লালমনিরহাট জেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
লালমনিরহাট জেলা
প্রশাসনিক বিভাগ রংপুর
আয়তন (বর্গ কিমি) ১,২৪১
জনসংখ্যা মোট : ১০,৮৮,৯১৮
পুরুষ:৫০.৫৭%
মহিলা: ৪৯.৪৩%
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: বিশ্ববিদ্যালয়: ০
কলেজ : ২১
মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ১০১
মাদ্রাসা : ৭৫
শিক্ষার হার ২৩.৮ %
বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব শেখ ফজলুল করিম
প্রধান শস্য ধান, তামাক, আখ
রপ্তানী পণ্য তামাক, আলু, ভুট্টা
তিস্তা নদী

লালমনিরহাট জেলা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রংপুর বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।

ভৌগোলিক সীমানা[সম্পাদনা]

লালমনিরহাট জেলার উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, দক্ষিণে রংপুর জেলা ও কুড়িগ্রাম জেলা, পূর্বে কুড়িগ্রাম জেলা এবং পশ্চিমে নিলফামারী জেলা অবস্থিত।

প্রশাসনিক এলাকাসমূহ[সম্পাদনা]

লালমনিরহাট জেলায় পাঁচটি উপজেলা রয়েছে। এগুলো হল

''''''''নামকরণের ইতিহাস''''''''

এ জেলার নাম কেন লালমনিরহাট হলো সে সম্পর্কে বেশ কয়েকটি মত চালু আছে। সেগুলো হলো-

    ১। উনবিংশ শতাব্দিতে যখন বেংগল ডুয়ার্স রেল লাইন তৈরির জন্য মাটি খননের কাজ চলছিল তখন শ্রমিকরা এখানে মাটিন নিচে লাল পাথর দেখতে পায়। সেই থেকে এ জায়গার নাম হয়েছে 'লালমনি'।
   ২। অন্য মতানুসারে বৃটিশ রেলওয়ে যে মহিলার জমি অধিগ্রহণ করেছিল তার নাম ছিল লালমনি। তার অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এলাকার লোকজন এ জায়গার নাম রাখে 'লালমনি'।
   ৩। অন্য আরেকটি মত হলো, ১৭৮৩ সালে সাধারণ কৃষকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য লালমনি নামে এক মহিলা কৃষক নেতা নুরুলদিনকে সাথে নিয়ে বৃটিশ সৈন্য ও জমিদারদের বিরুদ্ধে লড়াই করে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে। সেই থেকে এ জায়গার নাম হয় 'লালমনি'।

কালের বিবর্তনে 'হাট' শব্দটি 'লালমনি' শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে 'লালমনিরহাট' নামকরন হয়েছে।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

চিত্তাকর্ষক স্থান[সম্পাদনা]

1.তিস্তা সেচ প্রকল্প। 2.প্রাচীন লালমনিরহাট বিমান বন্দর। 3.বুড়িমাড়ি জিরো পয়েন্ট। 4.তিনবিঘা করিডর। শীণ্ডূড়মটীর ডীগী

আনুষঙ্গিক নিবন্ধ[সম্পাদনা]