দোহার উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

স্থানাঙ্ক: ২৩°৩৫′৪৫″উত্তর ৯০°০৭′২০″পূর্ব / ২৩.৫৯৫৮° উত্তর ৯০.১২২২° পূর্ব / 23.5958; 90.1222

দোহার উপজেলা
BD Districts LOC bn.svg
Red pog.svg
দোহার
বিভাগ
 - জেলা
ঢাকা বিভাগ
 - ঢাকা জেলা
স্থানাঙ্ক ২৩°৩৫′৪৫″উত্তর ৯০°০৭′২০″পূর্ব / ২৩.৫৯৫৮° উত্তর ৯০.১২২২° পূর্ব / 23.5958; 90.1222
আয়তন ১২১.৪১ বর্গকিমি
সময় স্থান বিএসটি (ইউটিসি+৬)
জনসংখ্যা (২০১১)
 - ঘনত্ব
 - শিক্ষার হার
২,২৬,৪৩৯জন[১]
 - ১৪০২ বর্গকিমি
 - ৬৫%
পোস্টকোড ১৩৩০
ওয়েবসাইট: উপজেলা প্রশাসনের ওয়েবসাইট
দোহার

দোহার বাংলাদেশের ঢাকা জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা

অবস্থান[সম্পাদনা]

দোহার উপজেলা ঢাকা জেলার মধ্যে আয়তন ও জনসংখ্যার বিবেচনায় সবচেয়ে ছোট উপজেলা। ১৯২৬ সনে দোহার থানার উৎপত্তি হয় এবং ১৯৮৩ সনে দোহার উপজেলা হিসাবে মান উন্নীত হয়। উত্তরে- নবাবগঞ্জ উপজেলা দক্ষিণে-পদ্মা নদী পূর্বে- শ্রীনগর উপজেলা (জেলা-মুন্সিগঞ্জ) পশ্চিমে- হরিরামপুর উপজেলা (জেলা-মানিকগঞ্জ)।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

দোহার উপজেলায় মোট ৮ টি ইউনিয়ন ১ টি উপজেলা, ৯৩ টি মৌজা এবং ১৩৯ টি গ্রাম রয়েছে।

দোহার উপজেলার ইউনিয়ন গুলোর নাম হচ্ছে

ইতিহাস[সম্পাদনা]

জনসংখ্যা ২,২৬,৪৩৯ জন (প্রায়) পুরুষ ১,০৭,০৪১ জন (প্রায়) মহিলা ১,১৯,৩৯৮ জন (প্রায়) লোক সংখ্যার ঘনত্ব ১,৪০২ জন (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে) মোট ভোটার সংখ্যা ১,৫১,৭৭০ জন পুরুষভোটার সংখ্যা ৭৩,১২০ জন মহিলা ভোটার সংখ্যা ৭৮,৬৫০ জন বাৎসরিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩০% মোট পরিবার(খানা) ৪৯,৪০০ টি

শিক্ষা[সম্পাদনা]

উচ্চ বিদ্যালয় ১৬ টি নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় ০৪ টি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ০১ টি কারিগরি স্কুল এন্ড কলেজ (স:) ০১ টি ডিগ্রী কলেজ ০২ টি আলিয়া মাদ্রাসা ০১ টি দাখিল মাদ্রাসা ০৩ টি কওমী হাফিজিয়া ও অন্যান্য মাদ্রাসা ২৮ টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ৪২ টি রেজি: প্রাথমিক বিদ্যালয় ০৮ টি কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ০৬ টি এবতেদায়ী মাদ্রাসা ০১ টি উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন প্রা: বিদ্যা: ১১ টি বেসরকারী কেজি স্কুল ১৮ টি

স্বাস্থ্য সংক্রান্ত[সম্পাদনা]

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ০১ টি
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ১৬ টি
বেডের সংখ্যা ৫০ টি
ডাক্তারের মঞ্জুরীকৃত পদ সংখ্যা ৩৭ টি
কর্মরত ডাক্তারের সংখ্যা ইউএইচসি ১৭,
ইউনিয়ন পর্যায়ে ১৬,
ইউএইচএফপিও ১টি মোট= ৩৪ টি
সিনিয়র নার্স সংখ্যা ১৫ জন। কর্মরত=১৩ জন
সহকারী নার্স সংখ্যা ০১ জন

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

দোহার উপজেলার দর্শনীয় স্থানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য স্থানগুলো হচ্ছে নুরুল্লাহপুর ওরস শরীফ এর মেলা, মৈনট ঘাঁট, পদ্মার নদীর পাড়ে বাহ্রা ঘাট, কোঠাবাড়ি বিল, নারিশা পদ্মার পার, আড়িয়াল বিল (নিকড়া), ডাক বাংলো (মুকসুদপুর), দুবলী টু নওয়াবগঞ্জ রোড, সাইনপুকুর বড়বাড়ি|

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

দোহার উপজেলার অর্থনীতির বেশির ভাগ অংশই আসে রেমিটেন্স থেকে। এখানকার কর্মরত বেশির ভাগ মানুষই- সৌদি-আরব, জাপান, কোরিয়া, ওমান, জার্মানি, বেলজিয়াম, অস্ট্রিয়া, রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, কুয়েত, কাতার, দুবাই, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইটালি, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র সহ পৃথিবীর ভিবন্ন দেশে অবস্থান করছেন। আর এই রেমিটেন্স এর পরিমাণ অনেক বেশি হওয়ায় দোহার উপজেলায় গড়ে উঠেছে অধিক সংখ্যক ব্যাংক। মতিঝিলের পর দোহার বাংলাদেশের একমাত্র থানা যেখানে ব্যাংকের সংখ্যা অধিক। মোটকথা বাংলাদেশে যত ব্যাংক কোম্পানি রয়েছে তার প্রায় সব ব্যাংকেরই এইখানে শাখা রয়েছে। এছাড়াও দোহারের অর্থনীতি নির্ভর করে- কৃষি কাজ, ব্যবসা-বাণিজ্য, তাঁত শিল্প ইত্যাদির উপর।

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

দোহার উপজেলার কৃতি ব্যক্তিদের মধ্যে যারা আছেন তাদের ভিতর অন্যতম হল- বিচারপতি ফজলুর রহমান, ডা: এ আর খান, কম্পিউটার প্রকৌশলী সৈয়দ মোহাম্মদ অলিউর রহমান (অপু), ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম, ক্যাপ্টেন নুরুল হক, জি এস চৌধুরি, মধু চৌধুরি, খন্দকার শহীদ, ডাঃ ওমর, ডাঃ জালাল উদ্দিন, ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা, সালমান এফ রহমান, সচিব মিজানুর রহমান, শামীম আসরাফ চৌধুরী, জজ মান্নান, প্রকৌশলী পাখী, ডাঃ কবির আহমেদ, ডাঃ পাখী, এ্যাডভোকেট ফিরোজ মিয়া, প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন (নিলু মিয়া), আবদুল হান্নান মিয়া, প্রমূখ।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে দোহার উপজেলা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ৮ জুলাই, ২০১৫ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]