ভৈরব উপজেলা
| ভৈরব উপজেলা | |
| বিভাগ - জেলা |
Dhaka Division - Kishoreganj District |
| স্থানাঙ্ক | |
| আয়তন | 139.32 km² |
| সময় স্থান | বিএসটি (UTC+6) |
| জনসংখ্যা (1991) - ঘনত্ব |
192448 - 1381/কিমি² |
| মানচিত্র সংযোগ: Official Map of Bhairab | |
ভৈরব বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত ব্যবসাকেন্দ্র।
সূচিপত্র |
[সম্পাদনা] প্রশাসনিক এলাকা
ভৈরব উপজেলার উত্তরে কুলিয়ারচর উপজেলা, পশ্চিমে নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলা, দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্চারামপুর উপজেলা এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ উপজেলা অবস্থিত। ভৈরব উপজেলায় একটি পৌরসভা ও ১৯ টি ইউনিয়ন আছে। ব্রিটিশ আমল থেকে ভৈরব ব্যবসাকেন্ত্র হিসেবে সুপরিচিত। ভৈরবকে তাই অনেক সময় ভৈরব বাজার বলেও অভিহিত করা হয়। ভৈরব পৌরসভার বর্তমান চেয়ারম্যান হাজী মোঃ শাহিন।
[সম্পাদনা] ইতিহাস
আঠারো শতকের রেনেলের মানচিত্রে ভৈরবের কোন অস্তিত্ব ছিল না। মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র নদের পলিবিধৌত বদ্বীপ এককালে উলুখাগড়ার বন নামে পরিচিত ছিল। মুক্তাগাছার জমিদার ভৈরব রায় তার জমিদারী সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে নতুন জেগে উঠা এই এলাকায় মানব বসতি গড়ে তোলেন। পরবর্তীতে জমিদারের নামানুসারেই এই অঞ্চলের নামকরণ করা হয় ভৈরব বাজার। হিন্দু জমিদার ভৈরবের বিভিন্ন অংশের নাম হিন্দু সংস্কৃতির ধারায় রেখে দেন। ভৈরবপুর,শম্ভূপুর, জগন্নাথপুর, চণ্ডিবের, শিবপুর, কালীপুর,কালিকাপ্রসাদ, ইত্যাদি পাড়া/মহল্লার নামে হিন্দু সংস্কারের প্রভাব সুস্পষ্ট। প্রথম মুসলমান ব্যবসায়ী হিসেবে যিনি ভৈরব রায়ের জমিদারীতে আসেন তিনি হলেন শ্রীযুক্ত হাজী শেখ নূর মোহাম্মদ মিয়া। তিনি একজন তীক্ষ্ম বুদ্ধিসম্পন্ন ও সফল ব্যবসায়ী হিসেবে অচিরেই ভৈরবে তার আধিপত্য বিস্তার করেন। তিনি একজন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ছিলেন এবং সেই ব্রিটিশ আমলে তিনি হাতিতে করে চলাফেরা করতেন। জমিদার ভৈরব রায় তার জমিদারী সুপরিচালনা করার জন্য ভৈরব বাজারে রাজকাচারী ভবন প্রতিষ্ঠা করেন। যা এখন উপজেলা ভূমি অফিস হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ব্রিটিশ শাসনামলে এবং পরবর্তীকালে পাকিস্তান শাসনামলে ভৈরবের অবিসংবাদিত কৃতি সন্তান হাজী শেখ নূর মোহাম্মদ মিয়ার নাতি প্রয়াত এম. এ. মান্নান গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ভূমিকা রেখেছেন। তিনি সর্বভারতীয় মুসলিম স্টুডেন্টস লীগের সেক্রেটারী হিসেবে স্বাধীকার আন্দোলনে অবদান রাখেন। তিনি ভৈরবের হাজী আসমত কলেজ, জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা, ভৈরব গার্লস স্কুল সহ বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ১৯৫৬ সালে ভৈরব পৌরসভা গঠিত হয়। অনেকে বলে থাকেন ভৈরব মানে ভয়ংকর সেই জন্য এই নামকরন করা হয়েছে। ভৈরবের আদি নাম ছিল উলুকান্দি।
[সম্পাদনা] জনসংখ্যার উপাত্ত
ভৈরবের মোট জনসংখ্যা ১৩,৩৪,৮০০ [উৎস: আদমশুমারী ২০০১]
[সম্পাদনা] শিক্ষা
নামকরা স্কুলগুলো হলো ভৈরব কেবি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় (প্রাক্তন ভৈরব উচ্চ বিদ্যালয়), কমলপুর হাজী জহির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়, বাংলাদেশ রেলওয়ে উচ্চ বিদ্যালয়। সেরা কলেজ হাজী আসমত কলেজ, রফিকুল ইসলাম মহিলা কলেজ, জিল্লুর রহমান মহিলা কলেজ। এছাড়াও ভৈরবে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
[সম্পাদনা] অর্থনীতি
ভৈরবে অধিকাংশ লোক ব্যবসায়ী। প্রধান অর্থকরী ফসল ধান।
[সম্পাদনা] কৃতী ব্যক্তিত্ব
[সম্পাদনা] বহিঃসংযোগ
| কিশোরগঞ্জ জেলা | |
|---|---|
| উপজেলা/থানাঃ কিশোরগঞ্জ সদর | করিমগঞ্জ | পাকুন্দিয়া | হোসেনপুর | ইটনা | মিটামইন | তাড়াইল | কটিয়াদি | বাজিতপুর | কুলিয়ারচর | ভৈরব | নিকলী | অষ্টগ্রাম |