ফেনী জেলা
| ফেনী জেলা | |
| বিভাগ | চট্টগ্রাম বিভাগ |
| স্থানাঙ্ক | |
| আয়তন | ৯২৮.৩৪ বর্গ কি: মি: বর্গ কিমি |
| সময় স্থান | বিএসটি (ইউটিসি+৬) |
| জনসংখ্যা (২০০১) - ঘণত্ব - শিক্ষার হার |
১২,০৫,৯৮০ - ১,২৮৮.৫৬/কিমি² - ৬৪% |
| ওয়েবসাইট: ফেনী জেলা প্রশাসন | |
| মানচিত্র সংযোগ: ফেনী জেলার প্রাতিষ্ঠানিক মানচিত্র | |
ফেনী জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।
সূচিপত্র |
[সম্পাদনা] ভৌগোলিক সীমানা
উত্তরে কুমিল্লার লাংগলকোট উপজেলা, পশ্চিমে নোয়াখালীর সেনবাগ, পশ্চিম-দক্ষিণে নোয়াখালীর কোম্পানীগন্জ, পূর্ব-উত্তরে ভারতের মিজোরাম, পূর্ব-দক্ষিণে চট্রগ্রামের মিরেরসরাই উপজেলা এবঙ দক্ষিণে বঙ্গপোসাগর
[সম্পাদনা] প্রশাসনিক এলাকাসমূহ
[সম্পাদনা] ফেনী সদর
সদর উপজেলাটি ফেনী ট্রাংক রোড হতে ৩.০০ কিঃমিঃ পূর্বে অবস্থিত। অত্র উপজেলায় উপজেলার সকল বিভাগীয় অফিস সমূহের কার্যক্রম হয়ে থাকে।
সংক্ষিপ্ত তথ্য
- উপজেলার আয়তন-১৯৭.৩৩ বর্গ কিলোমিটার
- জনসংখ্যা-৪,০০,৮৮৮ জন।পুরুষঃ-২,০০,৪৮০ জন মহিলাঃ- ২,০০,৪০৮ জন
- ঘনতব-২০৩২ জন
- নির্বাচনী এলাকা-২৬৬, ফেনী-২।
- ইউনিয়ন-১২ টি
- মৌজা-১৩৩ টি
- সরকারী হাসপাতাল-০১ টি
- স্বাসহ্য কেন্দ্র/ক্লিনিক-১২ টি
- পোষ্ট অফিস-০১ টি
- নদ-নদী-০৩ টি
- হাট বাজার-৩২ টি
- ব্যাংক-৩৫ টি
পটভূমি ফেনী সদর উপজেলার একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। ধারণা করা হয় যে, ১০০০ থেকে ১৪০০ খ্রীস্টপূর্বে প্রথম এই এলাকায় মানববসতি গড়ে উঠে। প্রাচীন কালে এই এলাকা সমতট রাজ্যের অন্তর্ভূক্ত ছিল । ১৮৭৬ সালে তৎকালীন বৃটিশ সরকার প্রশাসনিক সুবিধার জন্য ফেনী মহকুমা প্রতিষ্ঠা করে। ফেনী সদর উপজেলা ফেনী মহকুমার অন্তভূক্ত ছিল এবং ফেনী মহকুমা পূর্বে নোয়াখালী জেলার অর্ন্তভূক্ত ছিল। ১৯৭২ সালে অত্র উপজেলায় ফেনী পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে ১৯৮৪ সালে ফেনী জেলা প্রতিষ্ঠিত হয়। ফেনী জেলা/উপজেলার নাম করনের সঠিক ইতিহাস পাওয়া যায় না। কারো কারো মতে পুন্ডুবর্ধনের রাজা বিরাট এর জমিদার ফনী রাজা যার উপর এই এলাকার শাসনভার ন্যস্ত ছিল তার নামানুসারে এই এলাকার নামকরণ করা হয়েছে। আবার কারো কারো মতে ফেনীর নীচু এলাকা এক সময় প্রচুর কচুরীপানা (স্থানীয়ভাবে পেনা নামে পরিচিত) দ্বারা আবৃত ছিল। পেনা থেকেও এই এলাকার নামকরণ হতে পারে। আবার এক সময় এ এলাকা সাপের আবাসসহল ছিল। সাপের হাত থেকে মুক্তি পেতে লোকজন প্রচুর ফনীমনসা গাছ লাগাতো। এ থেকেও এই জেলা/ উপজেলার নামকরণ হতে পারে। আবার ফেনী নদীর (যেটি সাপের মতো সর্পিলাকার গতিতে ফেনী জেলার উপর দিয়ে বয়ে গেছে) নামানুসারেও ফেনী জেলা/উপজেলার নামকরণ হতে পারে।
উপজেলার উল্লেখযোগ্য স্থান/স্থাপনাঃ- ১ ফেনী রাজাজির দীঘি, ২ সার্কিট হাউজ সংলগ্ন পূর্ব বিজয়সিংহ দীঘি, ৩ শের শাহের আমলে নির্মিত গ্র্যান্ড ট্রাংক রোড।[১]
স্কুল কলেজের তালিকা:
[সম্পাদনা] ফুলগাজী
ফুলগাজী উপজেলা একটি নবগঠিত উপজেলা। এটি ২০০২ সালে উপজেলা হিসাবে কার্যক্রম শুরু করে। উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা-০৬টি।
সংক্ষিপ্ত তথ্য
- আয়তনঃ ১০৪.৯৩ বর্গ কিলোমিটার
- জনসংখ্যাঃ ১,১০,২৯১ জন (২০০১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী) (ক) পুরুষঃ৫৪,২১৬ জন (খ) মহিলাঃ ৫৬,০৭৫ জন
- ঘনত্বঃ ১০৫১.০৯ জন (প্রায়) প্রতি বর্গ কিলোমিটারে
- নির্বাচী এলাকাঃ ২৬৫, ফেনী-১
- ইউনিয়নঃ ৬টি (ফুলগাজী, পরশুরাম, মুন্সীরহাট, দরবারপুর, আনন্দপুর, আমজাদহাট ও জিএমহাট)
- মৌজাঃ ৭৯টি
- গ্রামঃ ৮৫টি
- সরকারী হাসপাতালঃ ১টি (উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-৩১ শয্যা বিশিষ্ট)
- স্বাস্থ্য কেন্দ্র ক্লিনিকঃ ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র-২টি, কমিউনিটি ক্লিনিক-৩টি
- পোষ্ট অফিসঃ ৯টি (ফুলগাজী, নতুন মুন্সীরহাট, কালিকাপুর, মুন্সীরহাট,হাসনাবাদ,আনন্দপুর,জিএমহাট, বশিকপুর, আমজাদহাট)
- প্রধান নদ-নদীঃ কহুয়া, সিলোনিয়া ও মহুরী
- হাট বাজারঃ ১০টি
- ব্যাংকঃ ৮টি (১/ সোনালী ব্যাংক, ফুলগাজী শাখা ২/সোনালী ব্যাংক, মুন্সীরহাট শাখা ৩/বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, ফুলগাজী শাখা ৪/ বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক,জিএমহাট শাখা ৫/বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, আমজাদহাট শাখা ৬/জনতা ব্যাংক, ফুলগাজী শাখা ৭/ জনতা ব্যাংক, মুন্সীরহাট শাখা ৮/ পুবালী ব্যাংক,ফুলগাজী শাখা।)
- বিওপিঃ ৫টি (কমুয়া, নোয়াপুর, সোনাপুর, খাজুরিয়া, তারাকুচা)
- পেট্রোল পাম্পঃ ২টি (১/ মেসার্স আলম ট্রেডার্স ফিলিং ষ্টেশন ২/ ভাই ভাই ফিলিং ষ্টেশন
- শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ ৪৬টি
- রেজিষ্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ ১০টি
- কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ ৩টি
- মাধ্যমিক বিদ্যালয়ঃ ২২টি
- কলেজঃ ৫টি (সরকারী ১টি, মহিলা কলেজ ১টি, অন্যান্য ৩টি )
- মাদ্রাসাঃ ৭টি
- ইউনিয়ন ভূমি অফিসঃ ৩টি (ফুলগাজী ইউনিয়ন ভূমি অফিস, মুন্সীরহাট ইউনিয়ন ভূমি অফিস এবং আনন্দপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস ।
পটভূমি ফুলগাজী একটি নবসৃষ্ট উপজেলা। পরশুরাম উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন (ফুলগাজী, পরশুরাম, মুন্সীরহাট, দরবারপুর, আনন্দপুর, আমজাদহাট ও জিএমহাট) নিয়ে ফুলগাজী উপজেলা গঠিত হয় । গত ০৪/০৬/২০০২ তারিখের বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যয় উপজেলাটি গেজেট ভূক্ত হয়, যাহার স্মারক নং উজে-২/১সি-৩/২০০১/২০১, ২৭/৩/২০০২ তারিখে অনুষ্ঠি নিকার বৈঠকে পরশুরাম উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন (ফুলগাজী, পরশুরাম, মুন্সীরহাট, দরবারপুর, আনন্দপুর, আমজাদহাট ও জিএমহাট) কর্তন করে উহাদের সমন্বয়ে ফুলগাজী উপজেলা নামে একটি নতুন প্রশাসনিক উপজেলা করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। গত ১৪/১০/২০০২ তারিখ ফুলগাজী উপজেলার প্রথম উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসাবে জনাব মোঃ মশিউর রহমান যোগদান করেন। গত ০৫/১১/২০০২ তারিখে তৎকালী প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক উপজেলার শুভ উদ্বোধন ঘোষনা করা হয়। কথিত আছে অত্র এলাকায় জনৈক ফুলগাজী মজুমদার নামীয় একজন গুনি ব্যক্তির নামে ফুলগাজী নামক স্থানের নামের প্রেক্ষিতে ফুলগাজী উপজেলার নামকরণ করা হয়। উপজেলাটির পশ্চিমে ভারতের ত্রিপুরা সীমান্ত, দুরত্ব ৫.৫০ কিঃ মিঃ(প্রায়) পূর্বে ভারতের ত্রিপুরা সীমান্ত, দুরত্ব ৮.৫০ কিঃ মিঃ(প্রায়), উত্তরে পরশুরাম উপজেলা, দক্ষিনে ফেনী সদর উপজেলা । উপজেলায় শিক্ষার হার ৫৭.১৬%, বহু রাজনীতিবিদ ও সরকারী উর্ধ্বতন কর্মকর্তার, সাংবাদিক ও গন্যমান্য ব্যক্তির জন্মস্থান এই ফুলগাজী উপজেলা। এখানকার বহু লোক মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, আমেরিকা ইত্যাদি দেশে বসবাস করে। মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা জাতীয় প্রেক্ষাপটে যথেষ্ট উন্নত। বিদেশ থেকে প্রবাসীরা প্রচুর পরিমান বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণ করেন। এর ফলে অত্র উপজেলায় হত দরিদ্র লোকের সংখ্যা তুলনামূলক কম দেখা যায়।
বিশেষ স্থানঃ ফুলগাজী গাইন বাড়ী, ফুগাজী কলেজ সংলগ্ন বাশুড়া দোলবাড়ী মন্দীর।[২]
স্কুল কলেজের তালিকা:
- ফুলগাজী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়
- ফুলগাজী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
- জগতপুর উচ্চ বিদ্যালয়
- আলী আজম উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ
- আজমিরী বেগম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
- জি,এম হাট উচ্চ বিদ্যালয়
- রাহাতেন নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
- আনন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়
- ধর্মপুর এডুকেশনাল এষ্ট্রেট
- হাজী আমির হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়
- হাসানপুর শাহআলম চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় কলেজ
- বন্ধুয়া দৌলতপুর উচ্চ বিদ্যালয়
- নতুন বাজার উচ্চ বিদ্যালয়
- বকশী শাহ উচ্চ বিদ্যালয়
- করইয়া কালিকাপুর উচ্চ বিদ্যালয়
- বসন্তপুর উচ্চ বিদ্যালয়
- জাফর ইমাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
- খাজুরিয়া মমতাজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়
- ইসলামপুর উচ্চ বিদ্যালয়
- নিলক্ষী অধ্যক্ষ এ মজিদ উচ্চ বিদ্যালয়
- নোয়াপুর উচ্চ বিদ্যালয়
- পৈথারা উচ্চ বিদ্যালয়
[সম্পাদনা] পরশুরাম
উত্তরে-ভারত, দক্ষিণে-ফুলগাজী উপজেলা, পূর্বে-ভারত ও পশ্চিমে ভারত।
সংক্ষিপ্ত তথ্যঃ
- আয়তন ৯৫.৭৭ কিঃ কিঃ
- জনসংখ্যা ৮৯,৫৭৪ জন (ক) পুরুষ-৪৩,৬২১ জন (খ) মহিলা-৪৫,৯৫৩ জন
- নির্বাচনী এলাকা ২৬৫ ফেনী-১,
- খানা/ইউনিয়নঃ ০৩(তিন)টি ইউনিয়ন ও ০১টি পৌরসভা।
- মৌজাঃ ৭৭ টি ।
- সরকারী হাসপাতালঃ ০১ টি।
- স্বাস্থ্য কেন্দ্র/ক্লিনিকঃ ১৪টি ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র-২টি, পল্লী চিকিৎসা কেন্দ্র-২টি।
- পোষ্ট অফিসঃ ০১টি।
- নদ-নদীঃ ৩টি (মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া)।
- হাট বাজারঃ ১১ টি।
- ব্যাংকঃ ০৪টি(সোনালী, কৃষি, অগ্রণী ও জনতা ব্যাংক)
পটভূমিঃ উপজেলা সৃষ্টির সাথে সাথে এ পরশুরাম উপজেলা গঠিত হয়। তৎসময়ে ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে যাত্রা শুরু করে। গত ২৭/৩/২০০২ তারিখে পরশুরাম উপজেলা ভেঙ্গে ফুলগাজী উপজেলা গঠিত হওয়ায় বর্তমানে ১টি পৌরসভা ও ৩টি ইউনিয়ন নিয়ে পরশুরাম উপজেলা। বিগত ১৯৮৩ সাল থেকে এ উপজেলার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। কথিত আছে , অত্র এলাকায় জনৈক পরশুরাম চৌধুরী নামীয় একজন জমিদারের নামে পরশুরাম উপজেলার নামকরণ করা হয়।
উল্লেখযোগ্য স্থান বা স্থাপনাঃ ঐতিহাসিক বিলোনিয়া ও পরশুরাম স্থল বন্দর।[৩]
স্কুল কলেজের তালিকা:
- পরশুরাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়
- পরশুরাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
- মডেল উচ্চ বিদ্যালয়
- বক্স মাহমুদ উচ্চ বিদ্যালয়
- খন্ডল উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ
- গুথুমা কে বি এ আজিজ উচ্চ বিদ্যালয়
- চানগাজী উচ্চ বিদ্যালয়
- মির্জা নগর তৌহিদ একাডেমী
- ধনীকুন্ডা হোসনেয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়
- শালধর মোহাম্মদ আলী উচ্চ বিদ্যালয়
- চিথলীয় নাসির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়
- রাজসপুর এ,এ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়
- চারগ্রাম সমিতি উচ্চ বিদ্যালয়
- নরনিয়া মুন্সীর খিল উচ্চ বিদ্যালয়
- চন্দনা উচ্চ বিদ্যালয়
- কেতরাঙ্গা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়
- অনন্তপুর জ্যোস্না নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়
[সম্পাদনা] ছাগলনাইয়া
স্কুল কলেজের তালিকা:
- ছাগলনাইয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়
- ছাগলনাইয়া পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
- চাঁদগাজী হাই স্কুল এন্ড কলেজ
- হিছাছাড়া উচ্চ বিদ্যালয়
- বাঁশপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়
- মুহুরীগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়
- নিজকুঞ্জরা উচ্চ বিদ্যালয়
- করৈয়া বহুপার্শ্বিক উচ্চ বিদ্যালয়
- হাবিবউল্যাহ খান উচ্চ বিদ্যালয়
- কাশিপুর উচ্চ বিদ্যালয়
- নিজপানুয়া উচ্চ বিদ্যালয়
- মধুগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়
- জাফর ইনাম আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়
- ছলেমা নজির উচ্চ বিদ্যালয়
- হরিপুর আলী আকবর উচ্চ বিদ্যালয়
- অগ্রনী উচ্চ বিদ্যালয়
- পাঠাননগর নুরুল হক উচ্চ বিদ্যালয়
- দক্ষিণ সতর উচ্চ বিদ্যালয়
- জয়পুর সরোজিনী উচ্চ বিদ্যালয়
- আনোয়ারা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
- উত্তর কুহুমা উচ্চ বিদ্যালয়
- গতিয়া আজিজুল হক উচ্চ বিদ্যালয়
- রাধানগর উচ্চ বিদ্যালয়
- পূর্বদেবপুর উচ্চ বিদ্যালয়
- জমিলা খাতুন চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়
- বাথানিয়া দুলুমা আজিম উচ্চ বিদ্যালয়
- ছাগলনাইয়া একডেমী
- নুরুন নেওয়াজ উচ্চ বিদ্যালয়
[সম্পাদনা] দাগনভূঞা
সংক্ষিপ্ত তথ্যঃ
- উপজেলা প্রতিষ্ঠার তারিখঃ ১৪-০৯-১৯৮৩
- মোট জনস্যাংখ্যাঃ পুরুষ ১,০৩,৬২৮(জন), মহিলা ১,১২,৬০৫(জন) মোট ২,১৬,২৩৩(জন)
- উপজেলা আয়তনঃ ১৪১.৭১ বর্গ কিঃ মিঃ (৫১.০৭ বর্গ মাইল)
- ঘনত্বঃ মধ্যম
- নির্বাচনী এলাকাঃ ২৬৭, ফেনী-৩ (দাগনভূঁঞা-সোনাগাজী)
- মোট ইউনিয়নঃ ৮টি
- পৌরসভার সংখ্যাঃ ১টি
- গ্রামের সংখ্যাঃ ১৩২টি
- খানা/পরিবারঃ ৪০,৩৫৮টি (২০০১ সালে আদম শুমারী অনুযায়ী)
- মৌজার সংখ্যাঃ ১০০টি।[৪]
স্কুল কলেজের তালিকা:
- আতার্তুক মডেল উচ্চ বিদ্যালয়
- দাগনভূঁইয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
- রামনগর কে,এম,সি উচ্চ বিদ্যালয়
- পূর্বচন্দ্রপুর উচ্চ বিদ্যালয়
- বাতশিরি উচ্চ বিদ্যালয়
- দুধমুখা উচ্চ বিদ্যালয়
- সুজাতপুর উচ্চ বিদ্যালয়
- রঘুনাথপুর উচ্চ বিদ্যালয়
- সাপুয়া উচ্চ বিদ্যালয়
- রাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ
- প্রতাপপুর উচ্চ বিদ্যালয়
- করিমউল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়
- জায়লস্কর উচ্চ বিদ্যালয়
- সিলোনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়
- ফাজিলের ঘাট উচ্চ বিদ্যালয়
- মমারিজপুর উচ্চ বিদ্যালয়
- জাহানআরা উচ্চ বিদ্যালয়
- সিন্দুরপুর কে, এ উচ্চ বিদ্যালয়
- বাগডুবি উচ্চ বিদ্যালয়
- উত্তর আলীপুর উচ্চ বিদ্যালয়
- বরইয়া আলী আকবর উচ্চ বিদ্যালয়
- বদরের নেছা উচ্চ বিদ্যালয়
- জাফর ইমাম (বীর বিক্রম) উচ্চ বিদ্যালয়
- দক্ষিণ নেয়াজপুর মকবুল আহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়
- দাগনভূঁইয়া একাডেমী
- চন্দ্রদ্বীপ উচ্চ বিদ্যালয়
- সুলতানা মেমোরিয়াল বালিকা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়
- আলহাজ্ব সামসুল হক মিয়া একাডেমী
- আলহাজ্ব সফিউল্লাহ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়
[সম্পাদনা] সোনাগাজী
বাংলাদেশের মানচিত্রে ফেনী জেলার গৌরবময় ইতিহাস এবং ঐতিহ্যের স্বাক্ষী সাগরস্নাত উপকূলীয় উপজেলা সোনাগাজী। এ জনপদের লোকেরা নিজ জেলা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সমাজ ও দেশ গঠনে নিরন্তর প্রচেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছে। দেশের সম্ভবনাময় উপজেলা হিসেবে সোনাগাজী উপজেলা সারাদেশের অন্যান্য উপজেলা হতে সবক্ষেত্রে অনেকবেশী উন্নত।
সংক্ষিপ্ত তথ্যঃ
- আয়তনঃ ২৮৪.৯ বর্গ কিলোমিটার (১১০ বর্গ মাইল) ।
- জনসংখ্যা (২০০১ সালের আদম শুমারী অনুযায়ী)ঃ ২,৩৫,২২৯ জন।
- ঘনত্বঃ প্রতি বর্গ কিঃ মিঃ-৮২৬ জন।
- নির্বাচনী এলাকা : ফেণী-৩, ২৬৭ ।
- খানা/ইউনিয়নঃ ০৯টি।
- মৌজাঃ ৯৪টি।
- সরকারী হাসপাতালঃ ০১টি
- স্বাস্থ্য কেন্দ্র/ক্লিনিকঃ ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র-০৫টি,স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র-০৮টি,স্যাটেলাইট ক্লিনিক-৭২টি।
- পোস্ট অফিসঃ ০৪টি,সাব পোস্ট অফিস-৩টি, শাখা পোস্ট অফিস-১৬টি।
- নদ-নদীঃ ০২টি (বড় ফেণী ও ছোট ফেণী নদী) ।
- হাট বাজারঃ ২৮ টি।
- ব্যাংকঃ ১৭টি ।
পটভূমিঃ ধারণা করা হয় পলাশী যুদ্ধের পর ১৭৮০ খ্রিঃ থেকে ১৮০০ খ্রিঃ এর মাঝামাঝি সময় নয়ন গাজী নামে জনৈক ব্যক্তি ইসলাম ধর্ম প্রচারের জন্য উপমহাদেশের পশ্চিম অংশ থেকে অত্র এলাকায় আগমন করেন। সোনাগাজী নামে তার এক ছেলে ধন সম্পদের অধিকারী হয়ে এ এলাকায় প্রভাব বিস্তার করেন। সম্ভবত তাঁর নাম অনুসারে অত্র উপজেলার নাম সোনাগাজী নামকরণ করা হয়।
উল্লেখযোগ্য স্থান বা স্থাপনাঃ মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদ স্বরণে মুক্তিযদ্ধ স্মৃতি সৌধ, মুহুরী সেচ প্রকল্প, সুজাপুর ওয়ালি ভূঁঞা বাড়ী জামে মসজিদ, বাদশা মিয়া চৌধুরী বাড়ী জামে মসজিদ, কুঠির কালী বাড়ী মন্দির, আঞ্চলিক ধান গবেষণা কেন্দ্র, আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামার এবং বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র।[৫]
স্কুল কলেজের তালিকা:
- সোনাগাজী মোঃ ছাবের পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়
- সোনাগাজী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
- আলহেলাল একাডেমী
- বিষ্ণুপুর উচ্চ বিদ্যালয়
- ওসমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়
- বক্তার মুন্সী এম, এইচ উচ্চ বিদ্যালয়
- মঙ্গলকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়
- আর এম হাট কে উচ্চ বিদ্যালয়
- দাসের হাট আর, আর উচ্চ বিদ্যালয়
- আহাম্মদপুর নুরুনবী উচ্চ বিদ্যালয়
- আমিরাবাদ আনোয়ারা বালিক উচ্চ বিদ্যালয়
- আমিরাবাদ বি,সি লাহা উচ্চ বিদ্যালয়
- ভোরবাজরা এ,বি, এইচ উচ্চ বিদ্যালয়
- সোনাপুর হাজী এম,এস হক উচ্চ বিদ্যালয়
- চরসাহা ভিকারী উচ্চ বিদ্যালয়
- ওলামাবাজার এইচ,এস,এম উচ্চ বিদ্যালয়
- মোশাররফ হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়
- কাজীরহাট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়
- তাহেরা বেগম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
- চরভৈরব হাজী তোফায়েল আহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়
[সম্পাদনা] ইতিহাস
ফেনী নদীর নাম অনুসারে এ অঞ্চলের নাম রাখা হয়েছে ফেনী।মধ্যযুগে কবি ও সাহিত্যিকদের কবিতা ও সাহিত্যে একটা বিশেষ নদীর স্রোতধারা ও ফেরী পারা পারের ঘাট হিসেবে আমরা ফনী শব্দ পাই। ষোড়শ শতাব্দীতে কবি কবীন্দ্র পরমেশ্বর পরাগলপুরের বর্ণনায় লিখছেনঃ “ফনী নদীতে বেষ্টিত চারিধার,পূর্বে মহাগিরি পার নাই তার।” সতের শতকে মির্জা নাথানের ফার্সী ভাষায় রচিত “বাহরিস্তান-ই-গায়েবীতে” ফনী শব্দ ফেনীতে পরিণত হয়।[৬] আঠার শতকের শেষভাগে কবি আলী রেজা প্রকাশ কানু ফকির তার পীরের বসতি হাজীগাওর অবস্থান সম্পর্কে লিখছেনঃ “ ফেনীর দক্ষিণে এক ষর উপাম, হাজীগাও করিছিল সেই দেশের নাম।”কবি মোহাম্মদ মুকিম তার পৈতৃক বসতির বর্ণনাকালে বলেছেনঃ “ ফেনীর পশ্চিমভাগে জুগিদিয়া দেশে.........।“ বলাবাহুল্য, তারাও নদী অর্থে ফেনী ব্যবহার করেছেন। মনে হয় আদি শব্দ ‘ফনী’ মুসলমান কবি ও সাহিত্যিকদের ভাষায় ফেনীতে পরিণত হয়েছে।
১৮৭২-৭৪ সালের মধ্যে মোগল আমলের আমীরগাও থানা নদী ভাঙ্গনের মুখোমুখি হলে তা ফেনী নদীর ঘাটের অদূরে খাইয়অ্যা্রাতে স্থানান্তরিত হয়েছিল। ঐ থানাটি কোম্পানীর কাগজ পত্রে ফেনী থানা (ফেনী নদীর অদূরে বলে) নামে পরিচিত হয়।অতঃপর ১৮৭৬ সালে নতুন মহকুমার পত্তন হলে খাইয়অ্যা্রা থেকে থানা দপ্তরটি মহকুমা সদরে স্থানান্তরিত হয় ও নতুন মহকুমাটি ফেনী নামে পরিচিত হয়।[৭]
দূর অতীতে এ অঞ্চল ছিল সাগরের অংশ; তবে উত্তর পূর্ব দিক ছিল পাহাড়িয়া অঞ্চলের পাদদেশ।ফেনীর পূর্বদিকের রঘুনন্দন পাহাড় থেকে কাজির বাগের পোড়ামাটি অঞ্চলে হয়তঃ আদিকালে শিকারী মানুষের প্রথম পদচিহ্ন পড়েছিল।এখানকার ছাগলনাইয়া গ্রামে ১৯৬৩ সালে একটা পুকুর খননকালে নব্য প্রস্তর যুগের মানুষের ব্যবহৃত একটা হাতিয়ার বা হাতকুড়াল পাওয়া গেছে।পন্ডিতদের মতে ঐ হাতকুড়াল প্রায় পাচ হাজার বছরের পুরাতন।[৮]
বৃহত্তর নোয়াখালীর মধ্যে পূর্বদিকের ফেনী অঞ্চলকে ভূ-খন্ড হিসেবে অধিকতর প্রাচীন বলে পন্ডিতগণ মত প্রকাশ করেছেন। ফেনীর পূর্বভাগের ছাগল নাইয়া উপজেলার শিলুয়া গ্রামে রয়েছে এক প্রাচীন ঐতিহাসিক শিলামূর্তির ধ্বংসাবশেষ।প্রকাশ শিলামূর্তির অবস্থানের কারণে স্থানটি শিলুয়া বা শিল্লা নামে পরিচিত হয়েছে।প্রাচীন কালে হয়ত এখানে বৌদ্ধ ধর্ম ও কৃষ্টির বিকাশ ঘটেছিল।[৯]
ডঃ আহমদ শরীফ চট্টগ্রামের ইতিকথায় বলেছেনঃ প্রাচীনকালে আধুনিক ফেনী অঞ্চল ছাড়া নোয়াখালীর বেশির ভাগ ছিল নিম্ন জলা ভূমি। তখন ভুলুয়া (নোয়াখালীর আদি নাম) ও জুগিদিয়া (ফেনী নদীর সাগর সঙ্গমে অবস্থিত) ছিল দ্বীপের মতো। [১০] ছাগল নাইয়া নামকরণ সম্পর্কে কেউ কেউ বলেন যে ইংরেজ আমলের শুরুতে সাগর (Sagor) শব্দটি ভুল ক্রমে সাগল (Sagol) নামে লিপিবদ্ধ হয়েছিল।তাই ছাগল নাইয়া শব্দটি প্রচলিত হয়ে ওঠে।উল্লেখ্য ইংরেজ আমলের পূর্বে কোন পুথি পত্রে ছাগল নাইয়া নামের কোন স্থানের নাম পাওয়া যায় না।[১১]
ফেনী নদীর তীরে রঘুনন্দন পাহাড়ের পাদদেশে অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যভাগে বীর বাঙ্গালী শমসের গাজীর রাজধানী ছিল। তিনি এখান থেকে যুদ্ধাভিযানে গিয়ে রৌশনাবাদ ও ত্রিপুরা রাজ্য জয় করেন। তিনি চম্পক নগরের একাংশের নামকরণ করেছিলেন জগন্নাথ সোনাপুর। [১২]
সংক্ষেপে, ১৯৮৪ সালে প্রশাসনিক পুনর্গঠনের মাধ্যমে যে সকল মহকুমাকে মানোন্নীত করে জেলায় রূপান্তর করা হয়েছিল ফেনী জেলা তার একটি। জেলাটির আয়তন ৯২৮.৩৪ বর্গ কিলোমিটার। ১৯৮৪ সালের পূর্বে এটি নোয়াখালী জেলার একটি মহকুমা ছিল। এ মহকুমার গোড়াপত্তন হয় ১৮৭৫ খ্রীষ্টাব্দে মিরসরাই, ছাগলনাইয়া ও আমীরগাঁও এর সমন্বয়ে। প্রথম মহকুমা প্রশাসক ছিলেন কবি নবীন চন্দ্র সেন। ১৭৭৬ সালে মিরসরাইকে কর্তন করে চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্ভক্ত করা হয়। প্রথম মহকুমা সদর দপ্তর ছিল আমীরগাঁওয়ে। ১৮৮১ সালে তা ফেনী শহরে স্থানান্তরিত হয়[১৩]।
[সম্পাদনা] বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব
- আবদুস সালাম (সাংবাদিক)
- জহির রায়হান
- সেলিম আল দীন
- শহীদুল্লাহ কায়সার
- আবদুস সালাম (ভাষা শহীদ)
- বেগম খালেদা জিয়া
- শাহ সৈয়দ আমির উদ্দিন পাগলা মিয়া/বাবা (রা)
- মামু ফকির (রা)
- স্যার এ এফ রহমান
- আবু আহমেদ
- জহুর হোসেন চৌধুরী
- এ বি এম মূসা
- ওবায়দুল হক
- এম আবদুল্লাহ (সাংবাদিক)
- ইনামুল হক
- সেলিনা পারভিন
- হাবিবুল্লাহ বাহার চৌধুরী [১৪]
[সম্পাদনা] জেলার ঐতিহ্য
১) জগন্নাথ কালী মন্দিরঃ ছাগলনাইয়া উপজেলায় অবস্থিত। শসসের গাজী তার বাল্যকালে লালন কর্তা জগন্নাথ সেনের স্মৃতিতে এ মন্দির ও কালী মূর্তি নির্মাণ করেন।
২) চাঁদ খাঁ মসজিদঃ মোগল আমলের একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ছিলেন চাঁদ গাজী ভূঞা। তার নামানুসারে ছাগলনাইয়া উপজেলা সদরের অদূরে চাঁদগাজী বাজার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। চাঁদগাজী বাজারের কাছে মাটিয়া গোধা গ্রামে অতীত ইতিহাসের সাক্ষী হিসাবে অবস্থান করছে চাঁদগাজী ভূঞা মসজিদ। মধ্যযুগের রীতি অনুযায়ী চুন, সুড়কী ও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ইট দ্বারা তৈরী এ মসজিদের দেয়ালগুলো বেশ চওড়া। মসজিদের ছাদের উপর রয়েছে তিনটি সুদৃশ্য গম্বুজ । মসজিদের সামনে একটি কালো পাথরের নামফলকে এ মসজিদের নির্মানকাল ১১১২ হিজরী সনউল্লিখিত আছে।
৩) চারশত বছরের প্রাচীন কড়ই গাছ: তৎকালীন মহকুমা প্রশাসক কবি নবীন চন্দ্র সেন এই গাছের ছায়ায় বসে কবিতা লিখতেন ।
৪)ফেনী সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়: ১৮৮৬ সালে স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত।
৫)গান্ধী আশ্রমঃ নতুন মুন্সিরহাট বাজারে অবস্থিত গান্ধী আশ্রম ট্রাষ্ট এর একটি টিন সেড ঘর আছে । ঘরের ভিতর প্রশিক্ষনের সরঞ্জাম সংরক্ষিত আছে । গান্ধী আশ্রম ট্রাষ্টের বিভিন্ন কাগজপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায় ,মহাত্মা গান্ধী তাঁর জীবদ্দশায় ১৯২১ সালের ৩১ আগষ্ট ফেনীতে আগমন করেন এবং রেলওয়ে স্টেশনের বাইরে সভা করেন । ঐদিন ফুলগাজী উপজেলার নতুন মুন্সিরহাট (সাবেক বীরেন্দ্রগঞ্জ বাজার) এর খাদি প্রতিষ্ঠান উদ্বোধন করেন । স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি সশরীরে বর্তমান আশ্রমের স্থানে ছিলেন ।
৬) শমসের গাজীর দীঘিঃ শমসের গাজী তার মাতা কৈয়ারা বেগমের নামে এ দীঘি খনন করেন। এ দীঘি ছাগলনাইয়া উপজেলা সদরের নিকটবর্তী কোনাপুর গ্রামে অবস্থিত। ৪.৩৬ একর আয়তনের এ দীঘির ১/৩ ভাগ ভারতীয় অংশে পড়েছে। ফেনী সদর হতে ছাগলনাইয়ার দূরত্ব ১৮ কি.মি.।[১৫]
[সম্পাদনা] অর্থনীতি
ফেনী জেলার অর্থনীতি প্রধানত কৃষি নির্ভর। জেলার মধ্যদিয়ে কয়েকটি নদী প্রবাহিত হওয়ার ফলে এর কৃষি জমি সমূহ বেশ উর্বর। এছাড়া এ অঞ্চলের অনেক লোক বিদেশ থাকার ফলে প্রচুর পরিমাণ বৈদিশিক আয় এ জেলার অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেছে।
[সম্পাদনা] চিত্তাকর্ষক স্থান
রাজারজি দীঘি, মুহুরি প্রজেক্ট, স্লুইস গেইট,বিজয়সিং দীঘি,
[সম্পাদনা] আরো দেখুন
[সম্পাদনা] তথ্যসূত্র
- ↑ http://www.dcfeni.gov.bd/index.php?opxion=com_content&view=article&id=165&option=com_content&Itemid=143
- ↑ http://www.dcfeni.gov.bd/index.php?opxion=com_content&view=article&id=166&option=com_content&Itemid=143
- ↑ http://www.dcfeni.gov.bd/index.php?opxion=com_content&view=article&id=167&option=com_content&Itemid=143
- ↑ http://www.dcfeni.gov.bd/index.php?option=com_content&view=article&id=168&Itemid=143
- ↑ http://www.dcfeni.gov.bd/index.php?opxion=com_content&view=article&id=172&option=com_content&Itemid=143
- ↑ ফেনীর ইতিহাস-জমির আহমেদ( সমতট প্রকাশনী, ৩২, কাতাল গঞ্জ ,চট্টগ্রাম) পৃষ্ঠা-১১, লাইন-২৭
- ↑ ফেনীর ইতিহাস-জমির আহমেদ( সমতট প্রকাশনী, ৩২, কাতাল গঞ্জ ,চট্টগ্রাম) পৃষ্ঠা-১২, লাইন-৭
- ↑ ফেনীর ইতিহাস-জমির আহমেদ( সমতট প্রকাশনী, ৩২, কাতাল গঞ্জ ,চট্টগ্রাম) পৃষ্ঠা-১২, লাইন-১৮
- ↑ ফেনীর ইতিহাস-জমির আহমেদ( সমতট প্রকাশনী, ৩২, কাতাল গঞ্জ ,চট্টগ্রাম) পৃষ্ঠা-১৩, লাইন-১
- ↑ ফেনীর ইতিহাস-জমির আহমেদ(সমতট প্রকাশনী, ৩২, কাতাল গঞ্জ ,চট্টগ্রাম) পৃষ্ঠা-১৩, লাইন-১৬
- ↑ ফেনীর ইতিহাস-জমির আহমেদ( সমতট প্রকাশনী, ৩২, কাতাল গঞ্জ ,চট্টগ্রাম) পৃষ্ঠা-১৩, লাইন-৬
- ↑ ফেনীর ইতিহাস-জমির আহমেদ (সমতট প্রকাশনী, ৩২, কাতাল গঞ্জ ,চট্টগ্রাম) পৃষ্ঠা-১৩, লাইন-৮
- ↑ http://www.dcfeni.gov.bd/index.php?option=com_content&view=article&id=73&Itemid=84
- ↑ http://www.dcfeni.gov.bd/index.php?option=com_content&view=article&id=78&Itemid=88
- ↑ http://www.dcfeni.gov.bd/index.php?option=com_content&view=article&id=88
[সম্পাদনা] বহিঃসংযোগ
- ফেনী জেলার সরকারী ওয়েব জেলা তথ্য বাতয়ন
|
|||||||||||||||||||||||||