নোয়াখালী জেলা
|
|
এই article উইকিপিডিয়ার জন্য মান সম্পন্ন অবস্থায় আনতে পরিচ্ছন্ন করা প্রয়োজন। (প্রয়োজনে আরও সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিন।) সম্ভব হলে অনুগ্রহ করে article এর মান উন্নয়ন করুন। আলাপ পাতায় এই সংক্রান্ত বিস্তারিত বর্ণনা থাকতে পারে। |
|
|
উইকিপিডিয়ার জন্য মানসম্মত অবস্থায় আনতে এই নিবন্ধ বা অনুচ্ছেদের উইকিফাই প্রয়োজন। অনুগ্রহ করে সম্পর্কিত আন্তঃসংযোগ প্রয়োগের মাধ্যমে নিবন্ধের উন্নয়নে সহায়তা করুন। |
| নোয়াখালী জেলা | |
| বিভাগ | চট্টগ্রাম বিভাগ |
| স্থানাঙ্ক | 22.8333° N 91.1000° E |
| আয়তন | ৩,৬০০.৯৯ বর্গ কিমি |
| সময় স্থান | বিএসটি (ইউটিসি+৬) |
| জনসংখ্যা (১৯৯১) - ঘণত্ব - শিক্ষার হার |
২৫৩৩৩৯৪ - ৭০৩.৫৩/কিমি² - ৩৭.১১% |
| ওয়েবসাইট: বাংলাপিডিয়া | |
| মানচিত্র সংযোগ: নোয়াখালী জেলার প্রাতিষ্ঠানিক মানচিত্র | |
নোয়াখালী জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে চট্টগ্রাম বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। বর্তমান নোয়াখালী জেলা আগে ফেনী, লক্ষীপুর এবং নোয়াখালী জেলা নিয়ে একটি বৃহত্তর অঞ্চল ছিল, যা এখনও বৃহত্তর নোয়াখালী নামে পরিচিত।
পরিচ্ছেদসমূহ |
[সম্পাদনা] ভৌগলিক সীমানা
চট্টগ্রাম প্রশাসনিক বিভাগের অধীন নোয়াখালী জেলার মোট আয়তন ৩৬০১ বর্গ কিলোমিটার। নোয়াখালী জেলার উত্তরে কুমিল্লা, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, পূর্বে ফেনী ও চট্টগ্রাম জেলা এবং পশ্চিমে লক্ষীপুর ও ভোলা জেলা অবস্থিত। বছরব্যাপী সর্বোচ্চ তাপমাত্রার গড় ৩৪.৩ ডিগ্রী সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রার গড় ১৪.৪ ডিগ্রী সেলসিয়াস। বছরে গড় বৃষ্টিপাত ৩৩০২ মিমি। এই জেলার প্রধান নদী বামনি এবং মেঘনা।
সৌজন্যঃ http://www.bangla2000.com
[সম্পাদনা] প্রশাসনিক এলাকাসমূহ
নোয়াখালী জেলায় ৮ টি উপজেলা রয়েছে। এগুলো হলো:
[সম্পাদনা] নোয়াখালীর শহর
নোয়াখালী সদর মাইজদি ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। শহরের মোট জনসংখ্যা ৭৪,৫৮৫; এর মধ্যে ৫১.৫০% পুরুষ এবং ৪৮.৫০% মহিলা; জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৫৯১৫। শহুরে লোকদের মধ্যে শিক্ষিতের হার প্রায় ৬০.৭০%। নোয়াখালী সদরের আদি নাম সুধারাম। ১৯৪৮ সালে যখন উপজেলা সদর দফতর মেঘনা গর্ভে বিলীন হয়ে যায়, তখন তা ৮ কিলোমিটার উত্তরে সরিয়ে বর্তমান মাইজদিতে স্থানান্তর করে হয়।
চৌমুহনী নোয়াখালীর আরেকটি ব্যস্ত শহর ও বাণিজ্য কেন্দ্র, যা একসময়ে মুদ্রণ ও প্রকাশনা ব্যবসার জন্য বিখ্যাত ছিল।
বসুরহাট শহরটি দ্রুত বেড়ে উঠছে এবং ব্যস্ত শহরের রুপ নিচ্ছে । এই শহরের অধিবাসীদের একটি বড় অংশ কাজের জন্য আমেরিকা কিংবা মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী। সম্ভবত এই জন্যেই এখানে বাড়ী এবং জমির দাম খুবই বেশি, প্রায় রাজধানী ঢাকার সমপরিমাণ।
[সম্পাদনা] ইতিহাস
নোয়াখালী জেলার প্রাচীন নাম ছিল ভুলুয়া। নোয়াখালী সদর থানার আদি নাম সুধারাম। ইতিহাসবিদদের মতে একবার ত্রিপুরা-র পাহাড় থেকে প্রবাহিত ডাকাতিয়া নদীর পানিতে ভুলুয়া-র উত্তর-পূর্বাঞ্চল ভয়াবহভাবে প্লাবিত হয় ও ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের উপায় হিসাবে ১৬৬০ সালে একটি বিশাল খাল খনন করা হয়, যা পানির প্রবাহকে ডাকাতিয়া নদী হতে রামগঞ্জ, সোনাইমুড়ী ও চৌমুহনী হয়ে মেঘনা এবং ফেনী নদীর দিকে প্রবাহিত করে। এই বিশাল নতুন খালকে নোয়াখালীর আঞ্চলিক ভাষায় "নোয়া (নতুন) খাল" বলা হত, এর ফলে "ভুলুয়া" নামটি একসময়ে পরিবর্তিত হয়ে ১৬৬৮ সালে হয়ে যায় "নোয়াখালী"।
নোয়াখালীর ইতিহাসের অন্যতম ঘটনা ১৮৩০ সালে নোয়াখালীর জনগণের জিহাদ আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ ও ১৯২০ সালের খিলাফত আন্দোলন। জাতিগত সংঘাত ও রায়টের পর ১৯৪৬ সালে মহাত্মা গান্ধী নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলা ভ্রমণ করেন। বর্তমান বেগমগঞ্জ উপজেলার জয়াগ নামক স্থানে গান্ধীজির নামে একটি আশ্রম রয়েছে, যা "গান্ধী আশ্রম" নামে পরিচিত।
১৭৯০ সালের পর হতে নোয়াখালী জেলা বহুবার ঘুর্ণিঝড়, বন্যা, টর্নেডো, সাইক্লোন ইত্যাদি বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে পতিত হয়। ১৯৭০ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে প্রায় ১০ লক্ষ লোকের প্রাণহানি ঘটে, যার মধ্যে নোয়াখালী জেলার অনেকে ছিলেন। ১৯৭১-এর স্বাধীনতা সংগ্রামে পাক হানাদার বাহিনীর সাথে বহু রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে নোয়াখালীর মাটি রঞ্জিত হয়ে আছে। ১৫ই জুন, ১৯৭১ সালে সোনাপুর আহমদীয়া স্কুলের সম্মুখ যুদ্ধে প্রায় ৭০ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হয়। ১৯৭১ সালের ১৯ আগস্ট পাকবাহিনী বেগমগঞ্জ থানার গোপালপুরে গণহত্যা চালায়। নিহত হন প্রায় ৫০ জন নিরস্ত্র মানুষ। নোয়াখালী জেলা স্বাধীন হয় ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর। ন্নহগ ===
[সম্পাদনা] অর্থনীতি
নোয়াখালী জেলার মোট আয় ৩৭৮ কোটি টাকা (১৯৯৯-২০০০)। জেলার মোট আয়ের ৪৮% আসে চাকরি বা সেবামূলক খাত থেকে। অপরদিকে আয়ের মাত্র ১৭% আসে শিল্পখাত থেকে। নোয়াখালী জেলার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রায় ৬ শতাংশ হারে হচ্ছে। নোয়াখালী জেলার মানুষের মাথা পিছু আয় ১৩,৯৩৮ টাকা (১৯৯৯-২০০০)।
==বৃহত্তর নোয়াখালী জেলার মুক্তিযোদ্ধা== জনাব মাহবুবুর রহমান বেলায়েত, এডভোকেট মোমিন উল্লাহ্, আব্দুল কাদের, মৌলভী সফি উল্যাহ, খিজির হায়াত খান, আবু নাছের, নূরুল আলম, এ,কে,এম আজাদ চৌধুরী, এমরান মোঃ আলী, মোঃ মোশার্রফ হোসেন, আবুল হোসেন বাঙ্গালী প্রমুখ
[সম্পাদনা] বৃহত্তর নোয়াখালী জেলার কৃতি সন্তান
- ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ
- বঙ্গবীর শমসের গাজী
- মাওলানা ইমাম উদ্দীন বাঙ্গালী (র.)
- ক্বারী মৌলভী ইব্রাহীম (র.)
- হযরত মাওলানা কারামত আলী (র.) জৈনপুরী
- খান বাহাদুর আবদুল আজিজ বি এ
- আব্দুল বারী কবি রত্ন
- মাইনিং ইঞ্জিনিয়ার ওবায়েদ উল্যা
- আলহাজ্ব খান বাহাদুর মোহাম্মদ গাজী চৌধুরী
- খান সাহেব সফর আলী মাষ্টার
- মৌলভী মোহাম্মদ ইব্রাহীম
- হাজী আবদুর রশীদ খান
- খান বাহাদুর রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী
- আবদুল হালিম ম্যাজিস্ট্রেট
- মোহাম্মদ উল্যাহ হাফেজ্জী হুজুর (র.)
- খান বাহাদুর আবদুল গোফরান
- মুজফ্ফর আহমদ
- স্যার এ এফ রহমান
- শাহ সৈয়দ গোলাম সারওয়ার হোসাইনী (রা.)
- ফজলুর রহমান উকিল
- বিচারপতি আমিন আহমেদ
- আবুল হাসনাত মোহাম্মদ আবদুল হাই
- হামিদুল হক চৌধুরী
- মোহাম্মদ ওয়ালী উল্লাহ
- মুহাম্মদ মাসউদ (মোক্তার)
- হাবিবুল্লাহ বাহার চৌধুরী
- অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান
- ডঃ এম আবদুল কাদের
- জাষ্টিস এ কে এম বাকের
- এডভোকেট বেলায়েত হোসেন
- সামসুন নাহার মাহমুদ
- খাজা আহমদ
- আবদুস সালাম
- অধ্যক্ষ এম এ ওয়াদুদ
- এ কে জালাল আহম্মদ
- ড. আবদুল মতিন চৌধুরী
- মুজাফফর আহমদ চৌধুরী
- অধ্যক্ষ তাফাজ্জল হোসাইন
- আবদুল মালেক উকিল
- আলহাজ্ব খলিলুর রহমান
- কাজী মাহফুজুল হক
- মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান
- সাংবাদিক ইকবাল হোসেন মজনু
(৪৩) কবি জালাল আহমদ চৌধুরী (১৯১৮-১৯৮৯) (৪৪) ডক্টর খলিলুর রহমান (১৯২৩-১৯৭৮), (৪৫) ডঃ সিরাজুল হক খান (১৯২৪-১৯৭১), (৪৬) সাবেক প্রধান বিচারপতি ব্যরিষ্টার বদরুল হায়দার চৌধুরী (১৯২৫-১৯৯৮), (৪৭) অধ্যক্ষ ওবায়েদ উল্যা মজুমদার (১৯২৮-১৯৯৮), (৪৮) অধ্যক্ষ লুৎফল হায়দার চৌধুরী (??-১৯৮৮), (৪৯) আলহাজ হযরত মাওলানা নুরুল আমিন আতিকী (রঃ) (১৯২২-১৯৮০), (৫০) এ এইচ এম আবদুল হাই (১৯২৮-১৯৯৩), (৫১) রুহুল আমিন হেডমাষ্টার (১৯২৫-১৯৮৭), (৫২) খায়েজ আহমদ (১৯২৫-১৯৯৩), (৫৩) মহান ভাষা আন্দোলনের অমর শহীদ সালাম (১৯২৭-১৯৫২), (৫৪) শহীদুল্লাহ কায়সার (১৯২৬-১৯৭১), (৫৫) মামুন মাহমুদ (১৯২৮-১৯৭১), (৫৬) আমিরুল ইসলাম কালাম (১৯২৯-১৯৮৪), (৫৭) মাওলানা লৎফর রহমান (১৯৩০-১৯৮৭), (৫৮) রফিক উল্যাহ মাষ্টার (১৯৩৩-১৯৯৬), (৫৯) সার্জেন্ট জহুরুল হক (১৯৩৫-১৯৬৯), (৬০) ডঃ মফিজুল্লাহ কবির (১৯২৫-১৯৮৬), (৬১) জহির রায়হান (১৯৩২-১৯৭২), (৬২) শহীদ বুদ্ধিজীবী এ এন এম মুনীর চৌধুরী (১৯২৫-১৯৭১), (৬৩) মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী (১৯২৬-১৯৭১), (৬৫) সহিদ উদ্দিন এস্কেন্দার (কচি ভাই) (১৯৩২-১৯৭৮), (৬৬) রফিক উল্যা চৌধুরী (১৯৩৭-১৯৮৯), (৬৭) ডঃ সৈয়দ লৎফল হক (১৯৪৬-১৯৯২), (৬৮) এটর্নি জেনারেল আমিনুল হক (১৯৩৩-১৯৯৫), (৬৯) শহীদ বীর শ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন (১৯৩৪-১৯৭১), (৭০) ডাঃ আবুল খায়ের (১৯৩৫-১৯৯১), (৭১) সৈয়দ নুরুল আলম চৌধুরী (বাচ্চু মিয়া) (১৯৩৬-১৯৯৮), (৭২) ডঃ খালেদ মাসুকে রাসুল (১৩৫০-১৪০২ বাংলা), (৭৩) হুমায়ুন জহির (১৯৪৮-১৯৯৩), (৭৪) কন্ঠ শিল্পী ফিরোজ সাঁই (১৯৫৩-১৯৯৫), (৭৫) জহুর হোসেন চৌধুরী (১৯২২-১৯৮০), (৭৬) শ্রী শান্তি রঞ্জন কর্মকার (১৯৩৮-১৯৯৩), (৭৭) এহতেশাম হায়দার চৌধুরী (১৯৩১-১৯৮৪), (৭৮) কবি আবদুল হাকিম (১৬২০-১৬৯০), (৭৯) এ এফ এম কামাল উদ্দীন (১৯৩৭-১৯৮৮), (৮০) সৈয়দ আবদুল মজিদ (১৮৯৫-১৯৫৫), (৮১) মৌলভী সায়েদুল হক (১৮৯২-১৯৮০), (৮২) খান বাহাদুর নুরুল হক (১৮৯৫-১৯৭৪), (৮৩) জালাল উদ্দিন আহমদ (১৯১০-১৯৯৩), (৮৪) ইঞ্জিনিয়ার দেলোয়ার হোসেন (-১৯৯০), (৮৫) আবদুল হালিম মাষ্টার (১৯১২-১৯৬৭), (৮৬) মহেন্দ্র কুমার সাহা (১৮৯১-১৯৮২), (৮৭) বদরুদ্দীন হায়দার চৌধুরী (-১৯২৩), (৮৮) মুহাম্মদ ফজলুল্লাহ (চুননু মিয়া) (-১৯৫৪), (৮৯) মমতাজ উদ্দীন আহমদ ভূঞা (১৮৮২-১৯৭৪), (৯০) মজিবুর রহমান মোক্তার (১৮৯৪-১৯৫৭), (৯১) এম এ মোহাইমেন (১৯২১-১৯৯৪), (৯২) এডভোকেট আবদুল হাকিম (১৮৯৭-১৯৮৩), (৯৩) আলহাজ্ব মকবুল আহমদ উজ্জলপুরী (১৯১০-১৯৯১), (৯৪) আবদুল জব্বর খদ্দর (১৮৯৭-১৯৭৭), (৯৫) মোহাম্মদ তোয়াহা (১৯২২-১৯৮৭), (৯৬) ডঃ মাজহারুল হক (১৯১১-১৯৭৫), (৯৭) মোহাম্মদ আবদুর রহমান (১৯৩৮-১৯৮৬), (৯৮) মোহাম্মদ আবুল মঞ্জুর (১৯৪০-১৯৮১), (৯৯) মাহমুদুল হক চৌধুরী (১৯৩৭-১৯৯৮), (১০০) শ্রী গোপেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী (দুলাল বাবু), (১০১) হযরত মাওলানা মোঃ নুরুল্লাহ ছাহেব (রঃ) (১৯০৮-১৯৬৮), (১০২) হাজী আবদুর রাজ্জাক মাষ্টার (১৮৮১-১৯৯৮), (১০৩) মাহবুবুল হক (১৯২২-১৯৭৪), (১০৪) শৈলেশ চন্দ্র রায়, (১০৫) অধ্যাপক ডঃ আফতাব আহমাদ (১৯৪৯-২০০৬), (১০৬) শিল্পপতি এম এ হাশেম, (১০৭) বরকত উল্লাহ ভূলু, (১০৮) ওবায়দুল কাদের, (১০৯) ব্যরিষ্টার মওদুদ আহমেদ, (১১০) আবদুল আউয়াল মিন্টু, (১১১) বেগম খালেদা জিয়াফভ (১১২)মৌলভী আবদুল আউয়াল(১৯০১-১৯৯৯)(১১৩)[[েমাঃআবদুর রব ভূঁইয়া (েঘাষকামতা)(১১৪) আয়শা আক্তার নূর[প্রফেসর আবদুল জলিল (১৯৪০-২০০১)]
[সম্পাদনা] চিত্তাকর্ষক স্থান
নিঝুম দ্বীপ - এটি নোয়াখালী জেলার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
শহীদ ভুলু স্টেডিয়াম - আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ভেন্যু।
বজরা শাহী মসজিদ - বজরা।
লুর্দের রাণীর গীর্জা - সোনাপুর।
গান্ধি আশ্রম - জয়াগ, সোনাইমুড়ি।
ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল - ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল, চর জব্বর।
নোয়াখালী জেলা জামে মসজিদ - মাইজদী।
নোয়াখালী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার - মাইজদী।
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোঃ রুহুল আমিন গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর - সোনাইমুড়ী।
[সম্পাদনা] উল্লেখযোগ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সমূহ
Noakhali Ideal Polytechnic Institute - Maijdee court, Noakhali
Noakhali Technical School & College - Maijdee court, Noakhali
বেগমগন্জ টেক্সটাইল ইন্জিনিয়ারিং কলেজ, নোয়াখালী
মাহবুবুর রহমান সরকারী ডিগ্রী কলেজ - চাটখিল।
খোয়াজের বিটি আলিয়া মাদ্রাসা - চাটখিল ।
সোমপাড়া ডিগ্রি কলেজ - চাটখিল।
চাটখিল পি.পি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় - চাটখিল ।
চাটখিল সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় - চাটখিল।
সোমপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় - চাটখিল।
সোমপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় - চাটখিল।
খিলপাড়া বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয় - চাটখিল।
বসুরহাট সরকারি মুজিব কলেজ কোম্পানীগঞ্জ।
বসুরহাট সরকারি এ এইচ সি উচ্চ বিদ্যালয় কোম্পানীগঞ্জ।
বসুরহাট ইসলামিয়া সিনিয়র আলীয়া মাদ্রাসা কোম্পানীগঞ্জ।
কোম্পানীগঞ্জ মডেল স্কুল (কেজি) কোম্পানীগঞ্জ।
বামনী আছিরিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা কোম্পানীগঞ্জ।
Software Information Technology Limited (SOFT IT) মাইজদি।
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় - সোনাপুর
নোয়াখালী জিলা স্কুল - জেলার অন্যতম প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
নোয়াখালী সরকারি কলেজ - অপর প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
সোনাপুর ডিগ্রি কলেজ - সোনাপুর।
বেগমগন্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় - বেগমগন্জ।
নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় - মাইজদি।
অরুণ চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় - মাইজদি বাজার।
হরিণারায়ন পুর উচ্চ বিদ্যালয় - হরিণারায়নপুর
বিদ্যানিকেতন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় - মাইজদি বাজার।
চৌমুহনী মদন মোহন উচ্চ বিদ্যালয় - চৌমুহনী।
গণিপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় - গণিপুর, চৌমুহনী।
চৌমুহনী সরকারি সালেহ আহমেদ কলেজ - চৌমুহনী।
ব্রাদার আন্দ্রে উচ্চ বিদ্যালয় - সোনাপুর।
পৌর কল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয় - মাইজদী।
এম এ রশিদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় - মাইজদী।
আহমদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় - সোনাপুর।
নোয়াখালী আইন মহাবিদ্যালয় - মাইজদী।
নোয়াখালী পাবলিক কলেজ - মাইজদী।
নোয়াখালী কৃষি ইন্সিটিউট - বেগমগঞ্জ।
চর বাটা খাসের হাট উচ্চ বিদ্যালয় - সুর্বণ চর।
একলাসপুর উচ্চ বিদ্যালয় - বেগমগঞ্জ।
পূর্ব একলাসপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় - বেগমগুঞ্জ।
কাদিরপুর উচ্চ বিদ্যালয় - বেগমগঞ্জ]]
কবির হাট সরকারী কলেজ, কবির হাট।]]
জমিদার হাট বি এন উচ্চ বিদ্যালয় l জমিদার হাট।
ইআর পুর উচ্চ বিদ্দালয়, সেনবাগ]]
Kabirhat High School-Kabirhat
[সম্পাদনা] উল্লেখযোগ্য সংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান
নোয়াখালী জেলা শিল্পকলা একাডেমি - জেলার অন্যতম প্রধান সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র।
নোয়াখালী শিশু একাডেমি - শিশু কিশোরদের শিল্প সংস্কৃতি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
কচিকাঁচার মেলা - মাইজদি।
নোয়াখালী জেলা উদীচী শিল্পি গোণ্ঠী - উদীচী শিল্পি গোণ্ঠীর নোয়াখালী জেলা শাখা।
আলতাফ মাহমুদ সঙ্গীত বিদ্যালয় - নোয়াখালী জেলা উদীচী কর্তৃক পরিচালিত সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র্।
[সম্পাদনা] নোয়াখালী থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র
নোয়াখালী ওয়েব (আপনার কমিউনিটি, আপনার সংবাদ)
নোয়াখালী কন্ঠ
দৈনিক জাতীয় নিশান
দৈনিক জনতার অধিকার
সাপ্তাহিক নয়াসংবাদ
সাপ্তাহিক চলমান নোয়াখালী
পাক্ষিক লোকসংবাদ
[সম্পাদনা] উন্নয়ন সংগঠন
ডিজিটাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন(ডিডিএফ)
স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন অফ চাটখিল উপজিলা
দিগন্তের ডাক-
গান্ধী আশ্রম ট্রাস্ট
নোয়াখালী পল্লি উন্নয়ন সংস্থা-এন.আর.ডি.এস
বন্ধন
রিমোল্ড
পার্টিসিপেটরি রিসার্চ এন্ড অ্যাকশন নেটওয়ার্ক- প্রান
সাগরিকা
দ্বীপ উন্নয়ন সংস্থা
উপমা
ঘরণী
[সম্পাদনা] বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা] আনুষঙ্গিক নিবন্ধ
|
|||||||||||||||||||||||||
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |