কেরানীগঞ্জ উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

স্থানাঙ্ক: ২৩°৪১′০০″ উত্তর ৯০°১৮′৪৫″ পূর্ব / ২৩.৬৮৩৩° উত্তর ৯০.৩১২৫° পূর্ব / 23.6833; 90.3125

কেরানীগঞ্জ উপজেলা
BD Districts LOC bn.svg
Red pog.svg
কেরানীগঞ্জ
বিভাগ
 - জেলা
Dhaka Division
 - Dhaka District
স্থানাঙ্ক ২৩°৪১′০০″ উত্তর ৯০°১৮′৪৫″ পূর্ব / ২৩.৬৮৩৩° উত্তর ৯০.৩১২৫° পূর্ব / 23.6833; 90.3125
আয়তন ১৬৬.৮৭ বর্গকিমি
সময় স্থান বিএসটি (ইউটিসি+৬)
জনসংখ্যা (1991)
 - ঘনত্ব
530174
 - ৩১৭৭ বর্গকিমি
মানচিত্র সংযোগ: Official Map of Keraniganj

কেরানীগঞ্জ বাংলাদেশের ঢাকা জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা

অবস্থান[সম্পাদনা]

কেরানীগঞ্জ ২৩.৬৮৩৩° উত্তর অক্ষাংশ থেকে ৯০.৩১২৫° পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত। ঢাকা শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে বুড়িগঙ্গা নদীর উপকন্ঠে কেরানীগঞ্জ অবস্থিত। ১৬৬.৮৭ বর্গ কিলোমিটার এলকা নিয়ে গঠিত কেরানিগঞ্জ উপজেলার উত্তরে মোহাম্মদপুর, হাজারীবাগ, কামরাঙ্গির চর, লালবাগ, কতোয়ালি ও সূত্রাপুর থানা এবং সাভার উপজেলা, পূর্বে শ্যামপুর থানা এবং নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা, দক্ষিণে সিরাজদিখান উপজেলা এবং পশ্চিমে নবাবগঞ্জ ও সিঙ্গাইর উপজেলা অবস্থিত। প্রধান নদী বুড়িগঙ্গা এবং ধলেশ্বরী । দুটি আধুনিক সেতু (বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু যা বুড়িগঙ্গা সেতু-১ নামেও পরিচিত ও বুড়িগঙ্গা সেতু-২) দ্বারা রাজধানী ঢাকার সাথে কেরানীগঞ্জ সংযুক্ত।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

পুলিশ প্রসাশনের ভিত্তিতে কেরানীগঞ্জ এখন দু’টি থানায় বিভক্ত যথাঃ কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ ও কেরানীগঞ্জ মডেল থানা। অদূর ভবিষ্যতে রাজধানী ঢাকাকে কেরানীগঞ্জ পর্যন্ত বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে বাংলাদেশ সরকাররের।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

কেরানীগঞ্জ নামকরণের পেছনে যে দুটি সম্ভাব্য ঐতিহাসিক ঘটনাকে সূত্র হিসেবে উল্লেখ করা হয় তার পেছনে ইতিহাস ভিত্তিক কোন শক্ত সমর্থন পাওয়া যায় না। নবাব শায়েস্তা খানের শাসনামলে নবাবের পাইক-পেয়াদা এবং কেরানীরা বুড়িগঙ্গার ওপারে থাকতেন। এজন্য ধারণা করা হয় এই কেরানীদের নামানুসারে কেরানীগঞ্জের নামকরণ হয়েছে। এছাড়া ভিন্ন একটি মত অনুসারে, মোগল আমলে ঢাকার তৃতীয় গভর্ণর ইব্রাহীম খাঁনের দুজন কর্মচারী বুড়িগঙ্গার দক্ষিণ পাড়ে বসবাস করতেন। সে থেকে এ এলাকার নাম কেরাণীগঞ্জ নামকরণ করা হয়। কেরানীগঞ্জ দ্বীপাকার বলে মোঘল আমলের এক পর্যায়ে এই স্থানের নাম হয় পারজোয়ার। কেরানীগঞ্জের উত্তর ও পূর্ব সীমান্তে রয়েছে বুড়িগঙ্গা, পশ্চিম- দক্ষিণ সীমান্তে রয়েছে ধলেশ্বরী । মোঘল আমলে ধলেশ্বরী নদীর নাম ছিল ঢল সওয়ার। জোয়ার শব্দের অর্থ অঞ্চল এবং পার শব্দের অর্থ তট। সম্ভবত এই জন্যই মোঘল আমলে এই এলাকার নাম রাখা হয়েছিল পারজোয়ার যা আজও কেরানীগঞ্জের ছোট একটি এলাকার নাম হিসেবে বিদ্যমান।

ঐতিহাসিকভাবে, ১৭৫৭ সালে শাসক পরিবর্তনের পর, নবাব সিরাউ উদ দৌলা’র স্ত্রী এবং তাঁর এক খালা কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরাতে কারাবন্দী ছিলেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় কৌশলগতভাবে বিশেষত গেরিলা যুদ্ধের ক্ষেত্রে কেরানীগঞ্জ এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ঢাকা শহরে পরিচালিত অধিকাংশ গেরিলা যুদ্ধ পরিকল্পনা ও পরিচালনা করা হয় কেরানীগঞ্জ থেকে এবং এজন্য অনেক মূল্যও দিতে হয়েছে। পাকিস্থানী সেনারা কোনাখোলা,বাস্তা, ব্রাক্ষ্মণকৃর্থ, ঘাটারচর, মনোহরিয়া, জয়নগর, গোয়ালখালি, খাগাইল ও খোলামোড়ার বহু বাড়িঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। গেরিলারা পরবর্তীতে এখান হতে পাকিস্থানী সেনাদের ওপরে ব্যাপক গেরিলা আক্রমন চালায়।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

১৯৯১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী কেরানীগঞ্জের জনসংখ্যা ছিল ৫,৩০,১৭৪ জন। এর মধ্যে ৫৪.৬ শতাংশ পুরষ এবং ৪৫.৪ শতাংশ নারী। ১৮ উর্দ্ধ জনসংখ্যা ছিল ২,৮৩,৯৯৭ জন। সেসময় এই উপজেলায় ৭-উর্দ্ধ বয়সী জনসংখ্যার ৩৭.৭% স্বাক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন ছিল যা জাতীয় গড় স্বাক্ষরতার ৩২.৪ শতাংশ।

শিক্ষা[সম্পাদনা]

বর্তমানে কেরানীগঞ্জের শিক্ষার হার খুব বেড়ে চলেছে।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

আমান উল্লাহ আমান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর কেরানীগঞ্জের উন্নয়নের ব্যপক কাজ করেছেন।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]