কাপাসিয়া উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

স্থানাঙ্ক: ২৪°০৬′০০″ উত্তর ৯০°৩৪′১৫″ পূর্ব / ২৪.১০০০° উত্তর ৯০.৫৭০৮° পূর্ব / 24.1000; 90.5708

কাপাসিয়া উপজেলা
BD Districts LOC bn.svg
Red pog.svg
কাপাসিয়া
বিভাগ
 - জেলা
ঢাকা বিভাগ
 - গাজীপুর
স্থানাঙ্ক ২৪°০৬′০০″ উত্তর ৯০°৩৪′১৫″ পূর্ব / ২৪.১০০০° উত্তর ৯০.৫৭০৮° পূর্ব / 24.1000; 90.5708
আয়তন ৩৫৬.৯৮ বর্গকিমি
সময় স্থান বিএসটি (ইউটিসি+৬)
জনসংখ্যা (২০১১)
 - ঘনত্ব
 - শিক্ষার হার
৩,২১,৪৫৪
 - ৯০০ বর্গকিমি
 - ৫৬.৪১%
ওয়েবসাইট: কাপাসিয়া উপজেলা প্রশাসনের ওয়েবসাইট
মানচিত্র সংযোগ: Official Map of Kapasia

কাপাসিয়া বাংলাদেশের গাজীপুর জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা

নামকরণ[সম্পাদনা]

সংস্কৃত ও হিব্রু ভাষায় তুলার অপর নাম কার্পাস। হিন্দি ভাষায় কার্পাস। খৃষ্টীয় প্রথম শতাব্দী থেকে এ অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে তুলা উৎপাদিত হতো। প্রচুর পরিমাণে কার্পাস বা তুলা উৎপাদন হওয়ার এই স্থানের নাম করা হয় কাপাসিয়া। [১]

ভৌগোলিক অবস্থান[সম্পাদনা]

এ উপজেলার ভৌগলিক ২৪০.১০ উত্তর ও ৯০০.৫৭ পূর্ব। অবস্থান উত্তরে ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও ও কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলা, দক্ষিণে গাজীপুর জেলার কালিগঞ্জ ও নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলা, পূর্বে নরসিংদী জেলার মনোহরদী ও শিবপুর উপজেলা এবং পশ্চিমে গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলা।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

কাপাসিয়া উপজেলা একটি প্রাচীন জনপদ। এ জনপদের ভূমি গঠিত হয়েছে ২৫ লক্ষ বছর আগে। খৃষ্টীয় প্রথম শতাব্দী থেকে এ অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে তুলা উৎপাদিত হতো। উল্লেখযোগ্য প্রাচীন নিদর্শনের মধ্যে অন্যতম একডালা দুর্গ উপজেলা সদর হতে কিঃমিঃ দূরে কালী বানার, শীতলক্ষ্যা ও ব্রহ্মপুত্র নদের পশ্চিম তীরে অবস্থিত। অনুমান করা হয় ৬০০ খ্রিঃ কোন হিন্দু রাজা এ দুর্গটি নির্মাণ করেন। এর দৈর্ঘ্য কিঃমিঃ, প্রস্থ কিঃমিঃ। পান্ডুয়ার শাসনকর্তা হাজী শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ দুর্গটি ১৩৪২ খ্রিঃ হতে ১৩৫২ খ্রিঃ সময়ে সংস্কার করেছিলেন। পৌনে দু‘শ‘ বছর পর ১৫১৮ খ্রিঃ হতে ১৫৩২ খ্রিঃ আলাউদ্দিন হোসেন শাহের পুত্র নাসির উদ্দিন শাহ পুনরায় দুর্গটি সংস্কার করেন। রায়েদ ইউনিয়নে কালী বানার নদীর পূর্ব তীরে অবস্থিত দ্বার-ই দরিয়া (দরদরিয়া) দুর্গ ছিল একডালা দুর্গের শাখা দুর্গ। মোগল সম্রাট আকবরের সময়ে রাজা টোডরমল এ অঞ্চলকে ভাওয়াল পরগণায় অন্তর্ভুক্ত করেন। ব্রিটিশ রাজত্বের সময় কাপাসিয়া থানা ২৮টি ইউনিয়ন ছিল বলে জানা যায়। ১৯২৪ সালে কাপাসিয়া থানাকে কালিগঞ্জ ও শ্রীপুর থানায় বিভক্ত করা হয়। ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত হয় কাপাসিয়া থানা। ১৫-১২-১৯৮২ সালে কাপাসিয়া থানাকে উপজেলায় উন্নীত করা হয়। [১]

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

কাপাসিয়া উপজেলায় শিক্ষার হার – ৫৬.৪১% । [২]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

প্রগতি কো-অপারেটিভ ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড, সংক্ষেপে, প্রগতি ব্যাংক কাপাসিয়া উপজেলায় প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভূমি উন্নয়ন ব্যাংক। উপজেলার বাঘুয়া মোল্লা বাড়ি এর বার্থ প্লেস। কাপাসিয়াসহ সমগ্র বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা উন্নয়ন জন্য ব্যাংকটি কাজ করে যাচ্ছে।[৩]

উল্লে­খযোগ্য স্থান বা স্থাপনা[সম্পাদনা]

  • ধাধাঁরচর
  • একডালা দুর্গ
  • দ্বার-ই দরিয়া (দরদরিয়া)
  • অঙ্গনা এস্টেট

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

  • তাজউদ্দিন আহমদ, বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী
  • ফকির সাহাব উদ্দিন, বাংলাদেশের প্রথম এটর্নী জেনারেল
  • ব্রিগেডিয়ার আ.স.ম হান্নান শাহ, সাবেক পাট মন্ত্রী
  • অর্থনীতিবিদ মোঃ সাইফুল ইসলাম মোল্লা, প্রতিষ্ঠাতা-চেয়ারম্যান, প্রগতি কো-অপারেটিভ ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (প্রগতি ব্যাংক)

বিবিধ[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ এক নজরে কাপাসিয়া উপজেলা গাজীপুর জেলা তথ্য বাতায়ন
  2. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে কাপসিয়া উপজেলা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ২০ জুন, ২০১৪ 
  3. "পরিচিতি"। প্রগতি কো-অপারেটিভ ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড। সংগৃহীত ১১ জানুয়ারি, ২০১৪