রংপুর জেলা
| রংপুর জেলা | |
| তাজহাট রাজবাড়ী, বর্তমানে জাদুঘর | |
| বিভাগ | রংপুর বিভাগ |
| স্থানাঙ্ক | 25.60° N 89.25° E |
| আয়তন | ২,৩০৭.৭৮ বর্গ কিমি |
| সময় স্থান | বিএসটি (ইউটিসি+৬) |
| জনসংখ্যা (১৯৯১) - ঘণত্ব - শিক্ষার হার |
২,৫৩৪,৩৬৫ - ১,০৯৮.১৮/কিমি² - ২৬.৭% |
| ডাকঘর কোড | ৫৪০০ |
| ওয়েবসাইট: রংপুর জেলার ওয়েবসাইট | |
| মানচিত্র সংযোগ: রংপুর জেলার প্রাতিষ্ঠানিক মানচিত্র | |
| প্রশাসনিক বিভাগ | রংপুর বিভাগ |
| আয়তন (বর্গ কিমি) | ২,৩০৭ |
| জনসংখ্যা | মোট: ২৫,৩৪,৩৬৫ পুরুষ: ৫০.৯২% মহিলা: ৪৯.০৮% |
| শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: | বিশ্ববিদ্যালয়: ১ কলেজ : ৬৪ মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ২৮২ মাদ্রাসা : ৩৭০ |
| শিক্ষার হার | ২৬.৭ % |
| বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব | নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া, কবি হায়াৎ মামুদ, বিচারপতি আবু সাইদ মোঃ সায়েম, রাষ্ট্রপতি লেঃ জেনারেল হুসাইন মুঃ এরশাদ, ডঃ এম এ ওয়াজেদ মিয়া,কলামিস্ট আনিসুল হক। |
| প্রধান শস্য | ধান, তামাক,পাট, গম |
| রপ্তানী পণ্য | তামাক,ধান, পাট, আখ,আলু |
| নদী | তিস্তা,ঘাঘট, যমুনাশ্বরী। |
রংপুর জেলা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রংপুর বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল ও বিভাগীয় শহর।
পরিচ্ছেদসমূহ |
ভৌগোলিক সীমানা [সম্পাদনা]
রংপৃর জেলা ২৫৹০৩˝থেকে ২৯৹৩২˝ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত । মোট আয়তন ২৩০৮ বর্গ কিমি । আটটি উপজেলা, ইউনিয়ন ৩৮টি, ১৪৫৫টি মৌজা এবং ৩টি পৌরসভা নিয়ে রংপুর জেলা গঠিত।রংপুর জেলার উত্তরে লালমনিরহাট ও তিস্তা নদী, দক্ষিণে গাইবান্ধা ও দিনাজপুর জেলা, পূর্বে গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট এবং পশ্চিমে দিনাজপুর ও নীলফামারী জেলা অবস্থিত।তিস্তা নদী উত্তর ও উত্তর পূর্ব সীমান্তকে লারমনির হাট এবং কুড়িগ্রাম জেলা থেকে আলাদা করেছে।
রংপুর জেলাকে বৃহত্তর বঙ্গপ্লাবন ভূমির অংশ মনে করা হয়। কিন্তু ভূতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে এর গঠন দেশের অন্যান্য জেলা থেকে আলাদা। এ জেলার ভূগঠন অতীতে উত্তরাঞ্চল প্রবাহমান কযয়েকটি নদীর গতিপথ পরিবর্তন এবং ভূকম্পনজনিত ভুমি উত্তোলনের সাথে জড়িত। তিস্তা নদীর আদি গতিপথ পরিবর্তন ছিল রংপুর জেলার ভূমি গঠনের ক্ষেত্রে অতি গুরুত্বপূর্ণ। তিস্তা নদী ১৭৮৭ সালের পূর্বে গঙ্গানদীর একটি উপনদী ছিল। তিস্তা সিকিম বা হিমালয়ে পরিচিত রাংগু ১৭৮৭ সাল পর্যন্ত দিনাজপুর জেলার নিকট আত্রাই এর সাথে মিলিত হয়ে নিম্ন গঙ্গা নদীতে পতিত হতো। ১৮শ শতকে তিস্তা, আত্রাই নদীর পথ ধরে গঙ্গা ও বিছিন্ন কিছু খাল বিলের মাধ্যমে ব্রহ্মপুত্র, উভয় কিছু নদীর সাথে ঋতু ভিত্তিক সংযোগ করত। অপর নদী ধরলা তিস্তা থেকে নিম্ন হিমালয় অঞ্চল বৃহত্তর রংপুর জেলার পূর্ব দিক দিয়ে (বর্তমান কুড়িগ্রাম) ব্রহ্মপুত্র নদে মিলিত হয়েছে। ঘাঘট এ জেলার অপর একটি গুরুত্বপূর্ণ নদ । ঘাঘট তিস্তার গর্ভ থেকে উৎপন্ন হয়ে রংপুর জেলার মধ্য দিয়ে দক্ষিণে গাইবান্ধা জেলা অতিক্রম করে করতোয়া নদীতে পতিত হয়। আত্রাই নদী এ সময় করতোয়া ও গঙ্গার মধ্যে সংযোগ রক্ষা করত।
প্রশাসনিক এলাকাসমূহ [সম্পাদনা]
রংপুর জেলা আটটি উপজেলায় বিভক্ত। এগুলো হচ্ছে ঃ
- রংপুর সদর উপজেলা
- বদরগঞ্জ উপজেলা
- গঙ্গাছড়া উপজেলা
- কাউনিয়া উপজেলা
- মিঠাপুকুর উপজেলা
- পীরগাছা উপজেলা
- পীরগঞ্জ উপজেলা এবং
- তারাগঞ্জ উপজেলা
নামকরনের ইতিহাস [সম্পাদনা]
নামকরণের ক্ষেত্রে লোকমুখে প্রচলিত আছে যে পূর্বের ‘রঙ্গপুর’ থেকেই কালক্রমে এই নামটি এসেছে।ইতিহাস থেকে জানা যায় যে উপমহাদেশে ইংরেজরা নীলের চাষ শুরু করে। এই অঞ্চলে মাটি উর্বর হবার কারনে এখানে প্রচুর নীলের চাষ হত। সেই নীলকে স্থানীয় লোকজন রঙ্গ নামেই জানত। কালের বিবর্তনে সেই রঙ্গ থেকে রঙ্গপুর এবং তা থেকেই আজকের রংপুর।অপর একটি প্রচলিত ধারনা থেকে জানা যায় যে রংপুর জেলার পূর্বনাম রঙ্গপুর। প্রাগ জ্যোতিস্বর নরের পুত্র ভগদত্তের রঙ্গমহল এর নামকরন থেকে এই রঙ্গপুর নামটি আসে। রংপুর জেলার অপর নাম জঙ্গপুর । ম্যালেরিয়া রোগের প্রাদুর্ভাব থাকায় কেউ কেউ এই জেলাকে যমপুর বলেও ডাকত। তবে রংপুর জেলা সুদুর অতীত থেকে আন্দোলন প্রতিরোধের মূল ঘাঁটি ছিল। তাই জঙ্গপুর নামকেই রংপুরের আদি নাম হিসেবে ধরা হয়। জঙ্গ অর্থ যুদ্ধ, পুর অর্থ নগর বা শহর। গ্রাম থেকে আগত মানুষ প্রায়ই ইংরেজদের অত্যাচারে নিহত হত বা ম্যালেরিয়ায় মারা যেত। তাই সাধারণ মানুষ শহরে আসতে ভয় পেত। সুদুর অতীতে রংপুর জেলা যে রণভূমি ছিল তা সন্দেহাতীত ভাবেই বলা যায়। ত্রিশের দশকের শেষ ভাগে এ জেলায় কৃষক আন্দোলন যে ভাবে বিকাশ লাভ করে ছিল তার কারণে রংপুরকে লাল রংপুর হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছিল।
অর্থনীতি [সম্পাদনা]
রংপুর অঞ্চলকে তামাকের জন্য বিখ্যাত বলা হয়।এখানে উৎপাদিত তামাক দিয়ে সারা দেশের চাহিদা মেটানো হয়। রংপুরে প্রচুর পরিমাণ ধান-পাট-আলু উৎপাদিত হয়। যা স্থানীয় বাজার তথা সারাদেশের বাজারে সমান হারে সমাদৃত।
শিল্পপ্রতিষ্ঠান [সম্পাদনা]
রংপুর জেলার কেল্লাবন্দ নামক স্থানে বিসিক শিলপ নগরী গড়ে উঠেছে। সেখানে বিভিন্ন ভারী শিল্পপ্রতিষ্ঠান আছে যেমনঃ আর,এফ,এল লিঃ, মিল্ক ভিটা বাংলাদেশ,আরডি মিল্ক, বিভিন্ন কোল্ড স্টোরেজ। এছাড়া হারাগাছ নামক স্থানে বিড়ি(সিগারেট) তৈরির একাধিক কারখানা। রংপুর শহরের আলম নগর নামক স্থানে আছে আর, কে ফ্যান কারখানা। বদরগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর নামক স্থানে গড়ে উঠেছেঃ শ্যামপুর চিনিকল লিমিটেড, রংপুর ডিষ্টিলারিজ এন্ড কেমিক্যাল কোঃ লিঃ।
চিত্তাকর্ষক স্থান [সম্পাদনা]
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান [সম্পাদনা]
শিক্ষা ব্যবস্থার দিক থেকে রংপুর জেলা প্রাচীন কাল থেকেই বাংলাদেশের একটি অন্যতম জেলা।এখানে গড়ে উঠেছে অনেক প্রসিদ্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই জেলায় ২৮২টি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৭২২ টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৩৮টি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১৯৩টি বেসরকারী সংস্থা কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত বিদ্যালয় এবং ৩২০টি মাদ্রাসা। তারমধ্যে অনতম্য গুলো হলঃ
- রংপুর জিলা স্কুল
- রংপুর সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
- রংপুর ক্যাডেট কলেজ
- ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ,রংপুর
- পুলিশ লাইন্স স্কুল ও কলেজ,রংপুর [১]
- কালেক্টরেট স্কুল ও কলেজ,রংপুর
- রংপুর সরকারী কলেজ
- বেগম রোকেয়া সরকারী মহিলা কলেজ
- কারমাইকেল কলেজ
- পলিটেকনিক ইনিষ্টিটিউট, রংপুর
- রংপুর মেডিকেল কলেজ
- বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
চিকিৎসা সুবিধা [সম্পাদনা]
রংপুর বিভাগ এর মধ্যে রয়েছে রংপুর মেডিকেল কলেজ।এটি একটি সরকারী মেডিকেল কলেজ। অন্যান্য সরকারী প্রতিষ্ঠান এর মধ্যে রয়েছে শিশু হাস্পাতাল,বক্ষ হাসপাতাল ও কলেরা হাস্পাতাল।বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এর মধ্যে রয়েছে ক্রিস্টিয়ান মিশনারি হস্পিতাল,রংপুর ডেন্টাল কলেজ এবং কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।
আনুষঙ্গিক নিবন্ধ [সম্পাদনা]
বহিঃসংযোগ [সম্পাদনা]
- রংপুর জেলা তথ্য বাতায়ন
- অনলাইন নিউজ: উত্তরের কণ্ঠ
- রংপুর লাইভ
- রংপুর বিভাগিয় ওয়েব পের্টালে রংপুর জেলা
- রংপুর পৌরসভা
- বাংলাপিডিয়ায় রংপুর জেলা
- RangpurBD.com রংপুর পোর্টাল
- Rangpur.biz
- RangpurNews.com
- রংপুর ওয়েব: সোশ্যাল নেটওয়ার্ক, খবর ও তথ্য
তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]
|
|||||||||||||||||||||||||
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |