিত হয়েছিল। এখানে বসেই সব ধরনের কর্মসূচি নেওয়া হত। নওগাঁ ছিল ইপিআর ৭নং উইং এর হেড কোয়ার্টার। ১৮ মার্চ পর্যন্ত এর কমান্ডিং অফিসার ছিল পাঞ্জাবি মেজর আকরাম বেগ। ২জন ক্যাপ্টেনের একজন ছিলেন পাঞ্জাবি নাভেদ আফজাল,অন্যজন বাঙালি ক্যাপ্টেন গিয়াস উদ্দিন। ২৫ মার্চের আগেই মেজর আকরাম বেগ এর জায়গায় বাঙালি মেজর নজমুল হক নওগাঁয় ইপিআর এর কমান্ডিং অফিসার হিসেবে বদলি হয়ে আসেন। অবশ্য দেশের উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থির দিকে লক্ষ্য রেখে মেজর বেগ তাঁকে চার্জ বুঝিয়ে দিতে অসম্মত হন। ফলে মেজর নজমুল হক মনে মনে ক্ষুব্ধ হয়ে আওয়ামী লীগের তরুণ নেতা মো: আব্দুল জলিলের সাথে পরামর্শ করেন এবং পরামর্শক্রমে বাঙালি ইপিআরদের সহায়তায় ২৪ মার্চ মেজর আকরাম বেগ ও ক্যাপ্টেন নাভেদ আফজাল কে গ্রেফতার করেন।পাশাপাশি নওগাঁ মহকুমা প্রশাসক নিসারুল হামিদকেও গ্রেফতার করা হয় (ইনিও অবাঙালি ছিলেন)।ফলে নওগাঁ মহকুমা সদ্য ঘোষিত স্বাধীন বাংলাদেশের মুক্ত এলাকায় পরিণত হয়। এ সময় সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ নওগাঁর প্রশাসনিক দায়িত্বভার গ্রহণ করে। দায়িত্ব গ্রহনকারী ব্যক্তিবৃন্দের মধ্যে অন্যতম ছিলেন আওয়ামী লীগের বয়তুল্লাহ এম এন এ (ইনি বাংলাদেশর প্রথম ডেপুটি স্পিকার ছিলেন,৯ মার্চ ১৯৮৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন।), মো: আব্দুল জলিল , মোজাফফর ন্যাপের এম, এ, রকীব , ভাষানী ন্যাপের মযহারুল হক এ্যাডভোকেট, এ,কে,এম, মোরশেদ এবং আরও কয়েক জন স্থানীয় নেতা।
২৩ মার্চ নওগাঁয় স্বাধীনতা আন্দোলনের ওপর অধ্যাপক খন্দকার মকবুল হোসেন রচিত ‘রক্ত শপথ’ নামে একটি নটক মঞ্চস্থ হয়। এ নাটকে স্বাধীনতা সংগ্রামের ভবিষ্যৎ রূপরেখা সম্পর্কে আভাস দেয়া হয়েছিল। নাটকটি প্রযোজনা করেছিলেন মো: আব্দুল জলিল, নির্দেশনায় ছিলেন মমিন-উল-হক ভুটি। মঞ্চস্থ হয় নওগাঁ বি.এম.সি. কলেজ প্রাঙ্গনে। পরবর্তীকালে এ নাটকটি ভারতের বালুরঘাট, মালদহ ও শিলিগুড়ির বিভিন্ন স্থানে মঞ্চস্থ হয়। ভারতের মাটিতে এটি যৌথভাব মঞ্চস্থ করে বাংলাদেশের শরণার্থী শিল্পী-সাহিত্যিক গোষ্ঠী ও বাংলাদেশ শিল্পী-সাহিত্যিক সংঘ। ২৫ মার্চ কালো রাতে পাকবাহিনী রাজধানী ঢাকা সহ সারা দেশের বিভিন্ন স্থানে গনহত্যা শুরু করে। ২৬ মার্চেই নওগাঁর সকল থানায় এ খবর পৌঁছে যায় এবং সেই দিনই নওগাঁ সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ যুদ্ধের প্রস্তুতি নেয়ার শপথ নেয়।
পাকহানাদার বহিনীর নওগাঁ দখল:২১ এপ্রিল নাটোর থেকে অগ্রসরমান পাকহানাদার বাহিনী নওগাঁ অধিকার করার আগে সান্তাহার রেল জংশনের নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ নগর’ নমকরন করে। এখানে ২৬ মার্চের পর বিহারি ও বঙ্গালীদের মধ্যে সংঘঠিত সহিংস ঘটনায় বহু বিহারি প্রাণ হারায়। ২১ এপ্রিল দুপুর ১২টায় বিনা বাধায় হানাদার বহিনী নওগাঁয় প্রবেশ করে এর নিয়ন্ত্রণভার গ্রহণ করে। ২২ এপ্রিল পাকবাহিনীর অপর একটি কনভয় ভারি অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত অবস্থায় রাজশাহী থেকে সড়ক পথে নওগাঁয় প্রবেশ করে। তাদের নির্দেশমতো ঐ দিন রাতে পাকিস্থান রক্ষার লক্ষ্যে শান্তি কমিটি গঠন করা হয়। এ সময় নওগাঁর মুক্তিযোদ্ধারা সাময়িকভাবে পিছু হটে ভারতের সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নেয়।
মুক্তিবাহিনীর প্রশিক্ষণ :২৪ এপ্রিল ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বালুরঘাট, বাঙালিপুর,টিয়রপাড়া ও মধুপুরে ক্যাম্প স্থাপন করে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের প্রস্তুতি চলতে থাকে। এ সমস্ত ক্যাম্পে দেড় মাস প্রশিক্ষণ দেওয়া হত।পরবর্তীকালে মুক্তিযোদ্ধাদের উচ্চতর ট্রেনিংয়ের জন্য মালদা জেলার গৌড়বাগানে পাঠানো হত। উচ্চতর ট্রেনিং শেষ হবার পর মুক্তিযোদ্ধাদের শিলিগুড়ি ও পানিঘাটায় আর্মস ট্রেনিংয়ের জন্য পাঠানো হত। এখানে ৩ বছরের অস্ত্রের কোর্স মাত্র ২১ দিনে শেষ করে মুক্তিযোদ্ধাদের পরে তরঙ্গপুর হেডকোয়ার্টার থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহ করে দেশের অভ্যন্তরে পাঠানো হত।
ইতিমধ্যে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধনায়ক জেনারেল ওসমানী সমগ্র বাংলাদেশকে ১১ টি সামরিক সেক্টরে বিভক্ত করেন। ৭নং সেক্টরের অধীনে ছিল নওগাঁ, নবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট, দিনাজপুর ও হিলি অঞ্চল। মেজর নূরুজ্জামান ছিলেন এ সেক্টরের অধিনায়ক। তাঁর অধীনে ছিলেন মেজর নজমুল হক, ক্যাপ্টেন গিয়াস সহ আরও অনেকে। মে মাসের প্রথমে মোকলসুর রহমান রাজার নেতৃত্ব মুক্তিযোদ্ধাদের একটি বড় দল নওগাঁয় প্রবেশ করে।
সম্মুখ সমরে মুক্তিবাহিনী :১৯ মে এবং জুন মাসের প্রথম দিকে ধামইরহাট থানায় পৃথক পৃথক ২টি অপারেশন চালিয়ে মুক্তিবাহিনী ১জন পাক অফিসার সহ তাদের বেশ কয়েক জন সহযোগীকে হত্যা করে। এ অভিযানে ১জন মুক্তিযোদ্ধা নিহত এবং ২জন আহত হন। এ অভিযানে মুক্তিযোদ্ধারা ১টি জিপ সহ প্রচুর সামরিক সরঞ্জাম হস্তগত করেন।
১৩ জুন নওগাঁর মুক্তিযোদ্ধারা চকের ব্রিজ,আত্রাই থানার সাহাগোলা রেল ব্রিজ ও বগুড়া জেলার আদমদিঘী রেল ব্রিজ ডিনামাইড দিয়ে উড়িয়ে দেয়। ফলে পাকহানাদার বাহিনীর রেল চলাচলে অনেক অসুবিধার সৃষ্টি হয়। এছাড়া পত্নীতলা থানায় ক্যাম্প স্থাপনের উদ্দেশ্যে যাত্রাকারী একদল পাকসৈনিকের উপর নওগাঁর মুক্তিযোদ্ধারা হামলা চলিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র অধিকার করে। এ হামলায় নেতৃত্ব দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর নাজমুল। প্রতিশোধপরায়ন পাকহানাদার বাহিনী এরপর নিরীহ মানুষের উপর নির্যাতন শুরু করলে স্বাধীনতা সংগ্রাম আরও বেগবান হয়। সাধারণ জনগন স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে মুক্তি বাহিনীকে সহযেগীতা শুরু করে। তারা শত্রুপক্ষের সংবাদ ও অবস্থানের কথা গোপনে মুক্তি বাহিনীকে পৌঁছে দিত,গাইড হিসেবে পথ চিনিয়ে দিত।
১০ জুলাই মধইল নামক স্থানে মকাই চৌধুরীর নেতৃত্ব পাক বাহিনীর উপর হামলা চলিয়ে তাদের ৬ জনকে হত্যা করে।
১৬ জুলাই পাক বাহিনীর নদী পথে রানীনগর থানার তিলাবুদু গ্রামে প্রবেশের সংবাদ পেয়ে ওহিদুর রহমান ও আলমগীর কবিরের নেতৃত্বে মুক্তি বাহিনী পাকহানাদার বাহিনীর উপর আক্রমণ চালায়। এতে পাক বাহিনীর ২টি নৌকা ডুবে যায় এবং ৪জন পাকসৈনিকের মৃত্যু হয়।
১৪ আগষ্ট পাকিস্থানের স্বাধীনতা দিবসে মহাদেবপুর থানার হাপানিয়া মহাসড়কে মুক্তিবাহিনীর পেতে রাখা একটি শক্তিশালী বোমার আঘাতে ১টি জিপ ধ্বংস হলে ৫ হানাদার সৈন্য নিহত হয়। এর প্রতিশোধ নিতে ১৫ আগষ্ট পাক বাহিনী আশেপাশের গ্রামে নির্মম গনহত্যা চালায়।
১৯ সপ্টেম্বর আত্রাই থানার বান্দাইখাড়া গ্রামে পাক বাহিনী ১৯টি নৌকযোগে হামলা চালায়। এই সংবাদ পেয়ে ওহিদুর রহমান ও আলমগীর কবিরের নেতৃত্বে মুক্তি বাহিনী তারানগর ঘাউল্যা নামক স্থানে পাক বাহিনীর নৌকাতে হামলা চালায়। প্রচন্ড যুদ্ধে পাক বাহিনীর ৯টি নৌকাই ডুবে যায় এবং এই সাথে অসংখ্য রাজাকার ও পাকসেনার সলিল সমাধি হয়।
[সম্পাদনা] ইতিহাস
[সম্পাদনা] অর্থনীতি
[সম্পাদনা] আদিবাসী
| আদিবাস নাম | থানা অনুসারে অবস্থান |
|---|---|
| সাঁওতাল | ধামুরহাট, নিয়ামতপুর, পরশা, সাপাহার |
| মু্ডা | মহাদেবপুর, ধামুরহাট, পত্নীতলা, নিয়ামতপুর, পরশা |
| ওঁরাও | মহাদেবপুর, পত্নীতলা, পরশা |
| মাহালী | পত্নীতলা, ধামুরহাট, সাপাহার, বাদলগাছি |
| বাঁশফোঁড় | পত্নীতলা, নওগাঁ সদর, মহাদেবপুর, সাপাহার, ধামুরহাট, |
| কুর্মি | পত্নীতলা, মহাদেবপুর, ধামুরহাট, বাদলগাছি |
| মাল পাহাড়িয়া | পত্নীতলা, মহাদেবপুর, পরশা, সাপাহার, নিয়ামতপুর, |
[সম্পাদনা] দর্শনীয় স্থান
পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার,
কুশুম্বা মসজিদ,
বলিহারের রাজবাড়ি,
জগদ্দল বিহার,
দিব্যক জয়স্তম্ভ,
পতীসরːরবি ঠাকুরের কুঠি বাড়ী
[সম্পাদনা] আনুষঙ্গিক নিবন্ধ
[সম্পাদনা] বহিঃসংযোগ
|
|||||||||||||||||||||||||
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |