বগুড়া জেলা
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
| প্রশাসনিক বিভাগ | রাজশাহী |
| আয়তন (বর্গ কিমি) | ২,৯১৯ |
| জনসংখ্যা | মোট: ২৯,৮৮,৫৬৭ পুরুষ:৫০.৮৪% মহিলা: ৪৯.১৬% |
| শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: | বিশ্ববিদ্যালয়: ০ কলেজ : ৪৪ মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ২৯৯ মাদ্রাসা : ৩২৯ |
| শিক্ষার হার | ২৮.৪ % |
| বিশিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব | জিয়াউর রহমান |
| প্রধান শস্য | ধান, পাট, গম |
| রপ্তানী পণ্য | সিরামিক সামগ্রী, চাল |
বগুড়া জেলা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রাজশাহী বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল ।
সূচিপত্র |
[সম্পাদনা] ভৌগলিক সীমানা
বগুড়া জেলার উত্তরে গাইবান্ধা ও জয়পুরহাট জেলা, দক্ষিণে সিরাজগঞ্জ ও নাটোর জেলা, পূর্বে জামালপুর জেলা ও যমুনা নদী এবং পশ্চিমে নওগাঁ জেলা অবস্থিত ।
[সম্পাদনা] প্রশাসনিক এলাকাসমূহ
বগুড়া জেলার উপজেলা গুলি হল -
- আদমদিঘী উপজেলা
- বগুড়া সদর উপজেলা
- ধুনট উপজেলা
- ধুপচাঁচিয়া উপজেলা
- গাবতলী উপজেলা
- কাহালু উপজেলা
- নন্দীগ্রাম উপজেলা
- সারিয়াকান্দি উপজেলা
- শেরপুর উপজেলা
- শিবগঞ্জ উপজেলা
- সোনাতলা উপজেলা
- সাজাহানপুর উপজেলা
[সম্পাদনা] ইতিহাস
খ্রিষ্টপূর্ব ৪র্থ শতকে বগুড়া মৌর্য শাসনাধীনে ছিল। মৌর্য এর পরে এ অঞ্চলে চলে আসে গুপ্তযুগ । এরপর শশাংক, হর্ষবর্ধন, যশোবর্ধন পাল, মদন ও সেনরাজ বংশ ।
[সম্পাদনা] অর্থনীতি
[সম্পাদনা] চিত্তাকর্ষক স্থান
মহাস্থানগড়়, ৪০০ খৃস্টপূর্বাব্দ। গোকুল মেঢ়, ৭০০ খৃস্টাব্দ। ভাসু বিহার, ৪০০ খৃস্টাব্দ। যোগীর ভবণ, ১৫০০ খৃস্টাব্দ। বিহার, ৮০০ খৃস্টাব্দ। ভীমের জাঙ্গাল, ১১০০ খৃস্টাব্দ। খেরুয়া মসজিদ, শেরপুর। নবাব বাড়ী (সাবেক নীল কুঠির)।
[সম্পাদনা] আনুষঙ্গিক নিবন্ধ
[সম্পাদনা] বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ
- জিয়াউর রহমান, সাবেক রাষ্ট্রপতি।
মোহাম্মাদ আলী (পাকিস্থানের সাবেক প্রধাণমন্ত্রী)। সাদত্ আলী আকন্দ (লেখক)। আখতারুজ্জামান ইলিয়াস (লেখক)।
|
|||||||||||||||||||||||||
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |