গাইবান্ধা জেলা
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
|
|
এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। (মার্চ ২০১০) |
| গাইবান্ধা জেলা | |
| বিভাগ | রংপুর বিভাগ |
| স্থানাঙ্ক | 25.2° N 89.5° E |
| আয়তন | ২১৭৯.২৭ বর্গ কিলোমিটার বর্গ কিমি |
| সময় স্থান | বিএসটি (ইউটিসি+৬) |
| জনসংখ্যা (২০০১) - ঘণত্ব - শিক্ষার হার |
২১,৩৮,১৮১ - ৯৮১/কিমি² - ২৪.৩% |
| ওয়েবসাইট: গাইবান্ধা জেলা তথ্য বাতায়ন | |
| মানচিত্র সংযোগ: গাইবান্ধা জেলার প্রাতিষ্ঠানিক মানচিত্র | |
| শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: | বিশ্ববিদ্যালয়: ০ কলেজ : ৪৪ মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ২৯১ মাদ্রাসা : ৪৯৮ |
| বিশিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব | শাহ আবদুল হামিদ |
| প্রধান শস্য | ধান, গম, আলু, পাট |
| রপ্তানী পণ্য | পাট, চিনি, আখ |
গাইবান্ধা জেলা বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের রংপুর বিভাগ এর একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।
সূচিপত্র |
[সম্পাদনা] ভৌগলিক সীমানা
গাইবান্ধা জেলার উত্তরে কুড়িগ্রাম ও রংপুর জেলা, দক্ষিণে বগুড়া ও জয়পুরহাট জেলা, পূর্বে জামালপুর জেলা, তিস্তা ও যমুনা নদী এবং পশ্চিমে রংপুর, দিনাজপুর ও জয়পুরহাট জেলা অবস্থিত।
[সম্পাদনা] প্রশাসনিক এলাকাসমূহ
গাইবান্ধা জেলা সাতটি উপজেলায় বিভক্ত। এগুলো হচ্ছে
- গাইবান্ধা সদর উপজেলা
- ফুলছড়ি উপজেলা
- গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা
- পলাশবাড়ী উপজেলা
- সাদুল্লাপুর উপজেলা
- সাঘাটা উপজেলা এবং
- সুন্দরগঞ্জ উপজেলা
[সম্পাদনা] ইতিহাস
[সম্পাদনা] অর্থনীতি
[সম্পাদনা] চিত্তাকর্ষক স্থান
[সম্পাদনা] আনুষঙ্গিক নিবন্ধ
|
|||||||||||||||||||||||||
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |