গোপালগঞ্জ জেলা
| প্রশাসনিক বিভাগ | ঢাকা |
| আয়তন (বর্গ কিমি) | ১,৪৮৯.৯২ |
| জনসংখ্যা | মোট: ১১,৭২,৪১৫ পুরুষ: ৪৯.২৯% মহিলা: ৫০.৭১% |
| শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: | বিশ্ববিদ্যালয়: ১ কলেজ : ২১ মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ১৩৯ মাদ্রাসা : ৭২ |
| শিক্ষার হার | ৫১.৪ % |
| বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব | বঙ্গাবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শেখ হাসিনা, কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য |
| প্রধান শস্য | ধান, পাট, ইক্ষু, বাদাম |
| রপ্তানী পণ্য | পাট, বাদাম, আখ, গুড় |
গোপালগঞ্জ জেলা (ইংরেজি: Gopalganj District)বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।
পরিচ্ছেদসমূহ |
ভৌগোলিক সীমানা [সম্পাদনা]
গোপালগঞ্জ জেলার আয়তন ১৪৯০ বর্গ কিলোমিটার। এই জেলার উত্তরে ফরিদপুর, দক্ষিণে বরিশাল, পূর্বে বরিশাল ও মাদারীপুর এবং পশ্চিমে বাগেরহাট ও নড়াইল জেলা অবস্থিত।
প্রশাসনিক এলাকাসমূহ [সম্পাদনা]
গোপালগঞ্জ জেলা পাঁচটি উপজেলায় বিভক্ত। এগুলো হচ্ছে,
ইতিহাস [সম্পাদনা]
১৯৮৪ সালে ফরিদপুর জেলার মহকুমা থেকে গোপালগঞ্জ জেলা সৃষ্টি হয়। অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে গোপালগজ্ঞ এলাকা ফরিদপুর জেলায় মাদারীপুর মহকুমা ও থানাধীন ছিল। ঐ সময়ে মাদারীপুরের সাথে এ এলাকায় জলপথ ছাড়া কোন স্থল পথের সংযোগ ছিল না। কোন স্টীমার বা লঞ্চ চলাচলও ছিল না। কেবলমাত্র বাচাড়িনৌকা, পানসি নৌকা, টাবুরিয়া নৌকা, গয়না নৌকা, ইত্যাদি ছিল চলাচলের একমাত্র বাহন। যাতায়াতের অসুবিধার কারণে এ এলাকায় পুলিশ প্রশাসন ছিল খুবই দুর্বল। মামলায় আসামীরা গ্রেফতারের ভয়ে দুর্গম বিল অঞ্চলে আত্বগোপন করে থাকত। এ সমস্ত অসুবিধার দরুন ১৮৭০ সালে গোপালগজ্ঞ থানা স্থাপিত হয়। ১৮৯৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কলকাতা গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এর সীমানা নির্ধারিত হয়। ক্রমান্বয়ে এ অঞ্চলের আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি উন্নতি হতে থাকে। বর্তমানে যেখানে থানা অবস্থিত ঐ স্থানে একটি টিনের ঘরে থানা অফিসের কাজকর্ম চালু করা হয়।
১৯০৯ সালে কাশিয়ানী, মুকসুদপুর, গোপালগজ্ঞ সদর ও কোটালীপাড়া থানা নিয়ে গোপালগজ্ঞ মহকুমা স্থাপিত হয়। মিশন স্কুলের দক্ষিণ পার্শ্বে দেওয়ানী আদালত ও সাব রেজিষ্ট্রি অফিসের স্থান নির্দিষ্ট হয়। তার দক্ষিণে মোক্তার লাইব্রেরীসহ ফৌজদারী আদালত ভবন ও সংশ্লিষ্ট অফিসের জন্য নির্ধারিত হয়। বর্তমানে যেখানে ডিসি অফিস সেখানে বিরাটকায় চারচালা গোলপাতার ঘর বাঁশের বেড়া দিয়ে ফৌজদারী কোর্ট ও সংশ্লিষ্ট অফিসের জন্য নির্মিত হয়। তার দক্ষিণে বর্তমান জেলখানার স্থানে একটি বিরাটকায় গোলের ঘর তুলে মজবুত বাঁশের বেড়া অস্থায়ী জেলখানা নির্মিত হয়। বর্তমানে যেখানে মোক্তার বার ভবন ঐ স্থানে একটি ছনের ঘরে মোক্তারগণ আইন ব্যবসা শুরু করেন। ঐ সময়ে কোন উকিল এখানে আইন ব্যবসা করতে আসেনি। গোপালগজ্ঞের প্রথম মহকুমা প্রশাসক ছিলেন মি: সুরেশ চন্দ্র সেন। ১৯৭২ সালের ২০ জানুয়ারি গোপালগজ্ঞ পৌরসভা গঠিত হয়। পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান পান্না বিশ্বাস। ১৯৮৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে গোপালগজ্ঞ সদর থানা উপজেলায় উন্নীত হয়। প্রথম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ছিলেন জনাব এইচ নুর মোহাম্মদ।
অর্থনীতি [সম্পাদনা]
গোপালগঞ্জ মূলত কৃষি প্রধান অঞ্চল। এখানে ধান, গম, পাট, আখ, নানা ধরনের সব্জি জন্মে। এছাড়া মৎস আহরণসহ এ জায়গার লোকজন বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত থেকে জীবিকা নির্বাহ করছে। বর্তমানে প্রবাসে বসবাসকারীদের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। -মোঃ ইসমাইল হোসাইন দিনার।
চিত্তাকর্ষক স্থান [সম্পাদনা]
টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধি, ধর্মরায়ের বাড়ি, দীঘলিয়া দক্ষিণা কালীবাড়ি, ঢাকা-খুলনা বিশ্বরোড, চক্ষু হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মধুমতি নদী, ৫০মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসা,
আনুষঙ্গিক নিবন্ধ [সম্পাদনা]
বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ [সম্পাদনা]
- শেখ মুজিবুর রহমান, রাজনীতিবিদ, সাবেক রাষ্ট্রপতি।
- শেখ হাসিনা, রাজনীতিবিদ, প্রধানমন্ত্রী
- সুকান্ত ভট্টাচার্য,কবি